Jul 23, 2010

সাইন্স ফিকশান - আজম

 


আজমের সাইন্স ফিকশান - ভাইরাস এপিজি

 ১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২১

সিজানুর রহমান বলেছেন: গল্পের পরিধিটা অনেক ছোট হয়ে গেছে বলেই মনে হল, তবে থিমটা সুন্দর হয়েছে। সফল ভাই মনে হয় এপিজিতে আক্রান্ত, প্রাথমিক লক্ষণ এমন সুন্দর একটা সাইফাই পড়ার পরও মাথাঘুরা! ;)

১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: কি আর বলব...বেশি বড় দিলেও সমস্যা ছোট দিলেও সমস্যা। তবে এটা একটা বিশাল গল্পের ছোট একটা অংশ,প্রথমে যখন লিখতে শুরু করেছি তখন গল্পের থিম ছিল অন্য,এইটা ছিল ঐ গল্পের ইন্ট্রোডাকশন টাইপের লেখা।পরে মনে হল...আরেকটু টেনে টুনে এইটাকেই গল্প বানিয়ে দি :) সফল ভাইয়ের মন্তব্য দেখে ভয় পেয়ে গেছিলাম...সত্যি সত্যি এপিজি....

১৪ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:২৮

এস.বি.আলী বলেছেন: আজুম ভাই এর লেখনি আবারো ঝলসে উঠলো। এরকম আরও সাই ফাই চাই। কইষ্যা পিলাচ +++++

১৪ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:০৩

লেখক বলেছেন: হুমমম...লেখা কি পুড়াইতে দিসি যে ঝলসে উঠসে ;)

আরো সাই ফাই জন্য এইখানে দেখুন...



পড়ার জন্য ধন্যবাদ...

১৫ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:০৬

নষ্ট কবি বলেছেন: ভালই হবে..
কিন্তু কেউ আত্মহত্যা করবেনা,,,,,
কারণ এক প্রজন্ম পর কেউ বেঁচেই থাকবে না.....

২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:১৬

লেখক বলেছেন: সবাইকে সমান ভাবে এই ভাইরাস আক্রমন করবে না। কিছুশক্তি শালী জেনেটিক্স বৈশিষ্ট্যের জন্য এপিজি পরাজিত হবে,তবে জয়ের পাল্লাটা ভারী থাকবে।প্রথমিক দিকে যা করতে ব্যর্থ হয়ে ছিল আর কি...মেইল দের কাজ হল ভাইরাসটা ক্যারী করা,আর এই ভাইরাস মেইলের শরীরে ঠিক মত জায়গা করতে না পারলে ফিমেলে ছড়াতে পারবে না।সে ক্ষেত্রে হয়ত কিছু দম্পতি সুস্থ থাকবে :)
এখানে শুধু রিফাত-রিনি দম্পতির মাধ্যমে প্রাথমিক ধাক্কাটা বুঝানোর চেষ্টা করেছি মাত্র।প্যারা ৩ চলমান রাখার কারন হল এটা এখনো টেস্টের পর্যায়ে...

০৭ ই আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৪

শান্তির দেবদূত বলেছেন: এ যাবৎ তোমার লেখা সাইফাই গুলোর মধ্যে বেস্ট এটা। আগে এক নাম্বারে ছিলো "বিশুদ্ধ মানব প্রকল্প"। এখন ঐটা দুই নাম্বারে।



এইবার আসি থিমের ব্যপারে। মিঞা ! তুমি তো থিম আমার মাথা থেকে মেরে দিছ! আমি কয়েকমাস যাবৎ একটা প্লট ভাবছি যে, কোন এক ভাইরাসের কারনে মানুষের প্রজনন ক্ষমতা নি:শেষ হয়ে গেছে। এর একশ'রও কিছু বেশি বছরের পর পৃথিবীর শেষ দুইজন মানব মানবি প্রস্তুতি নিচ্ছে পৃথিবী থেকে শেষ মানুষ হিসাবে বিদায় নেওয়ার জন্য। আরে তাদের শেষ কিছুদিনের কথাবার্তা আর ঘটনা নিয়েই প্লটটা সাজিয়ে ছিলাম। নাহ! এখন বিশাল একটা চেঞ্জ নিয়ে আসতে হবে প্লটে।

তবে ভাবতে ভালো লাগছে, যে চিন্তাটা আমি এখন করছি, সেই একই ধরনের চিন্তা আমার ৫/৭ বছরের ছোট ভাই করছে। বাংলাদেশের সাই-ফাই এর অনেক অবদান রাখতে পারবে, সামনে অনেক দুর এগিয়ে যাও। শুভেচ্ছা রইলো।

০৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৪৩

লেখক বলেছেন: সাই ফাই লেখায় আপনার মন্তব্য পেলে ভালো লাগে...তবে কি লিখেছেন এইসব?

আমারতো টেবিলের নিচে লুকাতে ইচ্ছে হচ্ছে :!>

...এই গল্পটার থিম আসলে লেখা শরু করার সময় মাথায় ছিল না।শুরু করলাম এলিয়েন সম্পর্কীয় এক গল্প,কিন্তু কি যেন হল গল্পটা এখানেই শেষ করে দিলাম।এলিয়েন রা কি আপনার মাথা হ্যাক করেছে কিনা... ;) চিন্তার বিষয়!
আমারই খারাপ লাগছে, এইটা অনেকটা বাড়া ভাতে ছাই দিয়ে দেয়াওয়ার মত অবস্থা।
তবে ভাইরাসের ব্যাপারটা ছাড়া তো,আপনার গল্পটা সম্পুর্ন ভিন্ন।প্লটে বিশাল চেন্জ নিয়ে আসলে তো সেটা অন্যগল্প হয়ে যাবে,তার চেয়ে যেইরকম চিন্তা করেছেন ঐভাবে দিয়েদিন।

পৃথিবীর শেষ দুইজন মানব মানবির ডায়ালগ মিস করতে চাই না...

আইডিয়া মিলে যাওয়ার ব্যাপারে আমার একটা ব্যাখ্যা মনে আসল, ধরুন আমি আপনার লেখা ফিকশন গুলো পড়ি।এতে কি হয় আমার মাথায় নিউরনের কানেকশন তৈরি হয়।একটা গল্পে হয়ত অনেক অনেক কানেকশন থাকতে পারে। এভাবে গল্প গুলোর কানেকশন গুলোতে পরবর্তী আইডিয়া গুলো লুকিয়ে থাকে।সাধারন বই পরলে হয়ত এটা বুঝা যায় না। কিন্তু ব্লগ হচ্ছে,সবাই লেখক আবার সবাই পাঠক।এই জন্য হয়ত ব্যপারটা দৃষ্টিতে আসে......সে যাই হোক, এই ব্যাখ্যাটা আমার নিজের কাছেই উল্টাপাল্টা মনে হচ্ছে!

মনে হল তাই বলে ফেল্লাম :-B ।

অনেক অনেক ভালো লাগল আপনার বড়ভাই সুলভ মন্তব্য।

ভালোথাকুন।ধন্যবাদ।


আমার মন্তব্যঃ খুব ভাল আইডিয়া। চমতকার হয়েছে। +++

***


২৪ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৪৫

২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:২৭

আমার মন্তব্যঃ লেখক বলেছেনঃ সবাইকে সমান ভাবে এই ভাইরাস আক্রমন করবে না। কিছুশক্তি শালী জেনেটিক্স বৈশিষ্ট্যের জন্য এপিজি পরাজিত হবে,তবে জয়ের পাল্লাটা ভারী থাকবে।'
গল্পটা ২০১০ এ লিখেছ।
২০১৯ এ করোনা ভাইরাসের আক্রমণ হলো।
আজ ২০২৬ সাল। আবার কমেন্টগুলো পড়ছি।

কল্পগল্প - অনুভবে


১৬ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ১২:০৬

আজম বলেছেন: কোন অনুভূতিই আসলে অর্থহীন না।পুরো জগতটাই যদি ইকুয়েশন দিয়ে ডিফাইন করা যায়...আমাদের মনের অনুভূতি কিংবা আবেগকে কেন ডিফাইন করা যাবে না? হয়ত আমাদের সাপেক্ষে কল্পনার উর্ধ্বে এইসব সুত্র,হায়ার ডাইমেনশানের কোন ভ্যারিয়েবলের সূক্ষ্ম পরিবর্তনের ফল...অদৃশ্য জগত,অদৃশ্য সত্ত্বার সাথে অনুভূতির যোগসূত্রটা দারুন একটা আইডিয়া :)

১৬ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ২:২৩

লেখক বলেছেন: এভাবেই হয়তোবা মেকানিজম টা কাজ করে।

'ভয়েজার' এ ওরা বলেছে আমাদের ইন্দ্রিয় ৫ টি নয় ১২ টি, কিন্তু বাকী ৭ তা লক করে দিয়েছে 'গ্রেইস' রা।

তাই সব কিছুতে আমাদের এত কনফিউশান।

Jun 14, 2010

কোয়ান্টাম সাই ফাই আজম

আজম কোয়ান্টাম সাই ফাই

১৪ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৩৬০

আমার মন্তব্যঃ দারুণ আইডিয়া। খুব সুন্দর হয়েছে। +++++++++

সময় পেলে পরে আরো গুছিয়ে নিও।

আর, এত্ত সুন্দর কথাটা লিখলা কিভাবে--- 'আগেই বলেছি,আপনারাই সবচেয়ে শক্তিশালী এবং আনপ্রেডিকটেবল।আপনাদের সাথে বন্ধুত্বতার হাত বাড়াতে গিয়ে কেন বিপদ ডেকে আনব বলুন?'

এর চেয়ে খাঁটি কথা আমাদের সম্বন্ধে আর হয় কি?

*********

আজমঃ হুম...চেষ্টা করব রিভিউ দেয়ার,কিন্তু হবে কিনা জানিনা।

কখন কি লিখছি তার কি কোন ঠিক আছে ? :)

যা মনে আসছে,তাই লিখছি....

এত মনোযোগ দিয়ে পড়েছেন বলে ভালো লাগল। অনেক ধন্যবাদ আপু।

*********

০৩ রা আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৩৭০

শান্তির দেবদূত বলেছেন: আরও ভালো হতে পারতো :( ........ অনেক কিছু যেমন, "রোবট ফুটবল, তাদের বিদ্রোহ, কোয়ান্টাম সায়েন্স, এলিয়েন" ছোট পরিসরে চলে এসেছে। যেহেতু অনেক বিষয় এসেছে গল্পে তাই, আরও বড় করে গুছিয়ে লিখলে বেশি ভালো হতো।

***************

১৩ই জুন ২০১০

রিফাত হোসেনঃ তবে যাই করুক । বিজ্ঞানীরা কখনই একেবারে শূণ্য থেকে প্রাণ সৃষ্টি করতে পারবে না । এই প্রাণের জন্য দরকার উপাত্ত । সুতরাং উপাত্তহীন প্রাণ অসম্ভব সুতরাং ;) বিজ্ঞানীরা প্রকৃতী বা অন্য কথায় উপাত্ত নির্ভর ।

যতই কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা সৃষ্টি করুক অথবা তাদের চিন্তা চেতনার এলগরিদম এর সেলফ কাস্টমাইজেশন পদ্ধতি রচনা করুক তার একটা সীমা বদ্ধতা আছে । :)

এমনকি খোদ মানুষেরও সীমাবদ্ধতা আছে সুতরাং এটা কখনই স্বীকার করা সম্ভব হবে না যে মানুষ সৃষ্টি করেছে ! বরং একে বিবর্তন করেছে । যদিও প্রারম্ভে মানুষ বলে সৃষ্টিই করেছে । কিন্তু তা বিভিন্ন উপাত্তের সমন্বয়ে । :)

ধরা হয় যদি, মানব সৃষ্টি হয়েছে বানর থেকে বানর সৃষ্টি হয়েছে বা বিবর্তিত হয়েছে কোথা থেকে । ধরা হতে পারে বানর সৃষ্টি হয়েছে আরেক অজানা প্রজাতী থেকে আবার সেই প্রজাতী সৃষ্টি হয়েছে প্রকৃতির জৈবিক পদার্থের সমন্বয়ে আবার সেই জৈবক পদার্থ সৃষ্টি হয়েছে নাম না জানা অন্য সব পদার্থের সমন্বয়ে । তো কেচোঁ খুড়তে খুড়তে এই সৃষ্টির শুরুটা কোথায় ???

সেটাই হবে মূল প্রাণ ভ্রোমরা :)

অফ টপিক

বিজ্ঞানীরা কৃত্তিম প্রান সৃষ্টি বাদ দিয়ে মানুষকে আমৃত্য করতে, কেন জোরাল গবেষনা করছে না । যদিও গবেষনা হচ্ছে কিন্তু এতে ফলাফল শূণ্য ।!!! 


*********

১৪ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৪২০

লেখক বলেছেন: মজাই লাগল...তবে আপনার সমালোচনা মন্তব্যের একটা সমালোচনা করি ;)

আর একটু সহজ ভাষায় বললে হতোনা?,অনেক কিছুই তো বুঝি নাই :(

এখানে প্রাণের যে ব্যাপারটা বললাম, সেটা রাসায়নিক দৃষ্টি দিয়ে দেখা হয় নি,তাই ডিএনএ কিংবা এ্যমিনো এসিডের ব্যাপারটা এড়িয়ে গেছি। আর এটাও মনে রাখতে হবে আমি কোনপ্রান রসায়নবিদ নই।কোন নিখুত মডেল তো কল্পগল্পে দিতে পারব না।আমার এই ধারনার পেছনে মূল কারন কম্পিউটার কখনো র‌্যান্ডম নাম্বার দিতে পারে না, কিন্তু আমরা মানুষরা পারি।তবুও এর মধ্যে অনেক প্রশ্ন থেকে যায়।আমার শুধু এইটুকু মনে হয়েছে, মানুষের মত যদি র‌্যান্ডম নাম্বার মেশিন জেনারেট করতে পারে করতে পারে তাইলে হয়ত প্রান মডেলিং সম্ভব।তবে ব্যাপারটা গাছে কঠাঁল গোপেঁ তেলের মত হয়ে গেছে :)

গল্প লেখার সময় খুব অস্তিতে ছিলাম, কারন অনেক কিছু লিখেছি যেইটার ঠিক আমার ধারনা সাথে মিলে না, কিন্তু আমি তো বিজ্ঞান নিয়ে লিখছি না...লিখছি কল্পবিজ্ঞান।তাই কল্পনাকে প্রাধান্য দিলাম। এই জন্যই বলেছি ফিকশনের মাঝে কিছু সমস্যা আছে।

আর সমালোচনা পেতে সব সময় ভালো লাগে, এতে গল্পের মূল থিমটা আরো পরিস্কার হয়।


Oct 7, 2009

ব্রাউন ডোয়ার্ফের সহচর

 

১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩

আজম বলেছেন: ভালো লাগল.....আরেকটু বিস্তারিত লিখলে ভাল হত।

২. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৮

শিবলী বলেছেন: সুন্দর তবে পরে মনে হয় ডিটেইলস আসবে

৩. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:২৮

হুমায়রা হারুন বলেছেন: তথ্য তেমন কিছু পেলাম না যদিও দু একটি লাইন সংযোজন করলাম।

৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮

শেরজা তপন বলেছেন: আমার প্রিয় একটা বিষয় নিয়ে লিখছেন আপনি- দারুন লিখে যান। সময় করে পড়ে মন্তব্য করব-

৫. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১০

সজল শর্মা বলেছেন: ধন্যবাদ। আবারও নতুন লেখার অপেক্ষায় রইলাম।

৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৫০

ম্যাভেরিক বলেছেন: ভালো লাগল মহাকাশ ভ্রমণ, বরাবরের মতো।

৭. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:১৪

প্রণব আচার্য্য বলেছেন: দুর্দান্ত...

২০ শে জুলাই, ২০১৭ ভোর ৪:০৪

লেখক বলেছেন: সবসময়ই (আপনার কাছে)

৮. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:১৬

আহমদ ময়েজ বলেছেন:

গাণিতীক বিষয়ে আমি নিজেকে খুবই অনুপযুক্ত ভাবি। তবু কেউ যখন এসব বিষয়ে শ্রম ব্যয় করেন তাদের প্রতি আমার যথেষ্ট শ্রদ্ধা রয়েছে।

রহস্যাবৃত পৃথিবীর সব কিছু উন্মুক্ত হলে কার না ভালো লাগে।

ধন্যবাদ।

৯. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:২০

Oct 4, 2009

কারিনা নেবুলা

 



১. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৩

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: বাই দা ওয়ে, আপনার কী দূরবীন জাতীয় কিছু আছে? বা পছন্দের কোন 'স্পেসিফিকেশন' যেটি শৌখিন জ্যোতির্বিদ দের সব আগ্রহ মেটাবে। ঢাকায় সাইন্স ল্যাবের বিপরীতে ড. রেইফুলাসর সেন্টারে কাচে ঘেরা শো রুমে কিছু দূরবীন দেখেছিলাম মনে হয়। দাম কেমন দেশে? বিদেশ থেকে আনাতে পারলে সস্তাই পড়বে আশা করি।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: আমার ল্যাবে ছিল। আমার সুপারভাইজার আমাকে স্যাটার্ন এবং সেই সময়ের একটি ভ্রাম্যমাণ কমেট দেখিয়েছিলেন, ২০০৪ এর সেপ্টেম্বর মাস তখন।



বিদেশ থেকে আনবেন অবশ্যই। দাম আমার কাছে সস্তা মনে হয়েছে। এখানে দূরবীন জাদুঘরের শো কেসে রাখে না বাংলাদেশের মত , সবাই ব্যবহার করে। তাই সহজলভ্য।
আপনার ব্লগে (নরকের স্রষ্টার কাছে কৃপা সন্ধান ও অকাল মৃত্যুর প্রতীক্ষা) একটি লিংক দিয়েছিলাম আপনার দেখার জন্য সেই দু মাস আগে। দেখেছিলেন কি?

মন্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছি এখনো।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৭

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: গল্পের শুরুটা বিরক্তিকর, সেই টিনটিনের ফ্লাইট ৭১৪ কার্টুন কাহিনী। মাথার ভিতরে কে যেন (ভিন গ্রহবাসী!!) কথা বলে বাচ্চা একটি ছেলেকে ঘুরাচ্ছে, খেলছে, স্মৃতি নিয়ে কারসাজি করছে। টেলিপ‌্যাথি বা সিম্বলিক ভাষা যাতে আত্মারা যোগাযোগ করতে পারে এরকম কিছুর ব্যাপারে আগ্রহ দেখানো বা গবেষণা করাটা অহেতু পাগলামি মনে হয়। মেডিটেশন করে সেই অব্যক্ত, অব্যবহৃত ভাষা শক্তিকে বের আনার জন্য জঙ্গলে গিয়ে ধ্যান মগ্ন হওয়া, লেখা পড়া ছেড়ে দেবার অদ্ভুতুড়ে কাহিনীতে খুব একটা আগ্রহ পাইনি। এই ভাষার জোরে কল্পিত ভিন গ্রহবাসী থেকে শুরু করে মৃত লোকের সাথে যোগাযোগে সম্ভাব্যতা যাচাই, আরেক ধরনের কৌতুক। 
লাইরা নক্ষত্রপুঞ্জে কথিত সবচেয়ে প্রবীণতম মানব জাতির বসতি, তাদের নামকরণ প্রক্রিয়া ধারা পাত এবং ঘটনাচক্রে লাইরাবাসীদের স্পেস শিপে করে সদল বলে পালিয়ে আসার কাহিনী দিয়ে খুব উন্নত মানে ফিকশন করা যাবে। কিন্তু আমার মত পাঠকের মৃত্যু হওয়াতে এ ধরনের ভিডিও ২০ মিনিটের বেশি দেখার ধৈর্য্য হল না।
তারপরেও একটি মাত্র প্রশ্ন করার ছিল। গল্প বানাক, বা সত্যি সত্যিই দেখুক ভিনগ্রহবাসীদের উড়োজাহাজ চাকতির মতই হবে এ বদ্ধমূল ধারণা কোথা থেকে এল? এতকালের আকাশে উডন্ত চাকতি দেখার যে ফ্যান্টাসি, সেটি মাথায় নিয়ে কিছু ভয়ংকর সিজোফ্রেনিক দশা পার করেছে বিলি, ফলে সে ও তার গ্রামের লোকজন খালি চোখে চাকতি দেখবার গল্প শুনিয়ে গিয়েছে সবাইকে । মাথার মাঝে কথিত নির্দেশক (ঘটনাচক্রে যার কন্ঠ স্বর নারীদের মত হয়ে যায়, তাকে বিয়ে করে নিজের জীবন গড়ে নেবার সময় দিবার জন্য.....পরে ফিরে আসার কথা বলে ) তার অবচেতন মনেরই একটি অংশ, স্বপ্নে আমরা যেমন কাহিনী, কথার দঙ্গলে পড়ি, বিলি সেটা জাগরণেই পড়ত, পেত, অনুভব করত। তবে সত্যি সত্যিই যদি চাকতি চেপে ভিনগ্রহ বাসী আসে, তাহলে মানুষের কল্পনার সাথে যে কাকতালীয় মিল হবে সেটি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিস্ময় হবার দাবি রাখে।
ব্যক্তিগতভাবে আমি ভিনগ্রহে প্রাণী থাকার ব্যাপারে , আরো পরিস্কার করে বলতে ভিনগ্রহবাসী খুজে পাওয়ার ব্যাপারে (যদিও থেকে থাকে) কোন কালেই আশাবাদী বা বিশ্বাসী নই। কিছু গবেষণার থাকলে পুরোপুরি অক্ষরজ্ঞান হীন আরবের নবী মুহাম্মদ কীভাবে কালজয়ী কোরআন লিখলেন এবং তাতে আদৌ কোন ভিন গ্রহবাসীর টেলিপ‌্যাথিক সহায়তা আছে বা ছিল নাকি, সেটি অবিশ্বাসী বিজ্ঞানীদের গবেষণার বিষয় হওয়া উচিত।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০৪

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় আপনি রায়েলের বই টি পড়লে আরো সব উত্তর পেয়ে যাবেন।

rael.org এ যেয়ে The Intelligent Design পাবেন ফ্রি বুক।ওখানে নূহ (আঃ) নবী থেকে শুরু করে মোহাম্মদ সাঃ এর সকল ঘটনা গুলো খুব সুন্দর করে বলে দিয়েছে । ওনারা ও যে ET কন্টাক্টি ছিলেন তারও ধারণা পাওয়া যায়।

নবীজীর মাধ্যমে বলা এত অ্যাডভান্সড সাইন্স কোরানে লেখা সম্ভব হয়েছিল সেই সময়ে কিভাবে তারই ধারণা পাবেন।



ক্রপ সার্কেল (Click This Link) প্যাটার্নে ET দের স্পেইস ক্রাফট ডিজাইনও দেখা যায় । যদিও আমরা সেই টেকনোলজি থেকে বহু দূরে এবং ওসব প্যাটার্ন ও বিশদ বুঝতে পারি না তাই স্পেস শিপের আকৃতি কেন ওরকম হয় বলা কঠিন।

৩. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

কালপুরুষ বলেছেন: ভাল লাগলো আপনার মহাকাশ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত পোস্ট। জানলাম অনেককিছু।

৪. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৪

বৈকুনঠ বলেছেন: মহাকাশ সমন্ধে লেখার মতন তেমন কোনো ব্লগার নাই। লেইখা যান। পড়তে বেশ ভালো লাগে। ব্ল্যাক হোল সম্পর্কে খুব জানতে মন চায়।



কারিনা শব্দটার অর্থতো জানতাম সুন্দর (স্ত্রী লিংগ)

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: ব্ল্যাক হোল নিয়ে লেখা আছে একটি আমার। দেখতে পারেন।

৫. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৮

দ্রোহি বলেছেন:

অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম। বরাবরই ভাল লাগে তথ্যবহুল এই নভোমন্ডলের ব্যবচ্ছেদের প্রয়াস।

ভাল থাকবেন।

৬. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৭

বৈকুনঠ বলেছেন: ধন্যবাদ'

৭. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৯

বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: অনেক ভাল লাগল। কখনো দেখিনি। দেখার ইচ্ছে আছে।

৯. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:২৩

ইমন জুবায়ের বলেছেন: বিলি মিয়ারের ভিডিও ভালো লেগেছে।

১০. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০৮

শূন্য আরণ্যক বলেছেন: বেশ নতুন জিনিস জানলাম ।



ধন্যবাদ । +

১১. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯

আজম বলেছেন: ভালো লাগল লেখাটা।ভিডিও গুলো ডাওনলোড করলাম মাত্র...

রেপটেলিয়ান লিংকগুলো হারিয়ে ফেলছি...

১২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৭

সজল শর্মা বলেছেন: অপেক্ষা করছিলাম নতুন লেখার। আজকে এসে দেখি দুইটি লেখা এসে গেছে। গোগ্রাসে গিলে নিলাম। অনেক ধন্যবাদ। নভোমণ্ডোলীয় বিষয় সত্যিই উপভোগ্য।