Jan 29, 2026

গান- হেভি মেটাল

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:১৯

হুমায়রা হারুন বলেছেন: থ্র্যাশ ফর মেটাল
প্রথম গানটি টর্নোডো অফ সৌলস- র শুরুটা খুব ভাল লেগেছে।
প্রথমটির শুরুর দিকের সুর আমাদের বাংলা ব্যান্ডের কোন এক গানের সুর মনে করিয়ে দিচ্ছে।
ব্যান্ডের ওপর আরো লেখা পাবো আশা করি - দেশী বিদেশী।
আমার প্রথম শোনা গান /সুর Europe - The Final Countdown
গুগল করে জানলাম, The Final Countdown হলো সুইডিশ রক ব্যান্ড Europe-এর একটি গান, যা ১৯৮৬ সালে মুক্তি পায়। তাদের প্রধান গায়ক Joey Tempest এটি লিখেছিলেন। এটি ১৯৮০-এর দশকের প্রথম দিকে তৈরি করা । গানের কথা David Bowie-এর "Space Oddity" দ্বারা অনুপ্রাণিত।
মূলত শুধুমাত্র একটি কনসার্ট ওপেনার হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। এটি ব্যান্ডের একই নামের স্টুডিও অ্যালবামের প্রথম সিঙ্গেল এবং টাইটেল ট্র্যাক।
জেনে অদ্ভুত লাগল যে ব্যান্ডটি কখনো ভাবেনি যে এটি একটি হিট হবে। আর বাংলাদেশে বসে আমি তাদের মুগ্ধ শ্রোতা হয়ে গিয়েছিলাম। আরো জানলাম , কিন্তু যখন তাদের রেকর্ড কোম্পানি Epic Records এটিকে প্রথম সিঙ্গেল হিসেবে প্রকাশ করার পরামর্শ দেয়, তখন ব্যান্ড সিদ্ধান্ত নেয় এটি প্রকাশ করার।

১৯৮৬ এবং ১৯৮৭ সালে মুক্তির পর "The Final Countdown" বিশ্বব্যাপী চার্টে সফল হয়, ২৫টি দেশে (যুক্তরাজ্য সহ, যেখানে এটি দুই সপ্তাহ শীর্ষে ছিল) এক নম্বরে পৌঁছায়, এবং এটি ব্যাপকভাবে ব্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং স্বীকৃত গান হিসেবে বিবেচিত হয়। সিঙ্গেলটি US Billboard Hot 100 চার্টে ৮ নম্বরে পৌঁছায়। আমাদের রেডিওতে তখন দুপুরে একটা অনুষ্ঠান হতো 'World Music', যার বদৌলতে বিদেশী গান শুনবার সুযোগ হতো।
আরো জানলাম, Nick Morris-এর তৈরি মিউজিক ভিডিওটি YouTube-এ ১.৩ বিলিয়নেরও বেশি ভিউ পেয়েছে। বিশ্বব্যাপী প্রায় ৮ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছিল The Final Countdown সিঙ্গেলের। গানটি ১৮টি দেশে চার্টের শীর্ষে উঠেছিল এবং CBS Records-এর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হিট হয়ে ওঠে। এই গানটি আজও বিশ্বজুড়ে ক্রীড়া ইভেন্ট, টেলিভিশন শো এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় এবং ১৯৮০-এর দশকের অন্যতম আইকনিক রক সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃত।

আরেকটু পরের দিক প্রিয় হলো Roxette - The Look
তারপর Bon Jovi - It's My Life

মাইকেল জ্যাকসন তো পাশাপাশি ছিলই। এগুলোই বাল্যকালের স্মৃতি। 

***

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন: প্রিয় ব্লগার, আন্তরিক ধন্যবাদ আপনার বিস্তারিত মন্তব্যে। দুটো মন্তব্যের উত্তর একসঙ্গে দিচ্ছি এই ঘরে।

ইয়োরোপা ব্যান্ডের ফাইনাল কাউন্টডাউন গানটার সঙ্গে আপনি মিল খুঁজে পাবেন বাংলাদেশের মাইলসের ফিরিয়ে দাও গানটির মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্টের। দুটো গানই শুরু হয় এক কিংবদন্তি কিবোর্ড মিউজিক পিস দিয়ে। খুব সহজ, একই সঙ্গে হৃদয়গ্রাহী। আমিও আসলে প্রথম ইংরেজি গান শোনা শুরু করি ঠিক হেভি বা থ্রাশ মেটাল ব্যান্ড দিয়ে নয়, বরং ইয়োরোপার কাছাকাছি একটা জনরা থেকে। আমার প্রথম শোনা ইংরেজি ব্যান্ডের গান ছিল লিঙ্কিং পার্কের ইন দি এন্ড। তখন এমিনেম বা ফিফটি সেন্টসের র‍্যাপও পছন্দ করতাম।

বনজোভি, মাইকেল জ্যাকসন কিছু কিছু শুনেছি। কিন্তু রোক্সেট একেবারেই অপরচিতি আমার জন্য।

এবছর ইউটিউব দেখলাম নতুন ফিচার যুক্ত করেছে। ঘুরে ফিরে একই রকম ভিডিও নিউজফিডে ঘোরাফেরা করতে থাকলে তারা বড় রকমের শাফল করে একই প্যাটার্নের নতুন ভিডিও সাজেস্ট করে। এভাবে অনেক নতুন ব্যান্ড এবং আর্টিস্ট খুঁজে পেয়েছি এ বছরের প্রথম মাসে। তাদের নিয়ে সময় করে লিখবো কিছু কিছু।

পুনরায় ধন্যবাদ আপনার বিস্তারিত কমেন্টে। আপনার সময়ের বাংলাদেশের তরুণ তরুণীদের মিউজিকের টেস্ট নিয়েও কিছু লেখার অনুরোধ আপনার প্রতি। নিরন্তর শুভকামনা।

***

 ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:২০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সবচে জনপ্রিয় ব্যান্ড মেগাডেথের ফ্রন্টম্যান,
.......................................................................
এ বিষয়ে একেবারেই অজ্ঞ,
তাই এর উপর মন্তব্য করতে চাইনা ,
তবে , এই মিউজিক মানুষের জীবনে বড় কোন ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছিল কিনা জানা থাকলে বলবেন ।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: কোন ধরনের মিউজিক কার ওপর কিরকম প্রভাব ফেলবে, বা আদৌ ফেলবে কি না, এটা অনেকাংশেই ভৌগলিক একটা ব্যাপার। জেনারেশনেরও ব্যাপার। মেগাডেথ ব্যান্ড তার লিসেনারদের ওপর কেমন প্রভাব রেখেছে, ওটা ব্যান্ডের ইউটিউব পেইজে গিয়ে যে কোন গানের কমেন্ট সেকশনে একবার তাকালেই বুঝবেন।

৪. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৬

হাইজেনবার্গ ০৬ বলেছেন: মেগাডেথ ক্লিক করে নাই কখনো, বন্ধুরা শুনতো।কলেজে ক্লাসের বেন্চে নানান ক্যালিগ্রাফীতে 'মেগাডেথ' খোধাই করে রাখতো।তারা সবাই গিটার নিয়ে সাধনায় ছিলো। যারা গিটার বাজাতো তাদের কাছে মেগাডেথ,আইরন মেইডেন ছিলো আদর্শ। আমার কাছে এর চেয়ে মেটালিকা, লেড যেপলিন, গানস এন্ড রোজেস ভালো লাগতো।পরে সিস্টেম অফ ডাউন, ডিস্টার্বড,কর্ন শুনতাম। মাঝে গডস্ম্যাক শুনছি কিছুদিন।আমার কাছে গানে ভালো লিরিক্স, টিউন সহ মেলোডি থাকতে হবে। যেমন জার্মানি ব্যান্ড রামস্টািইন লিরিক্স না বুজলেও গানে দারুন মাধুর্য আছে। মেগাডেথে তা নাই। 
ধরেন এটিএনের মাফফুজে গান গাইতাছে ইভা রহমানের লিরিক্স দিয়া পিছনে গিটার হাতে আর্টসেলের এরশাদ; শুনতে কেমন শুনাবে? 

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৯

লেখক বলেছেন: আপনি মনে হয় আমাকে খ্যাপানোর জন্যই কমেন্টটা করসেন। আপনার উদ্দেশ্য সফল হইসে। বাট আমি রিঅ্যাক্ট করবো না। কারণ, আপনার গিটারিস্ট বন্ধুরা গান বুঝে শুনতো। আপনি গান শুনেন শখে। তদুপরি মেটাল মিউজিকে 'মাধুর্য' খুঁজেন। এ বড় বিষম বিড়ম্বনা। : )

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:১২

হুমায়রা হারুন বলেছেন: থ্র্যাশ মেটাল
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার দীর্ঘ মন্তব্যের জন্য।
আমার সময়ে গান নিয়ে আলাপ আলোচনা করার কোন সুযোগ আমার চারপাশে ছিল না।
মাত্র একজন বোদ্ধা ছিল, কিন্তু আমি এ সম্বন্ধে কিছুই জানতাম না। আলাপ করতে পারতাম না।
ভাষাও তো বুঝতাম না। বাংলাদেশ বেতারের World Music থেকে যা একটু শোনার সুযোগ।
তারপর ১৯৮৪ কি ৮৫ সাল। Dolly Parton, Kenny Rogers এর Islands In the Stream এর লিরিক এক বন্ধু, ক্যাসেটের কভারের গায়ে ছোট্ট করে লেখা - তা জোগাড় করলো। লিরিক হাতে লিখে তুলে নিলাম খাতায়। ক্যাসেট বাজিয়ে মন্ত্র মুগ্ধের মত শুনলাম। এক শোনায় সুর মুখস্থ।
মেয়েদের সার্কেলে গল্পের/ আড্ডার টপিক অন্যরকম হয়।
বহিঃ বিশ্ব - এর কালচার নিয়ে, আমি কখনোই মেয়েদের মাঝে আলাপ শুনিনি দু' একজন ছাড়া, যা ছেলেদের সার্কেলে সবার মাঝে হয় (খুব সম্ভবত।)
***

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২১

হুমায়রা হারুন বলেছেন: হাইজেনবার্গ ০৬ বলেছেন, এটিএনের মাফফুজে গান গাইতাছে ইভা রহমানের লিরিক্স দিয়া পিছনে গিটার হাতে আর্টসেলের এরশাদ; শুনতে কেমন শুনাবে? - লাইনটা ভীষণ ভালো লেগেছে।
কিন্তু তারপরও ওনার যে চেষ্টা - গায়ক হবার, এই চেষ্টাটা আমার ভাল লাগে।
কোন সাল সঠিক মনে নেই, আমার শোনার শেষের দিকে একটা কঠিন গান - একদম তাল মেইণ্টেন করে গাইতে পেরেছিলেন।
আমরা যদি তার মত সাধনা করতে পারতাম তাহলে তো শিল্পী হতেই পারতাম।
---------------

হাইজেনবার্গ ০৬ঃ বাংলাদেশ বেতারের World Music এ প্রোগ্রামটা ৯০ দশকের শেষের দিকেও ছিল। আমি মাঝে মাঝে শুনতাম। সেখান থেকে শুনা আপনারে দুইটা গান শুনাই।
মাহফুজ স্যার যদি আপনার এ কমেন্ট দেখে তাইলে আগামি রোজার ঈদের এটিএনে গানের অনুষ্ঠানে উনার উৎপাত একটু বেশী হবে ।

------------------------

আমার মন্তব্যঃ খুব ভাল লাগলো গান দুটো। অনেক ধন্যবাদ। আমি আসলে, যারা খুব চেষ্টা করে তাদের চেষ্টাকে উৎসাহ দিই।
আরেকজন ছিল কন্ঠশিল্পী আমাদের দেশে। নজরুল গীতি গাইতেন। গান শুনলে মনে হতো গান নয়, কথা বার্তা বলছে।
খুব চেষ্টা করতো শিল্পী হবার। বিটিভিতে তার স্বামী খুব বড় পদে ছিলেন, সেজন্য অনেক অনুষ্ঠান করতেন।

***


Jan 21, 2026

ডোগন ও সিরিয়াস নক্ষত্রমন্ডলী

১. ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩

আলামিন১০৪ বলেছেন: আপনার প্রবন্ধ কৌতূহলোদ্দীপক, কিন্তু তথ্যসূত্র দেয়া প্রযোজন।

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।
আপনি একদম সঠিক বলেছেন - এই ধরনের বিষয়ের জন্য সুনির্দিষ্ট তথ্যসূত্র অপরিহার্য। আমি আন্তর্জাল থেকে তথ্য নিয়েছি। তাই-ই উল্লেখ করে দিলাম । 

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:২১

স্বপ্নের শঙ্খচিল| বলেছেন: নাইজারের দক্ষিণে মালি নামক এক মালভূমিতে বাস করে
ডোগন (Dogon) নামক এক জাতিগোষ্ঠী।

.................................................................................
এই প্রথম এদের বিষয়ে জানলাম, আরও জানার আগ্রহ থাকল ।
শুভ ব্লগিং

১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: ভ্যাটিকান -রা Fish people সম্বন্ধে জ্ঞাত। ।
পোপের মাথার মুকুটের আকৃতি মাছের মুখ সদৃশ।

 ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ কাজী ফাতেমা।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: আপনার সুচিন্তিত মন্তব্য এবং অতিরিক্ত গবেষণার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
আপনার মন্তব্য সর্বদা পোস্টকে সুন্দর থেকে সুন্দরতর করে তোলে।
আপনি যে দীর্ঘ সময় নিয়ে ইন্টারনেট ঘেঁটে ডোগন জাতিগোষ্ঠী সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। জ্ঞানের এই যাত্রায় আপনার আগ্রহ এবং কৌতূহল দেখে আমি অবাক।
ডোগন জাতিগোষ্ঠীর মতো অনন্য সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানা আমাদের বিশ্ব দৃষ্টিভঙ্গি সমৃদ্ধ করে এবং মানব সভ্যতার বৈচিত্র্য সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি করে।
আপনি যে অতিরিক্ত তথ্য দিয়ে মূল পোস্টকে আরও substantiate করেছেন, তা অন্য পাঠকদের জন্যও অত্যন্ত মূল্যবান হবে। এভাবে পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমেই আমরা সবাই একসাথে শিখতে পারি। আসলে আপনার এই মন্তব্যটি দিয়েই একটি পোস্ট তৈরী করে ফেলা যায় । শুধু ভ্যাটিকানের বিষয়টি সংযুক্ত করে দেবেন। ভ্যাটিকানের নীচের গোপন লাইব্রেরিতে তো Fish people এর সব তথ্যই আছে । শুধু আমাদের জানতে দেয় না। তারা তারাই জেনে পৃথিবী শাসন করে চলেছে এত বছর।
যাই হোক। আবারও ধন্যবাদ আপনার সময় এবং মূল্যবান মন্তব্যের জন্য।
আপনার এই অনুসন্ধিৎসু মনোভাব অব্যাহত থাকুক।
শুভেচ্ছা রইলো।


কবির ব্যস্ততা

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৪৮


স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ব্যাকুল হই;
ফিরে আসি আবার যান্ত্রিক কাক ডাকা এই শহরে।

.......................................................................
আছি আমি দুরের গ্রামে,
ময়নার হাঁটা হাঁটি দেখি সর্ন্তপনে
কখনবা বেলা উঠে, ডুবে যায় আকাশে
হিসাব রাখেনা কবি গুনে শুনে,
বরফের ঢাকা এই চরণে !!!
***
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৭

হুমায়রা হারুন বলেছেনঃ
@ স্বপ্নের শঙ্খচিলঃ আছি আমি দুরের গ্রামে,
ময়নার হাঁটা হাঁটি দেখি সর্ন্তপনে
কখনবা বেলা উঠে, ডুবে যায় আকাশে
হিসাব রাখেনা কবি গুনে শুনে,
বরফের ঢাকা এই চরণে !!!
খুব ভাল লাগলো এই কয়েকটি লাইন। আমার এখানে পত্র পল্লবহীন বরফে ঢাকা চরাচরে একটু উষ্ণতা বৃদ্ধি পেলে পাখির কুজন জানান দেয় জীবন আছে।

***

২২শে জানুয়ারি, ২০২৬ 
কবির মন্তব্যঃ আপনার ভালোলাগা যথেষ্ট আনন্দ দিয়েছে। একসময় কবিতা লিখতাম, আকিজুঁকি হতো ৩/৪ দিন পর একটা কবিতা প্রকাশের মুখ দেখত । কিন্ত এখন দেখি কবিতা পড়ার "সেই হৃদয়ের গোপনে লালিত" বন্ধুরা নেই, তাছাড়া চলমান জীবনের ব্যস্ততা "কবি মন"কে আড়াল করে দেয় নিষ্ঠুর ভাবে ।
***

২২শে জানুয়ারি, ২০২৬
আমার মন্তব্যঃ বাস্তবতা খুব বড় একটা ফ্যাক্টর ।
তারপরও মনে হলো আপনার লেখার হাত দেখে এখনো আপনার মনের মাঝে ছন্দ আছে। কমেন্টে যা দু' এক লাইন লিখে ফেলেন, তাই-ই বড় পরিসরে লিখে পোস্ট দিলে আমরা পাঠকরা আপনার প্রতিভা থেকে বঞ্চিত হতাম না। '

***



Jan 19, 2026

চেতনায় সৃষ্টি

 ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৫


স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: একই ধরনের চিন্তা, একই ধরনের কর্ম, একই ধরনের ফলাফল দেখে দেখে মানুষ আশাহত হয়ে ভাগ্যকে দোষারোপ করে, কুসংস্কারে আবদ্ধ হয়। কারণ,
• নতুন অভিজ্ঞতা → চেতনার প্রসারণ
• প্রসারিত চেতনা → অভূতপূর্ব সৃষ্টি
• সীমিত চেতনা → পুনরাবৃত্তিমূলক সৃষ্টি

..............................................................................................
জনসাধারনকে এই পরিমান জ্ঞান লাভের জন্য পড়াশুনা করতে হবে
বিগত ৫৪ বৎসরে দেশে এই ধরনের প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে কী
বা কর্মশালা চলমান ???

১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: শুধু আমাদের দেশেই না, সমগ্র পৃথিবীর স্কুল সিস্টেম থেকে মেটাফিজিক্স বাদ দেয়া হয়েছে, যেন মানুষকে অন্ধকারে রাখা যায়। কিন্তু এখন যেহেতু পৃথিবী (Mother Earth ) higher vibration -এ উন্নীত হচ্ছে, সমগ্র মানবকূল সচেতন হয়ে উঠছে। তারা প্রশ্ন করা শুরু করেছে এবং উত্তর খুঁজে নিতে সচেতন হচ্ছে।

মায়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে পোর্টাল খোলার সময় ছিল ২০১২ সাল- যখন থেকে Mother Earth এর dimensional shift শুরু হবে। ২০২০ সালের দিকে এসে এই শিফটিং এর গতি বেড়েছে। আর ২০২৬ তো disclosure এর বছর। এখন কোন তথ্যই আর গোপন থাকবে না তা পৃথিবী, মহাবিশ্বের ব্যাপারে হোক বা আমাদের 3D রিয়্যালিটির জীবন যাপনের ব্যাপারেই হোক। 

 ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

বেশ গভীর, মননশীল ও ভাবনার দরজা খুলে দেওয়ার মত একটি ব্লগ পোস্ট। এখানে সৃষ্টি কে কোনো
আকস্মিক অলৌকিক ঘটনা হিসেবে না দেখে চেতনার নিরবচ্ছিন্ন রূপান্তর হিসেবে ব্যাখ্যা করার প্রয়াস
অত্যন্ত প্রজ্ঞাসম্পন্ন। াআপনি মেটাফিজিক্স ও স্পিরিটুয়্যালিটির ধারণাগুলোকে কাব্যিক ভাষা ও যুক্তির সুষম মেলবন্ধনে উপস্থাপন করেছেন।

চেতনা-সৃষ্টি-রূপান্তর-অভিজ্ঞতা এই ধারাবাহিক প্রবাহটি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এতে বোঝা যায়, মানুষের অভিজ্ঞতা, উপলব্ধি ও বাস্তবতা আসলে স্থির কিছু নয়; বরং চেতনার বিস্তারের সাথে সাথে তা ক্রমাগত নতুন রূপ ধারণ করে। সমাজ ও ব্যক্তিমানুষের সীমাবদ্ধতা যে মূলত সীমিত চেতনার ফল এই বক্তব্যটি গভীর হলেও বাস্তব জীবনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত।

প্যারালাল রিয়্যালিটি, ডাইমেনশন ও শক্তির স্পন্দনের আলোচনা লেখাটিকে আরও বিস্তৃত দার্শনিক পরিসরে নিয়ে গেছে। যদিও বৈজ্ঞানিক প্রমাণের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করা হয়েছে, তবু লেখাটি বিশ্বাস ও অনুসন্ধানের মাঝখানে এক সংলাপ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে যা একটি ভালো আধ্যাত্মিক রচনার গুরুত্বপূর্ণ গুণ।

সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো, লেখাটি আশ্চর্য বা রহস্যকে অস্বীকার না করে তাকে অজানা মাত্রার নিয়ম হিসেবে দেখতে শেখায়। ফলে সৃষ্টি আর ভয় বা বিস্ময়ের বিষয় থাকে না; তা হয়ে ওঠে এক অনন্ত, ছন্দময় প্রবাহ যার অংশ আমরা নিজেরাও।

সার্বিকভাবে, এটি এমন এক লেখা যা ধীরে ধীরে পড়তে হয়, বারবার ফিরে দেখতে ইচ্ছে করে, এবং পাঠ
শেষে নিজের চেতনার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন জাগায়। মনোজ্ঞ, গভীর এবং চিন্তাকে প্রসারিত করার ক্ষমতা রাখার বিষযগুলিই আমার বিবেচনায় এই লেখার সবচেয়ে বড় সাফল্য।

শুভেচ্ছা রইল

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনার এত সুচিন্তিত ও গভীর মন্তব্যের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
আপনি লেখাটির মর্মবস্তু শুধু উপলব্ধিই করেননি, বরং এমন এক দার্শনিক বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেছেন যা গভীর অন্তর্দৃষ্টির পরিচয় দেয়।
আপনার পর্যবেক্ষণ — "চেতনা-সৃষ্টি-রূপান্তর-অভিজ্ঞতা এই ধারাবাহিক প্রবাহ" — আসলে সকলকে স্পর্শ করে। হ্যাঁ, বাস্তবতা স্থির নয়, এটি চেতনার সাথে স্পন্দিত হয়ে রূপান্তরিত হয়, নতুন মাত্রা দান করে। আপনি যখন বলছেন "সমাজ ও ব্যক্তিমানুষের সীমাবদ্ধতা যে মূলত সীমিত চেতনার ফল" — এই উপলব্ধি আসলে মুক্তির প্রথম ধাপ। কারণ যা চেতনার সীমাবদ্ধতা থেকে জন্ম, তা চেতনার প্রসারণেই অতিক্রম করা যায়।
আপনার আরেকটি মন্তব্য বিশেষভাবে হৃদয়স্পর্শীঃ "লেখাটি আশ্চর্য বা রহস্যকে অস্বীকার না করে তাকে অজানা মাত্রার নিয়ম হিসেবে দেখতে শেখায়।" এটিই তো আধ্যাত্মিক অনুসন্ধানের প্রকৃত পথ — অন্ধবিশ্বাস নয়, অন্ধসংশয়ও নয়; বরং খোলা মন নিয়ে অজানার দিকে যাত্রা। রহস্য তখন ভয়ের কারণ থাকে না, বরং হয়ে ওঠে অসীম সম্ভাবনার আমন্ত্রণ।

বৈজ্ঞানিক প্রমাণের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে নেওয়া আসলে সততার পরিচয়। বিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতা দুটি ভিন্ন ভাষায় একই সত্যের সন্ধান করে। বিজ্ঞান পরিমাপযোগ্য প্রমাণ চায়, আধ্যাত্মিকতা অভিজ্ঞতার সত্যতায় বিশ্বাস করে। দুটোরই নিজস্ব মূল্য আছে। আপনি যথার্থই বলেছেন, এই লেখা "বিশ্বাস ও অনুসন্ধানের মাঝখানে এক সংলাপ তৈরি" করার চেষ্টা করেছে।

আপনার শেষ কথাগুলো — "পাঠ শেষে নিজের চেতনার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন জাগায়" — এটিই তো লেখার প্রকৃত সার্থকতা। যদি কোনো লেখা পাঠককে নিজের দিকে ফিরে তাকাতে বাধ্য করে, নিজের চেতনার সীমা ও সম্ভাবনা নিয়ে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করে, তাহলে সেই লেখা তার উদ্দেশ্য পূরণ করেছে।
আপনার মত সংবেদনশীল ও মননশীল পাঠক পেয়ে লেখক হিসেবে আমি ধন্য। আপনার এই বিশ্লেষণ লেখাটিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে, এবং আমাকেও নিজের চিন্তাকে আরও গভীরভাবে দেখতে সাহায্য করেছে।

আপনার প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা ।




Jan 14, 2026

পিছু ডাক

 

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

কিরকুট বলেছেন: পড়লাম তারপর মাথা চুলকালাম। বুঝলাম সাহিত্য আমার জন্য নয়।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: এ লেখায় কিছু চরিত্রের বর্ণনা আছে মাত্র। সাহিত্য নেই বললেই চলে। 'সাহিত্য বর্তমান থকিলে চরিত্রসমূহ বিষযুক্ত শব্দবাণে ধরাশায়ী হইতো।'

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:০৪


স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: পিছু ডাকলে ঘাড় তো ঘোরাতেই হয়।
ঘাড় মটকে দিলে আর কি করার থাকে তখন।

.................................................................
ছোট বেলায় জানতাম, একাকী হাঁটলে পিছু তাকাতে নেই ।তাই নির্জন স্থান পার হবার সময় এই ভয় সমস্ত মন দখল নিতো। তাই ঘাড় মটকানোর ভয় রয়ে গেছে ।
এখন আবার এই ভয় দেখায়ে আপনি কি হাসিল করবেন ?
এখন কিন্তু বড় হয়ে গেছি ।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৫১

লেখক বলেছেন: প্রবাদ প্রবচনে তো আছে ‘নিশির ডাক।'
যেখানে পোর্টাল ওপেন আছে সেখানে এসব ভূত প্রেত (other dimensional entity) –র ঘটনা ঘটে।
কিন্তু জীবনে চলার পথে আমার আরেকটা উপলব্ধি হলো যে, আশপাশে যত মানুষ দেখি এদের মধ্যে কয়জন আসলে ‘মানুষ’ আর কয়জন আসলে মানুষ রূপী কোনো ‘এন্টটি।‘
এখন তো ভাবলে মনে হয় আশপাশে বেশীর ভাগই মানুষ নয়। এরা বেশীর ভাগই ‘এন্টিটি’ এবং স্বভাবে ‘ডেমনিক ।‘

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৫

 রিভিউ ২ঃ পিছু ডাক গল্পটি সত্যিই অসাধারণ - সুবিধাবাদী সম্পর্ক, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সামাজিক উপেক্ষার একটি তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গাত্মক চিত্র।
মণিকার চরিত্রের বিবর্তন এবং শাহানের পরিবারের আচরণ আমাদের চারপাশের বাস্তবতাকে নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছে।

Jan 9, 2026

সাদা ঘোড়া - ভুতের গল্প

৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:২১

হুমায়রা হারুন বলেছেন: পোস্টে দেয়া আগের ছবিটা বেশী সুন্দর লেগেছিল।
সাদা ঘোড়া আমার খুব পছন্দের। পংখীরাজ হলে তো কথাই নেই।
আমি শুনেছি আমার নানাজান তাঁর জীবদ্দশায় এমনি একটি সাদা ঘোড়া চাঁদের আলোতে বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছিলেন।
***


ডঃ আলীঃ পুনরায় এসে কথা বলার জন্য ধন্যবাদ । পূর্বের পংখীরাজ ঘোড়াটি ভাল লেগেছিল শুনে খুশি হলাম । এমন ধরণের পোস্টে কাল্পনিক ছবির সমাহার কেমন ফল দেয় তা হয়ত আপনি খেয়াল করেছেন । তাই বুরাকের বিবরণ অনুযায়ী একটি কাল্পনিক ঘোড়ার ছবি দিয়ে পূর্বেরটি রিপ্লেস করেছি । তবে আবারো পরিস্কার করে বিনয়ের সহিত জানাচ্ছি যে ছবিটি কোন বাস্তব ছবি নয় । পুরাটাই একটি কাল্পনিক ছবি মাত্র, এর বেশি কিছু নয় ।

আপনার নানাজান তাঁর জীবদ্দশায় এমনি একটি সাদা ঘোড়া চাঁদের আলোতে বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছিলেন কথাটি শুনে ভাল লাগল । এখানে বলা আপনার এই কথাগুলি শুনে আমারই বাল্যকালের কিছু কথা মনে পড়ে যায় ।

গ্রামে আমার দাদা বাড়ির পূর্ব প্রান্তে ছিল এক রহস্যময় খাল। বাড়ির পূর্ব প্রান্তে, উত্তর থেকে দক্ষিণে বয়ে যাওয়া ছোট্ট একটি খাল ,লম্বায় বড়জোর কোয়ার্টার কিলোমিটার। খালটা গিয়ে মিশেছিল দক্ষিণ দিক দিয়ে বয়ে চলা ছোট নদীতে। খালের দুই পাড়েই ছিল ঘন বন, এমন বন যেখানে দুপুরেও আলো ঠিকমতো ঢুকত না।
শৈশবে সেই খাল আমাদের কাছে ছিল ভয় আর কৌতূহলের এক অদ্ভুত মিলনস্থল। বিশেষ করে রাত নামলে। অমাবস্যার নিশিতে, যখন চারদিক নিস্তব্ধ হয়ে যেত, তখন হঠাৎ হঠাৎ শোনা যেত বাতাসের শন শন শব্দ। তার সঙ্গে মিশে আসত ঘোড়ার ক্ষুরের আওয়াজ । টকটক করে যেন কেউ ছুটে চলেছে। কখনো শোনা যেত ঘোড়ার হ্রেশা হ্রেশা ডাক, আবার কখনো ডানা ঝাপটানোর মতো শব্দ।
গ্রামের লোকেরা বলত ওই খালের উপর দিয়ে ভূতুড়ে ঘোড়া উড়ে যায়। আমরা ছোটরা সে কথা অন্ধবিশ্বাসের মতোই মেনে নিয়েছিলাম। আমিও ছোটবেলায় একাধিকবার নিশি রাতে সেই শব্দ শুনেছি। আজ ভাবলে বুঝি, তখন ভয়টা ততটা ছিল না, ছিল এক ধরনের রোমাঞ্চ।
একবার আমি আর আমার ছোট কাকা ঠিক করলাম, নিজের চোখেই ভুত দেখব। ঘোর অমাবস্যার রাত। চারদিকে অন্ধকার, যেন আকাশটাও চোখ বন্ধ করে আছে। আমরা দু’জন খালের ধারে ঘাপটি মেরে বসে রইলাম। ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক ছাড়া কিছুই শোনা যাচ্ছিল না। হঠাৎ বাতাসের দম বদলে গেল। পরিচিত সেই শব্দ,ক্ষুরের আওয়াজ, ডানার ঝাপটা সব একসঙ্গে এসে বুকের ভেতর কাঁপন ধরিয়ে দিল। চোখের সামনে ছায়ার মতো কিছু একটা নড়ে উঠল। সত্যিই কি ভুত ছিল, না আমাদের কল্পনা আজ আর নিশ্চিত করে বলতে পারি না। কিন্তু তখন মনে হয়েছিল, ভুতের দেখা পেয়েছি। আমি আশ্চর্যভাবে শান্তই ছিলাম। কিন্তু ছোট কাকা ভয় পেয়ে জ্ঞান হারালেন। পরে দেখা গেল, তাঁর মুখের চোয়াল বেঁকে গেছে । লোকজন বলল, ভুতের থাবা লেগেছে।
পরদিন ওঝা ডাকা হলো। কুল গাছের শক্ত শুকনো ডাল পুড়িয়ে সে আগুনে কোদাল গরম করে, কোদাল থেরাপি দিয়ে কাকার চোয়ালে ছেক দেওয়া হলো। ধীরে ধীরে চোয়াল সোজা হলো। কাকা সুস্থ হলেন, কিন্তু সেই রাতের ভয় আর গল্প আমাদের সবার মনে গেঁথে রইল।
আজ এত বছর পর ফিরে তাকালে বুঝি ভুতুড়ে ঘোড়ার চেয়েও ভয়ংকর ছিল না কিছুই। ভয়, বিশ্বাস আর কল্পনার মিশেলেই আমাদের শৈশব ছিল এত রঙিন। খালটা, বনটা, সেই অমাবস্যার রাত সবই এখন স্মৃতির ভেতর নীরবে বয়ে চলে, ঠিক সেই ছোট নদীটির মতো।

শুভেচ্ছা রইল 

২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪১

হুমায়রা হারুন বলেছেন: অলৌকিক ঘটনা ভুতুড়ে ঘোড়ার অভিজ্ঞতা নিঃসন্দেহে সাংঘাতিক অভিজ্ঞতা।
আরো অনেকের লেখা ও অভিজ্ঞতার গল্পে জেনেছি যে, লোহা গরম করে ছ্যাকা দিলে energy field clean হয়ে যায়।
by the by লোহা খুব সম্ভবত earthly element না। কোথাও থেকে আনা হয়েছে।
ঠিক মনে পড়ছে না কিন্তু এমন তথ্য শুনেছিলাম বা পড়েছিলাম।


ডঃ আলীঃ অবাক হয়ে ভাবি গ্রমীন ওঝা/কবিরাজরা কেমন করে জানত যে লোহা গরম করে ছ্যাকা দিলে energy field clean হয়ে যায় । সম্ভবত এই গুণটির কারনেই কাকার বাকা চোয়াল লোহা সেকের মাধ্যমে পুর্বাবস্থায় ফিরে এসেছিল । মুল্যবান এই তথ্য জানানোর জন্য ধন্যবাদ ।
আরেকটি কথা সম্ভবত নয় , পরিস্কারভাবে iron is an earthly (terrestrial) element. লোহা (রাসায়নিক সংকেত Fe) একটি প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান মৌল, যা পৃথিবীতে পাওয়া যায়। এটি পৃথিবীর ভূত্বকে প্রচুর পরিমাণে উপস্থিত এবং পৃথিবীর কেন্দ্রীয় অংশের (কোর) একটি প্রধান উপাদান। পৃথিবীর কোর মূলত লোহা ও নিকেল দিয়ে গঠিত।
শুভেচ্ছা রইল


আমার মন্তব্যঃ আমি পেয়েছি খুঁজে। কোরানের ৫৭ নম্বর সূরার ২৫ নং আয়াতে বলেছে। সূরার নাম Surah Hadeed যার অর্থ লৌহ। এবং লৌহের atomic number -ও ৫৭। জাকারিয়া কামাল সাহেব তাঁর 'সাইন্টিফিক তাফসিরে' আলাপ করেছিলেন। সেই কত আগে। আশা করি তাঁর লেকচার সিরিজ শুনেছেন। ওনার লেকচার খুঁজে পেতে দেরী হবে বিধায় আমি এই লিঙ্ক খানা পাঠালাম। view this link
ধন্যবাদ
****

২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫০
লেখক বলেছেনঃ ধন্যবাদ আবার এসে প্রাসঙ্গিক লিংকটি যুক্ত করে দেয়ার জন্য । লিংকটি ফলো করে তা মনযোগ দিয়ে পাঠ করে এলাম। আমরা সকলেই জানি কুরআন মানবজাতির জন্য নৈতিক ও আত্মিক নির্দেশনার সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ।
সূরা হাদীদ ( কোরানে থাকা৫৭ তম সুরা) বিশেষভাবে লোহা এবং তার সামাজিক ও নৈতিক প্রভাবকে নির্দেশ করে। সূরা হাদীদ এর ২৫ নম্বর আয়াতাংশে আল্লাহ তাআলা বলেনঃ ...আর আমরা লোহা নাযিল করেছি; এতে রয়েছে প্রচণ্ড শক্তি ও মানুষের জন্য বহু উপকার…(সূরা হাদীদ: ২৫)
আধুনিক সময়ে আপনার দেয়া লিংকে থাকা তাফসির সহ অনেকেই এই আয়াতকে ভিত্তি করে বলেন যে, কুরআন এখানে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের একটি বৈজ্ঞানিক অলৌকিকতা প্রকাশ করেছে; কারণ আধুনিক বিজ্ঞান মতে পৃথিবীর লোহা নাকি সুপারনোভা বিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাকাশ থেকে এসেছে, আর কুরআনে একে ‘নাযিল করা বা “sent down” শব্দ ব্যবহার করেছে।
অলোচ্য বিজ্ঞ তাফসিরকারের প্রতি যথাযোগ্য সস্মান দিয়েই বলছি এই দাবিটি বিশ্লেষণ করার সময় আমাদের আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলাদা করে বোঝা জরুরি।
প্রথমত sent down তথা নাযিল করা শব্দটি শুধু আকাশ থেকে ভৌত বস্তু নামানোর অর্থে ব্যবহৃত হয় না। বরং এটি বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে নিয়ামত দান করা বোঝাতে,ব্যবস্থার সূচনা করা বোঝাতে, মানুষের জন্য উপযোগী করে দেওয়া বোঝাতে।উদাহরণস্বরূপ বলা যায় কুরআনে বলা হয়েছে, -আমি তোমাদের জন্য পোশাক নাযিল করেছি ( সূরা আল আ‘রাফ আয়াতঃ ২৬ , অথচ পোশাক আকাশ থেকে পড়েনি।
বলা হয়েছে, -চতুষ্পদ জন্তু নাযিল করেছি-( সূরা আজ জুমার আয়াত ৬ ) পশুও আকাশ থেকে আসেনি। অতএব, লোহা নাযিল করেছি মানে এই দাবি করা বাধ্যতামূলক নয় যে লোহা আক্ষরিক অর্থে আকাশ থেকে পতিত হয়েছে; বরং অর্থ হতে পারে লোহাকে মানুষের কল্যাণের জন্য সৃষ্টি ও প্রাপ্য করে দিয়েছেন।
লোহা বিষয়ে আধুনিক বিজ্ঞান বলে যে- ভারী মৌল (যেমন লোহা) সুপারনোভা বিস্ফোরণে তৈরি হয় ,পরে তা পৃথিবীর গঠনের অংশ হয়েছে ।এটি বর্তমানে একটি স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব, কিন্তু বিজ্ঞান নিজেই পরিবর্তনশীল। ইতিহাসে বহু নিশ্চিত তত্ত্ব পরে সংশোধিত বা বাতিল হয়েছে।
সমস্যা তখনই তৈরি হয়, যখন আমরা কুরআনের আয়াতকে কোনো নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের সঙ্গে একেবারে একীভূত করে ফেলি। যদি বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে ভবিষ্যতে সেই তত্ত্ব বদলে যায়, তবে মানুষ ভাবতে পারে কুরআন ভুল! অথচ ভুল ছিল আমাদের ব্যাখ্যায়।
সূরা হাদীদের মূল উদ্দেশ্য বা আলোচ্য বিষয় বিজ্ঞান নয়, বরং নবীদের প্রেরণ,ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, শক্তি ও ক্ষমতার নৈতিক ব্যবহার, লোহার মাধ্যমে সভ্যতা, প্রতিরক্ষা ও ইনসাফ কায়েম। লোহা এখানে ক্ষমতা ও শক্তির প্রতীক; এটি দিয়ে যেমন জুলুম হয়, তেমনি এটি দিয়েই ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হয়। আল্লাহ মানুষকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন,এই শক্তির উৎস মানুষ নয়, বরং আল্লাহ।
তবে এ কথা বলাও ঠিক নয় যে এখানে কোনো বিস্ময় নেই। বিস্ময় হলো কুরআন ১৪০০ বছর আগে লোহাকে মানুষের সভ্যতার কেন্দ্রে স্থাপন করেছে,শক্তি ও কল্যাণ দুই দিকই একসঙ্গে উল্লেখ করেছে, বস্তুগত শক্তির সঙ্গে নৈতিক দায়িত্বকে যুক্ত করেছে কিন্তু এই বিস্ময়কে বৈজ্ঞানিক মিরাকলে রূপ দেওয়া কুরআনের গভীর উদ্দেশ্যকে আড়াল করে ।মুল কথা হল কুরআন কোনো বিজ্ঞান বই নয়, কুরআনের ভাষা বহুমাত্রিক Sent down বা নাযিল করা শব্দটি কেবল আকাশ থেকে পতনের অর্থে সীমাবদ্ধ নয়।
বিজ্ঞান কুরআনের সত্যতা যাচাইয়ের মানদণ্ড নয় বরং কুরআন মানুষকে চিন্তা, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধে উন্নীত করার গ্রন্থ ,আসল মিরাকল হলো কুরআন নীজেই ।
আলোচনার সাথে প্রামাণ্য ইসলামী তাফসির (ইবন কাসীর, ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী, কুরতুবী প্রমুখ) যুক্ত করা প্রাসঙ্গিক মনে করছি । এতে স্পষ্ট বোঝা যাবে ক্লাসিক্যাল স্কলাররা এই আয়াতকে কীভাবে বুঝেছেন এবং scientific miracle দাবির সাথে তার সম্পর্ক কোথায় সীমাবদ্ধ।
সূরা হাদীদ এর সম্পুর্ণ ২৫ নং আয়াতে বলা হয়েছে  ---নিশ্চয়ই আমরা আমাদের রাসূলদের পাঠিয়েছি সুস্পষ্ট প্রমাণসহ, এবং তাদের সাথে নাযিল করেছি কিতাব ও মীযান, যাতে মানুষ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে। আর আমরা লোহা নাযিল করেছি তাতে রয়েছে প্রচণ্ড শক্তি ও মানুষের জন্য বহু উপকার; এবং যাতে আল্লাহ প্রকাশ করে দেন কে তাঁকে ও তাঁর রাসূলদের অদৃশ্য অবস্থায় সাহায্য করে।(সূরা হাদীদ- ২৫)
প্রখ্যাত তাফসিরকার ইমাম ইবন কাসীর (রহ.) তাঁর তাফসিরুল কুরআনিল আযীম-এ বলেন লোহা নাযিল করা বলতে বোঝানো হয়েছে; আল্লাহ লোহাকে সৃষ্টি করেছেন এবং মানুষের ব্যবহারযোগ্য করে দিয়েছেন লোহার প্রচণ্ড শক্তি বলতে তিনি উল্লেখ করেন অস্ত্র,যুদ্ধসামগ্রী প্রতিরক্ষা ও শাস্তি কার্যকর করার উপকরণ হিসাবে।
ইবন কাসীর স্পষ্টভাবে বলেন, লোহা দ্বারা আল্লাহ ইনসাফ প্রতিষ্ঠার উপকরণ সৃষ্টি করেছেন, যেমন তলোয়ার যা কখনো ন্যায় প্রতিষ্ঠার মাধ্যম, আবার কখনো মানুষের জন্য পরীক্ষা।
লক্ষ্যণীয় বিষয় ইবন কাসীর কোথাও বলেননি যে লোহা আক্ষরিকভাবে আকাশ থেকে নেমে এসেছে। তাঁর দৃষ্টি ছিল সামাজিক ও নৈতিক ব্যবস্থার দিকে।
ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী (রহ.) তাঁর  মাফাতিহুল গাইব (তাফসিরে কাবীর)-এ এই আয়াত নিয়ে অত্যন্ত দার্শনিক আলোচনা করেছেন।তিনি বলেন কিতাব ও মীযান (বিধান ও ন্যায়নীতি) যথেষ্ট না হলে সমাজে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ক্ষমতা (লোহা) অপরিহার্য । রাযী বলেন মানুষ কেবল যুক্তি দিয়ে নয়,কখনো কখনো শক্তি দিয়েও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে বাধ্য হয়।
তিনি লোহার দুটি দিক উল্লেখ করেন যথাবাহ্যিক শক্তি (যুদ্ধ, প্রতিরক্ষা),উপকারিতা (কৃষি, নির্মাণ, সভ্যতা), রাযীর দৃষ্টিতে আয়াতটি মূলত রাজনীতি, সমাজ ও ন্যায়বিচারের দর্শন।
ইমাম কুরতুবী (রহ.) তাঁর আল-জামি‘ লি আহকামিল কুরআন-এ বলেন, লোহা হচ্ছে মানুষের জন্য এক বিশেষ নিয়ামত,এর দ্বারা: যুদ্ধ হয়,শাস্তি কার্যকর হয়, কৃষি ও নির্মাণ সম্ভব হয়।তিনি বলেন, আল্লাহ কিতাব দ্বারা হৃদয় সংশোধন করেন, আর লোহা দ্বারা সমাজকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করেন। এখানে নাযিল শব্দকে তিনি নিয়ামত দান অর্থে নিয়েছেন।
ক্লাসিক্যাল তাফসিরে নাযিল শব্দের অর্থ বিষয়ে আলোচনায় সব প্রধান মুফাসসিরগন একমত । সুরাটিতে থাকা نَزَّلْنَا / أَنزَلْنَا” শব্দটি কেবল ভৌত অবতরণ বোঝায় না, বরং বোঝায়:সৃষ্টি করা,নিয়ামত হিসেবে দান করা মানুষের আয়ত্তে আনা কেউই একে মহাকাশগত উৎসের দাবি হিসেবে ব্যাখ্যা করেননি।
এখন প্রশ্ন আসে তাহলে আধুনিক বিজ্ঞান যেটা বলছে, সেটা কি এই আয়াতের সাথে সাংঘর্ষিক?
উত্তর হল সাংঘর্ষিক নয়, কিন্তু আয়াতের মূল উদ্দেশ্যও নয়।কুরআন এখানে বিজ্ঞান শেখাতে আসেনি, বরং বলছে শক্তি ও ক্ষমতার উৎস আল্লাহ, এবং তা মানুষের জন্য পরীক্ষা। আধুনিক তত্ত্বকে আয়াতের একটি সম্ভাব্য সামঞ্জস্য হিসেবে দেখা যেতে পারে, তবে চূড়ান্ত তাফসির হিসেবে মেনে নেয়ার বিষয়টি বিজ্ঞ তাফসিরকারদের উপরই না হয় ছেড়ে দিলাম ।
শুভেচ্ছা রইল
***

২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৩৩০                                                              আমার মন্তব্যঃ  চমৎকার আলোচনা। অনেক ধন্যবাদ। এই লেখাটি দিয়েই তো একটি পোস্ট হয়ে যায়। আর 'হাজরে আসওয়াদ' এর কথা বললে আরো ভাল হবে। এই পাথরটি ও out of our planet থেকে আসা শুনেছি।
***
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৫০০
লেখক বলেছেনঃ
আবার এসে কথা বলার জন্য ধন্যবাদ । মন্তব্যের ঘর থেকে কথা তুলে নিয়ে পৃথক পোষ্ট দিলে
আমি গদ্যে পদ্যে প্রায় হাজার দশেক পোস্ট দিতে পারতাম । তবে মন্তব্য কোন ভাবে খুব বড় হয়ে
গেলে তা মন্তব্যের ঘরে না লিখে পৃথক পোষ্ট দিয়ে দেই যেমনটি নির্বাচন নিয়ে আমার
সামপ্রতিক পোস্ট । এটা নতুন নকিবের পোস্টে মন্তব্য লিখতে গিয়ে লেখার ফল ।
তাই সেটা সেখানে না দিয়ে পৃথক পোস্ট আকারে দিয়েছি ।
হাজরে আসোয়াদ এর উপরে আমার একটি বেশ বড় আকারের পোস্ট আছে । সেটা
ব্লগে দিলে অনেকেই তার উপর বিরুপ মন্তব্য দিতে পারেন । তাই লেখাটিকে
আরো ভাল করে কাটা ঘষা করতে হবে বলে মনে হচ্ছে ।

শুভেচ্ছা রইল ।
***
১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:১৭

অপু তানভীর বলেছেন: ব্লগের চাড়ালদের জন্য আপনি একটু বেশি ভদ্র। আমার ব্যক্তিগত মনভাব হচ্ছে, আপনি যেহেতু সজ্জন এবং বয়স্ক মানুষ, এদের সাথে বৃথা কথা বলার কোনো মানে নেই। বিশেষ করে ধর্ম আর রাজনীতির ব্যাপারে। কেবলই সময় নষ্ট। বিশ্বাস করুন আপনি এতো সময় নিয়ে আপনি যে উত্তর দিচ্ছেন আপনার কি মনে হয় বিন্দুমাত্র পরিবর্তন আপনি আনতে পারবেন? এর থেকে বই পড়ুন, কোরআর পড়ুন গান শুনুন কিংবা খোলা বাতাসে বসে সময়টাকে উপভোগ করুন। সেটা বেশি কাজে দিবে।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:২৩

লেখক বলেছেনঃ 

আপনার আন্তরিক মন্তব্য ও শুভকামনার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনি যে জায়গা থেকে কথাগুলো বলেছেন, সেখানে যে স্নেহ ও মঙ্গলচিন্তা আছে তা আমি অনায়াসেই অনুভব করি। নিঃসন্দেহে ধর্ম ও রাজনীতির মতো বিষয়ে অনর্থক বাক্‌বিতণ্ডা সময়ের অপচয় হয়ে উঠতে পারে, সে বাস্তবতা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।

তবে আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস হলো সব ভিন্নমতই যে অচলাবস্থা বা বৃথা বিতর্কে গড়ায়, তা নয়। কিছু কথোপকথন থাকে, যা তাৎক্ষণিক পরিবর্তন না আনলেও ভবিষ্যতের জন্য একটি বীজ বপন করে। হয়তো আজ নয়, হয়তো সরাসরি নয় কিন্তু বিনয়ের ভাষা, যুক্তির আলো আর শালীন আচরণ অনেক সময় মানুষের মনে নীরবে প্রশ্ন জাগায়।
সেই প্রশ্নটাই পরিবর্তনের প্রথম ধাপ। অবশ্য আপনার ধারনামত পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ ।

আমিও এই প্রত্যাশা নিয়ে উত্তর দিই না যে সবাই সঙ্গে সঙ্গে আমার মত গ্রহণ করবেন। বরং এই আশায় উত্তর দিই অযথা কঠোরতা, বিদ্বেষ বা বিকৃতি যেন একমাত্র ভাষা হয়ে না ওঠে। যদি একজন পাঠকও বুঝতে পারেন যে ভিন্নমত মানেই শত্রুতা নয়, তাহলেই আমার সময়টুকু সার্থক মনে করি।

আর বই পড়া, কোরআন পড়া, গান শোনা বা খোলা বাতাসে সময় কাটানো এগুলো আমি গভীরভাবে উপভোগ করি এবং এগুলোকেই জীবনের মূল শক্তি মনে করি। তবে কখনো কখনো মনে হয়, সেই অর্জিত শান্তি ও উপলব্ধির দায় আছে সমাজের কথোপকথনেও সামান্য হলেও প্রতিফলিত করার।

আপনার পরামর্শ ও শুভেচ্ছার জন্য আবারও ধন্যবাদ। অপনার এমন সুন্দর দৃষ্টিভঙ্গি ও সৌহার্দ্যই আমাদের সবার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল
****

১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১০

হুমায়রা হারুন বলেছেনঃ বিশ্বাস করেন ডঃ আলী, আমি আপনার ধৈর্য্য এবং সহ্য শক্তি দেখে অবাক হয়ে যাচ্ছি।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩১

লেখক বলেছেন:

মূল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
একেবারেই সীমা লঙ্গন না করলে বিনয়, নম্রতা ও শালীনতার ভিতর প্রতিমন্তব্য লেখা আমার সহজাত প্রবৃত্তি । উপরে অপু তানভীর এর মন্তব্যের প্রতিমন্তব্যে বিয়ষটি আরো একটু বিষদভাবে উল্লেখ করেছি ।

শুভেচ্ছা রইল