Dec 6, 2025

সৃষ্টি, চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা— ষষ্ঠ স্তর



 সৃষ্টি, চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা— ষষ্ঠ স্তর

 ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:১৪
আলামিন১০৪ বলেছেন: তারা আপনাকে রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলে দিনঃ রূহ আমার পালনকর্তার আদেশ ঘটিত। এ বিষয়ে তোমাদেরকে সামান্য জ্ঞানই দান করা হয়েছে [ ১৭:৮৫ (সূরা বনী ইসরাঈল আয়াত ৮৫)।
*****
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই
****
 ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:১৪
ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বেশ পরিশ্রমী তথ্যসমৃদ্ধ একটি পোস্ট ।
এ বিষয়ে গবেষকদের জন্য এটি একটি তথ্য ভান্ডার ।
শুভেচ্ছা রইল
****


 ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ডঃ আলী।

সেই ২০০৮ -এ প্রথম পেয়েছি বিলি মায়্যারের কন্টাক্ট নোট। তখন থেকেই ইচ্ছে ছিল বিশদ আকারে লিখব, কিন্তু সুযোগ, সময় হয়ে উঠে নাই। এখন হলো।

সাথে মন্তব্যের ঘরে কিছু channeled message এর ট্রান্সক্রিপ্ট-ও নোট আকারে রেখে দিচ্ছি । সবই তথ্য হিসেবে থেকে যাবে।

****

 ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ 

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: সুন্দর প্রতি উত্তরের জন্য ধন্যবাদ ।

পরে সময় নিয়ে লেখাটি আবার পড়তে আসব ।

মন্তব্যের ঘরে কোন channeled message এর ট্রান্সক্রিপ্ট-ও নোট আকারে কিছু এখনো দেখতে পাইনি ।

সম্ভব হলে সেগুলি দিবেন । পড়ার আগ্রহ রইল ।

শুভেচ্ছা রইল

*****


লেখক বলেছেন: আবারো ধন্যবাদ।

আপনি channeled message খুঁজবেন দেখে এখানে একটি ট্রান্সক্রিপ্ট দিলাম।

প্রথম স্তর প্রথমও চতুর্থ স্তরে ও চতুর্থ দিয়েছি।

****


 ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:৪৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এত শীঘ্র লেখাটি মন্তব্যের ঘরে দিয়ে যাওয়ার জন্য ।

এই লেখাটি পড়তে গিয়ে মনে হলো এটা শুধু পরলোক বা কর্মফলের কোনো রহস্যময় ব্যাখ্যা নয়, বরং ন্যায়বোধ, মানবতা আর শিশুর প্রতি অপরাধের ভয়াবহতার ওপর এক গভীর আধ্যাত্মিক প্রতিবেদন। লেখক যে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন “শিশুহন্তা বা শিশু-নির্যাতনকারীরা আলোতে প্রবেশ করতে পারে না” তা খুব প্রতীকী হলেও, পাঠক হিসাবে আমাদের মনকে ঝাঁকুনি দেয়।

সবচেয়ে তীব্রভাবে নাড়া দেয় সেই অংশ, যেখানে বলা হয়েছে অপরাধীরা নিজের চোখ দিয়ে নয়, বরং ভুক্তভোগী শিশুর চোখ দিয়ে তাদের কর্মফল দেখবে। এটা শাস্তি নয়, সত্যের মুখোমুখি দাঁড়ানো।

আধ্যাত্মিকতার ভাষায় লেখা হলেও, বার্তাটি খুব মানবিক: যে অন্যকে কষ্ট দেয়, একসময় তাকে সেই কষ্টের সত্যের সামনে দাঁড়াতেই হয়। অপরদিকে, শিশুদের জন্য যে আলোর পথ, যে নিরাপত্তা ও স্নেহের ছবিটি আঁকা হয়েছে, তা পাঠকের হৃদয়ে সান্ত্বনা জাগায়। যেন বলা হচ্ছে অন্যায়ের শিকাররা কোথাও হারিয়ে যায় না, বরং আরও শক্তি নিয়ে ফিরে আসে, আবারও আলো ছড়ায়। লেখাটি অন্ধকার আর আলোর মধ্যে এক নৈতিক যাত্রার গল্প। কল্পলোকের ভাষায় লেখা হলেও, এর ভিতরকার বার্তা দায়বদ্ধতা, ন্যায়, আর পবিত্রতার প্রতি সম্মান একেবারে বাস্তব।

আরো এক রাশ শুভেচ্ছা রইল

*****


১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০৬

লেখক বলেছেন: আপনার এই গভীর এবং সংবেদনশীল পাঠ-প্রতিক্রিয়ার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

আপনি লেখাটির যে স্তরগুলো উন্মোচন করেছেন, তা ট্রান্সক্রিপ্টের অনুবাদকৃত লেখার উদ্দেশ্যকে সত্যিই স্পর্শ করেছে।

আপনি সঠিকভাবেই ধরেছেন যে এটি শুধু পরলোক বা কর্মফলের রহস্যময় ব্যাখ্যা নয়, বরং ন্যায়বোধ, মানবতা এবং শিশুর প্রতি অপরাধের ভয়াবহতার একটি আধ্যাত্মিক প্রতিবেদন। শিশুরা আমাদের সমাজের সবচেয়ে নিরীহ এবং অরক্ষিত সদস্য। তাদের প্রতি যেকোনো অন্যায় শুধু একটি ব্যক্তিগত অপরাধ নয়, বরং সমগ্র মানবতার বিরুদ্ধে একটি পাপ।

"অপরাধীরা নিজের চোখ দিয়ে নয়, বরং ভুক্তভোগী শিশুর চোখ দিয়ে তাদের কর্মফল দেখবে" - এই ধারণাটি সম্পর্কে ব্যাখ্যা, অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটা তো শুধু শাস্তি নয়, সত্যের মুখোমুখি দাঁড়ানো।

প্রকৃত ন্যায়বিচার হলো যখন অপরাধী তার কর্মের প্রকৃত প্রভাব অনুভব করতে পারে। সহানুভূতির অভাবেই অনেক অপরাধ সংঘটিত হয়। যদি প্রতিটি মানুষ তাদের কর্মের ফলাফল অন্যের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে পারত, তাহলে হয়তো অনেক অন্যায় থেকে বিরত থাকত।

আপনার পর্যবেক্ষণ যে "অন্যায়ের শিকাররা কোথাও হারিয়ে যায় না, বরং আরও শক্তি নিয়ে ফিরে আসে, আবারও আলো ছড়ায়" - এটি আমার লেখার একটি কেন্দ্রীয় বার্তা। আমি বিশ্বাস করি যে নিষ্পাপতা এবং পবিত্রতা কখনো ধ্বংস হয় না। যে শিশুরা অন্যায়ের শিকার হয়েছে, তাদের আত্মা কলুষিত হয়নি। বরং তারা আরও উজ্জ্বল হয়ে, আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসে।

"অন্ধকার আর আলোর মধ্যে এক নৈতিক যাত্রার গল্প" - আপনার এই সংজ্ঞা খুবই যথার্থ। higher dimension থেকে আগত বার্তা সমূহ কল্পলোকের ভাষায় হলেও, এর ভিতরের বার্তা - দায়বদ্ধতা, ন্যায় এবং পবিত্রতার প্রতি সম্মান - একেবারেই বাস্তব এবং প্রয়োজনীয়।

আপনার এই চিন্তাশীল এবং সংবেদনশীল পাঠ আমাকে আশ্বস্ত করে যে লেখার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে স্পর্শ করা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা সম্ভব। আপনার মতো পাঠকদের উপস্থিতি লেখকের জন্য সবচেয়ে বড় পুরস্কার। higher dimension থেকে আসা বার্তা সমূহের আরো অনেক ট্রান্সক্রিপ্ট, আমি ক্রমান্বয়ে ব্লগে সংযুক্ত করবার ইচ্ছা রাখি। আবারও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এবং শুভকামনা।

******

৮ই ডিসেম্বর ২০২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পারস্পরিক মিথক্রিয়া না থাকলে মানুষ কারো কোন পোস্টের লেখা পাঠে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে । বিশেষ করে বড় মাপের পোস্টে তা আরো কম ।

*****

৮ই ডিসেম্বর ২০২৫ 

আমার মন্তব্যঃ একদম ঠিক। এমনকি পোস্ট সামনের পাতায় দেবারও আগ্রহ থাকে না। পোস্টগুলো যেন লিখেছিলাম, তাই কোথাও save করে রাখা উচিত - এমন চিন্তা থেকেই ব্লগে জমা রেখে দেয়ার মত হয়।

******

৮ই ডিসেম্বর ২০২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বিষয়টি অনুধাবনের জন্য ধন্যবাদ । আমিও আমার লেখা অনেক লেখা ব্লগে প্রকাশ না ড্রাফট হিসাবে এখানে সেভ করে রেখেছি । এখন পর্যন্ত ড্রাফটে আমার ২০০টিরো বেশি পোস্ট জমা হয়ে আছে ।

****

৯ই ডিসেম্বর, ২০২৫ 

আমার মন্তব্যঃ সহমত ডঃ আলী। পূর্বে আমার সাইন্স - ফিকশানগুলো কিছু পেইজে আমার অনুমতি ছাড়া এবং আমার মানে লেখকের নামটুকুও বাদ দিয়ে প্রকাশ করছিল। তাই আমি ঐসব লেখা ড্রাফট -এ রেখে দিয়েছিলাম বহুদিন ধরে।

৯ বছর পর ব্লগে ফেরত এসেছি , বিভিন্ন ব্যস্ততার পর। এখন ড্রাফটগুলো পোস্ট আকারে এনেছি কিন্তু প্রথম পাতায় দিই নি।

এই মেটাফিজিক্সের সিরিজটা প্রথম পাতায় দিয়েছি কিন্তু স্বতঃস্ফুর্ততা ছিল না। পাছে আবারো কেউ অবাঞ্ছিত মন্তব্য করে পরিবেশটা নষ্ট করে। কিন্তু তেমন হয়নি। এটা একটা এক্সপেরিমেন্টাল জার্নি বলতে পারেন। ভালো না লাগলেও মন্তব্য থেকে বিরত থেকে পোস্ট স্কিপ করতে পারছে কি না, তা দেখে আমি অভিভূত। অনেকেই পেরেছে।

আশা করি এখন থেকে  পরিবেশ কিছুটা সুন্দর হবে।

ভবিষ্যতে আবার সেই ১৮ বছর আগের পরিবেশে ফিরে যাব বলে আশা রাখি।

*******

৯ই ডিসেম্বর, ২০২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: “Bad money drives away good money” এটি বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ স্যার থমাস গ্রেশাম Sir Thomas Gresham)-এর একটি উক্তি, যা পরবর্তীতে Gresham’s Law নামে পরিচিত হয়।

গ্রেশামের আইনে বলা হয়, যে অর্থের প্রকৃত মূল্য কম (Bad Money), তা বাজারে চলাচল করতে থাকে;আর যার প্রকৃত মূল্য বেশি (Good Money), মানুষ সেটিকে জমা করে রাখে বা লুকিয়ে রাখে। ফলে বাজার থেকে ভালো মানের মুদ্রা হারিয়ে যায়।

আপনি ঠিকই অনুভব করছেন আগের ও এখনকার ব্লগের পরিবেশের অবস্থা । অনেকে্ই দেখছি তাদের সুন্দর সুন্দর মূল্যবান লেখা সমৃদ্ব প্রকাশিত পোস্টগুলি ড্রাফটে নিয়ে গেছেন । এ যেন গ্রেসাম ল এরই বাস্তব প্রয়োগ আমাদের এই সামু ব্লগে । যাহোক সব কিছুরই প্রতিকার আছে ।

যাহোক, আপনার মত আমিউ আশা করি ভবিষ্যতে আবার সেই ১৮ বছর আগের পরিবেশে ফিরে আসবে ভাল গুণগত মানের লেখালেখি করা ব্লগারগন পারস্পারিক মিথক্রিয়ায় পুণরায় ব্লগে সরব হয়ে উঠলে।

শুভেচ্ছা রইল

*****

৯ই ডিসেম্লেবর ২০২৫

আমার মন্তব্যঃ  আপনার বিশ্লেষণ ও উদাহরণ সত্যিই ভাবনার খোরাক জোগায়।

“Bad money drives away good money”—গ্রেশামের আইনের মূল সারমর্ম যেমন অর্থনীতির ক্ষেত্রে সত্য, তেমনি সামাজিক বা সৃজনশীল প্ল্যাটফর্মেও অনেক সময় তা প্রতিফলিত হয়।

যখন মানহীন বা অগভীর কনটেন্ট বেশি প্রাধান্য পায়, তখন সত্যিকারের মূল্যবান লেখা, চিন্তা বা সৃষ্টিকর্ম ধীরে ধীরে আড়ালে চলে যায়—লেখক নিজেই সেগুলো লুকিয়ে রাখতে বাধ্য হন।

সামু ব্লগের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে আপনার তুলনা তাই যথার্থ।

অনেক ভালো লেখক ড্রাফটে চলে যাচ্ছেন—এটা আমাদের সবার জন্যই দুঃখজনক। তবে আশা করি, গুণগত লেখার মূল্য যে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে—এই বিশ্বাসই আমাদের আবারও গতি ফিরিয়ে আনবে।

ভালো লেখা দীর্ঘমেয়াদে কখনোই হারিয়ে যায় না। আপনার ভাবনার সঙ্গে একমত, এবং আশা করি এই পরিবেশ আরও সুন্দর ও ইতিবাচক হয়ে উঠবে ।

******

১২.১২.২০২৫

আলামিন ১০৪ বলেছেন: আপনি রেফারেন্স হিসাবে যার নাম বলেছেন তার সম্পর্কে

-In 1997, Meier's ex-wife, Kalliope, told interviewers that his photos were of Spaceship models he crafted with items like trash can lids, carpet tacks and other household objects,[24] and that the stories he told of his adventures with the aliens were similarly fictitious. She also said that photos of purported Extraterrestrial women "Asket" and "Nera" were really photos of Michelle DellaFave and Susan Lund, members of the singing and dancing troupe The Golddiggers.[25] It was later confirmed that the women in the photographs were members of The golddiggers performing on The Dean Martin Show

******

০৬.০১.২০২৬

আমার মন্তব্যঃ  এখন তো বিলি ম্যায়ারের কথা কিছুটা উপস্থাপন করলাম। এরপর ড্রুনভ্যালু, অ্যালেক্স কোলিয়ারের মত কন্টাক্টিদের কথাও এই ব্লগে তুলে ধরবো। তখন আশাকরি কন্টাক্টিদের কন্টাক্ট নোট বাদ দিয়ে তাদের বউরা কে কি বলেছে সে সকল তথ্যও সাথে সাথে পাওয়া যাবে।

No comments:

Post a Comment