Sep 21, 2026

চারাগাছ

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৫৩০
হ্যালো ...'শুনতে পাচ্ছো' https://www.somewhereinblog.net/blog/Charagach/30395246

আমার মন্তব্যঃ এই  মানুষগুলো কি সুন্দরভাবে স্রোতের সাথে গা ভাসিয়ে চলে যায়। ব্যস্ত সময় পার করে। 

বাহ!  সকল ব্যস্ততা শুধু তাদের। আর কারো নেই। 

তারপর বয়ে যায় অনেকগুলো ক্ষণ। অনেক বেলা, একলা  একলা। একদিন তাদের সময় হয়। তখন যোগাযোগ করার জন্য ব্যস্ত হয়ে ওঠে। ভাবখানা এমন যে পৃথিবীটা চলছে তাদের ঘড়ির ইচ্ছে অনুসারে। অন্য কারোর ইচ্ছের কোন বালাই নেই। কারণ অন্য কারোর কোন উপস্থিতিই তো নেই।

আগে ভাবতাম এরা কি স্বার্থপর না কি আত্মকেন্দ্রিক?

এখন বুঝি এরা এনার্জি শুষে নেয়া ভ্যাম্পায়ার।  এদের থেকে শতহাত দূরে থাকা বাঞ্ছনীয়। 

                                                                               

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:৪৭০
 ফাতেহা -ই- ইয়াজদাহাম https://www.somewhereinblog.net/blog/Charagach/30395325
আমার মন্তব্যঃ ফাতেহা -ই- ইয়াজদাহাম - এর অর্থ জানতাম না।
আজ জানলাম। কত দিন পর মনে পড়লো নাম টা।
একটা ছুটির দিন ।
কেন ?
কারণ আজ ফাতেহা -ই- ইয়াজদাহাম।

_______________________________________________

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৬০

তবু যদি থেমে যায় সব কল্পনা https://www.somewhereinblog.net/blog/Charagach/30395204

আমার মন্তব্যঃ এই প্রথম আমাকে উৎসর্গ করে একটি পোস্ট। খুবই সম্মানিত বোধ করছি।

সেদিন আপনার পোস্টে ছবির থিম এবং সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার বেলায় সেই ট্রেন স্টেশন যা, দেখলে অজান্তে আমার মন কাঁদে, যা দেখলে কাউকে যেন হারাবার কষ্ট এসে মনে বাসা বাঁধে তেমনি সেই ছবিটা দেখে অনেকক্ষণ বাক্রুদ্ধ হয়ে ছিলাম । অবাক হয়ে আপনার লেখায় আমার মনের অনুভূতিগুলো ব্যক্ত করেছিলাম। বলেছিলাম স্টেশন হলো এক মিলন মেলার স্থান। এখানে এসে সবাই একত্র হয়ে যে যে, যার যার গন্তব্য বেছে নিয়ে চলে যায়। তথচ সেদিনও জানতাম না যে, পরের দিনের ভোরে আমার জীবন থেকে আমার প্রিয় চাচাজানকে হারিয়ে ফেলবো। জীবনের পথচলায় এক একজন করে সবাই যে যেখানে যাবার সেই গন্তব্যে চলে যাবে।

ট্রেনের চলার পথ আর চলমান জীবনের পথ - এই দুটো কনসেপ্টের একই পরিণতি। কিভাবে এই মিল হয়ে গেছে কে জানে? তবে প্রকৃতি অনেক কিছু নির্দেশ করে আমাদের চোখের সামনে । কেউ তার ভাষা বুঝে। কথার ছলে প্রকাশ করে। কেউ সময়ের তাড়াহুড়োয় প্রকাশ করতে পারে না, কিন্তু হুট্‌ করেই চলে যায় একদম না বলে।

-------------------------------------------------------------------


২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩২

ক্যাফের চিঠি https://www.somewhereinblog.net/blog/Charagach/30395309

অপূর্ব।

ভয়েস দিতে ইচ্ছে করছে। আপনার কন্ঠ হলে বেশী ভাল হতো। কিন্তু আমি লোভ সামলাতে পারছি না। মনে হচ্ছে এখনি রেকর্ড করে ফেলি।

অনুমতি প্রার্থনা। 

-----------------------------------------

 ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:১৪০

লেখক বলেছেন: হুমায়রা আপা, মনের কথা বলেছেন। আমি অনেকদিন ধরে আমার কিছু লেখার জন্য ভয়েজ খুঁজতে ছিলাম। কেউ আগ্রহ দেখায়নি। আপনি যদি ভয়েজ দেন খুশি হবো।

৬. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:২৫০

আমার মন্তব্যঃ ভীষণ খুশী হলাম। তৈরি করে লিংক দেব। 

২রা অক্টোবর  লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপা। আমিও অপেক্ষায় রইলাম।


 রাজীব নুর বলেছেন: চিঠি পড়লাম।

চারাগাছ বলেছেনঃ উত্তর দেয়ার দরকার নাই। স্টারে গিয়ে একটা ঝাল ফ্রাই অর্ডার করেন। বুঝে নেবো।

আমার মন্তব্যঃ কোথায় macchiato আর কোথায় ঝাল ফ্রাই।

চারাগাছ বলেছেনঃ রাজীব নুরের সাথে আমার প্ল্যান হয় কিন্ত শেষ পর্যন্ত আর দেখা হয় না । এইবার দেখা যাক।

আমার মন্তব্যঃ উনি কিন্তু একই সময়ে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করতে পারেন। ধরতে পারা কঠিন। 


আয়নার ওপাড়ে https://www.somewhereinblog.net/blog/Charagach/30395391

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৩৬০

আমার মন্তব্যঃ  আয়না অবশ্যই একটা পোর্টাল।

চারাগাছ বলেছেনঃ স্লিপই হলো মুভিটা দেখা আছে আপা?

আমার মন্তব্যঃ না ভাইয়া। আমি আয়নাকে  পোর্টাল না জেনেই একবার একটা কল্পগল্প লিখে ফেলেছিলাম। কিভাবে লিখেছিলাম জানি না। সময় পেলে একবার দেখেন।

https://www.somewhereinblog.net/blog/humaira_haroon/29036135 

০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:১০০

চারাগাছবলেছেনঃ আপনার লেখাটা কয়েকবার পড়েছি। যুতসই কোন মন্তব্য রেডি করতে পারিনি ।                                                                   
আমার মন্তব্যঃ আপনার সাধারণ ভাবনায় আমরা কুপোকাত। আর যুতসই ভাবনা হলে যে কি হবে তাই ভাবছি।
---------------------------------------------------------------
যে শিশুটির কোন নাম ছিল না https://www.somewhereinblog.net/blog/Charagach/30395601
আমার মন্তব্যঃ ফাইল নাম্বার ১৭৩
১+৭+৩=১১
রিচ্যুয়ালিস্টিক নাম্বার।
ভীষণ কষ্টের গল্প। রাজীব ভাইয়ের মত আগা মাথা না বুঝতে পারলেই ভাল ছিল। অথবা শংখচিলের মত ভূগোল বিষয়ক এক উপলব্ধি নিয়ে যদি শেষ হতো তাহলে কষ্টটা কমতো।
দারুণ লেখা। মাতৃত্বের ব্যাপারটাই অন্যরকম।
লেখক বলেছেন: আপা অনেক কষ্টের লেখা। লিখতেও কষ্ট হয়েছে ভাবতেও। নাম্বার নিয়ে তখন ভাবিনি । মাথায় এলো লিখেছি।
আমার মন্তব্যঃ আপনার প্রতিটি ভাবনা ভীষণ জীবন ভিত্তিক। আমার এই লেভেলে চিন্তা কাজ করে না। বাস্তবতার কোন সংস্পর্শে আমি থাকি না। শুধুই কল্পনায় ভেসে বেড়াই। 
............................

০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৮

চারাগাছ বলেছেনঃhttps://www.somewhereinblog.net/blog/humaira_haroon/30394858
একটা সাধারণ রাস্তার ঘটনা থেকে এতটা অদ্ভুত ও কল্পনাময় একটা জগতের দরজা খুলে দেওয়া—এটাই লেখাটার সবচেয়ে মজার দিক।

সাইকেল আরোহীর হঠাৎ আবির্ভাব, সুমনার সঙ্গে প্রায়-দুর্ঘটনা, আর তারপর ধীরে ধীরে ঘটনাটাকে “পোর্টাল” ও অন্য বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করা—পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল, আমরা হয়তো চোখের সামনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর খুব সামান্য অংশই দেখতে পাই।

বিশেষ করে “পার্থিব চেহারা নিয়ে” অন্য বাস্তবতার মানুষদের আমাদের মাঝেই ঘুরে বেড়ানোর কল্পনাটা বেশ ইন্টারেস্টিং। আর শেষের ঝালমুড়ি-ফুচকার প্রসঙ্গটা পুরো কল্পনাটাকে হঠাৎ আমাদের চেনা পৃথিবীর সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে।

০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:০১

লেখক বলেছেন: মন্ট্রিয়লে এদের উপস্থিতি বেশী টের পেয়েছি। মনে হয় ওখানে পোর্টাল বেশী রকমের উন্মুক্ত। অথবা আমি তখন মেডিটেশান করতাম বলেই এইসকল কানেকশান আমার সাথে সম্ভব হয়েছে কি না জানি না।
তবে টরোন্ট-তে এই vibe একেবারেই নেই। মানে আমি এই শহরে পাই নাই।

No comments:

Post a Comment