Nov 2, 2009

একট্য দেরী -১

 ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৫


হুমায়রা হারুন বলেছেন: লেখক বলেছেন:স্লিপই হলো মুভিটা দেখা আছে আপা?
না ভাইয়া।
আমি আয়নাকে পোর্টাল না জেনেই একবার একটা কল্পগল্প লিখে ফেলেছিলাম।
কিভাবে লিখেছিলাম জানি না। সময় পেলে একবার দেখেন।
একটু দেরী -১

০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:১৪

লেখক বলেছেন: আপনার লেখাটা কয়েকবার পড়েছি। যুতসই কোন মন্তব্য রেডি করতে পারিনি ।

৫. ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:১২০

হুমায়রা হারুন বলেছেন: লেখক বলেছেনঃ আপনার লেখাটা কয়েকবার পড়েছি। যুতসই কোন মন্তব্য রেডি করতে পারিনি ।

আপনার সাধারণ ভাবনায় আমরা কুপোকাত। আর যুতসই ভাবনা হলে যে কি হবে তাই ভাবছি।


০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫১০

হুমায়রা হারুন বলেছেন: @ অপ্সরাঃ ট্রাঞ্জিশানের ওপর এই ভাবনা এসেছিল , যেখানে বাসার মিরর্‌ , পোর্টাল হিসেবে কাজ করেছিল। তাই দিয়ে লিখেছি এই গল্প। এখানে মিরর্‌ , আচমকা পোর্টাল ওপেন করে আলেয়াকে টেনে নিয়ে গেছে অন্য জগতে, যেখান থেকে আলেয়া ফেরৎ আসতে পারেনি।
ট্রাঞ্জিশান হওয়া মানে আমাদের আত্মা যেই silver chord (সিলভার কর্ড) দিয়ে সোর্সের সাথে যুক্ত থাকে,তা পুরোপুরি ছিন্ন হওয়া। ফলে আত্মা শত চেষ্টা করেও দেহে প্রবেশ করতে পারে না। তখন বলি 'দেহের' মৃত্যু হয়েছে। আত্মাটার না কিন্তু।
আর প্রতি রাতে, ঘুমের সময় আত্মা যে দেহ থেকে বের হয়ে বিভিন্ন লোকে বিচরণ করে দেহে ফেরত আসে , তা সম্ভব হয় কারণ , silver chord -টি সোর্স এবং দেহের মাঝে তখনো যুক্ত থাকে। না থাকলে আত্মা , দেহে ফেরত আসতে পারতো না । আমরা বলতাম ঘুমের মধ্যে লোকটি মারা গেছে। এরকম -টা কখন ঘটবে তা, মানে সিলভার কর্ড কখন পারমানেন্টলি বিচ্ছিন্ন হবে দেহ থেকে, তা আমাদের সকলের জন্য আমাদের এই ধরায় এন্ট্রি করার সময়ে নির্ধারিত হয়। মানে এন্ট্রি , এক্সিট জেনেই আমরা এই ধরায় আসি। আমাদের সাব-কনশাস সব টাইমিং জানে।
ট্রাঞ্জিশানের ওপর অপর ভাবনা আমি গল্প আকারে যখন লিখেছিলাম, তার একটি হলো নিঃসঙ্গ যাত্রী
এখানে খেয়াল করলে দেখা যায় , আমরিন যা দেখছে, যা অনুভব করছে, তার ট্রাঞ্জিশান হবার মুহূর্তে , তা তার আশপাশের কেউই দেখতে পাচ্ছে না , বুঝতেও পারছে না। কারণ রোগী তখন বাস্তব থেকে পরাবাস্তবের সোপানে উঠে গেছে।
সেরকম আবহ দেখা যায় ঊর্জার বেলায় এখনি সময় গল্পে।
এ কারণে একটু মেটাফিজিক্স, মানে পরাবাস্তব ধাঁচের গল্প হয়ে গেছে।

 ১৩ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৪২০

হুমায়রা হারুন বলেছেন: স্টার গেইট ওপেন হয়েছে ৫ ই জানুয়ারি, গালফ অফ এডেন-এ।

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৮০

এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: খুব ভালো লাগলো আপু।

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। দ্বিতীয় পর্ব লিখছি।

 ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৬০

আজম বলেছেন: দারুন লাগল...

আলেয়া কি সিমও্যশী টাইপের কেউ নাকি?

০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৩০

লেখক বলেছেন: নাহ,। এটা একটু মেটাফিজিক্স ধাঁচের চিন্তা ভাবনা।

 ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০১০








Oct 7, 2009

ব্রাউন ডোয়ার্ফের সহচর

 

১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩০

আজম বলেছেন: ভালো লাগল.....আরেকটু বিস্তারিত লিখলে ভাল হত।

২. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৮০

শিবলী বলেছেন: সুন্দর তবে পরে মনে হয় ডিটেইলস আসবে

৩. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:২৮০

হুমায়রা হারুন বলেছেন: তথ্য তেমন কিছু পেলাম না যদিও দু একটি লাইন সংযোজন করলাম।

৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮০

শেরজা তপন বলেছেন: আমার প্রিয় একটা বিষয় নিয়ে লিখছেন আপনি- দারুন লিখে যান। সময় করে পড়ে মন্তব্য করব-

৫. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১০০

সজল শর্মা বলেছেন: ধন্যবাদ। আবারও নতুন লেখার অপেক্ষায় রইলাম।

৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৫০০

ম্যাভেরিক বলেছেন: ভালো লাগল মহাকাশ ভ্রমণ, বরাবরের মতো।

৭. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:১৪০

প্রণব আচার্য্য বলেছেন: দুর্দান্ত...

২০ শে জুলাই, ২০১৭ ভোর ৪:০৪০

লেখক বলেছেন: সবসময়ই (আপনার কাছে)

৮. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:১৬০

আহমদ ময়েজ বলেছেন:

গাণিতীক বিষয়ে আমি নিজেকে খুবই অনুপযুক্ত ভাবি। তবু কেউ যখন এসব বিষয়ে শ্রম ব্যয় করেন তাদের প্রতি আমার যথেষ্ট শ্রদ্ধা রয়েছে।

রহস্যাবৃত পৃথিবীর সব কিছু উন্মুক্ত হলে কার না ভালো লাগে।

ধন্যবাদ।

৯. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:২০১

Oct 4, 2009

কারিনা নেবুলা

 



১. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৩

০

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: বাই দা ওয়ে, আপনার কী দূরবীন জাতীয় কিছু আছে? বা পছন্দের কোন 'স্পেসিফিকেশন' যেটি শৌখিন জ্যোতির্বিদ দের সব আগ্রহ মেটাবে। ঢাকায় সাইন্স ল্যাবের বিপরীতে ড. রেইফুলাসর সেন্টারে কাচে ঘেরা শো রুমে কিছু দূরবীন দেখেছিলাম মনে হয়। দাম কেমন দেশে? বিদেশ থেকে আনাতে পারলে সস্তাই পড়বে আশা করি।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৪০

লেখক বলেছেন: আমার ল্যাবে ছিল। আমার সুপারভাইজার আমাকে স্যাটার্ন এবং সেই সময়ের একটি ভ্রাম্যমাণ কমেট দেখিয়েছিলেন, ২০০৪ এর সেপ্টেম্বর মাস তখন।



বিদেশ থেকে আনবেন অবশ্যই। দাম আমার কাছে সস্তা মনে হয়েছে। এখানে দূরবীন জাদুঘরের শো কেসে রাখে না বাংলাদেশের মত , সবাই ব্যবহার করে। তাই সহজলভ্য।
আপনার ব্লগে (নরকের স্রষ্টার কাছে কৃপা সন্ধান ও অকাল মৃত্যুর প্রতীক্ষা) একটি লিংক দিয়েছিলাম আপনার দেখার জন্য সেই দু মাস আগে। দেখেছিলেন কি?

মন্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছি এখনো।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৭০

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: গল্পের শুরুটা বিরক্তিকর, সেই টিনটিনের ফ্লাইট ৭১৪ কার্টুন কাহিনী। মাথার ভিতরে কে যেন (ভিন গ্রহবাসী!!) কথা বলে বাচ্চা একটি ছেলেকে ঘুরাচ্ছে, খেলছে, স্মৃতি নিয়ে কারসাজি করছে। টেলিপ‌্যাথি বা সিম্বলিক ভাষা যাতে আত্মারা যোগাযোগ করতে পারে এরকম কিছুর ব্যাপারে আগ্রহ দেখানো বা গবেষণা করাটা অহেতু পাগলামি মনে হয়। মেডিটেশন করে সেই অব্যক্ত, অব্যবহৃত ভাষা শক্তিকে বের আনার জন্য জঙ্গলে গিয়ে ধ্যান মগ্ন হওয়া, লেখা পড়া ছেড়ে দেবার অদ্ভুতুড়ে কাহিনীতে খুব একটা আগ্রহ পাইনি। এই ভাষার জোরে কল্পিত ভিন গ্রহবাসী থেকে শুরু করে মৃত লোকের সাথে যোগাযোগে সম্ভাব্যতা যাচাই, আরেক ধরনের কৌতুক। 
লাইরা নক্ষত্রপুঞ্জে কথিত সবচেয়ে প্রবীণতম মানব জাতির বসতি, তাদের নামকরণ প্রক্রিয়া ধারা পাত এবং ঘটনাচক্রে লাইরাবাসীদের স্পেস শিপে করে সদল বলে পালিয়ে আসার কাহিনী দিয়ে খুব উন্নত মানে ফিকশন করা যাবে। কিন্তু আমার মত পাঠকের মৃত্যু হওয়াতে এ ধরনের ভিডিও ২০ মিনিটের বেশি দেখার ধৈর্য্য হল না।
তারপরেও একটি মাত্র প্রশ্ন করার ছিল। গল্প বানাক, বা সত্যি সত্যিই দেখুক ভিনগ্রহবাসীদের উড়োজাহাজ চাকতির মতই হবে এ বদ্ধমূল ধারণা কোথা থেকে এল? এতকালের আকাশে উডন্ত চাকতি দেখার যে ফ্যান্টাসি, সেটি মাথায় নিয়ে কিছু ভয়ংকর সিজোফ্রেনিক দশা পার করেছে বিলি, ফলে সে ও তার গ্রামের লোকজন খালি চোখে চাকতি দেখবার গল্প শুনিয়ে গিয়েছে সবাইকে । মাথার মাঝে কথিত নির্দেশক (ঘটনাচক্রে যার কন্ঠ স্বর নারীদের মত হয়ে যায়, তাকে বিয়ে করে নিজের জীবন গড়ে নেবার সময় দিবার জন্য.....পরে ফিরে আসার কথা বলে ) তার অবচেতন মনেরই একটি অংশ, স্বপ্নে আমরা যেমন কাহিনী, কথার দঙ্গলে পড়ি, বিলি সেটা জাগরণেই পড়ত, পেত, অনুভব করত। তবে সত্যি সত্যিই যদি চাকতি চেপে ভিনগ্রহ বাসী আসে, তাহলে মানুষের কল্পনার সাথে যে কাকতালীয় মিল হবে সেটি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিস্ময় হবার দাবি রাখে।
ব্যক্তিগতভাবে আমি ভিনগ্রহে প্রাণী থাকার ব্যাপারে , আরো পরিস্কার করে বলতে ভিনগ্রহবাসী খুজে পাওয়ার ব্যাপারে (যদিও থেকে থাকে) কোন কালেই আশাবাদী বা বিশ্বাসী নই। কিছু গবেষণার থাকলে পুরোপুরি অক্ষরজ্ঞান হীন আরবের নবী মুহাম্মদ কীভাবে কালজয়ী কোরআন লিখলেন এবং তাতে আদৌ কোন ভিন গ্রহবাসীর টেলিপ‌্যাথিক সহায়তা আছে বা ছিল নাকি, সেটি অবিশ্বাসী বিজ্ঞানীদের গবেষণার বিষয় হওয়া উচিত।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০৪০

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় আপনি রায়েলের বই টি পড়লে আরো সব উত্তর পেয়ে যাবেন।

rael.org এ যেয়ে The Intelligent Design পাবেন ফ্রি বুক।ওখানে নূহ (আঃ) নবী থেকে শুরু করে মোহাম্মদ সাঃ এর সকল ঘটনা গুলো খুব সুন্দর করে বলে দিয়েছে । ওনারা ও যে ET কন্টাক্টি ছিলেন তারও ধারণা পাওয়া যায়।

নবীজীর মাধ্যমে বলা এত অ্যাডভান্সড সাইন্স কোরানে লেখা সম্ভব হয়েছিল সেই সময়ে কিভাবে তারই ধারণা পাবেন।



ক্রপ সার্কেল (Click This Link) প্যাটার্নে ET দের স্পেইস ক্রাফট ডিজাইনও দেখা যায় । যদিও আমরা সেই টেকনোলজি থেকে বহু দূরে এবং ওসব প্যাটার্ন ও বিশদ বুঝতে পারি না তাই স্পেস শিপের আকৃতি কেন ওরকম হয় বলা কঠিন।

৩. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯০

কালপুরুষ বলেছেন: ভাল লাগলো আপনার মহাকাশ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত পোস্ট। জানলাম অনেককিছু।

৪. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৪০

বৈকুনঠ বলেছেন: মহাকাশ সমন্ধে লেখার মতন তেমন কোনো ব্লগার নাই। লেইখা যান। পড়তে বেশ ভালো লাগে। ব্ল্যাক হোল সম্পর্কে খুব জানতে মন চায়।



কারিনা শব্দটার অর্থতো জানতাম সুন্দর (স্ত্রী লিংগ)

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৫০

লেখক বলেছেন: ব্ল্যাক হোল নিয়ে লেখা আছে একটি আমার। দেখতে পারেন।

৫. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৮০

দ্রোহি বলেছেন:

অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম। বরাবরই ভাল লাগে তথ্যবহুল এই নভোমন্ডলের ব্যবচ্ছেদের প্রয়াস।

ভাল থাকবেন।

৬. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৭০

বৈকুনঠ বলেছেন: ধন্যবাদ'

৭. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৯০

বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: অনেক ভাল লাগল। কখনো দেখিনি। দেখার ইচ্ছে আছে।

৯. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:২৩০

ইমন জুবায়ের বলেছেন: বিলি মিয়ারের ভিডিও ভালো লেগেছে।

১০. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০৮০

শূন্য আরণ্যক বলেছেন: বেশ নতুন জিনিস জানলাম ।



ধন্যবাদ । +

১১. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯০

আজম বলেছেন: ভালো লাগল লেখাটা।ভিডিও গুলো ডাওনলোড করলাম মাত্র...

রেপটেলিয়ান লিংকগুলো হারিয়ে ফেলছি...

১২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৭০

সজল শর্মা বলেছেন: অপেক্ষা করছিলাম নতুন লেখার। আজকে এসে দেখি দুইটি লেখা এসে গেছে। গোগ্রাসে গিলে নিলাম। অনেক ধন্যবাদ। নভোমণ্ডোলীয় বিষয় সত্যিই উপভোগ্য।