Aug 11, 2009

জৈন কারা

আমার মন্তব্য

জৈন মন্দির, অ্যান্টওয়ার্প, বেলজিয়াম

 জৈন কারা

হুমায়রা হারুন বলেছেন: +++++++++

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

Aug 1, 2009

হ্যালিক্স নেবুলা

 

.
 ০১ লা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

০

প্রতিধ্বনি, তুমিতো বলেছেন: ++



নব আলোকে বাংলার পরবর্তি সংখ্যা কবে আসছে?

 ০১ লা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৯

০

লেখক বলেছেন: আর একটু দেরী...

০১ লা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৭০

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: জ্যোতির্বিদ্যার সাথে দেখি আপনার বিয়েই হয়ে গিয়েছে!B-) তা দেন মোহর কত ছিল!=p~

০১ লা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫০০

লেখক বলেছেন: এত ভাল লাগার সাথে দেনমোহরের হিসাব কি চলে?

৪. ০১ লা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৮০

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: কেন বেশি ভালোবাসা বাসি হলে দেন মোহর মাফ! বাহ্! ভালো বুদ্ধি দিলেন তো!:D

০২ রা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৭০

লেখক বলেছেন: বেশী ভালবাসা বাসিতে পার্থিব হিসাব গুলো তুচ্ছ মনে হয়।
; ০২ রা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২১

০

আকাশ অম্বর বলেছেন:



হ্যাঁ, একদিন মানুষ নিশ্চয়ই স্মৃতিকাতর হবে এই ভেবে যে 'মানুষের পূর্ব আবাসস্থল ছিল পৃথিবী নামক এক গ্রহে সূর্য নামক সৌরমণ্ডলের অধীনে মিল্কিওয়ে নামক ছায়াপথে।'





শুভকামনা।

১৯ শে জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৫০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভাশীষ।;

০২ রা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২০০

রেড ওয়াইন বলেছেন: প্লাসাইলাম। :)

১৯ শে জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৪০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫০০

টোনা বলেছেন: ভালো পোস্ট .. ++


রসনা বিলাস - সাঈফ শেরিফ

 



আলোকিত কন্ঠহার

২২ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭০

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: অনেক আগ্রহ নিয়ে শুরু করেছিলাম এস্ট্রোনমি এন্ড অ্যাসট্রোফিজিক্স এর অধ্যয়ন। বাংলাদেশ এস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশনের মহাকাশ বার্তার গ্রাহক ছিলাম। ইউ এস এর প্ল্যানেটারী সোসাইটির ম্যাগাজিনও পেতাম।রাত জেগে নক্ষত্র দর্শন ও খোজা।



পরে দেখলাম ওটা শুধুই বড়লোকের বিলাসিতা। ক্ষুধা আর কষ্ট জর্জর মাটিতে দাড়িয়ে উপরে তাকানোর সুযোগ হয়না এখন।

২৩ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:৫৮০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাঈফ।

রিসার্চের মূলে দরকার টাকা । তা আমাদের নেই বলেই রিসার্চ নেই... শুধুই থেমে থাকা।

https://www.somewhereinblog.net/blog/blood_fuelledblog/28987031

০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৩১

০

হুমায়রা হারুন বলেছেন: মাই গড্‌!

০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩০

লেখক বলেছেন: এত গড গড করলে আর আকাশের তারা গুণে বেড়ালে রান্না বান্না করবে কে? পেট তো চালাতে হবে আগে, পরে অন্য কিছু।

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪০

লেখক বলেছেন: মা রান্না করলে আড্ডাটা রান্না ঘরেই দিতাম। মাঝে মাঝে তেল পেয়াজ নাড়ানাড়ির কাজও করে দিয়েছি। :)। সেখান থেকে দেখা। হুম ভারী তোয়ালে দিয়ে মুড়িয়ে দিতেন। আজকাল কার প্রজন্মের দৌড় ম্যাগি নুডুলস ফুটিয়ে খাওয়া পর্যন্ত। রান্না ঘরের গরমে মা কত কষ্ট করছেন সেটি দেখার চেয়ে বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে মেয়েরা বেশি পছন্দ করে। যাক টুশকিটা এখানে মন্তব্য করতে আসেনি, ভালই হয়েছে।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১০

লেখক বলেছেন: না না কুরিয়ারে, কেরিয়ারে খাওয়া চলবেনা। সামনা সামনি খেয়ে প্রতিক্রিয়া দেখাবো (ইয়ামি/ইয়াক)। :Pপিচ্চিকে দেখতে গেলে সাথে কিছু লজেন্স, চকলেটও নিয়ে যাব, কী খুশি?

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১২০

কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার একটা রান্নার পোস্ট। খুব মজার সব বাঙালী খাবারের বর্ণনা। প্রিয়তে রেখে দিলাম।

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৭০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। খাদ্য তালিকায় একটু উত্তরবঙ্গের রান্না প্রাধান্য পেয়েছে, কেউ তার এলাকা ভিত্তিক পছন্দের তালিকা দিলে আরো ভাল হত।

 ২৩ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩৭০

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: খালি গ্যালাক্সি নিয়ে লিখলে হবে? রহস্যময় ধূমকেতু নিয়ে কিছু লিখুন। কিংবা অন্য সৌরজগতের কোন গ্রহ নিয়ে ।

২৩ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৪৬০

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে লিখবো।







০১ লা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৭০

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: জ্যোতির্বিদ্যার সাথে দেখি আপনার বিয়েই হয়ে গিয়েছে!B-) তা দেন মোহর কত ছিল!=p~

০১ লা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫০০

লেখক বলেছেন: এত ভাল লাগার সাথে দেনমোহরের হিসাব কি চলে?

৪. ০১ লা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৮০

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: কেন বেশি ভালোবাসা বাসি হলে দেন মোহর মাফ! বাহ্! ভালো বুদ্ধি দিলেন তো!:D

০২ রা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৭০

লেখক বলেছেন: বেশী ভালবাসা বাসিতে পার্থিব হিসাব গুলো তুচ্ছ মনে হয়।

 ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪১০

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: ছোট্ট একটি তথ্য মিসিং পাচ্ছি। ঘূর্ণায়মান তারকারাজি ব্ল্যাক হোল থেকে কত দূরে থেকে প্রদক্ষিণ করছে? আমার শোনা মতে ব্ল্যাক হোলের মাধ্যাকর্ষণ এমন পর্যায়ের যে আলো বিকিরিত হতে না দিয়ে আকর্ষণ করে নিজের মাঝে টেনে নেয়, (ফলাফল চরম অন্ধকার)যেটির মান পৃথিবীর মার্ধ্যাকর্ষণের প্রায় এক মিলিয়ন গুণ। সে সুবাদে কত দূরত্বে থাকলে কেন্দ্রমুখী ও কেন্দ্রবিমুখী বল সমান হয়ে ব্ল্যাক হোলকে কেন্দ্র করে ঘুরবে, কিন্তু ব্ল্যাক হোলের পেটে চলে যাবেনা, সে তথ্যটি কৌতূহল উদ্দীপক।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১০

লেখক বলেছেন: ১৯৯৩ সনের নীলাভ রশ্মির দর্শনে এর উতপত্তি রহস্য খুঁজতে গিয়ে এই সিদ্ধান্তে বিজ্ঞানীরা উপনীত হয়েছেন মাত্র, যে অপেক্ষাকৃত নবীন নক্ষত্রের আধার হলো এই নীলাভ রশ্মি। বয়স ২০০ মিলিয়ন বছর মাত্র। যেখানে গ্যালাক্সিটির বয়স হল ১২ বিলিয়ন বছর।

আর ব্ল্যাকহোলকে ঘিরে নক্ষত্রের এই বলয়টি ছিন্ন ভিন্ন না হয়ে সেখানে কিভাবে টিকে আছে তার কারণ এখনো অজানা। ব্ল্যাকহোলের কত দূর দিয়ে আছে এই বলয়টি তাও জানেন না, শুধু কত গতিতে তারাগুলো ঘূর্ণায়মান তার একটি হিসাব বের করেছেন কাগজে কলমে আমাদের জানা ফিজিক্স দিয়ে।

কি ভাবে এই ঘটনাটি ঘটে চলছে তা যদি জানা যায় তাহলে ব্ল্যাক হোল সম্বন্ধীয় যাবতীয় ধারণা এবং পুরো ঘটনাটির পিছনে কি ধরণের ফিজিক্স কাজ করছে তা আমাদের বর্তমান সব ফিজিক্সকে অর্থহীনও করে দিতে পারে ভবিষ্যতে।


কেমন আছেন?

কারিনা নেবুলা

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৩০

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: বাই দা ওয়ে, আপনার কী দূরবীন জাতীয় কিছু আছে? বা পছন্দের কোন 'স্পেসিফিকেশন' যেটি শৌখিন জ্যোতির্বিদ দের সব আগ্রহ মেটাবে। ঢাকায় সাইন্স ল্যাবের বিপরীতে ড. রেইফুলাসর সেন্টারে কাচে ঘেরা শো রুমে কিছু দূরবীন দেখেছিলাম মনে হয়। দাম কেমন দেশে? বিদেশ থেকে আনাতে পারলে সস্তাই পড়বে আশা করি।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৪০

লেখক বলেছেন: আমার ল্যাবে ছিল। আমার সুপারভাইজার আমাকে স্যাটার্ন এবং সেই সময়ের একটি ভ্রাম্যমাণ কমেট দেখিয়েছিলেন, ২০০৪ এর সেপ্টেম্বর মাস তখন।



বিদেশ থেকে আনবেন অবশ্যই। দাম আমার কাছে সস্তা মনে হয়েছে। এখানে দূরবীন জাদুঘরের শো কেসে রাখে না বাংলাদেশের মত , সবাই ব্যবহার করে। তাই সহজলভ্য।

আপনার ব্লগে (নরকের স্রষ্টার কাছে কৃপা সন্ধান ও অকাল মৃত্যুর প্রতীক্ষা) একটি লিংক দিয়েছিলাম আপনার দেখার জন্য সেই দু মাস আগে। দেখেছিলেন কি?

মন্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছি এখনো।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৭০

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: গল্পের শুরুটা বিরক্তিকর, সেই টিনটিনের ফ্লাইট ৭১৪ কার্টুন কাহিনী। মাথার ভিতরে কে যেন (ভিন গ্রহবাসী!!) কথা বলে বাচ্চা একটি ছেলেকে ঘুরাচ্ছে, খেলছে, স্মৃতি নিয়ে কারসাজি করছে। টেলিপ‌্যাথি বা সিম্বলিক ভাষা যাতে আত্মারা যোগাযোগ করতে পারে এরকম কিছুর ব্যাপারে আগ্রহ দেখানো বা গবেষণা করাটা অহেতু পাগলামি মনে হয়। মেডিটেশন করে সেই অব্যক্ত, অব্যবহৃত ভাষা শক্তিকে বের আনার জন্য জঙ্গলে গিয়ে ধ্যান মগ্ন হওয়া, লেখা পড়া ছেড়ে দেবার অদ্ভুতুড়ে কাহিনীতে খুব একটা আগ্রহ পাইনি। এই ভাষার জোরে কল্পিত ভিন গ্রহবাসী থেকে শুরু করে মৃত লোকের সাথে যোগাযোগে সম্ভাব্যতা যাচাই, আরেক ধরনের কৌতুক।

লাইরা নক্ষত্রপুঞ্জে কথিত সবচেয়ে প্রবীণতম মানব জাতির বসতি, তাদের নামকরণ প্রক্রিয়া ধারা পাত এবং ঘটনাচক্রে লাইরাবাসীদের স্পেস শিপে করে সদল বলে পালিয়ে আসার কাহিনী দিয়ে খুব উন্নত মানে ফিকশন করা যাবে। কিন্তু আমার মত পাঠকের মৃত্যু হওয়াতে এ ধরনের ভিডিও ২০ মিনিটের বেশি দেখার ধৈর্য্য হল না।

তারপরেও একটি মাত্র প্রশ্ন করার ছিল। গল্প বানাক, বা সত্যি সত্যিই দেখুক ভিনগ্রহবাসীদের উড়োজাহাজ চাকতির মতই হবে এ বদ্ধমূল ধারণা কোথা থেকে এল? এতকালের আকাশে উডন্ত চাকতি দেখার যে ফ্যান্টাসি, সেটি মাথায় নিয়ে কিছু ভয়ংকর সিজোফ্রেনিক দশা পার করেছে বিলি, ফলে সে ও তার গ্রামের লোকজন খালি চোখে চাকতি দেখবার গল্প শুনিয়ে গিয়েছে সবাইকে । মাথার মাঝে কথিত নির্দেশক (ঘটনাচক্রে যার কন্ঠ স্বর নারীদের মত হয়ে যায়, তাকে বিয়ে করে নিজের জীবন গড়ে নেবার সময় দিবার জন্য.....পরে ফিরে আসার কথা বলে ) তার অবচেতন মনেরই একটি অংশ, স্বপ্নে আমরা যেমন কাহিনী, কথার দঙ্গলে পড়ি, বিলি সেটা জাগরণেই পড়ত, পেত, অনুভব করত। তবে সত্যি সত্যিই যদি চাকতি চেপে ভিনগ্রহ বাসী আসে, তাহলে মানুষের কল্পনার সাথে যে কাকতালীয় মিল হবে সেটি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিস্ময় হবার দাবি রাখে।

ব্যক্তিগতভাবে আমি ভিনগ্রহে প্রাণী থাকার ব্যাপারে , আরো পরিস্কার করে বলতে ভিনগ্রহবাসী খুজে পাওয়ার ব্যাপারে (যদিও থেকে থাকে) কোন কালেই আশাবাদী বা বিশ্বাসী নই। কিছু গবেষণার থাকলে পুরোপুরি অক্ষরজ্ঞান হীন আরবের নবী মুহাম্মদ কীভাবে কালজয়ী কোরআন লিখলেন এবং তাতে আদৌ কোন ভিন গ্রহবাসীর টেলিপ‌্যাথিক সহায়তা আছে বা ছিল নাকি, সেটি অবিশ্বাসী বিজ্ঞানীদের গবেষণার বিষয় হওয়া উচিত।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০৪০

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় আপনি রায়েলের বই টি পড়লে আরো সব উত্তর পেয়ে যাবেন।

rael.org এ যেয়ে The Intelligent Design পাবেন ফ্রি বুক।ওখানে নূহ (আঃ) নবী থেকে শুরু করে মোহাম্মদ সাঃ এর সকল ঘটনা গুলো খুব সুন্দর করে বলে দিয়েছে । ওনারা ও যে ET কন্টাক্টি ছিলেন তারও ধারণা পাওয়া যায়।

নবীজীর মাধ্যমে বলা এত অ্যাডভান্সড সাইন্স কোরানে লেখা সম্ভব হয়েছিল সেই সময়ে কিভাবে তারই ধারণা পাবেন।

ক্রপ সার্কেল (Click This Link) প্যাটার্নে ET দের স্পেইস ক্রাফট ডিজাইনও দেখা যায় । যদিও আমরা সেই টেকনোলজি থেকে বহু দূরে এবং ওসব প্যাটার্ন ও বিশদ বুঝতে পারি না তাই স্পেস শিপের আকৃতি কেন ওরকম হয় বলা কঠিন।

;

;


;