May 17, 2026

শিশু সাহিত্য

 রুশ শিশু সাহিত্য - জ্যোতির্ময় ধর


১৭ ই মে,২০২৬ বিকাল ৬ঃ৪৭ 

আমার মন্তব্য ঃ আমার বাল্যকালে শিশু সাহিত্যের বই ছিল না। অনেক খুঁজে আমার পিতা মাতা তলস্তয় এর শিশু সাহিত্য বই টি পেলেন বাজারে। বইয়ের প্রচ্ছদ দেখে মনে পড়ে গেল। সেই একটা বই -ই ছিল,  শিশুদের জন্য, রুশ সাহিত্য সংগঠনের। তদের বই পাওয়া যেত ঢাকার নিউমার্কেটের বই এর দোকানে। কিন্তু আর কারোর ছিলা না।
আপনার কালেকশান দেখে অবাক হচ্ছি। প্লিজ সব বই পি.ডি. এফ. করে রেখেন।



১৮ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা নেবেন । ধন্যবাদ । বইগুলো আমার ছোট বেলার সংগ্রহ । এখনো নীলখেতে পুরনো বইয়ের দোকানে কিছু পাওয়া যায় । পি ডি এফ করে রাখার পরিকল্পনা আছে ।

১৮ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: রুশদেশের শিশু সাহিত্য আমি পড়ি নাই। পড়বোও না। আমি আমাদের দেশের শিশু সাহিত্য পড়েছি।

১৮ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ । আপনি কি পড়বেন না পড়বেন তা আপনার রুচির উপর নির্ভর করবে। আর বাঙ্গালির ছেলে তাই ঠাকুরমার ঝুলি পড়ে বড় হয়েছি । আমি পৃথিবীর সব ভাষার বই ও সব লেখকের লেখার স্বাদ নেওয়ার চেষ্টা করি । এই রুশ বইগুলোর বঙ্গানুবাদ যারা করেছেন উনারা সবাই দেশ বরেণ্য সাহিত্যিক । হায়াৎ মামুদ , নণী ভৌমিক , দ্বিজেন শর্মা, অরুণ সোম প্রমুখ । শুভকামনা ।

সফ্‌ট স্পোকেন

 . ১৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০৪

হুমায়রা হারুন বলেছেন: আমি খুব চেষ্টা করি , কিন্তু পারি -ই না।
সফ্‌ট স্পোকেন মানুষ যখন দেখি, তখন আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকি। এতো ধৈর্য্য তারা কোথা থেকে পায়। আমার দেখা এরকম সফট স্পোকেন আছেন পাঁচজন আব্বু, মামা, ফারুক ভাই, জয়া আন্টি, ফটো কপি লিটা করপোরেশানে দেখা সেই মহিলা। 

১৭ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯

আবু সিদ বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ, । আপনি যে নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তা শুনে অনেক ভালো লাগলো। ইনশাল্লাহ, আপনিও পারবেন।

১৭ বছর - হামা ভাই

 ২৯শে নভেম্বর, ২০২৫

হাসান মাহবুব বলেছেঃ শিরোনামটাই বলে দেয়। আর কিছু বলার নাই। আর আপাতত সময়ও নাই।

 ১৭ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭

হুমায়রা হারুন বলেছেন: সবাই বুঝলো আপনার ব্লগের পূর্তি উদযাপন।
আমি কেন বুঝলাম না?
আমি কি না বুঝলাম ১৭ বছরের শাসন .।.।.।।ইত্যাদি ইত্যাদি.।.।






May 16, 2026

জন্মদিনের শুভেচ্ছা

১৩ই মে ২০২৬- এর সূর্যাস্ত

১৪ই মে ২০২৬

প্রিয় লুবনা আপু, সকাল থেকে আপনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য কতবার যে ফোনটা হাতে নিলাম আর সাংসারিক ঊনকোটি কাজে ভুলেও গেলাম। উর্দুতে যে বলে, 'দেনেআয়ে দুরস্ত আয়ে' সেই প্রবচনের দোহাই দিয়ে দিন ফুরোনোর আগেই জন্মদিনের অসংখ্য শুভ কামনা জানাচ্ছি। জীবনের নতুন বছর শুভ হোক, আনন্দময় হোক।

আমার মন্তব্যঃ ভীষণ ভাল লাগলো তোমার লেখা দেখে। অনাক আদর রইল ।

আমার জন্ম সংখ্যা ১৩ , তোমার ৩১

মানে ঘুরে ফিরে.৪ (১+৩=৪)

তাই জীবনের স্টাইলটাও একই রকম। কোন কিছুই দ্রুত হয় না। খুব ধীর গতির জীবন। ইউরেনাসের প্রভাব বলে কথা।



১৬ই মে ২০২৬

রঞ্জিঃ Uranus কি বাংলায় রাহু? Some numerology posts were coming on my feed coincidentally. That was talking about trait of people with Mulank 4. Apparently these people are controlled by Rahu But all the traits of Mulank 4 are present in me.



১৬ ই মে ২০২৬, রাত ১০ঃ৩৪
আমার মন্তব্যঃ ইউরেনাস কে বাংলা জ্যোতির্বিদ্যায় বা পৌরাণিক নামের সাথে মিল রেখে অরুণ বা অরুণগ্রহ বলে| ইউরেনাস অপ্রত্যাশিত ঘটনার বাহক। ১২ টা রাশিতে ৭ বছর করে থাকে বলে কি না, জানি না , এই জুন থেকে ইউরেনাস ১২*৭=৮৪ বছরের জন্য আমার রাশি -বৃষ- থেকে বিদায় নেবে। দেখা যাক অপ্রত্যাশিত ঘটনার হার এবার আমার জীবনে কমে আসে কি না। কসমিক ল্যঙ্গুজেয় হলো ১,২,৩,৪ ----৯ দ্বারা প্রকাশিত। আমাদের ভাষা যেমন বাংলা , ইংরেজী তেমন । কসমোলজি ও জ্যোতিষ শাস্ত্রে '৪' সংখ্যা জ্যোতির্বিজ্ঞানে 'রাহু'কে নির্দেশ করে। প্রতিটি সৃষ্টি আমাদের আত্মার মত এক একটা কনসাশ্নেস বহন করে। রাহু ও তাই, যদিও তার ফিজিকাল রূপ নেই। কেন নেই পরে বলছি। রাহু ৪ সংখ্যা দ্বারা নির্দিষ্ট। সে তার কম্লিমেন্টারি সংখ্যা ৭ কে খুঁজে বেড়ায় । সেই ৭ নির্দিষ্ট হয় কেতু দ্বারা। কেন এমন হলো? তিনটি প্রজাতি আছে পৌরাণিক মতেঃ মানুষ, অসুর, দেবতা। রাহুঃ সমুদ্র মন্থন-এর সময় স্বরভানু নামের এক অসুর, দেবতাদের ছদ্মবেশে অমৃত পান করে ফেলে। সূর্য ও চন্দ্র তা দেখে ফেলায় বিষ্ণু, সুদর্শন চক্র দিয়ে তাকে দ্বিখণ্ডিত করেন। কিন্তু অমৃত পানের ফলে সে অমর হয়ে যায়। স্বরভানুর মাথা কেটে ফেললে, তার মাথাটি 'রাহু' নামে পরিচিত হয়। শুধুমাত্র মস্তক (Bodyless Head) - এটি জাগতিক কামনা ও মোহের প্রতীক। নির্দেশিত সংখ্যা ৪.

কেতুঃ কেতু হলো ধড় বা মস্তকবিহীন দেহ/লেজ। কাটা মাথা বাদ দিয়ে রাহু বাকি ধড়টি 'কেতু' হিসেবে পরিচিতি। শুধুমাত্র ধড় বা লেজ (Headless Body) - এটি আধ্যাত্মিকতা ও বিরাগ বা মোক্ষের প্রতীক। নির্দেশিত সংখ্যা ৭

তাই বললাম , রাহু ,ও কেতু শুধু সংযুক্তি চায় তাদের দুজনার। তার পূর্ণতা পেতে চায় । তাই ৪ শুধু ৭ কে খুঁজে বেড়ায়। বা ভাইস ভার্সা। জ্যোতিষশাস্ত্রে এই দুইটিকে ছায়া গ্রহ (Shadow Planets) বলা হয়, কারণ তাদের নিজস্ব কোনো ফিজিকাল রূপ নেই, তবুও তারা মানবজীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। কেন ফিজিকাল রূপ নেই? আকাশের চার্টে রাহু আর কেতু দুটো লোকেশান মাত্র। যেই দুই লোকেশানের মধ্যে চন্দ্র অলটারনেটিভলি মুভ করে। এটা গনণার সুবিধার্থে দুটি লোকেশান। বাস্তব জীবনে কি হলো তবে? আমি সবসময়, যাদের সংখ্যা ৪ তাদের সাথে কিভাবে যেন যুক্ত হয়ে যাই (আমার অজান্তে)। পরে খেয়াল করে দেখি আরে ওর সংখ্যা তো হয় ২২ অথবা ৩১ অথবা ৪ বা ১৩. তবে জন্ম সংখ্যা ৭ -এরকম কারো সক্ষাত এখনো পাই নি।

১৭ই মে, ২০২৬, দুপুর ২:২৪
রঞ্জি বলেছেঃ Very surprised to hear about this Rahu Ketu theory. Rahu being head and the Ketu being the body.
Very surprisingly I have couple of 7s in my life and with none of them I have never had the feeling that they are my inseparable parts as we think alike or even in sync with each other.

১৭ ই মে ২০২৬, রাত ৯ঃ৪৩
আমার মন্তব্যঃ কোথাও কোন বাধা আছে, যা অ্যাস্ট্রলজার-রা বলতে পারবে।
বৈদিক জ্ঞান অনুসারে কিন্নর (ট্রান্সজেন্ডার) একটা গোত্র। একটা বংশের ধারা। এর উতপত্তি কিভাবে হলো তা আমার পোস্টের https://www.somewhereinblog.net/blog/humaira_haroon/30218154
#৩, #৬ কমেন্টে লিখে রেখেছি। এছাড়া বৈদিক প্রথার অনুসারীরা অনেকে বলে তারা কশ্যপ। সেটা কি তাও এই খানে লিপিনবদ্ধ করেছি।
নাগ রা কিভাবে এলো তা #৫ কমেন্টে। কমেন্টগুলো আমার একটা নোট।
তবে #২ কমেন্ট -এ সর্ব প্রথম তারা যা বলেছে তা হলো প্রাথমিক উৎস—ব্রহ্মা 

কর্ণিকা


১৬ ই মে ২০২৬ বিকেল ৮ঃ১১ 

আমার মন্তব্যঃ কর্ণিকা শব্দটি কত শুনেছি কিন্তু এ যে সোনালু ফুলের সাথে যুক্ত, তা জেনে অবাক লাগলো।

পুরো পোস্ট টি পড়ে মুগ্ধ হয়েছি।
শহর- ডিজাইনার রা ইচ্ছে করলে এই ফুল দিয়েই সারা শহর রাঙিয়ে দিতে পারে।
এখন যেমন ব্রিটিশ কলাম্বিয়া , টরোন্টর কিছু জায়গা চেরি ফুল দিয়ে রাঙ্গিয়ে আছে।


এই অংশটুকু নিয়ে একটা গ্রুপই খুলে ফেললাম আমার ফেসবুকে। আমি কি আপনার পোস্ট থেকে তিন নম্বর ছবিটা নিতে পারি আমার গ্রপ -এর কভার পেজের জন্য?
গ্রুপ লিংক বাংলা শব্দার্থ

১৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:৪৪

লেখক বলেছেন:
- আপনার গ্রুপের জন্য শুভকামনা রইলো।
- ছবিটি নিতে পারেন।

 ১৭ ই মে, ২০২৬ ভোর ৪:১৯

হুমায়রা হারুন বলেছেন: কর্ণিকা শব্দটি কত শুনেছি কিন্তু এ যে সোনালু ফুলের সাথে যুক্ত, তা জেনে অবাক লাগলো।
পুরো পোস্ট টি পড়ে মুগ্ধ হয়েছি।
শহর- ডিজাইনার রা ইচ্ছে করলে এই ফুল দিয়েই সারা শহর রাঙিয়ে দিতে পারে।
এখন যেমন ব্রিটিশ কলাম্বিয়া , টরোন্টর কিছু জায়গা চেরি ফুল দিয়ে রাঙ্গিয়ে আছে।

১৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩

লেখক বলেছেন:
- শুধু সোনালু না, একটু পরিকল্পিতো ভাবে কুষ্ণচূড়া, কনকচূড়া, জারুল, লালসোনাইল, কদম, পলাশ, শিমুল ইত্যাদি গাছ সড়কের ধারে লাগিয়ে চিত্রই পালটে দেয়া যায়।



May 15, 2026

পূবাইল চিত্র





১৪ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫

আমার মন্তব্যঃ দারুণ অভিজ্ঞতা।
কিন্তু ভিডিওতে তোলা এই বিশাল জলাশয় কোথায়?

১৪ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৭

মরুভূমির জলদস্যু  বলেছেন:
- ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
- ভিডিওতে যেটি দেখা যাচ্ছে সেটি আসলে কোনো জলাশয় না। এটি মূলতো ধানক্ষেত। বর্ষায় যখন জল আসে তখন সেটি হয়ে যায় বিল। এটির অবস্থান নারগিরে। নাগরি হচ্ছে পূবাইল আর উলুখোলার মাঝামাঝি একটা যায়গা।


১৬ই মে ২০২৬, আমাদের এখানে ১৬ই মে ২০২৬ দুপুর ৬ঃ৪৫

আমার মন্তব্যঃ এত বিস্তীর্ণ অঞ্ছল জুড়ে খোলা জায়গা ! আর আমাদের এরিয়া তে (মহাখালি) একটু খোলা জায়গা নাই, আকাশ তো দেখার কোন উপায়ই না। আমাদের ছোট্ট ঐ পাড়াতে (বহু আগে) হিসাব করে দেখেছিলাম ১ লাখ লোকের বাস। এখন হয়তো বা বেড়েছে।

আর এই দেশে (কানাডা)? পাড়া তো বাদ দিলাম, একটা শহর জুড়ে মানুষ থাকে ত্রিশ হাজার। তাও খুব বড় শহর সেগুলো। পাড়ায় গেলে কোন মানুষ চোখে পড়ে না।
ঢাকার ঐ জনবসতিতে ঠাসা (আমাদের পাড়া ) জীবন ছেড়ে আপনার ঐ জলাশয়ের বিস্তীর্ণ ধান ক্ষেতের ছবিটা আসলেই আমাকে মুগ্ধ করেছে।



১৭ই মে ২০২৬ ঢাকার সময় , আমাদের এখানে ১৬ই মে ২০২৬ দুপুর ৬ঃ৪৫
আমার মন্তব্যঃ  আশ্রমের ফেসবুক পেইজটা দেখলাম । খুব সুন্দর।
আর অপু তানভীরের পোস্ট টা পড়লাম।
যেহেতু পূবাইল নাম আমি শুনেছ আর ওই এরিয়া আপনার চেনা, তাই জানতে চাইছিলাম, পূবাইলে ছাড়িয়ে সামনে গেলে কি বাড্ডা পড়ে? নাকি অন্য কোন এরিয়া? সে অঞ্চলের নাম কি?
বাড্ডা তে কি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি হয়েছে না?

আমার ২ নং মন্তব্যের প্রতিউত্তরে লেখক বলেছেনঃ ভিডিওতে যেটি দেখা যাচ্ছে সেটি আসলে কোনো জলাশয় না। এটি মূলতো ধানক্ষেত।
এত বিস্তীর্ণ অঞ্ছল জুড়ে খোলা জায়গা ! আর আমাদের এরিয়া তে (মহাখালি) একটু খোলা জায়গা নাই, আকাশ তো দেখার কোন উপায়ই না। আমাদের ছোট্ট ঐ পাড়াতে (বহু আগে) হিসাব করে দেখেছিলাম ১ লাখ লোকের বাস। এখন হয়তো বা বেড়েছে।
আর এই দেশে (কানাডা)? পাড়া তো বাদ দিলাম, একটা শহর জুড়ে মানুষ থাকে ত্রিশ হাজার। তাও খুব বড় শহর সেগুলো। পাড়ায় গেলে কোন মানুষ চোখে পড়ে না।
ঢাকার ঐ জনবসতিতে ঠাসা (আমাদের পাড়া ) জীবন ছেড়ে আপনার ঐ জলাশয়ের বিস্তীর্ণ ধান ক্ষেতের ছবিটা আসলেই আমাকে মুগ্ধ করেছে।

১৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন:
- ঢাকার সবচেয়ে গিঞ্জি এলাকার মধ্যে একটি হচ্ছে বাড্ডা। আমার বাস সেইখানেই। আদিবাস-বর্তমান এবং ভবিষ্যৎবাস এই বাড্ডাতে। তাই মাঝে মাঝে প্রকৃতির কাছে ছুটে যাওয়ার জন্য এই আশ্রমের প্রয়োজন ছিলো আমাদের।

১৭ ই মে, ২০২৬ ভোর ৪:৩২

হুমায়রা হারুন বলেছেন: আশ্রমের ফেসবুক পেইজটা দেখলাম । খুব সুন্দর।
আর অপু তানভীরের পোস্ট টা পড়লাম।
যেহেতু পূবাইল নাম আমি শুনেছ আর ওই এরিয়া আপনার চেনা, তাই জানতে চাইছিলাম, পূবাইলে ছাড়িয়ে সামনে গেলে কি বাড্ডা পড়ে? নাকি অন্য কোন এরিয়া? সে অঞ্চলের নাম কি?
বাড্ডা তে কি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি হয়েছে না?

১৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন:
- ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য। সেই সাথে আশ্রমের ফেসবুক পেইজটা দেখার জন্যও ধন্যবাদ জানাই।
- আমি গুগল ম্যাপে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি < বাড্ডাতে আমার বাড়ি < পূবাইল রেলওয়ে স্টেশন < আশ্রম এর অবস্থান দেখিয়ে দিলাম। আশা করছি দূরত্ব সম্পর্কে এটা ভালো ধারনা পাবেন।

 

May 13, 2026

ম্যানিফেস্টেড রয়্যালিটি - মাহিন

Dimitri

 

১৩ ই মে ২০২৬
Humaira Haroon: 
কি সাংঘাতিক!
চাঁদে যাওয়া যদি স্টুডিও তে ঘটাতে পারে , যুদ্ধও ঘটিয়ে দেবে। সামনে বলে ফেইক এলিয়েন ইনভেশান -ও ঘটাবে।
১৩ই মে ২০২৬
Ahmed Mahin :ওই কার্ডটা ওরা অনেকদিন ধরেই প্লে করতে চাচ্ছে। ট্রাম্প হয়ত খেলে দিতে পারে।
১৩ই মে ২০২৬
Humaira Haroon: হ্যা দেবে। ট্রাম্পের 6th version না হলে 7th version এনে কাজ সারবে।

সূর্য



১৪ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:১৮



পোস্টের ছবি নির্মাতা Meta AI বলবেঃ সূর্য পশ্চিম দিকে উঠে বলেই তো গরিলা এখন বানর শিশুর জন্ম দিচ্ছে। 


নর্মি সমাচার - মাহিন আহমেদ


 ৮ই মে ২০২৬

Mahin Ahmed বলেছেনঃ 

আমেরিকায় ৬ মিলিয়ন লুসিফেরিয়ান বা সেটানিস্ট বসবাস করে যারা ব্লাডলাইন ফ্যামিলির মানুষজন। এরা পাবলিকের মধ্যে মিশে থাকে কিন্তু এরা সাধারণ পাবলিক নয়। এরা এক ধরনের এলিয়েন হাইব্রিড যারা আমাদেরকে শিম্পাঞ্জি লেভেলের বুদ্ধিমান মনে করে। এরা আমাদের গোবরমেন, মিলিটারি, পুলিশ, মিডিয়া, সায়েন্স, এজুকেশন, টেকনোলজি, এবং বিশেষত ব্যাংকিং, ইত্যাদি প্রতিটা সেক্টর এমনভাবে কনট্রোল করে যাতে এমন কোন কিছু আমরা আবিষ্কার করতে না পারি যেটা দিয়ে এদের স্লেভারি থেকে আমরা মুক্তি পেয়ে যাবো।
নর্মিদের সাথে অ্যাওয়েকদের মূল পার্থক্যই হল যে নর্মিরা এদের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানেনা। এই কারণে একজন নর্মি যতই আঁতলামি করুক, সে ওই শিম্পাঞ্জি লেভেলের বুদ্ধি নিয়েই চলে আসলে। আপনি যদি একজন নর্মি হয়ে থাকেন, এটা আপনার জন্য খুব অপমানজনক একটা কথা বটে। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটা বুঝতে পারা আপনার জন্য ইম্পরট্যান্ট কারণ আপনি শিম্পাঞ্জি লেভেলের চেতনে আটকে থাকেন এটা আমরা কেউই চাইনা, কারণ এটা আমাদের সবার জন্য ক্ষতিকর।
আপনি যদি একজন নর্মি হয়ে থাকেন যে এই ইলুমিনাতি রেপ্টিলিয়ান ব্লাডলাইন সম্পর্কে জানেন না, তাহলে আপনার দায়িত্ব হল এই বিষয়ে এজুকেটেড হওয়া। কারণ যতদিন আপনি বিষয়টা না বুঝতে পারছেন ততদিন আপনি শিম্পাঞ্জি লেভেলের চেতনে বাস করছেন। আপনি এপ্সটীন ফাইলস বা আমাদের ডিসক্লোজার শুনলে এগুলাকে কন্সপিরেসি থিওরি মনে করেন।
ওই শিম্পাঞ্জি লেভেলের চেতন থেকে বের হয়ে আসা আপনার দায়িত্ব। কালেক্টিভ কনশাসের আপগ্রেড ঘটলে তখন আমরা আমাদের বর্তমান স্লেভারি রিয়ালিটি থেকে বের হয়ে আসতে পারবো। এটা বুঝে নেন। নিজেকে অযথা অতি বুদ্ধিমান মনে করা থেকে বিরত থাকুন।

১৩ই মে ২০২৬ রাত ১ঃ১৫
 Humaira Haroon 

কাল টরোন্টর সবচেয়ে বড় মেট্রো স্টেশন UNION এর একটা দিকে গেলাম। যা আগে দেখি নি। সেখানে জানালা কালো করে কাঁচে ঘেরা যেন বাইরে থেকে ভেতরে রেস্টুরেন্ট দেখা না যায়। সে এক অন্য দুনিয়া। সব 'এলিট' দের জন্য সাকী আর সরাবের ব্যবস্থা। সত্যই স্বর্গ দেখে এসেছি। সেখানে যেতে 'এলিট' দের তেমন খরচ হয় না । আর আমরা? দশ মিনিটও অ্যাফর্ড করতে পারবো না সেই রেস্টুরেন্ট- সারা মাসের বেতন দিয়ে।

May 12, 2026

Light Worker

 

৯ ই মে ২০২৬
Humaira Haroon
লাইট ওয়ার্কার হতে হলে খুব ধৈর্য্য লাগে। আর এ বিষয়ে এক একটা টার্ম -ই তো এক একটা চ্যাপ্টার।
খুব সুন্দর ভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। কিন্তু লেখাটি বুঝবার লেভেল -এ সেই সকল soul রা আসতে পারবে যাদের পাস্ট লাইফ থেকেই জ্ঞান আছে। যার এই লাইফে এই বিষয়ে পড়াশোনা মাত্র শুরু হচ্ছে তার আরো ১৫/ ২০ টা ইঙ্কারনেশান লাগবে।
১১ই মে, ২০২৬
Mahin Ahmed
মাঝে মাঝে আমি দুষ্টামি করে ফেলি এবং এই পোস্টও সেই রকম একটা আকাম। এটা পোস্ট করলাম জাস্ট বিনোদনের জন্য যে মানুষ যখন অ্যাওয়েক হতে পারে না, তখন আসলে কেন সেটা পারেনা। 
দেখা গেল যে আমার অহংকারী কথাবার্তার কারণে সে এটা পারলো না। আসলে আমার আরও অনেক ধৈর্য নিয়ে তাকে বুঝানো উচিৎ ছিল। তো যাই হোক, আশা করি পড়ে অনেক কিছু জানতে পারবেন। 
(আর ভাইয়া আপনার প্রাইভেট মেসেজ পাবলিক করার লোভটা সামাল দিতে না পারার জন্য আমাকে মাফ করবেন। এত ভাল বিনোদন বহুদিন পাইনাই ব্রো। লাভ ইউ!)
মাহিন ভাই, ​আপনার দেওয়া লিংক থেকে তিনটি বই পাইসি। ড্রেকো, স্লেভ থিংক আর মগ্ন চৈতন্যে কিক।  বিস্তারিত পড়ছি। 
আপনি যেহেতু বারবার আপনার ১৫ বছরের পড়াশোনার দাবি তুলে আমাকে 'নিচের ক্লাসের ছাত্র' বা 'তেলমাখা কুস্তিগির' হিসেবে ট্যাগ করেছেন, তাই পড়া শেষে আমার পর্যবেক্ষণগুলো একটু বিস্তারিতভাবেই দিতেছিঃ
​আপনি আপনার বক্তব্যে এবং বইয়ে দাবি করেছেন আপনার তথ্যগুলো 'লজিক্যালি এবং সায়েন্টিফিকালি ভেরিফায়াবল'।
কিন্তু আপনার বইয়ের রেফারেন্সে যখন প্রজেক্ট ক্যামেলট (Kerry Cassidy) বা ডেভিড আইক-এর মতো বিতর্কিত ব্যক্তিদের নাম দেখলাম, তখন আপনার 'বিজ্ঞানের' ভিত্তিটা আমার কাছে মোটামুটি পরিষ্কার হইছে। 
আপনি যা বিশ্বাস করেন, তা মূলত ৮০ এর দশকের পশ্চিমা কিছু কনস্পিরেসি থিওরির সংকলন, যা আধুনিক মূলধারার বিজ্ঞানে সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত এবং যার কোনো ল্যাবরেটরি প্রমাণ নাই। 
​আপনার এই থিওরিগুলো নিয়ে আমার কিছু সুনির্দিষ্ট ও যৌক্তিক প্রশ্ন করি, তাইলে বুঝবেন পইড়াই কথা কইতেছিঃ
১. ​মুক্তিযুদ্ধ যদি 'সাজানো সায়অপ' হয়, তাইলে গত ৫৪ বছরে পাকিস্তান সেনাবাহিনী, ভারত বা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের মধ্য থেকে একজনও কি মারা যাওয়ার আগে বইলা গেল না যে তারা স্রেফ 'নাটক' করছে? উইকিলিকস বা স্নোডেনের মতো যুগে যেখানে গোয়েন্দা সংস্থার অতি গোপন নথি ফাঁস হয়া যায়, সেইখানে অর্ধশতাব্দী ধইরা কোটি মানুষের একটা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের কোনো 'স্ক্রিপ্ট' কোথাও প্রকাশ না পাওয়া কি গাণিতিকভাবে সম্ভব?
কোনো রাষ্ট্র কি স্রেফ একটি 'নাটক' সফল করার লাইগা নিজের অর্ধেক অংশ বিলীন হইতে দিয়া পরাজয়ের ঐতিহাসিক কলঙ্ক স্বেচ্ছায় বরন কইরা নেয়?
​২. করোনা যদি সাজানো 'প্ল্যান্ডেমিক' হয়, তাইলে আমেরিকা, চীন আর রাশিয়ার মতো পরম শত্রু দেশগুলা কেন নিজেদের ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি ধ্বংস কইরা এই নাটকে একাত্ম হইলো? কোন স্বার্থে? তারা তো সহজেই একে অপরের জালিয়াতি ফাঁস কইরা দিয়া একাই বিশ্বনেতা হইতে পারতো। সারা বিশ্বের কোটি কোটি ডাক্তার, নার্স এবং বিজ্ঞানী, স্বাধীন ল্যাবস, যাদের সবার হাতে এখন স্মার্টফোন, অত্যাধুনিক ডিভাইস- কেন একজনও হাসপাতাল/ ল্যাবের ভেতরের সেই 'সাজানো' চিত্রটি ফাঁস করল না? সবাই কি একই সাথে অভিনেতা এবং হিপনোটাইজড হওয়া সম্ভব?
​৩. ড্রেকো প্রসঙ্গে। আধুনিক জেনেটিক সায়েন্স এবং ডিএনএ টেস্টিংয়ের এই যুগে কেন আজ পর্যন্ত একজন মানুষের মাঝেও ভিনগ্রহী বা সরীসৃপের ডিএনএ সিকোয়েন্স পাওয়া গেল না? যেখানে মানুষ এখন ব্যক্তিগতভাবে ডিএনএ এনসেস্ট্রি টেস্ট করতেছে, সেখানে আপনার দাবি করা 'হাইব্রিড' প্রজাতির কোনো জৈবিক অস্তিত্ব কেন ল্যাবে ধরা পড়তেছে না? কোটি কোটি টেলিস্কোপ আর হাই-ডেফিনিশন ক্যামেরার এই পৃথিবীতে একটি উন্নত সরীসৃপ প্রজাতির অবকাঠামো বা তাদের যাতায়াত কেন আজও পুরোপুরি অদৃশ্য?
আরও প্রশ্ন আছিল। টাইপ করতে উৎসাহ পাইতেছিনা। কারন জানি কি উত্তর দিবেন। নমুনা তা দেখছিই। 
এই প্রসঙ্গে আমি এইখানেই স্টপ করতে চাইতেছি, তার আগে ​আপনার একটা ব্যক্তিগত বিষয় আরেকবার বলে যাইঃ 'হাম্বলনেস' বা বিনয়ের কথা যেইটা বলছেন, একটু নিজেও সেইটা মাইনেন, ১৫ বছরের জ্ঞানী হিসাবে এই জিনিসটা শুধু থাকা না, আপনের মধ্যে একটু বেশীই থাকা উচিত। কিন্তু আপনার আচরণে আমি দেখছি চরম আধিপত্যবাদ এবং দ্বিমত পোষণকারীদের প্রতি তাচ্ছিল্য। যারা আপনার 'মোডে' চিন্তা করে না, তাদের আপনি 'ভেড়া' বা 'অশিক্ষিত' মনে করেন। এইটা কোনো প্রকৃত জ্ঞানপিপাসুর লক্ষণ হইতে পারে না। 
​আমার জীবন এবং ব্যবসা অত্যন্ত বাস্তবসম্মত এবং যৌক্তিক ভিত্তির ওপর দাঁড়ায়ে। ২০২৬ সালের এই এআই যুগে দাঁড়িয়ে আপনার এই 'বস্তাপচা' কনস্পিরেসি থিওরি নিয়ে একাডেমিক তর্কে ব্যয় করার মতো সময় বাইর করবার গেলে আমার মুল্যবান ঘুমের সময়টাই নষ্ট হইব কেবল। তাই বুদ্ধিবৃত্তিক দ্বিমতের এই আলোচনাটা আমি এখানেই শেষ করতেছি। হয়ত আপনের কাছে আরও লেখা প্রমান থিসিস ইত্যাদি আছে, কিন্তু ভাইয়া, আমি ক্ষেমা দিচ্ছি। আপনের থিউরি লইয়া আপনে থাকেন। আমার অত জ্ঞানবুদ্ধি নাই যে এগুলা নিয়া সময় ব্যায় কইরা প্রোডাক্টিভ কিছু বাইর করতে পারমু। 
​তবে আমাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক, আপনের অন্যান্য স্ট্যাটাস,এবং আমার ব্যবসার প্রতি আপনার যে আস্থা, সেইটারে আমি সবসময়ই আলাদা গুরুত্ব দিব। মতাদর্শের এই ভিন্নতা আমাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের ওপর কোনো প্রভাব ফালাবে না বইলাই আমি বিশ্বাস করি।
আরেকটা কথা না কইলেই না, আপনে একটা ভালো মানুষ। এাচুয়ালী আপনে না, আপনের আত্মাটারে কইছি। এর প্রমান হইল এই আত্মা থিকা যে সুর বাইর হয় সেইটা সত্যিই মনোমুগ্ধকর। আপনের গান, আপনের সুরের আমি সত্যিই ফ্যান। রিয়্যাক্ট করি না কিন্তু মনোযোগ দিয়া শুনি। 
আপনে সুরসাধনা কড়াভাবে চালায়ে যান।
কারন এইটা না, ওইটাই আসল আপনে।।
১১ই মে ২০২৬

Humaira Haroon:  সবগুলোর প্রতি উত্তর দেয়া যায় , কিন্ত আর মনে হয় দরকার নাই। এখন ২০২৬ সাল। আমার জর্ডান ম্যক্সওয়েল ছিলেন। জর্জ নুরী ছিলেন। কিন্তু বাংলায় বুঝানোর জন্য আপনাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আপনিই বলেছেন। রিস্ক আছে জেনেও বলেছেন। আমরা বাংলা ভাষায় একজন লাইট ওয়ার্কার পেয়ে অশেষ সৌভাগ্যবান।


Ahmed Mahin
 হাহাহা, থ্যাংক ইউ অ্যান্ড লাভ ইউ। প্রতিউত্তর দেয়া তো আমার জন্য কোন ব্যাপার না আপনি জানেন। কিন্তু কোন লাভ হয়না। সীলড হার্টে প্রবেশ করা যায়না এটা আমি শিখেছি মনে হয় ক্লাস এইট নাইনে যখন পাড়ার লোকাল ফ্যানাটিকাল বড়ভাইদের সাথে ডিবেট করতাম। আপনার বইটা পাব্লিশ হলে জানাবেন। পড়ব!

Humaira Haroon
সিনারিওটা তারপর এমন হবে যে আমি কিছু লিখে পোস্ট দিয়ে সারলাম। এ সময় দরজায় ঠকঠক। ডোর -আই তে চোখ রাখলাম। দেখলাম দুজন Men in Black দন্ডায়মান। এ জন্যই বলছি কারণ আমি মন্ট্রিয়লে এদের সামনে পড়েছিলাম।

Ahmed Mahin
বলেন কী? ঘটনাটা বিস্তারিত বলেন। ফোনেও বলতে পারেন চাইলে।

Humaira Haroon  লিখে পোস্ট দিয়ে লিংক পাঠাবো। ২০০৮/৯ এর ঘটনা।

Ahmed Mahin দিয়েন


Humaira Haroon  আপনি সারাজীবন রিস্ক নিলেন। আমি 'আমাদের প্রযুক্তি' - তে ২০১০ এ শুরু করি আমার 'বাণী'। মডারেটর -রা ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র ছিল। তাই পরিবেশ উন্নত ছিল। কথা বলার প্ল্যাটফর্ম তারা দিয়েছিল। সেই পাতা এখন উধাও । আমার লেখাও উধাও। ২০১৭ তে দেশে এসে শুধু - একবার -একদিন- সুযোগ এসেছিল আমার ক্লাশের ছাত্রদেরকে 'পোর্টাল' বুঝানো। সেদিন প্রাণ খুলে আমি, যা বলার ছিল, বলেছি। CSE এর ছাত্র ছিল । আমার কথা ধরতে পেরেছিল। ওতেই শান্তি।


জাফর আত্ তাইয়ার 

Humaira Haroon & Ahmed Mahin:
​"Men in Black-দের মন্ট্রিয়লে দরজায় কড়া নাড়া, মডারেটরদের 'বাণী' ডিলিট করা, আর CSE-র ছাত্রদের 'পোর্টাল' বোঝানো—আপনাদের এই মহাজাগতিক থ্রিলার কাহিনী পইড়া তো আমি পুরাই থ!
​২০২৬ সালে এসে যেখানে সায়েন্স আর টেকনোলজি প্রতিদিন নিজেকে প্রমাণ করতেছে, সেখানে আপনাদের এই 'লাইটের' আড়ালে থাকা ২০ বছর আগের সব রহস্যময় উধাও হয়ে যাওয়া পোস্ট আর অফ-প্ল্যানেট ট্রাফিকিংয়ের গল্প শোনা আসলেই সৌভাগ্যের বিষয়।
​তবে হুমায়রা আপু, 'Men in Black' তো মুভিতে নিউরালাইজার দিয়া মেমোরি মুইছা দেয়, আপনার স্মৃতি যে মুইছা দেয় নাই, সেইটা মাইনকাইন্দের জন্য বড় পাওয়া।
আপনাদের এই 'পোর্টাল' আর 'বব লাজার' থিওরির মাঝখানে আমরা 'সীলড হার্টের নর্মিরা' নাহয় ল্যাবরেটরি রিপোর্ট আর মধুর বিশুদ্ধতা নিয়াই অন্ধকারে পইড়া থাকি।
২০ বছর ধরে আপনারা 'রিস্ক' নিতেছেন, আরও নেন, আমাদের দোয়া রইল।
শুধু দেইখেন, পোর্টাল দিয়া যাতায়াতের সময় যেন আবার ডাটা বা প্রমাণগুলা পৃথিবীতেই ফেলে রাইখা যায়েন না!
🤣😂😅🤣
১৩ই মে ২০২৬
Mahin Ahmed
চলেন আমাদের জাফর আত তাইয়ার ভাইয়ার কেইসটা ডীপ ডাইভ করি। এইটা দরকার আছে কারণ ছেলেটা এভারেজ শিক্ষিত এবং স্মার্ট বাঙালি ব্যক্তির ফ্রিকোয়েন্সি ধারণ করে যেটাকে আমি গাছবলদ বা নর্মি ফ্রিকোয়েন্সি বলে পঁচাইছি অনেকগুলা বছর। আমাদের আলোচনা হচ্ছিল পাবলিক কমেন্টে, সবাই আমাদের লেখা দেখতে পাচ্ছিল। কিন্তু যখন আমি তাকে আমার বইগুলা সাপ্লাই দিলাম যাতে সে আমার সাথে প্রপার তর্ক করার ম্যাটেরিয়াল খুঁজে পায়, তখন সে আমার সম্মান রক্ষার্থে আমার উপরে তার ফাইনাল ব্রহ্মাস্ত্র প্রয়োগ করার সময়ে প্রাইভেট মেসেজ দিল যাতে আমি তার ব্রাশ ফায়ারে মারা গেলাম এটা যেন পাবলিক দেখতে না পায়। আমার সম্মান রক্ষার্থে সে এটা করেছিল।
কিন্তু  আমি উল্টা তার প্রাইভেট মেসেজটা পাবলিক করে দিলাম সারা দুনিয়ার তাবৎ নর্মি আত্মীয় বন্ধুদেরকে চ্যাস্টাইজ করার জন্য যাতে তারা বুঝতে পারে তাদের ভুলটা আসলে কোন জায়গায় হয়। আসেন একটা একটা করে আনপ্যাক করি।
বাংলাদেশের একটা বনেদি বড়লোক গ্রুপ মুজিবের খুব ভক্ত। এরা রয়ের সাজানো মগজধোলাই পুরা বিশ্বাস করে বসে ছিল যে মুজিব হচ্ছে "বঙ্গবন্ধু" যে বাংলাদেশকে একটা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র দিয়েছে। এরা রয়ের প্রোপাগান্ডার কারণেই জামাত-শিবিরকে রাজাকার মনে করে কারণ এদেরকে বুঝানো হয় যে জামাত স্বাধীনতা বিরোধী ফোর্স কারণ এরা দেশের মানুষের এই এই ক্ষতি করেছে। কিন্তু একটু গভীরে স্টাডি করলেই টের পাবেন যে আসলে বাংলাদেশের প্রতিটা দলের ভিতরে রয়ের এজেন্ট ভরা ছিল এবং এখনও আছে। এদের মাধ্যমে বিভিন্ন ফলস ফ্ল্যাগ সাজিয়ে র সারা জীবন আমাদেরকে উলটা মগজ ধোলাই দিয়ে আসছে। 
বাংলাদেশে ব্যবসা করে খাওয়া জাফর অবভিয়াসলি নিজেকে অত্যন্ত বুদ্ধিমান একজন ব্যক্তি মনে করে এবং যথারীতি প্রতিটা নর্মির ইগো এক্স্যাক্টলি এখানেই ধরা খায়। 
* সে মুক্তিযুদ্ধকে রিয়াল মনে করেছে
* সে মুজিবরকে রিয়াল মনে করেছে
* সো অবভিয়াসলি সে বাল সাপোর্ট করে
* সো অবভিয়াসলি সে হাছিনার ভক্ত
* সে একজন কভিডিয়েট, অর্থাৎ বুঝতে পারেনি যে ওটা সায়অপ
* সে কোরানকে আসমানি কিতাব হিসাবে বিশ্বাস করে
* সে বিশ্বাস করে যে মধু একটা মহৌষধ
* সে বিশ্বাস করে মধু চুরি করা মৌমাছি এবং ইউনিভার্সের জন্য ভাল!
আমি কথা বাড়াবো না। বাংলাদেশের নর্মিরা এই চেতনে লকড হয়ে থাকে বলেই এরা অ্যাওয়েক হতে পারছে না এটা বোধহয় আর নতুন করে বলার কিছু নাই। আমরা চাইলেই ওর প্রতিটা যুক্তিকে কচুকাটা করতে পারি কিন্তু সেটা করবো না দুইটা কারণে। প্রথমত এগুলা বহু বছর ধরে করেছি। আর দ্বিতীয়ত, সেটা করলেও এদের কোন হুঁশ হয়না। এরা তেলমাখা কুস্তিগীরের মত যুক্তিবিহীন যুক্তি নিয়ে বারবার আসতেই থাকবে, আসতেই থাকবে! 
Humaira Haroon
'এরা তেলমাখা কুস্তীগিরের মত যুক্তিবিহীন যুক্তি নিয়ে বারবার আসতেই থাকবে, আসতেই থাকবে!' -- তাই ভাবছিলাম এদের মাঝে কি ET-রা কোন কিছু কি ইমপ্ল্যান্ট করেছে , যেন সারাটা জীবন এরকম ঠকঠকে হয়ে থাকে?

Ahmed Mahin
Humaira Haroon চাঁদে এবং আন্ডারগ্রাউন্ডে নাকি কিছু রিয়্যাক্টর আছে যেগুলা লো-ফ্রিকোয়েন্সি রিলে করে যেটা আবার নাকি স্যাটার্নের রিং থেকে আসে। ওই রিংগুলা আর্টিফিশিয়াল ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে তৈরি। এরা লিটারালি একটা প্ল্যানেটকে বন্দী করে ফেলেছে ওই রিংএর মাধ্যমে। ভাবলে মাথা ঘুরায়। আর্থেরও একই অবস্থা। আমাদের রিংটা জাস্ট ইনভিজিবল।
  • Reply
  • Share
  • Edited
Humaira Haroon
Ahmed Mahin হ্যা জানি। ঐ স্যাটার্নের সিম্বল হিসাবে ব্ল্যাক বক্স সাতবার প্রদক্ষিণ করেও আমারা কত না শান্তি লাভ করি। সাতটি বলয়ের সাত দেবতা তুষ্ট হন কাবা'র সাত বার প্রদক্ষিণে।