https://www.somewhereinblog.net/blog/drohi/29004809
১৬ই মার্চ, ২০২৬
আমার পোস্ট হ্যালিক্স নেবুলা -তে দ্রোহীর গান -এর লিঙ্ক
দ্রোহি বলেছেন: ভাল লাগল। সবগুলো লেখা পড়ে ফেলবো শিঘ্রই।অফ টপিকঃ সেই Nature Boy গানটার লিন্ক নিচে দিয়ে গেলাম। শুনে দেখুন
https://www.youtube.com/watch?v=HQerH4nRTUA
Click This Link: https://www.4shared.com/get/120615817/d4307ceb/Nat_King_Cole_-_Nature_Boy.html;jsessionid=126DCE09CAD2203FBB9C98B1DBE97AFF.dc116
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৯
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৪০
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। অনকেদিন পর আমার ব্লগে এলেন।১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৩০
সাধারণমানুষ বলেছেন: আমি বানাই ছিলাম মিসাইল , যদি তাকে এলাকাবাসী রকেট বোম হিসাবে আখ্যায়িত করছিল। কি কি যে লাগছিল তা মোটামুটি মনে আছে চিন্তা করতেছি পোষ্টামু ।নাইনে যদিও কমার্স নিছিলাম তবে বৈজ্ঞানিক কর্মকান্ড থেকে দুরে ছিলাম না ।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৫০
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন:বিষয়টা সিরিয়াস কিছুনা। আমি আর এক বন্ধু আরিফ, এই দু'জনে হবি হিসেবে খেলনা প্লেন বানিয়ে উড়াই। উইং আর ফিউজ্যিলাজ তৈরী করি কর্কশীট দিয়ে, পরে তার উপড় এ্যপোক্সি (ফাইবার গ্লাস শীট) দিয়ে আবরণ দিই। ইঞ্জিন হিসেবে ব্যবহৃত হয় হাই আরপিএম মোটর (১৭০০০-২২০০০ আরপিএম) প্রপেলর আর ফিউজ্যিলাজ রিব নিজেরাই তৈরী করি বেলসা উড দিয়ে। আর কন্ট্রোলের জন্য থাকে ২.৭ মেগাহার্টজের রেডিও কন্ট্রোল।
খেলনা হলেও প্লেন গুলো যাতে সত্যিই উড়ে তার জন্য প্রতিটি মডেলই হতে হয় অ্যারোডাইনামিক। এরজন্য নিখুঁত হিসেব নিকেশের প্রয়োজন রয়েছে। বলতে পারেন অ্যারোনটিক্স এ মোটামুটি আধা হফেজ হতে হয়েছে
আমি বাংলাদেশের কোথাও সারভো মটর খুঁজে পাইনি। তাই আমাদের প্লেনগুলো থ্রিডি প্লেন না। আপাতত সবই সেইল প্লেন। এগুলো বেশ ভাল অল্টিচুড পায়, ডানে বামেও ঘোরে কিন্তু উল্টো দিকে বা ডিগবাজী দিতে পারেনা।
বিদেশে এসবের জন্য অনেক হবি শপ আর ক্লাব রয়েছে, এরা নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতাও করে। আমাদের এখানে সে সুযোগ না থাকায় বেশ অসুবিধা হয়, তার পরও যা আছে সেটা নিয়েই চেষ্টা করছি।
ধন্যবাদ আপনার আগ্রহের জন্য।
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩২০
আজম বলেছেন: হ আপনার কাহিনী ভালো লাগছে।স্কুলে থাকার সময় আমার নিজস্ব একটা কেমেষ্ট্রি ল্যাব ছিল,
সেটা অবশ্য মোবাইল ল্যাব,একটা জুতার বাক্সে
আমাদের বাসায় আবার সালফিরিক এসিড ছিল,কি একটা কাজে যেন আনছিল। তো একদিন জানতে পারলাম এই এসিডের কথা।
ব্যাস আমারে আর পায় কে, সব কিছু ডুবাতাম এই এসিডে
তবে বাসার কেউ এটা জানত না।
আর একটা কাহিনী মনে পড়ে সলিনয়েড বানাতে গেছিলাম,একটা দা নিছিলাম,এর চারপাশে পেছালাম তার, তারপর সেটা দিলাম সরাসরি এসি লাইনে।
যা হবার তাই হল
কারন ব্যাঙ কে ডুবাইছিলাম পেট্রোলে ভরা বয়ামে। এটা অবশ্য নিজস্ব পর্যবেক্ষন ছিল। ভুল করে একবার এক মাছকে দিলাম পানির মধ্যে, তো পরের দিন দেখলাম মাছটার হার ছাড়া আরকিছু নাই,
ব্যাপার কি অনুসন্দান করতে গিয়ে দেখলাম বয়ামে পানি ছিল না পেট্রোল ছিল
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯০
লেখক বলেছেন: আরেক জন বৈজ্ঞানিক পাওয়া গেল। এইবার একটা বিজ্ঞান সম্মেলন করতে হয়কারিনা নেবুলা
দ্রোহি বলেছেন:অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম। বরাবরই ভাল লাগে তথ্যবহুল এই নভোমন্ডলের ব্যবচ্ছেদের প্রয়াস।
ভাল থাকবেন।
'
০