আজম কোয়ান্টাম সাই ফাই
১৪ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৩৬০
আমার মন্তব্যঃ দারুণ আইডিয়া। খুব সুন্দর হয়েছে। +++++++++
সময় পেলে পরে আরো গুছিয়ে নিও।
আর, এত্ত সুন্দর কথাটা লিখলা কিভাবে--- 'আগেই বলেছি,আপনারাই সবচেয়ে শক্তিশালী এবং আনপ্রেডিকটেবল।আপনাদের সাথে বন্ধুত্বতার হাত বাড়াতে গিয়ে কেন বিপদ ডেকে আনব বলুন?'
এর চেয়ে খাঁটি কথা আমাদের সম্বন্ধে আর হয় কি?
*********
আজমঃ হুম...চেষ্টা করব রিভিউ দেয়ার,কিন্তু হবে কিনা জানিনা।
কখন কি লিখছি তার কি কোন ঠিক আছে ? :)
যা মনে আসছে,তাই লিখছি....
এত মনোযোগ দিয়ে পড়েছেন বলে ভালো লাগল। অনেক ধন্যবাদ আপু।
*********
০৩ রা আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৩৭০
শান্তির দেবদূত বলেছেন: আরও ভালো হতে পারতো :( ........ অনেক কিছু যেমন, "রোবট ফুটবল, তাদের বিদ্রোহ, কোয়ান্টাম সায়েন্স, এলিয়েন" ছোট পরিসরে চলে এসেছে। যেহেতু অনেক বিষয় এসেছে গল্পে তাই, আরও বড় করে গুছিয়ে লিখলে বেশি ভালো হতো।
***************
১৩ই জুন ২০১০
রিফাত হোসেনঃ তবে যাই করুক । বিজ্ঞানীরা কখনই একেবারে শূণ্য থেকে প্রাণ সৃষ্টি করতে পারবে না । এই প্রাণের জন্য দরকার উপাত্ত । সুতরাং উপাত্তহীন প্রাণ অসম্ভব সুতরাং ;) বিজ্ঞানীরা প্রকৃতী বা অন্য কথায় উপাত্ত নির্ভর ।
যতই কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা সৃষ্টি করুক অথবা তাদের চিন্তা চেতনার এলগরিদম এর সেলফ কাস্টমাইজেশন পদ্ধতি রচনা করুক তার একটা সীমা বদ্ধতা আছে । :)
এমনকি খোদ মানুষেরও সীমাবদ্ধতা আছে সুতরাং এটা কখনই স্বীকার করা সম্ভব হবে না যে মানুষ সৃষ্টি করেছে ! বরং একে বিবর্তন করেছে । যদিও প্রারম্ভে মানুষ বলে সৃষ্টিই করেছে । কিন্তু তা বিভিন্ন উপাত্তের সমন্বয়ে । :)
ধরা হয় যদি, মানব সৃষ্টি হয়েছে বানর থেকে বানর সৃষ্টি হয়েছে বা বিবর্তিত হয়েছে কোথা থেকে । ধরা হতে পারে বানর সৃষ্টি হয়েছে আরেক অজানা প্রজাতী থেকে আবার সেই প্রজাতী সৃষ্টি হয়েছে প্রকৃতির জৈবিক পদার্থের সমন্বয়ে আবার সেই জৈবক পদার্থ সৃষ্টি হয়েছে নাম না জানা অন্য সব পদার্থের সমন্বয়ে । তো কেচোঁ খুড়তে খুড়তে এই সৃষ্টির শুরুটা কোথায় ???
সেটাই হবে মূল প্রাণ ভ্রোমরা :)
অফ টপিক
বিজ্ঞানীরা কৃত্তিম প্রান সৃষ্টি বাদ দিয়ে মানুষকে আমৃত্য করতে, কেন জোরাল গবেষনা করছে না । যদিও গবেষনা হচ্ছে কিন্তু এতে ফলাফল শূণ্য ।!!!
*********
১৪ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৪২০
লেখক বলেছেন: মজাই লাগল...তবে আপনার সমালোচনা মন্তব্যের একটা সমালোচনা করি ;)
আর একটু সহজ ভাষায় বললে হতোনা?,অনেক কিছুই তো বুঝি নাই :(
এখানে প্রাণের যে ব্যাপারটা বললাম, সেটা রাসায়নিক দৃষ্টি দিয়ে দেখা হয় নি,তাই ডিএনএ কিংবা এ্যমিনো এসিডের ব্যাপারটা এড়িয়ে গেছি। আর এটাও মনে রাখতে হবে আমি কোনপ্রান রসায়নবিদ নই।কোন নিখুত মডেল তো কল্পগল্পে দিতে পারব না।আমার এই ধারনার পেছনে মূল কারন কম্পিউটার কখনো র্যান্ডম নাম্বার দিতে পারে না, কিন্তু আমরা মানুষরা পারি।তবুও এর মধ্যে অনেক প্রশ্ন থেকে যায়।আমার শুধু এইটুকু মনে হয়েছে, মানুষের মত যদি র্যান্ডম নাম্বার মেশিন জেনারেট করতে পারে করতে পারে তাইলে হয়ত প্রান মডেলিং সম্ভব।তবে ব্যাপারটা গাছে কঠাঁল গোপেঁ তেলের মত হয়ে গেছে :)
গল্প লেখার সময় খুব অস্তিতে ছিলাম, কারন অনেক কিছু লিখেছি যেইটার ঠিক আমার ধারনা সাথে মিলে না, কিন্তু আমি তো বিজ্ঞান নিয়ে লিখছি না...লিখছি কল্পবিজ্ঞান।তাই কল্পনাকে প্রাধান্য দিলাম। এই জন্যই বলেছি ফিকশনের মাঝে কিছু সমস্যা আছে।
আর সমালোচনা পেতে সব সময় ভালো লাগে, এতে গল্পের মূল থিমটা আরো পরিস্কার হয়।