Jul 21, 2026

রিয়্যালিটি শিফট্‌


লেখকঃ আমি 2G এর আমলে ফিরে যেতে চাই।

 শায়মা : আহা চাইলেই কি সব পাওয়া যায়! ফিরে পাওয়া যায়!! যায় না!!

আমার মন্তব্যঃ @শায়মা আপু, পারা যাবে। manifestation সম্ভব। তখন লেখকের টাইম লাইন শিফট্‌ হয়ে 2G - এর রিয়্যালিটিতে চলে যাবে। তিনি যেভাবে চাইবে সেভাবেই হবে। যদিও সেইখানে সামু ব্লগ থাকবে না।

Jun 15, 2026

আবো তাবোল


২৯ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২

হুমায়রা হারুন বলেছেন: শিশুরা অবুঝ। কিন্তু একটা সোশিওপ্যাথের soul যখন reincarnate করে body তে আসে, তখন বাচ্চার এ ধরণের আচরণে অবাকই হতে হয়।
আবার কিছু বাচ্চা বড়দের মত আঙ্গুলের সঞ্চালনে পিয়ানো বাজায়। দেখে অবাক হয়ে যাই। খুশী হই। কারণ তার এই গুণ, মনকে আনন্দিত করে। কিন্তু যে পরিবারে সোশিপ্যাথের আগমন ঘটে, সে পরিবার কোন না কোন পর্যায়ে এই সন্তানটির জন্য suffer করে। পরবর্তীতে সমাজও suffer করে। ক্রিমিনাল অ্যাক্টিভিতে পারদর্শী ছেলেমেয়ে - আমার দেখা - সেই ক্লাশ ফোর থেকে । তারা আমার সহপাঠীই ছিল। তারা কি আজ ভেতরে ভেতরে বদলে গেছে? তখন্ তাদের বাবা -মা কি তাদের স্বরূপ জানতো? এখন বুদ্ধি হয়ে বড় হয়ে হয়তো মুখোশের আড়ালে রাখে নিজেকে। কিন্তু সুযোগ পেলে যে তারা তাদের নখ বের করে না, কে জানে?

২৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৫

অপ্সরা বলেছেন: ঠিক বলেছো আপুনি!

শুধু বাড়িতে দেখে নেগেটিভ আচরণ শেখা ছাড়াও কিছু বাচ্চা নিজের ভেতরেই এই রকম কিছু স্বভাব নিয়ে আসে যা বড় হবার সাথে সাথে বৃদ্ধি পায়। সব শিশু যদি এক রকম হত তো দুনিয়া পাল্টে যেত। ছোট থেকেই ডিফারেন্ট বাচ্চাদের ডিফারেন্ট মেন্টালিটি বুঝা যায় তবুও আমরা সকল শিশুকেই একই ক্যাটাগরীতে ফেলে ফেরেস্তা বানিয়ে বসে থাকি।

সকল শিশুকেই খুব ছোট থেকে গভীর পর্যবেক্ষনে কিভাবে সঠিক শিক্ষা দিতে হয় তা বাবা মায়েদের ট্রেনিং দেবার বা সচেতন হবার সময় এসেছে।


২৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪২

কয়েকটা লাইন খুব ভাল লাগলো, যেমন –

:তুমি  না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়টা এত সুন্দর লাগতো না।

: বিশ্ববিদ্যালয় সুন্দর না, তুমি আছ বলে সব সুন্দর লাগে ।

: সবচেয়ে সুন্দর সময়গুলোই সবচেয়ে দ্রুত শেষ হয়ে যায়। 

: সব ভালবাসা একসাথে থাকার জন্য জন্মায় না। 

: কিছু মানুষ জীবনে আসে - না থাকার জন্য। তারা আসে মানুষকে ভালবাসার প্রকৃত অর্থ শিখানোর জন্য।

১৫ই জুন, ২০২৬

 আমার মন্তব্য ঃ 'দীর্ঘ মেয়াদী প্রস্তুতি'-র সাথে মেধা। আমি পারবো? মাথায় তো আমার এক ফোটা ঘিলু নাই। 

 ২৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪২

হুমায়রা হারুন বলেছেন: কয়েকটা লাইন খুব ভাল লাগলো, যেমন –
:তুমি না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়টা এত সুন্দর লাগতো না।
: বিশ্ববিদ্যালয় সুন্দর না, তুমি আছ বলে সব সুন্দর লাগে ।
: সবচেয়ে সুন্দর সময়গুলোই সবচেয়ে দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
: সব ভালবাসা একসাথে থাকার জন্য জন্মায় না।
: কিছু মানুষ জীবনে আসে - না থাকার জন্য। তারা আসে মানুষকে ভালবাসার প্রকৃত অর্থ শিখানোর জন্য।





Jun 2, 2026

শঙ্খচিল

 ০২ রা জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:২

আমার মন্তব্যঃ আমি যখন প্রথম 'আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা' দেখলাম বিদেশে, তখন শুধু অবাক হয়ে ভেবেছিলাম এই ব্যবস্থাপনা সফল হয়েছে কারণ এই ব্যবস্থাপনার পিছনে রয়েছে ম্যানেজ করার জন্য ডিজাইন, যা তৈরী করতে লাগে মেধা ও সদ্দিচ্ছা । আমাদের হবে কিভাবে? আমাদের তো কোনটাই নেই।

০২ রা জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

 ্লেখক বলেছেন: আমাদের হবে কিভাবে? আমাদের তো কোনটাই নেই।
.................................................................................
আমাদের আছে হিংসা, লোভ আর অন্যরটা কেড়ে নিয়ে নিজের বলে চালায়ে দেয়া ।
আমরা যে প্রজেক্ট জমা দিয়েছিলাম তা ৫০০ কোটি টাকার ইউএস-বাংলা জয়ন্টে ভেন্চার।
এই যৗেথ উদ্যোগে সমস্ত মিশনারী আসত এবং জমি সরকারকে দিতে হতো । মন্ত্রণালয়ে আমরা ভিডিও প্রজেক্সন করে ছিলাম । কিন্ত তারা নিজে করে লাভবান হবে, বলে আর বাস্তবায়নের মূখ দেখলনা ।

 ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫২

আমার মন্তব্যঃ চমৎকার

১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনি ও একজন চমৎকার মানুষ
............................................................
মাঝে মাঝে সুন্দর সুন্দর বিজ্ঞান চিন্তা আমাদের মাথায় ঢুকায়ে দেন, আমি অত্যন্ত চমৎকৃত হই !





May 31, 2026

মন্তব্য প্রদানের ধরণ ধারণ

ব্লগের মাঠ হলো ব্লগর ব্লগর করা। এটা তো কোন পরীক্ষার খাতা না, যে একটু অন্যরকম হলে বিরাট ভুল কিছু হয়ে গেল। তারপরও কারো কোন নির্দিষ্ট পছন্দ থাকলে তা আগে থেকে উল্লেখ করে দিলে ভাল হয়। তখন পেইজে পড়তে আসা পাঠক, খেয়াল রেখে, লেখকের পছন্দ মেনে, মন্তব্য করে যেতে পারেন। যেমনঃ

১. কারো ভাল লাগে বড় মন্তব্য 

২.কারো ছোট মন্তব্য। 

৩.কম সময়ে  দ্রুত অনেক অনেক কাজ সারতে চাইলে  AI দিয়ে বানানো  মন্তুব্যসমূহ্‌ও কারোর কাছে বিরক্তিকর লাগতে পারে। 

৪. AI এর সাহায্য নিলে  অনেক তথ্য সন্নিবেশিত থাকে বলে অনেকের আবার সেসব মন্তব্য  ভালও লাগতে পারে।

সুতরাং চার রকমের ক্রাইটেরিয়া পাওয়া গেল।

এখন, ধরেন মন্তব্য দানের পর যদি লেখক বলেন, যে আমার পছন্দের ক্রাইটেরিয়ার মাঝে আপনার মন্তব্য পড়ছে না, কেন লিখেছেন, খুবই বিরক্ত লাগছে- তাহলে মন্তব্যকারী বিব্রত অবস্থায় পড়তে পারেন। তিনি ভাবতে পারেন কোন দুঃখে গিয়েছিলাম ওখানে মন্তব্য লিখতে! 

তাই  ভাল হলো মন্তব্যের ধরণ ধারণ কেমন হবে তার একটা আউট-লাইন লেখককে, সবার উদ্দেশে বলে দেয়া। পেইজের পাতার আগায় সেটা টাঙ্গান থাকবে। পাঠক লেখা পড়ে ভাববে এই লেখায় আমার মন্তব্যটি  তাহলে কি এভাবে  লিখব, নাকি ওভাবে লিখব, নাকি কিছু লিখবই না।

এতে মন্তব্যকারী পাঠককে বিরক্তির হাত থেকে বাঁচাতে পারেন আবার নিজেও বিব্রত হবার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন। লেখকের বিরক্তিকর ভাবের বহিঃপ্রকাশ দেখে মন্তব্যকারীর কখনোই মনে হবে না সামগ্রিক  ব্যাপারটা utterly disgusting.

May 27, 2026

মন্তব্য - কাবিল

 


২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৩৪

কাবিল বলেছেন: সামুর সেই সোনালি দিনগুলো যেন এখন ডিজিটাল নস্টালজিয়ার এক নীরব প্রত্নচিহ্ন— যেখানে শব্দের ভাঁজে ভাঁজে জেগে থাকত প্রাণবন্ত বিতর্ক, অনুভূতির দীপ্তি আর চিন্তার বহমান স্রোত। আজ টাইমলাইনের নিস্তব্ধতায় যেন হারিয়ে গেছে সেই সম্মিলিত আত্মিক উচ্ছ্বাস। তবুও কোথাও না কোথাও হয়তো এখনো জেগে আছে সেই পুরোনো সামুবাসীর শব্দাত্মা, অপেক্ষায় আছে আরেকটি প্রাণময় বিকেলের।

৩২. ২৮ শে মে, ২০২৬ ভোর ৪:১৬

হুমায়রা হারুন বলেছেন: @ কাবিলঃ সত্যিই, সামু শুধু একটা ব্লগ ছিল না—এটা ছিল আমাদের আবেগ, চিন্তা আর সৃষ্টিশীলতার এক যৌথ আঙিনা। সামুর সেখানে দিনের পর দিন, রাতের পর রাত চলত প্রাণবন্ত বিতর্ক, হাসি-ঠাট্টা, গল্প আর অনুভূতির আদান-প্রদান। আজকের এই ডিজিটাল যুগে, যেখানে প্রতিটা কথা যেন স্ক্রলের ভিড়ে হারিয়ে যায়, সেখানে সামুর সেই আন্তরিকতা, বন্ধুত্ব আর সম্মিলিত উচ্ছ্বাসকে মিস করি বারবার। সোশ্যাল মিডিয়ার একঘেঁয়ে আচরণ আমাদের সেই প্রাণবন্ত সময়ের কথা আরো বেশি মনে করিয়ে দেয়। পুরোনো কোনো পোস্টে, পুরোনো কমেন্টে কিংবা স্মৃতির পাতায় ফিরে গিয়ে আমরা আজও খুঁজে পাই সেই উচ্ছ্বাস, সেই হাসি, সেই নির্ভেজাল বন্ধুত্ব। সময় বদলালেও, সেই স্মৃতি আর অনুভূতি বারবার ফিরে আসে—আমাদের প্রত্যাশার অপেক্ষায় । সেই দিনগুলো তাই কখনও হারিয়ে যায় না, বরং নীরবে আমাদের মনোজগতে বেঁচে থাকে অনন্তকাল।

শায়মা ব্লগ

 https://www.somewhereinblog.net/blog/saimahq/30392063

২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৭

আমার মন্তব্যঃ কি অদ্ভুত, অন্ধ দাঁড়কাক ছাড়া আর কোন ID চিনি না।   
২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৫৪
 শায়মা বলেছেন: তুমি তো অনেক পুরোনো আপুনি!!!! তবে হ্যাঁ আমার ব্লগে অনেকে যেমন কমেন্ট করতো তেমনি আমিও কর‌তাম। আমার পুরোনো পোস্টের কমেন্ট গুলো থেকে আমার এই নিকগুলোকে মনে পড়েছিলো সেদিন।
                              

May 17, 2026

শিশু সাহিত্য

 রুশ শিশু সাহিত্য - জ্যোতির্ময় ধর


১৭ ই মে,২০২৬ বিকাল ৬ঃ৪৭ 

আমার মন্তব্য ঃ আমার বাল্যকালে শিশু সাহিত্যের বই ছিল না। অনেক খুঁজে আমার পিতা মাতা তলস্তয় এর শিশু সাহিত্য বই টি পেলেন বাজারে। বইয়ের প্রচ্ছদ দেখে মনে পড়ে গেল। সেই একটা বই -ই ছিল,  শিশুদের জন্য, রুশ সাহিত্য সংগঠনের। তদের বই পাওয়া যেত ঢাকার নিউমার্কেটের বই এর দোকানে। কিন্তু আর কারোর ছিলা না।
আপনার কালেকশান দেখে অবাক হচ্ছি। প্লিজ সব বই পি.ডি. এফ. করে রেখেন।



১৮ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা নেবেন । ধন্যবাদ । বইগুলো আমার ছোট বেলার সংগ্রহ । এখনো নীলখেতে পুরনো বইয়ের দোকানে কিছু পাওয়া যায় । পি ডি এফ করে রাখার পরিকল্পনা আছে ।

১৮ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: রুশদেশের শিশু সাহিত্য আমি পড়ি নাই। পড়বোও না। আমি আমাদের দেশের শিশু সাহিত্য পড়েছি।

১৮ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ । আপনি কি পড়বেন না পড়বেন তা আপনার রুচির উপর নির্ভর করবে। আর বাঙ্গালির ছেলে তাই ঠাকুরমার ঝুলি পড়ে বড় হয়েছি । আমি পৃথিবীর সব ভাষার বই ও সব লেখকের লেখার স্বাদ নেওয়ার চেষ্টা করি । এই রুশ বইগুলোর বঙ্গানুবাদ যারা করেছেন উনারা সবাই দেশ বরেণ্য সাহিত্যিক । হায়াৎ মামুদ , নণী ভৌমিক , দ্বিজেন শর্মা, অরুণ সোম প্রমুখ । শুভকামনা ।

সফ্‌ট স্পোকেন

 . ১৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০৪

হুমায়রা হারুন বলেছেন: আমি খুব চেষ্টা করি , কিন্তু পারি -ই না।
সফ্‌ট স্পোকেন মানুষ যখন দেখি, তখন আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকি। এতো ধৈর্য্য তারা কোথা থেকে পায়। আমার দেখা এরকম সফট স্পোকেন আছেন পাঁচজন আব্বু, মামা, ফারুক ভাই, জয়া আন্টি, ফটো কপি লিটা করপোরেশানে দেখা সেই মহিলা। 

১৭ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯

আবু সিদ বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ, । আপনি যে নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তা শুনে অনেক ভালো লাগলো। ইনশাল্লাহ, আপনিও পারবেন।

১৭ বছর - হামা ভাই

 ২৯শে নভেম্বর, ২০২৫

হাসান মাহবুব বলেছেঃ শিরোনামটাই বলে দেয়। আর কিছু বলার নাই। আর আপাতত সময়ও নাই।

 ১৭ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭

হুমায়রা হারুন বলেছেন: সবাই বুঝলো আপনার ব্লগের পূর্তি উদযাপন।
আমি কেন বুঝলাম না?
আমি কি না বুঝলাম ১৭ বছরের শাসন .।.।.।।ইত্যাদি ইত্যাদি.।.।






May 16, 2026

জন্মদিনের শুভেচ্ছা

১৩ই মে ২০২৬- এর সূর্যাস্ত

১৪ই মে ২০২৬

প্রিয় লুবনা আপু, সকাল থেকে আপনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য কতবার যে ফোনটা হাতে নিলাম আর সাংসারিক ঊনকোটি কাজে ভুলেও গেলাম। উর্দুতে যে বলে, 'দেনেআয়ে দুরস্ত আয়ে' সেই প্রবচনের দোহাই দিয়ে দিন ফুরোনোর আগেই জন্মদিনের অসংখ্য শুভ কামনা জানাচ্ছি। জীবনের নতুন বছর শুভ হোক, আনন্দময় হোক।

আমার মন্তব্যঃ ভীষণ ভাল লাগলো তোমার লেখা দেখে। অনাক আদর রইল ।

আমার জন্ম সংখ্যা ১৩ , তোমার ৩১

মানে ঘুরে ফিরে.৪ (১+৩=৪)

তাই জীবনের স্টাইলটাও একই রকম। কোন কিছুই দ্রুত হয় না। খুব ধীর গতির জীবন। ইউরেনাসের প্রভাব বলে কথা।



১৬ই মে ২০২৬

রঞ্জিঃ Uranus কি বাংলায় রাহু? Some numerology posts were coming on my feed coincidentally. That was talking about trait of people with Mulank 4. Apparently these people are controlled by Rahu But all the traits of Mulank 4 are present in me.



১৬ ই মে ২০২৬, রাত ১০ঃ৩৪
আমার মন্তব্যঃ ইউরেনাস কে বাংলা জ্যোতির্বিদ্যায় বা পৌরাণিক নামের সাথে মিল রেখে অরুণ বা অরুণগ্রহ বলে| ইউরেনাস অপ্রত্যাশিত ঘটনার বাহক। ১২ টা রাশিতে ৭ বছর করে থাকে বলে কি না, জানি না , এই জুন থেকে ইউরেনাস ১২*৭=৮৪ বছরের জন্য আমার রাশি -বৃষ- থেকে বিদায় নেবে। দেখা যাক অপ্রত্যাশিত ঘটনার হার এবার আমার জীবনে কমে আসে কি না। কসমিক ল্যঙ্গুজেয় হলো ১,২,৩,৪ ----৯ দ্বারা প্রকাশিত। আমাদের ভাষা যেমন বাংলা , ইংরেজী তেমন । কসমোলজি ও জ্যোতিষ শাস্ত্রে '৪' সংখ্যা জ্যোতির্বিজ্ঞানে 'রাহু'কে নির্দেশ করে। প্রতিটি সৃষ্টি আমাদের আত্মার মত এক একটা কনসাশ্নেস বহন করে। রাহু ও তাই, যদিও তার ফিজিকাল রূপ নেই। কেন নেই পরে বলছি। রাহু ৪ সংখ্যা দ্বারা নির্দিষ্ট। সে তার কম্লিমেন্টারি সংখ্যা ৭ কে খুঁজে বেড়ায় । সেই ৭ নির্দিষ্ট হয় কেতু দ্বারা। কেন এমন হলো? তিনটি প্রজাতি আছে পৌরাণিক মতেঃ মানুষ, অসুর, দেবতা। রাহুঃ সমুদ্র মন্থন-এর সময় স্বরভানু নামের এক অসুর, দেবতাদের ছদ্মবেশে অমৃত পান করে ফেলে। সূর্য ও চন্দ্র তা দেখে ফেলায় বিষ্ণু, সুদর্শন চক্র দিয়ে তাকে দ্বিখণ্ডিত করেন। কিন্তু অমৃত পানের ফলে সে অমর হয়ে যায়। স্বরভানুর মাথা কেটে ফেললে, তার মাথাটি 'রাহু' নামে পরিচিত হয়। শুধুমাত্র মস্তক (Bodyless Head) - এটি জাগতিক কামনা ও মোহের প্রতীক। নির্দেশিত সংখ্যা ৪.

কেতুঃ কেতু হলো ধড় বা মস্তকবিহীন দেহ/লেজ। কাটা মাথা বাদ দিয়ে রাহু বাকি ধড়টি 'কেতু' হিসেবে পরিচিতি। শুধুমাত্র ধড় বা লেজ (Headless Body) - এটি আধ্যাত্মিকতা ও বিরাগ বা মোক্ষের প্রতীক। নির্দেশিত সংখ্যা ৭

তাই বললাম , রাহু ,ও কেতু শুধু সংযুক্তি চায় তাদের দুজনার। তার পূর্ণতা পেতে চায় । তাই ৪ শুধু ৭ কে খুঁজে বেড়ায়। বা ভাইস ভার্সা। জ্যোতিষশাস্ত্রে এই দুইটিকে ছায়া গ্রহ (Shadow Planets) বলা হয়, কারণ তাদের নিজস্ব কোনো ফিজিকাল রূপ নেই, তবুও তারা মানবজীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। কেন ফিজিকাল রূপ নেই? আকাশের চার্টে রাহু আর কেতু দুটো লোকেশান মাত্র। যেই দুই লোকেশানের মধ্যে চন্দ্র অলটারনেটিভলি মুভ করে। এটা গনণার সুবিধার্থে দুটি লোকেশান। বাস্তব জীবনে কি হলো তবে? আমি সবসময়, যাদের সংখ্যা ৪ তাদের সাথে কিভাবে যেন যুক্ত হয়ে যাই (আমার অজান্তে)। পরে খেয়াল করে দেখি আরে ওর সংখ্যা তো হয় ২২ অথবা ৩১ অথবা ৪ বা ১৩. তবে জন্ম সংখ্যা ৭ -এরকম কারো সক্ষাত এখনো পাই নি।

১৭ই মে, ২০২৬, দুপুর ২:২৪
রঞ্জি বলেছেঃ Very surprised to hear about this Rahu Ketu theory. Rahu being head and the Ketu being the body.
Very surprisingly I have couple of 7s in my life and with none of them I have never had the feeling that they are my inseparable parts as we think alike or even in sync with each other.

১৭ ই মে ২০২৬, রাত ৯ঃ৪৩
আমার মন্তব্যঃ কোথাও কোন বাধা আছে, যা অ্যাস্ট্রলজার-রা বলতে পারবে।
বৈদিক জ্ঞান অনুসারে কিন্নর (ট্রান্সজেন্ডার) একটা গোত্র। একটা বংশের ধারা। এর উতপত্তি কিভাবে হলো তা আমার পোস্টের https://www.somewhereinblog.net/blog/humaira_haroon/30218154
#৩, #৬ কমেন্টে লিখে রেখেছি। এছাড়া বৈদিক প্রথার অনুসারীরা অনেকে বলে তারা কশ্যপ। সেটা কি তাও এই খানে লিপিনবদ্ধ করেছি।
নাগ রা কিভাবে এলো তা #৫ কমেন্টে। কমেন্টগুলো আমার একটা নোট।
তবে #২ কমেন্ট -এ সর্ব প্রথম তারা যা বলেছে তা হলো প্রাথমিক উৎস—ব্রহ্মা 

কর্ণিকা


১৬ ই মে ২০২৬ বিকেল ৮ঃ১১ 

আমার মন্তব্যঃ কর্ণিকা শব্দটি কত শুনেছি কিন্তু এ যে সোনালু ফুলের সাথে যুক্ত, তা জেনে অবাক লাগলো।

পুরো পোস্ট টি পড়ে মুগ্ধ হয়েছি।
শহর- ডিজাইনার রা ইচ্ছে করলে এই ফুল দিয়েই সারা শহর রাঙিয়ে দিতে পারে।
এখন যেমন ব্রিটিশ কলাম্বিয়া , টরোন্টর কিছু জায়গা চেরি ফুল দিয়ে রাঙ্গিয়ে আছে।


এই অংশটুকু নিয়ে একটা গ্রুপই খুলে ফেললাম আমার ফেসবুকে। আমি কি আপনার পোস্ট থেকে তিন নম্বর ছবিটা নিতে পারি আমার গ্রপ -এর কভার পেজের জন্য?
গ্রুপ লিংক বাংলা শব্দার্থ

১৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:৪৪

লেখক বলেছেন:
- আপনার গ্রুপের জন্য শুভকামনা রইলো।
- ছবিটি নিতে পারেন।

 ১৭ ই মে, ২০২৬ ভোর ৪:১৯

হুমায়রা হারুন বলেছেন: কর্ণিকা শব্দটি কত শুনেছি কিন্তু এ যে সোনালু ফুলের সাথে যুক্ত, তা জেনে অবাক লাগলো।
পুরো পোস্ট টি পড়ে মুগ্ধ হয়েছি।
শহর- ডিজাইনার রা ইচ্ছে করলে এই ফুল দিয়েই সারা শহর রাঙিয়ে দিতে পারে।
এখন যেমন ব্রিটিশ কলাম্বিয়া , টরোন্টর কিছু জায়গা চেরি ফুল দিয়ে রাঙ্গিয়ে আছে।

১৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩

লেখক বলেছেন:
- শুধু সোনালু না, একটু পরিকল্পিতো ভাবে কুষ্ণচূড়া, কনকচূড়া, জারুল, লালসোনাইল, কদম, পলাশ, শিমুল ইত্যাদি গাছ সড়কের ধারে লাগিয়ে চিত্রই পালটে দেয়া যায়।



May 15, 2026

পূবাইল চিত্র





১৪ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫

আমার মন্তব্যঃ দারুণ অভিজ্ঞতা।
কিন্তু ভিডিওতে তোলা এই বিশাল জলাশয় কোথায়?

১৪ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৭

মরুভূমির জলদস্যু  বলেছেন:
- ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
- ভিডিওতে যেটি দেখা যাচ্ছে সেটি আসলে কোনো জলাশয় না। এটি মূলতো ধানক্ষেত। বর্ষায় যখন জল আসে তখন সেটি হয়ে যায় বিল। এটির অবস্থান নারগিরে। নাগরি হচ্ছে পূবাইল আর উলুখোলার মাঝামাঝি একটা যায়গা।


১৬ই মে ২০২৬, আমাদের এখানে ১৬ই মে ২০২৬ দুপুর ৬ঃ৪৫

আমার মন্তব্যঃ এত বিস্তীর্ণ অঞ্ছল জুড়ে খোলা জায়গা ! আর আমাদের এরিয়া তে (মহাখালি) একটু খোলা জায়গা নাই, আকাশ তো দেখার কোন উপায়ই না। আমাদের ছোট্ট ঐ পাড়াতে (বহু আগে) হিসাব করে দেখেছিলাম ১ লাখ লোকের বাস। এখন হয়তো বা বেড়েছে।

আর এই দেশে (কানাডা)? পাড়া তো বাদ দিলাম, একটা শহর জুড়ে মানুষ থাকে ত্রিশ হাজার। তাও খুব বড় শহর সেগুলো। পাড়ায় গেলে কোন মানুষ চোখে পড়ে না।
ঢাকার ঐ জনবসতিতে ঠাসা (আমাদের পাড়া ) জীবন ছেড়ে আপনার ঐ জলাশয়ের বিস্তীর্ণ ধান ক্ষেতের ছবিটা আসলেই আমাকে মুগ্ধ করেছে।



১৭ই মে ২০২৬ ঢাকার সময় , আমাদের এখানে ১৬ই মে ২০২৬ দুপুর ৬ঃ৪৫
আমার মন্তব্যঃ  আশ্রমের ফেসবুক পেইজটা দেখলাম । খুব সুন্দর।
আর অপু তানভীরের পোস্ট টা পড়লাম।
যেহেতু পূবাইল নাম আমি শুনেছ আর ওই এরিয়া আপনার চেনা, তাই জানতে চাইছিলাম, পূবাইলে ছাড়িয়ে সামনে গেলে কি বাড্ডা পড়ে? নাকি অন্য কোন এরিয়া? সে অঞ্চলের নাম কি?
বাড্ডা তে কি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি হয়েছে না?

আমার ২ নং মন্তব্যের প্রতিউত্তরে লেখক বলেছেনঃ ভিডিওতে যেটি দেখা যাচ্ছে সেটি আসলে কোনো জলাশয় না। এটি মূলতো ধানক্ষেত।
এত বিস্তীর্ণ অঞ্ছল জুড়ে খোলা জায়গা ! আর আমাদের এরিয়া তে (মহাখালি) একটু খোলা জায়গা নাই, আকাশ তো দেখার কোন উপায়ই না। আমাদের ছোট্ট ঐ পাড়াতে (বহু আগে) হিসাব করে দেখেছিলাম ১ লাখ লোকের বাস। এখন হয়তো বা বেড়েছে।
আর এই দেশে (কানাডা)? পাড়া তো বাদ দিলাম, একটা শহর জুড়ে মানুষ থাকে ত্রিশ হাজার। তাও খুব বড় শহর সেগুলো। পাড়ায় গেলে কোন মানুষ চোখে পড়ে না।
ঢাকার ঐ জনবসতিতে ঠাসা (আমাদের পাড়া ) জীবন ছেড়ে আপনার ঐ জলাশয়ের বিস্তীর্ণ ধান ক্ষেতের ছবিটা আসলেই আমাকে মুগ্ধ করেছে।

১৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন:
- ঢাকার সবচেয়ে গিঞ্জি এলাকার মধ্যে একটি হচ্ছে বাড্ডা। আমার বাস সেইখানেই। আদিবাস-বর্তমান এবং ভবিষ্যৎবাস এই বাড্ডাতে। তাই মাঝে মাঝে প্রকৃতির কাছে ছুটে যাওয়ার জন্য এই আশ্রমের প্রয়োজন ছিলো আমাদের।

১৭ ই মে, ২০২৬ ভোর ৪:৩২

হুমায়রা হারুন বলেছেন: আশ্রমের ফেসবুক পেইজটা দেখলাম । খুব সুন্দর।
আর অপু তানভীরের পোস্ট টা পড়লাম।
যেহেতু পূবাইল নাম আমি শুনেছ আর ওই এরিয়া আপনার চেনা, তাই জানতে চাইছিলাম, পূবাইলে ছাড়িয়ে সামনে গেলে কি বাড্ডা পড়ে? নাকি অন্য কোন এরিয়া? সে অঞ্চলের নাম কি?
বাড্ডা তে কি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি হয়েছে না?

১৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন:
- ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য। সেই সাথে আশ্রমের ফেসবুক পেইজটা দেখার জন্যও ধন্যবাদ জানাই।
- আমি গুগল ম্যাপে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি < বাড্ডাতে আমার বাড়ি < পূবাইল রেলওয়ে স্টেশন < আশ্রম এর অবস্থান দেখিয়ে দিলাম। আশা করছি দূরত্ব সম্পর্কে এটা ভালো ধারনা পাবেন।