২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:১৯০
হুমায়রা হারুন বলেছেন: থ্র্যাশ ফর মেটালপ্রথম গানটি টর্নোডো অফ সৌলস- র শুরুটা খুব ভাল লেগেছে।
প্রথমটির শুরুর দিকের সুর আমাদের বাংলা ব্যান্ডের কোন এক গানের সুর মনে করিয়ে দিচ্ছে।
ব্যান্ডের ওপর আরো লেখা পাবো আশা করি - দেশী বিদেশী।
আমার প্রথম শোনা গান /সুর Europe - The Final Countdown
গুগল করে জানলাম, The Final Countdown হলো সুইডিশ রক ব্যান্ড Europe-এর একটি গান, যা ১৯৮৬ সালে মুক্তি পায়। তাদের প্রধান গায়ক Joey Tempest এটি লিখেছিলেন। এটি ১৯৮০-এর দশকের প্রথম দিকে তৈরি করা । গানের কথা David Bowie-এর "Space Oddity" দ্বারা অনুপ্রাণিত।
মূলত শুধুমাত্র একটি কনসার্ট ওপেনার হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। এটি ব্যান্ডের একই নামের স্টুডিও অ্যালবামের প্রথম সিঙ্গেল এবং টাইটেল ট্র্যাক।
জেনে অদ্ভুত লাগল যে ব্যান্ডটি কখনো ভাবেনি যে এটি একটি হিট হবে। আর বাংলাদেশে বসে আমি তাদের মুগ্ধ শ্রোতা হয়ে গিয়েছিলাম। আরো জানলাম , কিন্তু যখন তাদের রেকর্ড কোম্পানি Epic Records এটিকে প্রথম সিঙ্গেল হিসেবে প্রকাশ করার পরামর্শ দেয়, তখন ব্যান্ড সিদ্ধান্ত নেয় এটি প্রকাশ করার।
১৯৮৬ এবং ১৯৮৭ সালে মুক্তির পর "The Final Countdown" বিশ্বব্যাপী চার্টে সফল হয়, ২৫টি দেশে (যুক্তরাজ্য সহ, যেখানে এটি দুই সপ্তাহ শীর্ষে ছিল) এক নম্বরে পৌঁছায়, এবং এটি ব্যাপকভাবে ব্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং স্বীকৃত গান হিসেবে বিবেচিত হয়। সিঙ্গেলটি US Billboard Hot 100 চার্টে ৮ নম্বরে পৌঁছায়। আমাদের রেডিওতে তখন দুপুরে একটা অনুষ্ঠান হতো 'World Music', যার বদৌলতে বিদেশী গান শুনবার সুযোগ হতো।
আরো জানলাম, Nick Morris-এর তৈরি মিউজিক ভিডিওটি YouTube-এ ১.৩ বিলিয়নেরও বেশি ভিউ পেয়েছে। বিশ্বব্যাপী প্রায় ৮ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছিল The Final Countdown সিঙ্গেলের। গানটি ১৮টি দেশে চার্টের শীর্ষে উঠেছিল এবং CBS Records-এর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হিট হয়ে ওঠে। এই গানটি আজও বিশ্বজুড়ে ক্রীড়া ইভেন্ট, টেলিভিশন শো এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় এবং ১৯৮০-এর দশকের অন্যতম আইকনিক রক সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃত।
আরেকটু পরের দিক প্রিয় হলো Roxette - The Look
তারপর Bon Jovi - It's My Life
মাইকেল জ্যাকসন তো পাশাপাশি ছিলই। এগুলোই বাল্যকালের স্মৃতি।
***
২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭০
লেখক বলেছেন: প্রিয় ব্লগার, আন্তরিক ধন্যবাদ আপনার বিস্তারিত মন্তব্যে। দুটো মন্তব্যের উত্তর একসঙ্গে দিচ্ছি এই ঘরে।
ইয়োরোপা ব্যান্ডের ফাইনাল কাউন্টডাউন গানটার সঙ্গে আপনি মিল খুঁজে পাবেন বাংলাদেশের মাইলসের ফিরিয়ে দাও গানটির মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্টের। দুটো গানই শুরু হয় এক কিংবদন্তি কিবোর্ড মিউজিক পিস দিয়ে। খুব সহজ, একই সঙ্গে হৃদয়গ্রাহী। আমিও আসলে প্রথম ইংরেজি গান শোনা শুরু করি ঠিক হেভি বা থ্রাশ মেটাল ব্যান্ড দিয়ে নয়, বরং ইয়োরোপার কাছাকাছি একটা জনরা থেকে। আমার প্রথম শোনা ইংরেজি ব্যান্ডের গান ছিল লিঙ্কিং পার্কের ইন দি এন্ড। তখন এমিনেম বা ফিফটি সেন্টসের র্যাপও পছন্দ করতাম।
বনজোভি, মাইকেল জ্যাকসন কিছু কিছু শুনেছি। কিন্তু রোক্সেট একেবারেই অপরচিতি আমার জন্য।
এবছর ইউটিউব দেখলাম নতুন ফিচার যুক্ত করেছে। ঘুরে ফিরে একই রকম ভিডিও নিউজফিডে ঘোরাফেরা করতে থাকলে তারা বড় রকমের শাফল করে একই প্যাটার্নের নতুন ভিডিও সাজেস্ট করে। এভাবে অনেক নতুন ব্যান্ড এবং আর্টিস্ট খুঁজে পেয়েছি এ বছরের প্রথম মাসে। তাদের নিয়ে সময় করে লিখবো কিছু কিছু।
পুনরায় ধন্যবাদ আপনার বিস্তারিত কমেন্টে। আপনার সময়ের বাংলাদেশের তরুণ তরুণীদের মিউজিকের টেস্ট নিয়েও কিছু লেখার অনুরোধ আপনার প্রতি। নিরন্তর শুভকামনা।
ইয়োরোপা ব্যান্ডের ফাইনাল কাউন্টডাউন গানটার সঙ্গে আপনি মিল খুঁজে পাবেন বাংলাদেশের মাইলসের ফিরিয়ে দাও গানটির মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্টের। দুটো গানই শুরু হয় এক কিংবদন্তি কিবোর্ড মিউজিক পিস দিয়ে। খুব সহজ, একই সঙ্গে হৃদয়গ্রাহী। আমিও আসলে প্রথম ইংরেজি গান শোনা শুরু করি ঠিক হেভি বা থ্রাশ মেটাল ব্যান্ড দিয়ে নয়, বরং ইয়োরোপার কাছাকাছি একটা জনরা থেকে। আমার প্রথম শোনা ইংরেজি ব্যান্ডের গান ছিল লিঙ্কিং পার্কের ইন দি এন্ড। তখন এমিনেম বা ফিফটি সেন্টসের র্যাপও পছন্দ করতাম।
বনজোভি, মাইকেল জ্যাকসন কিছু কিছু শুনেছি। কিন্তু রোক্সেট একেবারেই অপরচিতি আমার জন্য।
এবছর ইউটিউব দেখলাম নতুন ফিচার যুক্ত করেছে। ঘুরে ফিরে একই রকম ভিডিও নিউজফিডে ঘোরাফেরা করতে থাকলে তারা বড় রকমের শাফল করে একই প্যাটার্নের নতুন ভিডিও সাজেস্ট করে। এভাবে অনেক নতুন ব্যান্ড এবং আর্টিস্ট খুঁজে পেয়েছি এ বছরের প্রথম মাসে। তাদের নিয়ে সময় করে লিখবো কিছু কিছু।
পুনরায় ধন্যবাদ আপনার বিস্তারিত কমেন্টে। আপনার সময়ের বাংলাদেশের তরুণ তরুণীদের মিউজিকের টেস্ট নিয়েও কিছু লেখার অনুরোধ আপনার প্রতি। নিরন্তর শুভকামনা।
***
২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১১০
লেখক বলেছেন: কোন ধরনের মিউজিক কার ওপর কিরকম প্রভাব ফেলবে, বা আদৌ ফেলবে কি না, এটা অনেকাংশেই ভৌগলিক একটা ব্যাপার। জেনারেশনেরও ব্যাপার। মেগাডেথ ব্যান্ড তার লিসেনারদের ওপর কেমন প্রভাব রেখেছে, ওটা ব্যান্ডের ইউটিউব পেইজে গিয়ে যে কোন গানের কমেন্ট সেকশনে একবার তাকালেই বুঝবেন।
৪. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৬০
হাইজেনবার্গ ০৬ বলেছেন: মেগাডেথ ক্লিক করে নাই কখনো, বন্ধুরা শুনতো।কলেজে ক্লাসের বেন্চে নানান ক্যালিগ্রাফীতে 'মেগাডেথ' খোধাই করে রাখতো।তারা সবাই গিটার নিয়ে সাধনায় ছিলো। যারা গিটার বাজাতো তাদের কাছে মেগাডেথ,আইরন মেইডেন ছিলো আদর্শ। আমার কাছে এর চেয়ে মেটালিকা, লেড যেপলিন, গানস এন্ড রোজেস ভালো লাগতো।পরে সিস্টেম অফ ডাউন, ডিস্টার্বড,কর্ন শুনতাম। মাঝে গডস্ম্যাক শুনছি কিছুদিন।আমার কাছে গানে ভালো লিরিক্স, টিউন সহ মেলোডি থাকতে হবে। যেমন জার্মানি ব্যান্ড রামস্টািইন লিরিক্স না বুজলেও গানে দারুন মাধুর্য আছে। মেগাডেথে তা নাই। ধরেন এটিএনের মাফফুজে গান গাইতাছে ইভা রহমানের লিরিক্স দিয়া পিছনে গিটার হাতে আর্টসেলের এরশাদ; শুনতে কেমন শুনাবে?
৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:১২০
হুমায়রা হারুন বলেছেন: থ্র্যাশ মেটালঅসংখ্য ধন্যবাদ আপনার দীর্ঘ মন্তব্যের জন্য।
আমার সময়ে গান নিয়ে আলাপ আলোচনা করার কোন সুযোগ আমার চারপাশে ছিল না।
মাত্র একজন বোদ্ধা ছিল, কিন্তু আমি এ সম্বন্ধে কিছুই জানতাম না। আলাপ করতে পারতাম না।
ভাষাও তো বুঝতাম না। বাংলাদেশ বেতারের World Music থেকে যা একটু শোনার সুযোগ।
তারপর ১৯৮৪ কি ৮৫ সাল। Dolly Parton, Kenny Rogers এর Islands In the Stream এর লিরিক এক বন্ধু, ক্যাসেটের কভারের গায়ে ছোট্ট করে লেখা - তা জোগাড় করলো। লিরিক হাতে লিখে তুলে নিলাম খাতায়। ক্যাসেট বাজিয়ে মন্ত্র মুগ্ধের মত শুনলাম। এক শোনায় সুর মুখস্থ।
মেয়েদের সার্কেলে গল্পের/ আড্ডার টপিক অন্যরকম হয়।
বহিঃ বিশ্ব - এর কালচার নিয়ে, আমি কখনোই মেয়েদের মাঝে আলাপ শুনিনি দু' একজন ছাড়া, যা ছেলেদের সার্কেলে সবার মাঝে হয় (খুব সম্ভবত।)
***
৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২১০
হুমায়রা হারুন বলেছেন: হাইজেনবার্গ ০৬ বলেছেন, এটিএনের মাফফুজে গান গাইতাছে ইভা রহমানের লিরিক্স দিয়া পিছনে গিটার হাতে আর্টসেলের এরশাদ; শুনতে কেমন শুনাবে? - লাইনটা ভীষণ ভালো লেগেছে।কিন্তু তারপরও ওনার যে চেষ্টা - গায়ক হবার, এই চেষ্টাটা আমার ভাল লাগে।
কোন সাল সঠিক মনে নেই, আমার শোনার শেষের দিকে একটা কঠিন গান - একদম তাল মেইণ্টেন করে গাইতে পেরেছিলেন।
আমরা যদি তার মত সাধনা করতে পারতাম তাহলে তো শিল্পী হতেই পারতাম।
---------------
হাইজেনবার্গ ০৬ঃ বাংলাদেশ বেতারের World Music এ প্রোগ্রামটা ৯০ দশকের শেষের দিকেও ছিল। আমি মাঝে মাঝে শুনতাম। সেখান থেকে শুনা আপনারে দুইটা গান শুনাই।
মাহফুজ স্যার যদি আপনার এ কমেন্ট দেখে তাইলে আগামি রোজার ঈদের এটিএনে গানের অনুষ্ঠানে উনার উৎপাত একটু বেশী হবে ।
------------------------
***


২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:২০০
.......................................................................
এ বিষয়ে একেবারেই অজ্ঞ,
তাই এর উপর মন্তব্য করতে চাইনা ,
তবে , এই মিউজিক মানুষের জীবনে বড় কোন ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছিল কিনা জানা থাকলে বলবেন ।