এতদিন উপমা হিসাবে জেনেছি কারোর চোখ থাকে পটল চেরা, কারোর থাকে বাবুই পাখির বাসার মতন। এই প্রথম দেখলাম গ্রে'স এলিয়ানের চোখ - এত মায়ায় ভরা। আরো কিছু সুপরিচিত এলিয়েনদের পরিচিতি সংযুক্ত করলাম।
GREYS: এরা সাড়ে তিনফুট থেকে চারফুট আকারের, ছোট খাটো, পাতলা গড়ন বিশিষ্ট। চোখগুলো খুব বড়, নাক দৃশ্যমান নয়, ত্বক অমসৃণ এবং কুঁচকানো। ত্বকের বর্ণ ছাই বর্ণের। উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন।
REPTILIANS:এরা রূপ পরিবর্তন করতে পারে ।ইংরেজীতে যাকে বলে shape shifter. মানুষের কার্যকলাপে প্রভাব ফেলে তাদের নিয়ন্ত্রণ করে।
NORDICS:এরা লম্বা, উজ্জ্বল বর্ণের, সোনালী চুল,নীল চোখের অধিকারী। ইংরেজীতে tall -blue-white বলে সবাই চেনে।এরা শান্ত এবং প্রজ্ঞাবান।
INSECTOIDS: পোকামাকড় সদৃশ। উচ্চমাত্রার বুদ্ধি সম্পন্ন। টেলিপ্যাথিক ক্ষমতা রয়েছে। এদের মাঝে Mantis being (ম্যান্টিস বিইং) খুবই সুপরিচিত।
SIRIANS:সিরিয়াস থেকে আগত মানবসদৃশ প্রজাতি। আধ্যাত্মিক জ্ঞানের জন্য পরিচিত। মানুষ মূলত সিরিয়ান, লাইরান, আনুনাকির DNA বহন করে।
HYBRIDS:মানুষ ও ভিনগ্রহীর DNA-র সংমিশ্রণে জন্ম নেওয়া সংকর প্রজাতি।
DRACONIANS:প্রাচীন কালের ড্রাগনের মতো দেখতে। এরা নিজেদেরকে মানুষের অভিভাবক ও রক্ষক মনে করে সেই ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চায়।
ANUNNAKI:প্রাচীন ভীনগ্রহী প্রজাতি।এরা পৃথিবীতে এসে প্রাথমিক ভাবে মানব সভ্যতার সূচনা করে।
LYRAN:লাইরা থেকে আগত বিড়ালের মতো মানবসদৃশ ভীনগ্রহী প্রজাতি। ক্ষিপ্র গতি সম্পন্ন। অন্তর্দৃষ্টির জন্য পরিচিত।
