আজমের সাইন্স ফিকশান - ভাইরাস এপিজি
লেখক বলেছেন: কি আর বলব...বেশি বড় দিলেও সমস্যা ছোট দিলেও সমস্যা। তবে এটা একটা বিশাল গল্পের ছোট একটা অংশ,প্রথমে যখন লিখতে শুরু করেছি তখন গল্পের থিম ছিল অন্য,এইটা ছিল ঐ গল্পের ইন্ট্রোডাকশন টাইপের লেখা।পরে মনে হল...আরেকটু টেনে টুনে এইটাকেই গল্প বানিয়ে দি
এস.বি.আলী বলেছেন: আজুম ভাই এর লেখনি আবারো ঝলসে উঠলো। এরকম আরও সাই ফাই চাই। কইষ্যা পিলাচ +++++
নষ্ট কবি বলেছেন: ভালই হবে..কিন্তু কেউ আত্মহত্যা করবেনা,,,,,
কারণ এক প্রজন্ম পর কেউ বেঁচেই থাকবে না.....
লেখক বলেছেন: সবাইকে সমান ভাবে এই ভাইরাস আক্রমন করবে না। কিছুশক্তি শালী জেনেটিক্স বৈশিষ্ট্যের জন্য এপিজি পরাজিত হবে,তবে জয়ের পাল্লাটা ভারী থাকবে।প্রথমিক দিকে যা করতে ব্যর্থ হয়ে ছিল আর কি...মেইল দের কাজ হল ভাইরাসটা ক্যারী করা,আর এই ভাইরাস মেইলের শরীরে ঠিক মত জায়গা করতে না পারলে ফিমেলে ছড়াতে পারবে না।সে ক্ষেত্রে হয়ত কিছু দম্পতি সুস্থ থাকবে এখানে শুধু রিফাত-রিনি দম্পতির মাধ্যমে প্রাথমিক ধাক্কাটা বুঝানোর চেষ্টা করেছি মাত্র।প্যারা ৩ চলমান রাখার কারন হল এটা এখনো টেস্টের পর্যায়ে...
০৭ ই আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৪০
শান্তির দেবদূত বলেছেন: এ যাবৎ তোমার লেখা সাইফাই গুলোর মধ্যে বেস্ট এটা। আগে এক নাম্বারে ছিলো "বিশুদ্ধ মানব প্রকল্প"। এখন ঐটা দুই নাম্বারে।এইবার আসি থিমের ব্যপারে। মিঞা ! তুমি তো থিম আমার মাথা থেকে মেরে দিছ! আমি কয়েকমাস যাবৎ একটা প্লট ভাবছি যে, কোন এক ভাইরাসের কারনে মানুষের প্রজনন ক্ষমতা নি:শেষ হয়ে গেছে। এর একশ'রও কিছু বেশি বছরের পর পৃথিবীর শেষ দুইজন মানব মানবি প্রস্তুতি নিচ্ছে পৃথিবী থেকে শেষ মানুষ হিসাবে বিদায় নেওয়ার জন্য। আরে তাদের শেষ কিছুদিনের কথাবার্তা আর ঘটনা নিয়েই প্লটটা সাজিয়ে ছিলাম। নাহ! এখন বিশাল একটা চেঞ্জ নিয়ে আসতে হবে প্লটে।
তবে ভাবতে ভালো লাগছে, যে চিন্তাটা আমি এখন করছি, সেই একই ধরনের চিন্তা আমার ৫/৭ বছরের ছোট ভাই করছে। বাংলাদেশের সাই-ফাই এর অনেক অবদান রাখতে পারবে, সামনে অনেক দুর এগিয়ে যাও। শুভেচ্ছা রইলো।
লেখক বলেছেন: সাই ফাই লেখায় আপনার মন্তব্য পেলে ভালো লাগে...তবে কি লিখেছেন এইসব?আমারতো টেবিলের নিচে লুকাতে ইচ্ছে হচ্ছে :!>
...এই গল্পটার থিম আসলে লেখা শরু করার সময় মাথায় ছিল না।শুরু করলাম এলিয়েন সম্পর্কীয় এক গল্প,কিন্তু কি যেন হল গল্পটা এখানেই শেষ করে দিলাম।এলিয়েন রা কি আপনার মাথা হ্যাক করেছে কিনা...
আমারই খারাপ লাগছে, এইটা অনেকটা বাড়া ভাতে ছাই দিয়ে দেয়াওয়ার মত অবস্থা।
তবে ভাইরাসের ব্যাপারটা ছাড়া তো,আপনার গল্পটা সম্পুর্ন ভিন্ন।প্লটে বিশাল চেন্জ নিয়ে আসলে তো সেটা অন্যগল্প হয়ে যাবে,তার চেয়ে যেইরকম চিন্তা করেছেন ঐভাবে দিয়েদিন।
পৃথিবীর শেষ দুইজন মানব মানবির ডায়ালগ মিস করতে চাই না...
আইডিয়া মিলে যাওয়ার ব্যাপারে আমার একটা ব্যাখ্যা মনে আসল, ধরুন আমি আপনার লেখা ফিকশন গুলো পড়ি।এতে কি হয় আমার মাথায় নিউরনের কানেকশন তৈরি হয়।একটা গল্পে হয়ত অনেক অনেক কানেকশন থাকতে পারে। এভাবে গল্প গুলোর কানেকশন গুলোতে পরবর্তী আইডিয়া গুলো লুকিয়ে থাকে।সাধারন বই পরলে হয়ত এটা বুঝা যায় না। কিন্তু ব্লগ হচ্ছে,সবাই লেখক আবার সবাই পাঠক।এই জন্য হয়ত ব্যপারটা দৃষ্টিতে আসে......সে যাই হোক, এই ব্যাখ্যাটা আমার নিজের কাছেই উল্টাপাল্টা মনে হচ্ছে!
মনে হল তাই বলে ফেল্লাম
অনেক অনেক ভালো লাগল আপনার বড়ভাই সুলভ মন্তব্য।
ভালোথাকুন।ধন্যবাদ।
আমার মন্তব্যঃ খুব ভাল আইডিয়া। চমতকার হয়েছে। +++
***
আমার মন্তব্যঃ লেখক বলেছেনঃ সবাইকে সমান ভাবে এই ভাইরাস আক্রমন করবে না। কিছুশক্তি শালী জেনেটিক্স বৈশিষ্ট্যের জন্য এপিজি পরাজিত হবে,তবে জয়ের পাল্লাটা ভারী থাকবে।'গল্পটা ২০১০ এ লিখেছ।
২০১৯ এ করোনা ভাইরাসের আক্রমণ হলো।
আজ ২০২৬ সাল। আবার কমেন্টগুলো পড়ছি।
আজম বলেছেন: কোন অনুভূতিই আসলে অর্থহীন না।পুরো জগতটাই যদি ইকুয়েশন দিয়ে ডিফাইন করা যায়...আমাদের মনের অনুভূতি কিংবা আবেগকে কেন ডিফাইন করা যাবে না? হয়ত আমাদের সাপেক্ষে কল্পনার উর্ধ্বে এইসব সুত্র,হায়ার ডাইমেনশানের কোন ভ্যারিয়েবলের সূক্ষ্ম পরিবর্তনের ফল...অদৃশ্য জগত,অদৃশ্য সত্ত্বার সাথে অনুভূতির যোগসূত্রটা দারুন একটা আইডিয়া
লেখক বলেছেন: এভাবেই হয়তোবা মেকানিজম টা কাজ করে।'ভয়েজার' এ ওরা বলেছে আমাদের ইন্দ্রিয় ৫ টি নয় ১২ টি, কিন্তু বাকী ৭ তা লক করে দিয়েছে 'গ্রেইস' রা।
তাই সব কিছুতে আমাদের এত কনফিউশান।


১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২১০