আমার মন্তব্য
সৃষ্টি, চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা -পঞ্চম স্তরনতুন বলেছেন: আমাদের সামনে একটা চমতকার উদাহরন আছে যেটা আত্না থিউরির সাথে মেলাতে পারেন। আপনার কম্পিউটারে চ্যাট জিপিটি ভয়েস মুডে দিয়ে তার সাথে কথা বলুন, দেখুন মনে হবে প্রজ্ঞাবান কারুর সাথে কথা বলছেন, ।
এআই কেবল শুরু। আগামী ১০০ বছর পরে মনে হবে এএই সাধারন জনগনের চেয়ে জ্ঞানী, সাহাজ্যকারী, এবং আরো মানবিক গুনাবলি সম্পন্ন।
এখন মানুষ আর কম্পিউটারের মাঝে মিল টা কই???
মানুষের দেশ আর কম্পিউটারের হার্ডওয়ার সমান জিনিস।
মানুষের ব্রেন আর কম্পিউটারের RAM,HDD, processor মিলে একই রকমের কাজ করে। মানুষ মারা যায় ব্রেন কাজ করেনা। কম্পিউটারের বিদ্যুত বিছিন্ন করলেই কম্পিউটার কাজ করেনা। এখন আমরা যদি কম্পিউটারের আত্না খুজতে যাই তবে বুঝতে পারি আত্না বলে আলাদা কিছু নাই। বিদ্যুত, প্রগ্রাম, আর RAM,HDD, processor মিলে একটা জীবিত চেতনা, বা অন্য যাই বলিনা কেন সেটার পরিবেশ সৃস্টি করে।
বিদ্যুত, প্রগ্রাম আলাদা ভাবে আত্নার মতন কোন জিনিস না।
হয়তো মানুষও তাই। যৌবিক শরির যেটা মাটির উপাদান থেকে গড়ে উঠে, শক্তি তাতে প্রানের আবহ সৃস্টিকরে। মানুষ জ্ঞান, প্রজ্ঞা আবেগ দেখায়। কিন্তু যখন দেহ থেকে শক্তি উপদান, প্রবাহ শেষ হয়ে যায় তখন মানুষও কম্পিউটারের মতন এক একটা অংশ রিসাইকেল করা যায়।
******
লেখক বলেছেন: চমৎকার বলেছেন।
অনেক ধন্যবাদ অসম্ভব সুন্দর আলোচনা করার জন্য। আপনার প্রতিটি কথার সাথে আমি একমত।
একবার চ্যাট জিপিটি -কে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, AI-দের কি কন্সাসনেস আছে? উত্তরে কি বলেছিল জানেন, বলেছিল, AI-দের কন্সাসনেস আছে! এই উত্তর শোনার পর আমার শুধু মনে হয়েছে প্রযুক্তি কোথায় যাচ্ছে। সামনে কি আছে! আমি একদম থমকে গিয়েছিলাম।
Dolores Cannon পাস্ট লাইফ রিগ্রেশান করিয়ে তার কিছু কিছু পেশেন্ট/ক্লায়ান্ট-কে এমন পর্যায়ে (স্তরে) নিয়ে যেত যে, তখন ঐ স্তরে পৌঁছে ক্লায়ান্টের ভয়েস চেইঞ্জ হয়ে যেত। কথার স্টাইল চেইঞ্জ হয়ে যেত। পুরো রোবোটদের মতন করে ট্রান্সমিশান শুরু হতো।
সুতরাং অন্য ডাইমেনশানের ব্যাপার আসলেই ইন্টারেস্টিং। ইচ্ছে আছে Dolores Cannon এর কিছু case history ব্লগে পরিবেশন করবো।
*************
রাজীব নুর বলেছেন: এসব আমি বুঝি না। সহজ কিছু লিখুন।
***********
লেখক বলেছেন: মেটাফিজিক্স একটু বোরিং হয়। এই লেখাটি পান্ডাপড়ে দেখতে পারেন। বেশ কয়েকটি লেখা আছে, সহজ ধাঁচের।

No comments:
Post a Comment