May 27, 2026

শায়মা ব্লগ

 https://www.somewhereinblog.net/blog/saimahq/30392063

২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৭

আমার মন্তব্যঃ কি অদ্ভুত, অন্ধ দাঁড়কাক ছাড়া আর কোন ID চিনি না।   
২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৫৪
 শায়মা বলেছেন: তুমি তো অনেক পুরোনো আপুনি!!!! তবে হ্যাঁ আমার ব্লগে অনেকে যেমন কমেন্ট করতো তেমনি আমিও কর‌তাম। আমার পুরোনো পোস্টের কমেন্ট গুলো থেকে আমার এই নিকগুলোকে মনে পড়েছিলো সেদিন।
                               ২৭শে মে, ২০২৬
আমার মন্তব্যঃ পোস্ট পড়ে মনে হচ্ছে এই ইঙ্কারনেশানে তুমি -তোমার থেকে অপেক্ষাকৃত কম IQ দ্বারা পরিবেষ্টিত লোকজনের সেট- আপে ইঙ্কারনেট করেছ। এর কারণ দুটো।

হতে পারে তোমাকে তোমার যাত্রপথে এক্সপেরিয়েন্স গ্রহনের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে এমন ভাবে, যে খুব কাছের আশপাশের হাবাদের সাথে চলতে গিয়ে কি অভিজ্ঞতা হয় তা তুমি জানবে।
অথবা তুমি নিজেই চয়েস করেছ এরকম সেট-আপ যেখানে খুব কাছ থেকে হাবা-পাট্টিদের কর্মকান্ড দেখা যায়।
এভাবে বিশ্লেষণ করার কারণ -আমি আমার এই ইঙ্কারনেশানে এত অব্দি একটি মানুষও পাইনি যার কিছু মাত্র গুণ আছে, এবং তা দেখে কিছু শিখব।
সেই দুঃখে একটা গল্পও লিখে ফেলেছি প্রায় -'হাবার হা।'

২৮ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৩৮

 শায়মা বলেছেন: হা হা হাবার হা গল্পের লিঙ্কটা দিলে এখুনি গিয়ে পড়ে ফেলতাম।

তারপরও নো প্রবলেম তোমার আইডি থেকে পড়ে ফেলবো!!

আমি জানিনা আমি কি করেছি কিন্তু যা উপলদ্ধ হয়েছে তাই লিখেছি। তবে হ্যা যাত্রাপথের এক্সপেরিয়েন্স নিয়ে ভাবতে গেলে শেষ জীবন গবেষণায় কাটাতে হবে আরও আরও!
জানিনা কত দিন বাঁচবো। তাড়াতাড়ি গবেষণা শুরু করে দিতে হবে।
৩১শে মে । ২০২৬ সকাল ১০ঃ৩২ 
আমার মন্তব্যঃ আমার গত বছর সেপ্টেম্বর থেকে একটা উপলব্ধি হলো । আর তা হলো যে আমার এক্সপেরিয়েন্সগুলো কোথাও লিখে যেতে হবে। কেউ পড়ুক আর নাই পড়ুক। তাই বিরতির পর আবার  লেখা শুরু করেছি।কিছু লেখা এখনো টাইপ হয়নি। ভয়েস রেকর্ড করে ইউটিউবে জমা রেখেছি। বলা আর লেখার প্রকাশ আবার একরকম হয় না। তাই টাইপে অনেক এডিটিং চলে আসে। এরপর জীবনে  যে স্টেইজ আসছে তাতে মনে হয় আর কিছু মনে নাও থাকতে পারে।   তাই জীবনের গল্প-এর লেখা শুরু।

৩১ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: আপুনি।
আগে লিখবে তারপর সেটা দেখে দেখে পড়বে আর রেকর্ডিং চলবে!! তাহলেই একরকম হবে।

জীবনের গল্প কেউ পড়ুক না পড়ুক নিজে লিখে নিজে পড়াও আনন্দের! আমি তো বলি আমার লেখার ১ নং ফ্যান আসলে আমি নিজে! হা হা এই যে নিজে নিজে সাজুগুজু করি আসলে কারো জন্যই না নিজের জন্য!! ছবি তুলি আর দেখি সেটাও নিজের জন্য!
নিজের আঁকা ছবি দিয়ে ঘর বাড়ি ভরিয়েছি। সব দেওয়ালে পারি না পারি সেসব কিছু হোক না হোক নিজের আঁকা ছবি টাঙ্গিয়ে দিয়েছি!!! হা হা হা
মনে মনে কোনো রিয়েল আর্টিস্ট আসলে ভাবতেও পারে কি সব এঁকেছে অং বং
 ৩১ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭

আমার মন্তব্যঃ শায়মা মণি, পড়ার সময়ে দমের কম বেশীতে ইমোশান আসে। লেখা থেকে পড়া-তে তখন বেশ পরিবর্তন দেখা যায়। জীবনের গল্প তো তাই দু'এক লাইন বেশিই বলা হয়ে যায় মাঝে মাঝে। তাও আজকাল তো শুধুই রিডিং পড়ে যাচ্ছি। পাঁচ বছর আগের একটা রেকর্ডিং পেলাম খুঁজে। সেখানে দেখি, ওরে বাবা, ইমোশানের ছড়াছড়ি!
মানে পাঁচ বছর আগেও আমার প্রাণ ছিল!
আমার মন্তব্যঃ সাইকোসোমাটিক ডিসওর্ডার নিয়ে লেখাটি থেকে অনেক কিছু জানতে পারলাম। লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ প্রিয় শায়মা আপু।
কালই ঘটলো আমার সাথে। দরকারী জিনিস হারিয়ে গেছে। হঠাৎ শুরু হলো পিঠে ব্যথা, একদম প্যারালাইজড্‌ হবার দশা। তখন রিলেট করলাম তোমার লেখার সাথে 'A psychosomatic disorder is a condition where mental or emotional distress causes, triggers, or exacerbates physical symptoms. '
হয়তো বা আমাদের অনেকের এরকম ব্যথার উদ্রেক হয়, কিন্তু তাকে কিভাবে ব্যক্ত করে তা আমরা জানি না।
এ প্রসংগে একজন হাবা -ডাক্তারের কথা মনে পড়ে গেল। তার কাছে রোগী কোন কষ্ট নিয়ে গেলেই তিনি বলতেন, 'আপনার কোন অসুখ নেই। সবটাই মানসিক।' !!!!
এবং ওখানেই চিকিৎসা শেষ।!!
রোগী আরো মন খারাপ নিয়ে বাড়ি ফিরতো।
২৮ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬
 শায়মা বলেছেন: হা হা হা আপুনি ডক্টরও হাবা!!!!!!!
আমাকেও একই কথা বলেছে- আমি নাকি যত না ব্যথা বলছি তার থেকেও মেন্টালী ভাবছি!! আমার নাকি সবই মেন্টাল!! কত্তবড় হাবার হাবা গাধার গাঁধা!!!!!!!!!!

আমি কি এত সহজে ডক্টরের কাছে যাবার মানুষ!
সত্যি বলতে ডক্টরের কাছে গিয়ে আমার অভিজ্ঞতা সবই খারাপ!
আমি সহজে ঔষধ খাইনা আবার ডক্টরের কাছে যাবো!!! কিন্তু নিউমোনিয়া হয়ে জোর করে হসপিটালাইজড করে দিলো। আমি দুইটা ইনজেকশন পড়তেই চাঙ্গা! তারপর দেখি হঠাৎ জিবে ব্যাথা। আমি ভেবেছি মনে হয় ঘুমের মধ্যে কামড় খেয়েছি। ডক্টরকেও একই কথা বললাম!
সেও নো পাত্তা। রাতে ইনজেকশন দেবার কিছু পরেই টাস করে একটা আওয়াজ পেলাম আর সাথে সাথে জীবে একটা ব্লিসটার। আমি বুঝে গেলাম ঔষধের রিয়াকশন। সেদিন ছিলো শব -এ বারাত! কোনো ডক্টর নেই। দু একটা গন্ড মূর্খ ডক্টর ছাড়া। আমি বললাম এটা রিয়াকশন । তারা বলে না না এটা মেন্টাল আরে আমাকে সব ডক্টর মেন্টাল বানাতে চায়! আমি বসে বসে সাইড এফেক্ট রিয়াকশন বের করার পর দেখি আমি ঠিক ওরাই মেন্টাল। রেয়ার রিএকশনে জীবে ব্লিসটার উঠতে পারে যা ছড়িয়ে গিয়ে অনেক পেইন দেয়। আমি আবার ওদেরকে ধরে আনলাম! কিন্তু তারা তাড়াতাড়ি আমাকে পেইন কিলার দিয়ে ঘুম পাড়াবার চেষ্টা করলো। আমি কি কারো কথা শোনার মানুষ। যাইহোক এই করে রাত পার হলো ডক্টর এসে বলে ওহ হ্যা রিঅ্যাকশান হয়েছে ইনজেকশন বন্ধ করে এবার ঔষধ মুখে খাওয়াও! আমি তো অবাক!! জে ইনজেকশন রিএকশন করে সে ঔষধও তো করবে!! ঐ ডক্টরকে আমার হাবার বাবা মনে হয়েছে। এমন আরও আছে ........ ডক্টররা ভাবে আমরা কিছু জানিনা তারাই আমাদের জীবনের রক্ষা কর্তা!! শালা ডক্টরের বাচ্চা ...... আমি পারতপক্ষে ঐ গরুদের কাছে যাই না......
 ২৮ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৫০
 শায়মা বলেছেন: হারিয়ে যাওয়া সময় হারিয়ে যাওয়া দিন হারিয়ে যায় কিন্তু মনের মাঝে হারায় না কত কিছু!!!!!!!!!!

আপুনি তোমার প্রফেশন কি?
তুমি কোথায় থাকো? 
২৮ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৫৮
আমার মন্তব্যঃ আমি টরোন্টো থাকি। মেটাফিজিক্স নিয়ে বিচরণ।
 ২৯ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:১১
 শায়মা বলেছেন: এত কঠিন জিনিস নিয়ে কাজ করো!!! বাপরে আপুনি!! আমি ছোট থেকে সবচেয়ে ভয় পেয়েছি অংক জানো!!! হা হা 
২৯ শে মে ২০২৬ রাত ৩ঃ১৯

আমার মন্তব্যঃ ঢাকা ইউনিভার্সিটির কলাভবনের লাইব্রেরির ভেতরের দিকে একটা অংশ আছে যেখানে বিশাল লম্বা হল-ওয়ে। এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত দেখা যায় না। নীস্তব্ধ, কোলাহল বিহীন। কারোর বিচরণ নেই ওখানে।  সারি সারি শেলফ্‌ আর শেলফ্‌ । আর তা ভর্তি বাইন্ডিং করা রিসার্চ পেপার। একটা বাইন্ডিং বই বের করে আবার খালি জায়গামতন রাখা যায় না। এক ইঞ্চিও জাগা যেন মাপা। সেই অংশে জুনিয়র ছাত্ররা যায় না। রিসার্চার-রা যায় কি না সন্দেহ। কোনো বই তে কারো হাতের ছোঁয়া কখনো পড়েছে বলে মনে হয় না। ধূলা পত্র ঝাড়া হয় কিনা কে জানে।
আমি সেই  বইয়ের সমুদ্রে দাঁড়িয়ে  প্রথম অনুভব করেছিলাম যেন ইউক্লিডের আমলের 'লাইব্রেরি -অফ -আলেক্সানড্রিয়া'তে দাঁড়িয়ে আছি। কি যে এক অনুভূতি। আমি মাত্র ফার্স্ট ইয়ার।  কিন্তু কেন কিভাবে ঐ অংশে ঘুরতে ঘুরতে চলে এসেছি, আমি নিজেও জানি না। তারপর ডিকশনারির মতন মোটা একটা বাঁধাই করা বই বের করে নিলাম। দেখি সোনালী অক্ষরে, মলাটের ওপরে লেখা  Metaphysics.
পাতা খুললাম। ১৬০০ খ্রিস্টাব্দের রিসার্চ জার্নাল । ইংরেজীতে লেখা। একটি শব্দও বুঝি না। যত্ন করে তুলে রাখতে যাব বইখানা শেলফে, দেখি সেই খালি জায়গায় আর বই রাখা যায় না। এক মিলিমিটার ও জায়গা বের করতে  পারি না।  পাশের বইয়ের ওপর সারিবদ্ধ  বইয়ের ভারে, আমার শক্তিতে কুলালো না যে একটু জায়গা করে নিই। বইটি পড়ার টেবিলে রেখে চলে এলাম।
সেইদিন কেন Metaphysics-এর এই বই আমার হাতে এসে পড়েছিল আমি জানি না। আর তারও ১৭ বছর পর আমার, মেটাফিজিক্স-এ যাত্রা শুরু।
তবে সেসব জার্নালে আমি ম্যাথ পাই নি। ওটা দর্শন শাস্ত্র -র একটা এক্সটেন্ডেড শাখা হিসাবে পরিগণিত। রচনাগুলো সে ভাবেই সন্নিবেশিত। আর আমার পথ হলো, ফিজিক্স থেকে কোয়ান্টাম- মেকানিক্স হয়ে মেটাফিজিক্স। আমার কিছু ম্যাথ লেগেছে পড়াশোনায়। তবে কঠিন না। কারণ আমাদের দেশে উচ্চ শিক্ষার মান কম । তাই জটিল ম্যাথ কখনো শিখি নি।
কিন্তু লাইব্রেরির কালেকশান দেখে সেদিন বুঝেছিলাম কেন এই প্রতিষ্ঠানকে 'প্রাচ্যের অক্সফোর্ড' বলা হতো।
যে লেখাটি তখন ইংল্যান্ডে প্রকাশ হতো, সেটাই এই প্রতিষ্ঠানে অ্যাভেইলেবেল হয়ে যেত। সমান মানের লাইব্রেরি। আর কলা অনুষদের এই পাঠাগারকে মূল 'লাইব্রেরি' বলা হয়। সাইন্স লাইব্রেরিকে বলা হয় না। ওট সাইন্স লাইব্রেরি নামেই পরিচিত। কিনতু কলা ভবনের পাঠাগারটি হলো  'লাইব্রেরি।'
আর সেদিন? 
আমি ছিলাম জ্ঞান অন্বেষণের সন্ধানে একজন ইউক্লিড, যাকে প্রকৃতি একটা Metaphysics -এর বই হাতে তুলে দিয়ে কোন অজানা কারণে সংকেত দিয়েছিল যে, এই সেই বিষয়- যা তোমার জানার 'ক্ষেত্র' হবে কোন একসময়ে।      
২৮ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪
  শায়মা বলেছেন: বাহ আপুনি!! তুমি ২০০৭ আর আমি ২০০৮ এ এসেছিলাম।
তুমি সেই তুলনায় নিভৃতচারিনী ব্লগে।
আর আমি এত এত কথা বলেছি, এত এত গান গেয়েছি , পাগলামী করেছি ঝগড়া ঝাটি মারামারিও ....... হা হা হা ব্লগ যেন আরেক পৃথিবী। আমাদের অন্য ভুবন!!!!! 
 
 ২৮ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৪০
আমার মন্তব্য: ঠিকই ব্লগ তো আমাদের আরেকটা পরিবার।



২০ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১৬

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া তুমি সব সময় ক্রিয়েটিভ ছিলে। মনে আছে সেই কোন জনমে কোন কালে তুমি আমার কবিতা রেকর্ডিং করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলে আমাকে......সব ব্লগারদের ছবি নিয়ে গান বানিয়েছিলে...... কত স্মৃতি কত অধ্যাবসায়ের গল্পগুলো লেখা আছে এই ব্লগে...... আগে বেশি বেশি মুগ্ধ হতাম, অবাক হতাম, আনন্দেও ভাসতাম। দিন দিন বুড়ি হতে হতে সব আবেগ আনন্দ ভালোলাগা ভালোবাসা কমে কমে যাচ্ছে যেন ভাইয়া।

আগের মত ছবি আঁকতে ইচ্ছা করে। সময় নাই আগের মত নাচতে ইচ্ছা করে। ভয় যদি পায়ে লেগে যায় হঠাৎ  গলা না সেধে সেধে তো প্যাক প্যাক ফ্যাস ফ্যাস অবস্থা। ডক্টরকে বললাম কেনো কেনো কেনো ? 
সে বলে আমি ৫ বছরে যেমনে দৌড়াতে পারতেন এখন পারেন?? তাহলে ৫ না ভেবে ...... ভাবেন হা হা হা হা  । এমন শয়তান ডক্টর। বলে যতই না নিজে নিজের বয়স বুঝেন বা অন্যেরা না বুঝুক আপনার শরীর ঠিকই বুঝিয়ে দেবে!!!!!!!!

 ২০ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৬

আমার মন্তব্যঃ @ শায়মা আপু, , গলার স্বরের যে পরিবর্তনের কথা ডাক্তার বলেছেন, সেটা ৮০ এর পর হয়। লতা- জ্বীর গলায় ধরা পরতো। এবং তারপরও একটা না দুটো গান, ফিল্মে গেয়েছিলেন বলে, আমরা টের পেয়েছি। তারপর আর উনি গান গান নি।
আর তুমি যেই প্যাক প্যাক ফ্যাস ফ্যাসের কথা বলছ, সেটা বিডি-র ভ্যাপসা আবহাওয়ার জন্য হচ্ছে। এখন তো বর্ষা শুরু । আরো বেশী হবে। এর থেকে পরিত্রাণ নেই।
  ২০ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯

শায়মা বলেছেন: @হুমায়রা আপুনি

প্যাক প্যাক মানে ঠিক তেমন না মানে গলা না সাধার জন্য আর একটু নিউমোনিয়া টাইপ ঠান্ডা লাগার জন্য বসা বসা আর সেটাকেই একটু ফান করে বলেছি। আসল দোষ আমার চর্চা না করার আর ঐ যে বিডি এর এলার্জিক সমস্যার কারণে আরও হচ্ছে। আর ইদানিং ফুসফুসে মনে হয় দম কমে গেছে। এটাও চর্চা না করার দোষ কিছুটা।
 ২০ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫১

হুমায়রা হারুন বলেছেন: @শায়মা আপু, তাহলে ঠিক হয়ে যাবে আশা করি।

 ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪৪

শায়মা বলেছেন: শুধু সুখ আর সুখ তো বেহেসতে!! :)

২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ১২:০৭

আমার মন্তব্যঃ হ্যা আপু, 5D আসলেই বেহেশত।
তবে এনার্জেটিক লেভেলে splitting শুরু হয়ে গেছে ২০২৬ এর মে মাস থেকে।
আমাদের প্ল্যানেট split হয়ে গিয়ে, একটা পড়ে থাকবে 3D লেভেলে , আরেকটা তৈরী হবে নতুন ভার্সন নিয়ে 5D লেভেলে। মানুষরা, যে যেখানে খাপ খায়, সে সেখানে অবস্থান নেবে। 


No comments:

Post a Comment