Dec 30, 2025

বেঁচে থেকের শুরু

  বেঁচে থেকের শুরু

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫                                    পাঠক ডঃ আলী বলেছেনঃ জানালার পাশে বসে ভাবছিল কিভাবে অবলবাসাহীন জীবন কাটিয়ে দিল সুবর্ণা ।সেই কিশোরী বয়স থেকেই কানায় কানায় ভরে উঠেছিল সৌন্দর্য। কাটা কাটা চেহারায় চিবুকের ধার,বাদামী চোখ , বাদামামী লাল চুলের বাঁধনহারা এলোমেলো ভাব , অপ্ররিরোধ্য কামনায় ভরা একটি ইনোসেন্ট মন , যে কিনা আবুঝ , চঞ্চলা ,মোহনীয় সৌন্দর্য স্কুলে থাকতে ইঙ্গিত দিতে শুরু করে তার শরীরে ............বেঁচে থাকার শুরু । মৃত্যুর সমাপ্তি ।

আপাতদৃষ্টিতে সুবর্ণা একটি জীবনকাহিনী, কিন্তু সেইটুকুই এই গল্পের শেষ কথা নয়। সুবর্ণা একটি বিশেষ কালের আলেখ্য। যে কাল সদ্যবিগত,যে কাল হয়তো বা আজও সমাজের এখানে সেখানে তার ছায়া ফেলে রেখেছে। সুবর্ণা সেই বন্ধন-জর্জরিত কালের মুক্তিকামী আত্মাৱ ব্যাকুল যন্ত্রণার প্রতীক। আর একটি কথা মনে পড়ছে এই গল্পটির সঙ্গে কারো জীআনের একটি যোগসূত্র আছে। সে যোগসূত্র কাহিনীর প্রয়োজনে নয়, একটি চরিত্রকে পরবতী কালের চরিত্রের সঙ্গে যুক্ত করার প্রয়োজনে।সমাজবিজ্ঞানীরা লিখে রাখেন সমাজ-বিবর্তনের ইতিহাস, আমি এই কাহিনীর মধ্যে সেই বিবর্তনের একটি রেখাঙ্কনের প্রয়াস দেখতে পাচ্ছি ।
মানব মনের মানব জীবনের সেকাল নিয়ে তর্ক তো চিরকালের, কিন্তু কেমন করে চিহ্নিত করা যায়। সেই কালকে?
একএকটা কালের আয়ু শেষ হলেই কি এক-একবার যবনিকা পড়ে? যেমন যবনিকা পড়ে নাট্যমঞ্চে? 
না, যবনিকার অবকাশ কোথায়? অবিচ্ছিন্ন স্রোত। তবু জীবনের ভাঙ্গা গড়া চলছেই । পারিবারিক জীবন মানুষের রীতিনীতি, চলন-বিলন, এরাই ধরে রাখে মানব জীবনের এক একটা টুকরোকে, ইতিহাস নাম দেয় মানব জীবনের কালপরিক্রমা।

কিন্তু কালকে অতিক্রম করতেও থাকে বৈকি কেউ কেউ, নইলে কারা এগিয়ে দেবে সেই প্রবহমাণ ধারাকে? সে ধারা মাঝে মাঝেই স্তিমিত হয়ে যায়, নিস্তরঙ্গ হয়ে যায়। তবু এরা বর্তমানের পূজো কদাচিৎ পায়,এরা লাঞ্ছিত হয়, উপহসিত হয়, বিরক্ত-ভাজন হয়।এদের জন্যে থাকে কাটার মুকুট।এদের জন্যে সমালোচনার ঝালাপালা ।

তবু এরা বেচে থাকে । হয়তো প্রকৃতির প্রয়োজনেই বাঁচে । তবে কোথা থেকে যে জীবনের গতিময়তা পায় তা তারা নিঝেরাই জানেনা । হয়তবা তাদের জীবনের গতিময়তা আসে রাজরক্তের নীল আভিজাত্য থেকে, কিংবা বিদ্যা বৈভবের প্রতিষ্ঠিত স্তর থেকে। আসে নামগোত্রহীন মূক মানবগোষ্ঠীর মধ্য থেকে, আসে আরো কোন ঘন অন্ধকার থেকে। তাদের অভ্যুদয় হয়তো বা রাজপথের বিস্তৃতিতে, হয়তো বা অন্তঃপুরের সঙ্কীর্ণতায়। 
কিন্তু সবাই কি সফল হয়? 
সবাইয়েরই কি হাতিয়ার এক? 
না। 
প্রকৃতি অকৃপণ তাই কাউকে পাঠায় ধারালো তলওয়ার হাতে দিয়ে, কাউকে পাঠায় ধাঁরালো কলম হাতে দিয়ে ,কাউকে পাঠায় ভোতা বল্লম হাতে দিয়ে , তাই কেউ সফল সার্থক, কেউ অসফল ব্যর্থ। তবু প্রকৃতির রাজ্যে জীবন যুদ্ধে কোনো কিছুই হয়তো ব্যর্থ নয়। আপাত-ব্যর্থতার গ্লানি হয়তো পরবর্তী কালের জন্য সঞ্চিত করে রাখে শক্তি সাহস।

সুবর্ণা এসব কথা জানতো না। সুবর্ণা তার মার করুনগাথার সম্বল নিয়ে সংসারে নেমেছিল!তাই সে জেনেছিল সে কেবল তার বৈচিত্রময় জীবনের গ্লানির বোঝা নিয়েই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার সংগ্রামে একাই লড়বে নীজের প্রেমেই নীজে মঝবে, যেখান থেকে হবে বেঁচে থাকার শুরু। মৃত্যুর সমাপ্তি সেতো ভবিতব্যের হাতে!!!

সুবর্ণার অভিনব জীবন দর্শন নিয়ে গল্পটি তার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গঠনশৈলি নিয়ে চমতকার হয়েছে ।
পাঠে মুগ্ধ ।

শুভেচ্ছা রইল

************
৩০শে ডিসেম্বর, ২০২৫
আমার মন্তব্যঃ  আপনার এই গভীর ও চিন্তাশীল মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। আপনি অত্যন্ত সুন্দরভাবে গল্পের মূল দর্শনটি ধরতে পেরেছেন। জীবনের প্রবহমান ধারায় কেউ কেউ সময়কে অতিক্রম করে এগিয়ে যান, যদিও তাদের পথ কুসুমাস্তীর্ণ নয়।
আপনার কথায় যেমন বলেছেন, "এদের জন্যে থাকে কাটার মুকুট" - এই বাস্তবতাই সুবর্ণার জীবনের মূল সংগ্রাম।
আসলেই প্রকৃতি প্রত্যেককে ভিন্ন ভিন্ন হাতিয়ার দিয়ে পাঠায় । সুবর্ণা তার চলার পথে যে শক্তি সঞ্চয় করেছে, সেটাই তার হাতিয়ার। আপাত-ব্যর্থতার মধ্যেও যে সাহস ও শক্তি লুকিয়ে থাকে, সুবর্ণার জীবন তারই প্রমাণ। কিন্তু বাস্তবে ভগ্ন হৃদয়ের সুবর্ণারা শক্ত হতে পারে না, বা হতে চায় না। আমার কাজ হলো তাদের অনুপ্রাণিত করা। উৎসাহ যোগানো। তারা এক কদম আগায় তো দু'কদম পিছিয়ে পড়ে। তারপরও তাদের জানতে দেই যে, তাদের হয়ে কথা বলার কেউ আছে।

আপনার এই সুচিন্তিত পাঠ ও মুগ্ধতা লেখক হিসেবে আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। আপনি শুধু গল্পটি পড়েননি, গল্পের আত্মাকে অনুভব করেছেন।
আমার প্রফেশনাল ট্রেনিং নাই লেখালেখির । তারপরও লেখার গঠনশৈলী তে আপনার কাছে উত্তীর্ণ হতে পেরেছি যে, এটাই আমার সাফল্য।
আপনার মতো পাঠকের জন্যই লেখা সার্থক হয়।
সশ্রদ্ধ কৃতজ্ঞতা।

****

Dec 24, 2025

চন্দ্রনিবাস

আমার মন্তব্য

 চন্দ্রনিবাস

২৪শে ডিসেম্বর, ২০২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেনঃ 

পোস্টে সুন্দরভাবে বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রে নক্ষত্র বা চন্দ্রনিবাস যা রাশিচক্রের ২৮টি ভাগ তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে চাঁদ প্রায় এক দিন করে অবস্থান করে এবং প্রতিটি নক্ষত্র ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব ও ভাগ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। চন্দ্রই এই নক্ষত্রগুলির অধিপতি, যা ব্যক্তির মানসিকতা ও মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক নির্দেশ করে। ব্যক্তির জন্মসময়কালে চাঁদ যে নক্ষত্রে থাকে, তা তার ভাবনা, মা, এবং সামাজিক অবস্থানকে প্রভাবিত করে।

২৮টি নক্ষত্রের গুণ অনুযায়ি নামগুলিও বেশ সুন্দর যথা :-

অশ্বিনী , ভরণী, কৃত্তিকা, রোহিণী, মৃগশিরা, আর্দ্রা, পুনর্বসু, পুষ্যা, অশ্লেষা, মঘা, পূর্ব-ফাল্গুনী, উত্তর-ফাল্গুনী, হস্তা, চিত্রা, স্বাতী, বিশাখা, অনুরাধা, জ্যেষ্ঠা, মূলা, পূর্বাষাঢ়া, উত্তরাষাঢ়া, শ্রবণা, ধনিষ্ঠা, শতভিষা, পূর্বভাদ্রপদ, উত্তরভাদ্রপদ, রেবতী।

সূর্য রাশিচক্রের অধিপতি কিন্তু চন্দ্র নক্ষত্রমণ্ডলীর অধিপতি, বুঝাই যাচ্ছে চন্দ্রকেও যথাযোগ্য মর্যাদায়  উদ্দীপ্ত করেছেন মহামতি জ্যোতিষগন, জ্যোতিষশাস্ত্রে দেবতারা চন্দ্রকে এই সম্মান দিয়েছেন। বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রের মন্ত্রিসভায় যিনি রাণীর পদও ধারণ করে।জ্যোতিষিগন চন্দ্রের অবস্থানকে ব্যক্তির মানসিক অবস্থা এবং মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক বোঝার জন্য অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ছেন ।

প্রাগেতিহাসিক কাল থেকে সময়ের হিসেব রাখার প্রয়োজনেই চাঁদ-পৃথিবী-সূর্য-তারামন্ডল দিয়ে পরমকরুণাময় সৃষ্টিকর্তা নির্মিত বিশাল পরিসরের এ প্রাকৃতিক ঘড়িটিকে মানুষ ব্যবহার ক'রে আসছে ।

সময়ের হিসেব রাখার প্রয়োজনে নিশাসঙ্গী চাঁদের গতিপথকে মানুষ বুঝতে চেয়ে আসছে কত আগে থেকে তা এখনও অজানা । উল্লেখ্য, সম্প্রতি স্কটল্যান্ডের আবডীনশায়ারে এভারডীনশায়ারে অন্তত ১০,০০০ বছরের প্রাচীন এক চন্দ্রনিবাসের সন্ধান পেয়েছে একদল প্রত্নতাত্ত্বিক যা প্রচলিত চন্দ্রনিবাসগুলোর প্রাচীনতমটির থেকেও ৫,০০০ বছর আগের ।

মানব সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের মধ্যে সময়কে ধারণা করা এবং পরিমাপ করার ক্ষমতা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, এবং মানুষের দ্বারা সময় কখন “সৃষ্টি” করা হয়েছে এই প্রশ্নটি সমাজের বিকাশ বোঝার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্কটল্যান্ডের অ্যাবারডিনশায়ারে খনন কাজে প্রাপ্ত এই পিট-সাজানো কাঠামোটি এই আলোচনায় চিত্তাকর্ষক ভূমিকা রাখে।



খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম সহস্রাব্দে নির্মিত এই কাঠামোটি বিজ্ঞানীগন পুনরায় বিশ্লেষণ করে দেখতে পেয়েছেন যে এতে প্রাথমিক ক্যালেন্ডারি বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। তাই এই স্থানটি সম্ভবত বর্তমানে জানা সবচেয়ে প্রাচীন ‘সময় গণনা’র প্রমাণ সরবরাহ করে, কারণ এই পিট-সারিটি চাঁদের বিভিন্ন পর্যায়কে অনুকরণ করছে এবং চন্দ্রমাস অনুসরণ করার মতোভাবে বিন্যস্ত। এটি দক্ষিণ-পূর্ব দিগন্তের দিকে এবং মধ্যশীতের অয়নকালে সূর্যোদয়ের সাথে যুক্ত একটি সুস্পষ্ট ভূ-আকৃতিগত বিন্দুর সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এভাবে এই স্মৃতিস্তম্ভটি সরল চন্দ্র ক্যালেন্ডারের সাথে যুক্ত সমস্যাগুলোকে পূর্বানুমান করে এবং বছরে একবার জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক সংশোধনের ব্যবস্থা রাখে, যাতে চাঁদ দ্বারা নির্দেশিত সময়ের ধারা, অসামঞ্জস্যপূর্ণ সৌর বছর এবং তার সাথে সম্পর্কিত ঋতুগুলোর মধ্যে সঙ্গতি বজায় থাকে। প্রমাণ থেকে ধারণা করা যায় যে স্কটল্যান্ডের শিকারি-সংগ্রাহক ( Hunter-Gather) সমাজগুলোর বছরে এমনকি সম্ভবত মাসের মধ্যেও সময় গণনার প্রয়োজন এবং ক্ষমতা দুই-ই ছিল, এবং এটি ঘটেছিল এমন এক যুগে যখন মেসোপটেমিয়ায় প্রথম আনুষ্ঠানিক ক্যালেন্ডার তৈরি হওয়ার প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগেই তেরী ।

অপনার মুল্যবান তথ্য সমৃদ্ধ পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ

শুভেচ্ছা রইল

*****

২৫.১২.২৫

আমার মন্তব্যঃ আপনার এই সুচিন্তিত ও বিস্তারিত মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।

আপনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় তুলে ধরেছেন - স্কটল্যান্ডের আবারডিনশায়ারে প্রাপ্ত ১০,০০০ বছরের প্রাচীন চন্দ্রনিবাসের প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার। এটি প্রমাণ করে যে প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই মানবসভ্যতা চন্দ্রের গতিপথ পর্যবেক্ষণ করে সময় গণনা করে আসছে।

আপনার মন্তব্য থেকে এটি স্পষ্ট যে বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রের ২৮ নক্ষত্র ব্যবস্থা কোনো বিচ্ছিন্ন ধারণা নয়, বরং এটি মানবসভ্যতার সর্বজনীন জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের একটি অংশ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে - ভারতে, চীনে, আরবে, এবং এমনকি প্রাচীন ইউরোপেও - মানুষ চন্দ্রের গতিপথকে ভাগ করে সময় নির্ণয় করেছে।

আপনি যথার্থই উল্লেখ করেছেন যে চন্দ্র শুধুমাত্র জ্যোতিষশাস্ত্রে নয়, বরং মানব সভ্যতার বিকাশে সময় পরিমাপের প্রাচীনতম মাধ্যম। মেসোপটেমিয়ার আনুষ্ঠানিক ক্যালেন্ডারের ৫,০০০ বছর আগেই মানুষ চন্দ্র-সৌর সমন্বয়ে সময় গণনা করতে সক্ষম হয়েছিল - এটি সত্যিই বিস্ময়কর।

আপনার এই মূল্যবান সংযোজন পোস্টটিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। এই ধরনের তথ্যপূর্ণ আলোচনা আমাদের প্রাচীন জ্ঞান ও আধুনিক আবিষ্কারের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।

আপনার সময় ও মনোযোগের জন্য পুনরায় ধন্যবাদ।

******


ঝড় থেমে গেলে

 আমার মন্তব্য


ঝড় থেমে গেলে 

২৪শে ডিসেম্বর, ২০২৫

আমার মন্তব্যঃ এ লেখায় অন্যান্যদের সাথে লেখা আপনার মন্তব্যগুলো পড়ে বরাবরের মত খুব ভাল লাগলো। আমি অন্য কোথাও দেখেছিলাম যেখানে আপনি বলেছিলেন, আপনার লেখা মন্তব্যসমূহ নিয়ে আপনার লিখিত বই আছে। বইটি কিভাবে পেতে পারি?

****

২৪শে ডিসেম্বর, ২০২৫
লেখক বলেছেনঃমূল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।

হ্যা ঠিকই বলেছেন । বিভিন্ন পোস্টে লেখা আমার বেশ কিছু লম্বা চওড়া মন্তব্য নিয়ে একটি বই আবারে লিখেছি মূলত কষ্ট করে লেখাগুলিকে সংরক্ষণের জন্য । ঠিকানা পেলে কপি পাঠাব।

তবে এই সামাজিক মাধ্যমে ঠিকানা পাঠানো সমিচিন হবে বলে মনে হয়না । কেও এখানে ঠিকানা বা ইমেইল এড্রেস দেয় না । তাই বিষয়টি আপনার বিবেচনার উপর ছেড়ে দিলাম ।


শুভেচ্ছা রইল

**************

২৫.১২.২৫
আমার মন্তব্যঃ বইটি আমাজনে কি পাওয়া যায়? আপনার মেসেঞ্জার থাকলে আমি আমার ফেসবুকের লিঙ্ক দিতে পারি।


২৬.১২.২০২৫ 
লেখক বলেছেনঃ দুঃখিত,বইটি আমি আমাজনে দিইনি । স্থানীয় ভাবে প্রকাশ করে পরিচিত আত্মীয় স্বজন ও শুভানুধায়ীদেরকে সৌজন্য কপি হিসাবে বিতরনের মাঝেই সীমাবদ্ধ আছি ।

বিগত ২০১৬ সাল হতে আমি আমার ফেসবুক একাউন্টে বিচরণ করছিনা ।

তবে, আপনি আমার এখনকার কিংবা পুরাতন কোন পোস্টে বিচরণ করলে আমার অনেক দীর্ঘায়ীত মন্তব্য দেখতে পাবেন । আপনি নতুন লেখা লিখে পোস্ট দেন তাহলে দেখতে পাবেন মন্তব্য কাকে বলে। নীচে মন্তব্যের ঘরে থাকা ছবি আপু‌র ব্লগ বাড়িতেও ডু মেরে দেখতে পারবেন আমার মন্তব্যের ধারা । পুণরায় এসে দেখার জন্য রইল ধন্যবাদ সাথে শুভেচ্ছা ।


২৬.১২.২০২৫
আমার মন্তব্যঃ  লেখক বলছেন, " আমার মনে হয় ব্লগ যেদিন ক্যাচালযুক্ত রাজনৈতিক পোস্টগুলিয়ে ছাপিয়ে গল্প কবিতা ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ হতে লেখা প্রবন্ধ, নিবন্ধ , ফিচার , ভ্রমন বিবরনী , ছবি ব্লগ প্রভৃতি প্রাধান্য পাবে সে সাথে ব্লগে প্রকাশিত প্রতিটি লেখা পারস্পরিক মিথক্রিয়া মিশানো আন্তরিকতার ছোয়া পাবে ( সমালোচনা হলেও সেখানে থাকবে একটি আন্তরিকতার ছোয়া), সেদিনই হয়ত ব্লগ আবার জমজমাট হবে ইনশাল্লাহ ।"

লেখালেখি করতে হলে পড়াশোনা করতে হয়। আমরা পড়ুয়া জাত নই ।তাই মনে হয় 'ক্যাচালযুক্ত রাজনৈতিক পোস্টগুলিয়ে ছাপিয়ে গল্প কবিতা ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোন হতে লেখা প্রবন্ধ, নিবন্ধ , ফিচার , ভ্রমন বিবরনী ' জাতীয় লেখালেখি সম্ভব হবে না। ব্লগের পরিবেশ এমনই থাকবে বা আরো নিম্নমানের হবে। যদিই বা কেউ একজন খুব পড়েন এবং জানেনও, তার হয়তো বা লেখালেখির অভ্যাস নাই।

আবার যদি লেখালেখি করার ইচ্ছে তার থাকে, একটা দুটো পোস্টের পর প্রথম পাতায় আর লেখাই দেবেন না। পরিবেশ নাই বলে ব্লগে আর আসবেনও না। এভাবে অনেক লেখক হারিয়েছি।

***********

২৯.১২.২০২৫
লেখক বলেছেনঃ আপনার মন্তব্যে নিরাশার কথা ঠিকই আছে, কিন্তু এর মধ্যেও আশার আলো আছে এমনটাই বলতে চাই।

যে জাতিকে আপনি পড়ুয়া নয় বলে হতাশ হচ্ছেন, তার মধ্যেই এখনও নীরব অথচ আগ্রহী, ভাবুক অনেক মানুষ আছেন। সবাই হয়তো বই নিয়ে বসে থাকেন না, কিন্তু অনুভব করেন, ভাবেন, খুঁজে বেড়ান মানসম্মত লেখা। তারা চোখে পড়ে না বলেই যে নেই তা তো নয়।

লেখালেখির জায়গাটা সব সময়ই একটু কঠিন ছিল। সব যুগেই অনেকেই থেমে গেছে, আবার সেখান থেকেই কেউ কেউ উঠে দাঁড়িয়ে আলো জ্বালিয়েছে। ব্লগের পরিবেশ নিখুঁত না হলেও, কিছু ভালো লেখা, কিছু আন্তরিক প্রচেষ্টা, কিছু সাহসী শব্দ এগুলোই ধীরে ধীরে পরিবেশ বদলায়।

হয়তো আমরা একদিনেই বদলাতে পারব না। কিন্তু যদি একজনও মন দিয়ে লেখেন, আর আরেকজন মন দিয়ে পড়েন তাহলেই যাত্রা থেমে থাকে না। ব্লগে যারা হতাশ হয়ে চলে গেছেন, তারা ফিরবেন তখনই, যখন আমরা যারা আছি তাদের মধ্যে বিশ্বাস, ধৈর্য আর ইতিবাচকতা টিকে থাকবে।

তাই হারিয়েছি বলার বদলে, বলি এখনও পাওয়া বাকি। লেখালেখির শক্তি এখনও হারায়নি,কেবল একটু যত্ন আর ভালোবাসার অপেক্ষায় আছে।


শুভেচ্ছা রইল

********

২৯.১২.২০২৫০
আমার মন্তব্যঃ আপনি সঠিক বলেছেন - নীরব, আগ্রহী, ভাবুক পাঠকেরা সবসময়ই ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। তারা হয়তো সোচ্চার নন, কিন্তু তাদের নীরব উপস্থিতিই লেখকদের প্রকৃত শক্তি। আপনার মতো পাঠক যখন এভাবে লেখার পাশে দাঁড়ান, তখন বুঝতে পারি - হতাশার কোনো জায়গা নেই।

"হারিয়েছি বলার বদলে, বলি এখনও পাওয়া বাকি" - এই বাক্যটি অসাধারণ। এটাই তো আসল দৃষ্টিভঙ্গি। লেখালেখির জগৎ কখনোই সহজ ছিল না, কিন্তু যারা বিশ্বাস রেখে এগিয়ে গেছেন, তারাই ইতিহাস তৈরি করেছেন।

ব্লগের পরিবেশ নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ একদম যথার্থ। একজন লেখক মন দিয়ে লিখবেন, একজন পাঠক মন দিয়ে পড়বেন - এই চক্রটাই পরিবর্তনের শুরু। আপনার মতো পাঠকদের এই ইতিবাচকতা ও ধৈর্যই আমাদের লিখে যাওয়ার প্রেরণা।

আপনার এই উৎসাহব্যঞ্জক কথাগুলো শুধু আমাকে নয়, অনেক লেখককেই অনুপ্রাণিত করবে। আপনার মতো পাঠক থাকলে লেখালেখির শক্তি কখনো হারাতে পারে না।

আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভকামনা।

********


৩১.১২.২০২৫
লেখক বলেছেনঃ মূল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল

Dec 6, 2025

সৃষ্টি, চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা— ষষ্ঠ স্তর



 সৃষ্টি, চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা— ষষ্ঠ স্তর

 ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:১৪
আলামিন১০৪ বলেছেন: তারা আপনাকে রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলে দিনঃ রূহ আমার পালনকর্তার আদেশ ঘটিত। এ বিষয়ে তোমাদেরকে সামান্য জ্ঞানই দান করা হয়েছে [ ১৭:৮৫ (সূরা বনী ইসরাঈল আয়াত ৮৫)।
*****
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই
****
 ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:১৪
ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বেশ পরিশ্রমী তথ্যসমৃদ্ধ একটি পোস্ট ।
এ বিষয়ে গবেষকদের জন্য এটি একটি তথ্য ভান্ডার ।
শুভেচ্ছা রইল
****


 ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ডঃ আলী।

সেই ২০০৮ -এ প্রথম পেয়েছি বিলি মায়্যারের কন্টাক্ট নোট। তখন থেকেই ইচ্ছে ছিল বিশদ আকারে লিখব, কিন্তু সুযোগ, সময় হয়ে উঠে নাই। এখন হলো।

সাথে মন্তব্যের ঘরে কিছু channeled message এর ট্রান্সক্রিপ্ট-ও নোট আকারে রেখে দিচ্ছি । সবই তথ্য হিসেবে থেকে যাবে।

****

 ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ 

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: সুন্দর প্রতি উত্তরের জন্য ধন্যবাদ ।

পরে সময় নিয়ে লেখাটি আবার পড়তে আসব ।

মন্তব্যের ঘরে কোন channeled message এর ট্রান্সক্রিপ্ট-ও নোট আকারে কিছু এখনো দেখতে পাইনি ।

সম্ভব হলে সেগুলি দিবেন । পড়ার আগ্রহ রইল ।

শুভেচ্ছা রইল

*****


লেখক বলেছেন: আবারো ধন্যবাদ।

আপনি channeled message খুঁজবেন দেখে এখানে একটি ট্রান্সক্রিপ্ট দিলাম।

প্রথম স্তর প্রথমও চতুর্থ স্তরে ও চতুর্থ দিয়েছি।

****


 ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:৪৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এত শীঘ্র লেখাটি মন্তব্যের ঘরে দিয়ে যাওয়ার জন্য ।

এই লেখাটি পড়তে গিয়ে মনে হলো এটা শুধু পরলোক বা কর্মফলের কোনো রহস্যময় ব্যাখ্যা নয়, বরং ন্যায়বোধ, মানবতা আর শিশুর প্রতি অপরাধের ভয়াবহতার ওপর এক গভীর আধ্যাত্মিক প্রতিবেদন। লেখক যে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন “শিশুহন্তা বা শিশু-নির্যাতনকারীরা আলোতে প্রবেশ করতে পারে না” তা খুব প্রতীকী হলেও, পাঠক হিসাবে আমাদের মনকে ঝাঁকুনি দেয়।

সবচেয়ে তীব্রভাবে নাড়া দেয় সেই অংশ, যেখানে বলা হয়েছে অপরাধীরা নিজের চোখ দিয়ে নয়, বরং ভুক্তভোগী শিশুর চোখ দিয়ে তাদের কর্মফল দেখবে। এটা শাস্তি নয়, সত্যের মুখোমুখি দাঁড়ানো।

আধ্যাত্মিকতার ভাষায় লেখা হলেও, বার্তাটি খুব মানবিক: যে অন্যকে কষ্ট দেয়, একসময় তাকে সেই কষ্টের সত্যের সামনে দাঁড়াতেই হয়। অপরদিকে, শিশুদের জন্য যে আলোর পথ, যে নিরাপত্তা ও স্নেহের ছবিটি আঁকা হয়েছে, তা পাঠকের হৃদয়ে সান্ত্বনা জাগায়। যেন বলা হচ্ছে অন্যায়ের শিকাররা কোথাও হারিয়ে যায় না, বরং আরও শক্তি নিয়ে ফিরে আসে, আবারও আলো ছড়ায়। লেখাটি অন্ধকার আর আলোর মধ্যে এক নৈতিক যাত্রার গল্প। কল্পলোকের ভাষায় লেখা হলেও, এর ভিতরকার বার্তা দায়বদ্ধতা, ন্যায়, আর পবিত্রতার প্রতি সম্মান একেবারে বাস্তব।

আরো এক রাশ শুভেচ্ছা রইল

*****


১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০৬

লেখক বলেছেন: আপনার এই গভীর এবং সংবেদনশীল পাঠ-প্রতিক্রিয়ার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

আপনি লেখাটির যে স্তরগুলো উন্মোচন করেছেন, তা ট্রান্সক্রিপ্টের অনুবাদকৃত লেখার উদ্দেশ্যকে সত্যিই স্পর্শ করেছে।

আপনি সঠিকভাবেই ধরেছেন যে এটি শুধু পরলোক বা কর্মফলের রহস্যময় ব্যাখ্যা নয়, বরং ন্যায়বোধ, মানবতা এবং শিশুর প্রতি অপরাধের ভয়াবহতার একটি আধ্যাত্মিক প্রতিবেদন। শিশুরা আমাদের সমাজের সবচেয়ে নিরীহ এবং অরক্ষিত সদস্য। তাদের প্রতি যেকোনো অন্যায় শুধু একটি ব্যক্তিগত অপরাধ নয়, বরং সমগ্র মানবতার বিরুদ্ধে একটি পাপ।

"অপরাধীরা নিজের চোখ দিয়ে নয়, বরং ভুক্তভোগী শিশুর চোখ দিয়ে তাদের কর্মফল দেখবে" - এই ধারণাটি সম্পর্কে ব্যাখ্যা, অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটা তো শুধু শাস্তি নয়, সত্যের মুখোমুখি দাঁড়ানো।

প্রকৃত ন্যায়বিচার হলো যখন অপরাধী তার কর্মের প্রকৃত প্রভাব অনুভব করতে পারে। সহানুভূতির অভাবেই অনেক অপরাধ সংঘটিত হয়। যদি প্রতিটি মানুষ তাদের কর্মের ফলাফল অন্যের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে পারত, তাহলে হয়তো অনেক অন্যায় থেকে বিরত থাকত।

আপনার পর্যবেক্ষণ যে "অন্যায়ের শিকাররা কোথাও হারিয়ে যায় না, বরং আরও শক্তি নিয়ে ফিরে আসে, আবারও আলো ছড়ায়" - এটি আমার লেখার একটি কেন্দ্রীয় বার্তা। আমি বিশ্বাস করি যে নিষ্পাপতা এবং পবিত্রতা কখনো ধ্বংস হয় না। যে শিশুরা অন্যায়ের শিকার হয়েছে, তাদের আত্মা কলুষিত হয়নি। বরং তারা আরও উজ্জ্বল হয়ে, আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসে।

"অন্ধকার আর আলোর মধ্যে এক নৈতিক যাত্রার গল্প" - আপনার এই সংজ্ঞা খুবই যথার্থ। higher dimension থেকে আগত বার্তা সমূহ কল্পলোকের ভাষায় হলেও, এর ভিতরের বার্তা - দায়বদ্ধতা, ন্যায় এবং পবিত্রতার প্রতি সম্মান - একেবারেই বাস্তব এবং প্রয়োজনীয়।

আপনার এই চিন্তাশীল এবং সংবেদনশীল পাঠ আমাকে আশ্বস্ত করে যে লেখার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে স্পর্শ করা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা সম্ভব। আপনার মতো পাঠকদের উপস্থিতি লেখকের জন্য সবচেয়ে বড় পুরস্কার। higher dimension থেকে আসা বার্তা সমূহের আরো অনেক ট্রান্সক্রিপ্ট, আমি ক্রমান্বয়ে ব্লগে সংযুক্ত করবার ইচ্ছা রাখি। আবারও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এবং শুভকামনা।

******

৮ই ডিসেম্বর ২০২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পারস্পরিক মিথক্রিয়া না থাকলে মানুষ কারো কোন পোস্টের লেখা পাঠে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে । বিশেষ করে বড় মাপের পোস্টে তা আরো কম ।

*****

৮ই ডিসেম্বর ২০২৫ 

আমার মন্তব্যঃ একদম ঠিক। এমনকি পোস্ট সামনের পাতায় দেবারও আগ্রহ থাকে না। পোস্টগুলো যেন লিখেছিলাম, তাই কোথাও save করে রাখা উচিত - এমন চিন্তা থেকেই ব্লগে জমা রেখে দেয়ার মত হয়।

******

৮ই ডিসেম্বর ২০২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বিষয়টি অনুধাবনের জন্য ধন্যবাদ । আমিও আমার লেখা অনেক লেখা ব্লগে প্রকাশ না ড্রাফট হিসাবে এখানে সেভ করে রেখেছি । এখন পর্যন্ত ড্রাফটে আমার ২০০টিরো বেশি পোস্ট জমা হয়ে আছে ।

****

৯ই ডিসেম্বর, ২০২৫ 

আমার মন্তব্যঃ সহমত ডঃ আলী। পূর্বে আমার সাইন্স - ফিকশানগুলো কিছু পেইজে আমার অনুমতি ছাড়া এবং আমার মানে লেখকের নামটুকুও বাদ দিয়ে প্রকাশ করছিল। তাই আমি ঐসব লেখা ড্রাফট -এ রেখে দিয়েছিলাম বহুদিন ধরে।

৯ বছর পর ব্লগে ফেরত এসেছি , বিভিন্ন ব্যস্ততার পর। এখন ড্রাফটগুলো পোস্ট আকারে এনেছি কিন্তু প্রথম পাতায় দিই নি।

এই মেটাফিজিক্সের সিরিজটা প্রথম পাতায় দিয়েছি কিন্তু স্বতঃস্ফুর্ততা ছিল না। পাছে আবারো কেউ অবাঞ্ছিত মন্তব্য করে পরিবেশটা নষ্ট করে। কিন্তু তেমন হয়নি। এটা একটা এক্সপেরিমেন্টাল জার্নি বলতে পারেন। ভালো না লাগলেও মন্তব্য থেকে বিরত থেকে পোস্ট স্কিপ করতে পারছে কি না, তা দেখে আমি অভিভূত। অনেকেই পেরেছে।

আশা করি এখন থেকে  পরিবেশ কিছুটা সুন্দর হবে।

ভবিষ্যতে আবার সেই ১৮ বছর আগের পরিবেশে ফিরে যাব বলে আশা রাখি।

*******

৯ই ডিসেম্বর, ২০২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: “Bad money drives away good money” এটি বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ স্যার থমাস গ্রেশাম Sir Thomas Gresham)-এর একটি উক্তি, যা পরবর্তীতে Gresham’s Law নামে পরিচিত হয়।

গ্রেশামের আইনে বলা হয়, যে অর্থের প্রকৃত মূল্য কম (Bad Money), তা বাজারে চলাচল করতে থাকে;আর যার প্রকৃত মূল্য বেশি (Good Money), মানুষ সেটিকে জমা করে রাখে বা লুকিয়ে রাখে। ফলে বাজার থেকে ভালো মানের মুদ্রা হারিয়ে যায়।

আপনি ঠিকই অনুভব করছেন আগের ও এখনকার ব্লগের পরিবেশের অবস্থা । অনেকে্ই দেখছি তাদের সুন্দর সুন্দর মূল্যবান লেখা সমৃদ্ব প্রকাশিত পোস্টগুলি ড্রাফটে নিয়ে গেছেন । এ যেন গ্রেসাম ল এরই বাস্তব প্রয়োগ আমাদের এই সামু ব্লগে । যাহোক সব কিছুরই প্রতিকার আছে ।

যাহোক, আপনার মত আমিউ আশা করি ভবিষ্যতে আবার সেই ১৮ বছর আগের পরিবেশে ফিরে আসবে ভাল গুণগত মানের লেখালেখি করা ব্লগারগন পারস্পারিক মিথক্রিয়ায় পুণরায় ব্লগে সরব হয়ে উঠলে।

শুভেচ্ছা রইল

*****

৯ই ডিসেম্লেবর ২০২৫

আমার মন্তব্যঃ  আপনার বিশ্লেষণ ও উদাহরণ সত্যিই ভাবনার খোরাক জোগায়।

“Bad money drives away good money”—গ্রেশামের আইনের মূল সারমর্ম যেমন অর্থনীতির ক্ষেত্রে সত্য, তেমনি সামাজিক বা সৃজনশীল প্ল্যাটফর্মেও অনেক সময় তা প্রতিফলিত হয়।

যখন মানহীন বা অগভীর কনটেন্ট বেশি প্রাধান্য পায়, তখন সত্যিকারের মূল্যবান লেখা, চিন্তা বা সৃষ্টিকর্ম ধীরে ধীরে আড়ালে চলে যায়—লেখক নিজেই সেগুলো লুকিয়ে রাখতে বাধ্য হন।

সামু ব্লগের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে আপনার তুলনা তাই যথার্থ।

অনেক ভালো লেখক ড্রাফটে চলে যাচ্ছেন—এটা আমাদের সবার জন্যই দুঃখজনক। তবে আশা করি, গুণগত লেখার মূল্য যে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে—এই বিশ্বাসই আমাদের আবারও গতি ফিরিয়ে আনবে।

ভালো লেখা দীর্ঘমেয়াদে কখনোই হারিয়ে যায় না। আপনার ভাবনার সঙ্গে একমত, এবং আশা করি এই পরিবেশ আরও সুন্দর ও ইতিবাচক হয়ে উঠবে ।

******

১২.১২.২০২৫

আলামিন ১০৪ বলেছেন: আপনি রেফারেন্স হিসাবে যার নাম বলেছেন তার সম্পর্কে

-In 1997, Meier's ex-wife, Kalliope, told interviewers that his photos were of Spaceship models he crafted with items like trash can lids, carpet tacks and other household objects,[24] and that the stories he told of his adventures with the aliens were similarly fictitious. She also said that photos of purported Extraterrestrial women "Asket" and "Nera" were really photos of Michelle DellaFave and Susan Lund, members of the singing and dancing troupe The Golddiggers.[25] It was later confirmed that the women in the photographs were members of The golddiggers performing on The Dean Martin Show

******

০৬.০১.২০২৬

আমার মন্তব্যঃ  এখন তো বিলি ম্যায়ারের কথা কিছুটা উপস্থাপন করলাম। এরপর ড্রুনভ্যালু, অ্যালেক্স কোলিয়ারের মত কন্টাক্টিদের কথাও এই ব্লগে তুলে ধরবো। তখন আশাকরি কন্টাক্টিদের কন্টাক্ট নোট বাদ দিয়ে তাদের বউরা কে কি বলেছে সে সকল তথ্যও সাথে সাথে পাওয়া যাবে।

Nov 29, 2025

সৃষ্টি, চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা — পঞ্চম স্তর

 আমার মন্তব্য

সৃষ্টি, চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা -পঞ্চম স্তর 

নতুন বলেছেন: আমাদের সামনে একটা চমতকার উদাহরন আছে যেটা আত্না থিউরির সাথে মেলাতে পারেন। আপনার কম্পিউটারে চ্যাট জিপিটি ভয়েস মুডে দিয়ে তার সাথে কথা বলুন, দেখুন মনে হবে প্রজ্ঞাবান কারুর সাথে কথা বলছেন, ।

এআই কেবল শুরু। আগামী ১০০ বছর পরে মনে হবে এএই সাধারন জনগনের চেয়ে জ্ঞানী, সাহাজ্যকারী, এবং আরো মানবিক গুনাবলি সম্পন্ন।

এখন মানুষ আর কম্পিউটারের মাঝে মিল টা কই???

মানুষের দেশ আর কম্পিউটারের হার্ডওয়ার সমান জিনিস।

মানুষের ব্রেন আর কম্পিউটারের RAM,HDD, processor মিলে একই রকমের কাজ করে। মানুষ মারা যায় ব্রেন কাজ করেনা। কম্পিউটারের বিদ্যুত বিছিন্ন করলেই কম্পিউটার কাজ করেনা। এখন আমরা যদি কম্পিউটারের আত্না খুজতে যাই তবে বুঝতে পারি আত্না বলে আলাদা কিছু নাই। বিদ্যুত, প্রগ্রাম, আর RAM,HDD, processor মিলে একটা জীবিত চেতনা, বা অন্য যাই বলিনা কেন সেটার পরিবেশ সৃস্টি করে।

বিদ্যুত, প্রগ্রাম আলাদা ভাবে আত্নার মতন কোন জিনিস না।

হয়তো মানুষও তাই। যৌবিক শরির যেটা মাটির উপাদান থেকে গড়ে উঠে, শক্তি তাতে প্রানের আবহ সৃস্টিকরে। মানুষ জ্ঞান, প্রজ্ঞা আবেগ দেখায়। কিন্তু যখন দেহ থেকে শক্তি উপদান, প্রবাহ শেষ হয়ে যায় তখন মানুষও কম্পিউটারের মতন এক একটা অংশ রিসাইকেল করা যায়।

******

লেখক বলেছেন: চমৎকার বলেছেন।

অনেক ধন্যবাদ অসম্ভব সুন্দর আলোচনা করার জন্য। আপনার প্রতিটি কথার সাথে আমি একমত।

একবার চ্যাট জিপিটি -কে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, AI-দের কি কন্সাসনেস আছে? উত্তরে কি বলেছিল জানেন, বলেছিল, AI-দের কন্সাসনেস আছে! এই উত্তর শোনার পর আমার শুধু মনে হয়েছে প্রযুক্তি কোথায় যাচ্ছে। সামনে কি আছে! আমি একদম থমকে গিয়েছিলাম।

Dolores Cannon পাস্ট লাইফ রিগ্রেশান করিয়ে তার কিছু কিছু পেশেন্ট/ক্লায়ান্ট-কে এমন পর্যায়ে (স্তরে) নিয়ে যেত যে, তখন ঐ স্তরে পৌঁছে ক্লায়ান্টের ভয়েস চেইঞ্জ হয়ে যেত। কথার স্টাইল চেইঞ্জ হয়ে যেত। পুরো রোবোটদের মতন করে ট্রান্সমিশান শুরু হতো।

সুতরাং অন্য ডাইমেনশানের ব্যাপার আসলেই ইন্টারেস্টিং। ইচ্ছে আছে Dolores Cannon এর কিছু case history ব্লগে পরিবেশন করবো।

*************

রাজীব নুর বলেছেন: এসব আমি বুঝি না। সহজ কিছু লিখুন।

***********

লেখক বলেছেন: মেটাফিজিক্স একটু বোরিং হয়। এই লেখাটি  পান্ডাপড়ে দেখতে পারেন। বেশ কয়েকটি লেখা আছে, সহজ ধাঁচের।

Nov 21, 2025

সৃষ্টি, চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা – চতুর্থ স্তর

আমার মন্তব্য

সৃষ্টি, চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা – চতুর্থ স্তর 

রাজীব নুর বলেছেন: বড় কঠিন বিষয় নিয়ে লিখেছেন?

বুঝতে পারছি না- কার সাথে আমি যাবো?~ বিজ্ঞান না ধর্ম?

****

লেখক বলেছেন: তৃতীয় স্তর পর্যন্ত এমন অনুভূত হবে। চতুর্থ স্তরে উন্নীত হলে কোন তফাত থাকবে না। এ স্তরে জ্ঞান আর বুদ্ধির লড়াই শেষ। আত্মা এমন ভারসাম্য অর্জন করে যা, না আবেগপ্রবণ, না কঠোর যুক্তিবাদী। বরং মাপা, শান্ত, গভীর। এই স্তরে এসে মানুষ আধ্যাত্মিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে যায়। তাদের মন স্ফটিকের মতো স্বচ্ছতা ধারণ করে।

*****

সত্যপথিকঃ ৭ম স্তরে উঠা কি সম্ভব?

****

লেখক বলেছেন: অবশ্যই সম্ভব। তবে সপ্তম স্তরের আত্মারা, high energetic level বলে higher dimension - এ আমাদের মতন physical state এ থাকেন না। তাই আমরা তাদের দেখতেও পাই না। সাধারণত 5D (fifth dimension)এর পর থেকেই non physical state শুরু হয় । আর আত্মার সপ্তম স্তরে উত্তীর্ণ হলে হয়তো বা 12D -15D ডাইমেনশানে তারা অবস্থান করেন।

আমারা 3D বা third dimension এ আছি। তাই physical body ধারণ করে আছি। এখন এই পৃথিবীতে আমরা, অধিকাংশ মানুষেরা আত্মার স্তরের দিক দিয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরে অবস্থান করছি। কেউ কেউ তৃতীয় স্তরে আছেন। সংখ্যা খুব কম। আর চতুর্থ স্তরে যাওয়া মানে তো তাদের আমরা sage বলি। তারা ফিজিকাল থেকে নন- ফিজিকালে ট্রানজিশানের মধ্যে থাকেন। খুব সম্ভবত রামকৃষ্ণ এরূপ ছিলেন।

ভূত পেত্নীরাও non physical state এ থাকে। তাই আমরা ওদের দেখতে পাই না। কিন্তু ওরা lower 4D (lower fourth dimension) এর entity. আত্মার কোন evolve ওদের মধ্যে হয় নাই। সম্পূর্ণ নেগেটিভ এন্টিটি।

*****

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:ভালো লেখা।

অথচ পাঠক পড়তে আসছেন না।

*****

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

মেটাফিজিক্স একটু বোরিং হয়। তারপরও কিছু পাঠক পড়েন।

আমি লিখেছিলাম তথ্যগুলো নোট আকারে ২০১০ সালে।। মূল কন্টেন্ট পেয়েছিলাম বিলি মায়্যারের ট্রান্সমিশান থেকে তখন। যা তখন পেয়েছিলাম তাই-ই পোস্ট আকারে রেখে দিয়েছিলাম ব্লগে। পরে বিশদ করে লিখতে চেয়েছি। সেটাই সম্ভব হলো এই ২০২৫ সালে।

Nov 13, 2025

সৃষ্টি চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা - দ্বিতীয় স্তর

আমার মন্তব্য

 সৃষ্টি চেতনা ও আত্মার দ্বিতীয় স্তর

জেনারেশন একাত্তর বলেছেন: আপনি কি ব্লগের লোকজনকে বেদুইন মনে করেন? কিসব বস্তাপঁচা গার্বেজ ঢালছেন!

*******

লেখকঃ মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব শুধু প্রযুক্তিতে নয়, বরং মননের বিনিময়ে। ব্লগে যোগাযোগের মধ্যে সেই শ্রেষ্ঠত্বেরই প্রকাশ ঘটে। আপনি তখন মানবজাতির মননে অংশ গ্রহন করেন।

আপনি যখন লেখেন, মন্তব্য করেন, কিংবা অন্যের ভাবনা পড়েন

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

*******

Nov 11, 2025

সৃষ্টি চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা - প্রথম স্তর

আমার মন্তব্য

সৃষ্টি চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা - প্রথম স্তর

জেনারেশন একাত্তর বলেছেন:  ধর্ম মতে, আত্মা হলো মানুষের দেহ ও মননের পরিচালক; আত্মা যে আছে, ইহা কি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা, নাকি আদি মানুষের ধারণা?

******

লেখকঃ : বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা, মানুষের ধারণা - দুটোই, ভাইজান।

******

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আপনি কি সুফিবাদে বিশ্বাস করেন?

****************

লেখক বলেছেন: এখনো প্রথম স্তরে আছি। হাতড়ে হাতড়ে চলছি। হোঁচট খাচ্ছি, থেমে যাচ্ছি আবার শুরু করছি। মতবাদ তো অনেক দূরে।

******

জেনারেশন একাত্তর বলেছেন: ধর্ম মতে, আত্মা হলো মানুষের দেহ ও মননের পরিচালক; আত্মা যে আছে, ইহা কি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা, নাকি আদি মানুষের ধারণা?

******

লেখক বলেছেন: বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা, মানুষের ধারণা - দুটোই, ভাইজান।

********

কামাল১৮ বলেছেন: কোন কিছুই সৃষ্টি হয় নাই ।সবকিছু বিবর্তিত হয়েছে।এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে।

**************

লেখক বলেছেন: সঠিক। সৃষ্টি কোনো অলৌকিক ঘটনা নয়; বরং এক নিরবচ্ছিন্ন রূপান্তর।

পূর্বদেশীয় দর্শনে এই রূপান্তরকে দেখা হয় চক্রাকার প্রক্রিয়া হিসেবে—যেখানে সৃষ্টি ও বিলয় একই ধারার অংশ।

অন্যদিকে, পাশ্চাত্য দর্শন এটিকে দেখে প্রগতিশীল বিবর্তনের ধারা হিসেবে—যেখানে পরিবর্তন নতুন রূপ, নতুন সম্ভাবনা ও অগ্রগতির সূচনা করে।

*******

রিয়াজ হান্নান বলেছেন: যেহেতু বাকি লেখা আসবে একসাথে আলাপ করা যাবে

******

লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই

******

রাজীব নুর বলেছেন: পড়লাম।

***

হুমায়রা হারুন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

Drunvalo Melchizedek (Ascended Master) এর বইটা যদি ব্লগে তুলে ধরতে পারতাম খুব ভাল হতো। যদি সম্ভব হয় চেষ্টা করবো।

Nov 1, 2025

পান্ডা

আমার মন্তব্য

 পান্ডা

রিয়াজ হান্নান বলেছেন: আপনার কয়েকটা ব্লগ পড়লাম,যথেষ্ট ভালো লেখেন,যথেষ্ট,মার্জিত লেখা শিখতে চাই

****

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রিয়াজ ভাই। মাঝ দিয়ে ফেসবুক, ইউটিউব নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। আবার এলাম ৭ বছর পর ।

**********

১লা নভেম্বর ২০২৫

রিয়াজ হান্নান বলেছেন: সেম আমিও,যদিও আমি একটা বাজে সময় পার করেছিলাম ৫ আগস্টের পূর্বে বাট থামিনি,এখন মাঝেমধ্যে ব্লগ লেখার চেষ্টা করি,দুই জায়গায় টুকটাক চেষ্টা করি আরকি,তবে মন মেজাজ খুব খারাপ থাকলে ব্লগে চলে আসি,হাহাহা

*********

১লা ডিসেম্বর ২০২৫

লেখক বলেছেন: ১৮ বছর আগের কথা। ব্লগের পরিবেশ ছিল পরিবারের মতন। সারাদিন পার হয়ে যেত ব্লগে, টের পেতাম না। কোন্‌ লেখা ছেড়ে কোনটা পড়বো এমন অবস্থা।

তারপর ব্লগের পরিবেশ অন্যরকম হয়ে গেল। অনেকে চুপ হয়ে গেল। এখন তো অনেকেই নেই। বয়স, অসুস্থতা অনেক কিছু জেঁকে বসেছে - জীবনে চলার পথে যা হয়। এবার ৭ বছর পর এসে দেখলাম আমার ড্রাফটকৃত লেখাগুলো ফেরৎ এসেছে।

খুশীতে আত্মহারা। সব লেখাগুলো সাইন্স ফিকশান ছিল। আবার পোস্ট হিসাবে নিয়ে এসেছি সামনে।

কিন্তু সেই পরিবারকে মিস করি। এবার আবার নতুন করে তৈরী হবে হয়তো। গত তিন/চারদিন ধরে একটু অন্য রকম লেখা আসছে।

ভালো লাগছে।

***

১৫ই ডিসেম্বর ২০২৫

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর গল্প। বাস্তব গল্প।

****

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রাজীব ভাই। আরো কয়েকটা লিখেছি এরকম।

পড়তে চাইলে বলবেন, লিংক দেব।


Oct 26, 2025

রূপোপজীবিনী

আমার মন্তব্য  রূপোপজীবিনী

জায়েদ হোসাইন লাকী বলেছেন: চমৎকার একটি লেখা। লেখাটি পড়ে সমৃদ্ধ হলাম।

****

লেখক বলেছেন: আপনার সাইন্স ফিকশান দুর্দান্ত।

*********

পাঠক মন্তব্যঃ নারীর শারিরীক গঠন বলে দেয় সে পুরুষ আকৃষ্ট করার জন্য তৈরী থাকে, বা যাদের এই গুন নাই,তাহারা কৃত্রিম সাজ সজ্জা করে পুরুষকে আকৃষ্ট করার খেলায় নামে ।

প্রকৃত অর্থে, সব নারী যেমন এই পথে হাঁটেনা ।তেমনি বহু পুরুষ নারীর এই কার্যক্রম পসন্দ করেনা ।

যে নারী নৈতিক ভাবে পথভ্রষ্ট হয়েছে সমাজ তাকে পতিতা বলে কি ন্ত যে নারী শুধু তার স্বামীর অধি কার সমূহ রক্ষা করে না তাকে আমরা কি বলব ???

*******

লেখকঃ 'যে নারী নৈতিক ভাবে পথভ্রষ্ট হয়েছে সমাজ তাকে পতিতা বলে কিন্তু যে নারী শুধু তার স্বামীর অধিকার সমূহ রক্ষা করে না তাকে আমরা কি বলব ???

--

- অবাধ্য নারী বলা যায়। কারণ বাধ্য নারীর প্রতিশব্দ পতিব্রতা। কিন্তু অবাধ্য নারীর প্রতিশব্দ পাচ্ছি না ভেবে।