Sep 14, 2026

রাগ ইমনের তৃষ্ণা

১৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৬, ভোর ৫ঃ২৭


খায়রুল আহসান বলেছেন: শিরোনামের মাত্র একটি শব্দই শিরোনাম ও সুরকে একই গ্রন্থিতে গেঁথে দিলঃ 'তৃৃষ্ণা'।


পোস্টে দেয়া লিঙ্কগুলোর জন্য ধন্যবাদ। ভালো লেগেছে।


শুভেচ্ছা রইল

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:০৩

লেখক বলেছেন: আপনার ভাবনাটি সত্যিই দারুণ! পিয়ানো বাজাতে না জানলেও, নিজের মনের মতো টুং টাং করে কিছু সুর তৈরি করা একেবারেই অসম্ভব না। কখনো কখনো সহজ সরল সুরই সবচেয়ে বেশি প্রশান্তি ও আনন্দ দিতে পারে। কেউ যদি হৃদয় দিয়ে তা তৈরি করে, সেই সুর নিঃসন্দেহে হিলিং মিউজিক হিসেবে কাজ করবে। নিজের অনুভূতি ও কল্পনা দিয়ে কিছু পাল্টা তৈরি করার ইচ্ছে আছে। শুভকামনা রইল। আমার সৃষ্টিশীল যাত্রায় উৎসাহ দেবার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৩৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সেদিন সেখানে একজন পিয়ানো বাদক ছিলেন। তিনি সুর শুনে জানতে চাইলেন কি সুর।
.......................................................................
গান ভালো লাগে,
তাকে যে সব সুত্র দিয়ে গাঁথা হয়
তার মাঝে নাইবা গেলাম ।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:০৭

আমার মন্তব্য: গানের আসল সৌন্দর্য তো অনুভবেই—সব সূত্র বা ব্যাখ্যার বাইরে গিয়ে গান আমাদের মন ছুঁয়ে যায়।
কখনো কখনো শুধু শুনে ভালো লাগাটাই যথেষ্ট, বিশ্লেষণের প্রয়োজন হয় না।
অনুভূতির এই সরলতাই গানকে আরও বিশেষ করে তোলে।
  • Atm Mostafa Kamal
    আমি রাগসঙ্গীত সম্পর্কে জানি না। ইযান্নীর বাদন শুনতে ভালো লেগেছে। ওনার সাথে আমার প্রয়াত গায়ক বন্ধু সঞ্জীব চৌধুরীর চেহারার কোথায় যেন মিল আছে। যদিও ও ইয়ান্নীর তুলনায় সে ছোটখাটো আকৃতির ছিলো। আপনার পিয়ানো বাদন ভালো লেগেছে। বিদেশী বাদ্যযন্ত্র হারমোনিয়ামকে আমরা যেমন আমাদের সুরে বাজাই তেমনি বিদেশী পিয়ানোকে আমরা আমাদের সুরে বাজালাম। রাগ পরিচিতিতে দেখলাম ইমন পূর্ণ সাত স্বরের রাগ। আরোহ আর অবরোহ দুই বারেই মা কড়ি, তার মানে বাকী সর স্বর কোমল। কারণ রাগের ধরণ অনুসারে কোমরই হবার কথা। আপনার এই অসাধারণ গুনকে সমীহ করতে বাধ্য হলাম। শুভেচ্ছা রইলো।
  • আমার মন্তব্যঃ হ্যা সঞ্জীবদা'র সাথে মিল আছে। আমাদের ডিপার্ট্মেন্টের তারিন ভাইয়ের সাথেও মিল ছিল। পাক্কা গ্রীক চেহারা। হালের আমাদের দেশের নায়ক শরিফুল রাজ -এর চেহারার ও মিল পাওয়া যায়। 
  • এ টি এম মোস্তফা কামালঃ শরীফুল রাজের বিষয়টি আমি খেয়াল করিনি। আপনি ঠিকিই বলেছেন। ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

  • আমার মন্তব্যঃ 'ইমন পূর্ণ সাত স্বরের রাগ। আরোহ আর অবরোহ দুই বারেই মা কড়ি, তার মানে বাকী স্বর কোমল।' - কোমল বা কড়ি হলে তা উল্লেখিত হবে। না হলে তখন বুঝবো সব শুদ্ধ স্বর।

  • এ টি এম মোস্তফা কামালঃ ধন্যবাদ। একটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানলাম।

  • আমার মন্তব্যঃ এই রাগে আমার মোট ৮টি ধরণের পাল্টা শেখা আছে। পাল্টা মানে প্যাটার্ন । মানে ৮টা ভিন্ন স্টাইলের গান, গীত, গজল, রাগ সংগীত। ইচ্ছে আছে পিয়ানোতে নিয়ে আসবো।

  • মোস্তফা কামালঃ  আপনার এই অসাধারণ গুনকে সমীহ করতে বাধ্য হলাম। শুভেচ্ছা রইলো।
  • 'আপনার এই অসাধারণ গুনকে সমীহ করতে বাধ্য হলাম। ' - চর্চাতে মনযোগী ছিলাম না । এখন অবসরকালীন সময়। এবার ঠিক করেছি মনযোগ দেব। 

  • মোস্তফা কামালঃ বাপরে! বিশাল ব্যাপার। আশা করি ভালো লাগবে শুনতে।
  • আমার মন্তব্যঃ 'বাপরে! বিশাল ব্যাপার। আশা করি ভালো লাগবে শুনতে।' - ইমনের ওপর কম্পোজিশান সবসময় হিট। যেমনঃ সুফী সংগীত, দামাদাম মাস্ত কালান্দার। তারপর লতার খানদান সিনেমার 'তুমহি মেরে মান্দির।' দু'লাইন রেকর্ড করেছিলাম গত বছর। https://www.youtube.com/shorts/RRkCqfaDTwM


  • ডঃ এম এ আলী বলেছেনঃ ভারতীয় রাগসংগীতকে পাশ্চাত্যের বাদ্যযন্ত্রের ভাষায় উপস্থাপন করে বিশ্বসংগীতের পরিসরে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াস খুবই সুন্দর করে তুলে ধরেছেন।

    লিংকে গিয়ে ইয়ানী পিয়ানো মুর্ছনা , রাগ ইমন ,রাগ মেঘ, পিয়ানোতে রাগ মালকোশের মুর্ছনা শুনলাম । লেখাটিতে ব্যক্তিগত আবেগের পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক প্রশ্ন উঠে এসেছে ভারতীয় রাগসংগীতের সূক্ষ্ম সৌন্দর্য ও স্বরভাষাকে পাশ্চাত্যের বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে বৃহত্তর বিশ্বশ্রোতার কাছে কীভাবে উপস্থাপন করা যায়। পিয়ানোতে রাগ ইমন, মেঘ বা মালকোশের স্বররূপ তুলে ধরার এই প্রয়াস সেই দিক থেকে নিঃসন্দেহে আগ্রহের বিষয়।

    তবে পিয়ানোতে কোনো নির্দিষ্ট স্বরক্রম বা কয়েক সেকেন্ডের সুরাংশ রাগের সঙ্গে মিলে গেলেই সেটিকে সম্পূর্ণ রাগের পরিবেশনা বলা যায় কী না তা ভাবার বিষয়। রাগের স্বরসংগঠন ছাড়াও তার চলন, পকড়, অলংকার, মীর, সময়ভাব, ন্যাস ও সামগ্রিক রাগধর্ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লেখাটির শেষাংশে মীর প্রসঙ্গটি তাই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

    একই সঙ্গে, পাশ্চাত্যের যন্ত্রে ভারতীয় রাগের রূপান্তরকে কেবল মূল রাগকে অন্য যন্ত্রে বাজানো হিসেবে না দেখে দুই ভিন্ন সংগীতভাষার মধ্যে একটি সৃজনশীল সংলাপ হিসেবেও দেখা যায়। পিয়ানোর সীমাবদ্ধতার মধ্যেও রাগের আবহ, স্বরচরিত্র ও নান্দনিকতা কতটা বিশ্বস্তভাবে প্রকাশ করা সম্ভব এই অনুসন্ধানই হয়তো এই উদ্যোগের একটি আকর্ষণীয় দিক।

    ব্যক্তিগত অনুভূতি থেকে শুরু হওয়া এই প্রয়াস যদি স্বরলিপি, রাগের ব্যাকরণ, বাদ্যযন্ত্রের সীমাবদ্ধতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে আরও বিস্তৃতভাবে এগিয়ে যায়, তাহলে তা ভারতীয় রাগসংগীতকে নতুন শ্রোতাদের কাছে পরিচিত করার একটি সম্ভাবনাময় পথ হতে পারে।সে জন্য এই উদ্যোগের প্রতি রইল প্রাণডালা অভিনন্দন ।

    ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬

     আমার মন্তব্যঃ পকড় দিয়ে শুধুই পরিচিতি দিয়েছি। তবে বিস্তারিত  পরিবেশনাও সম্ভব। আমি পিয়ানো সঠিক ভাবে জানি না। শেখার সুযোগ ছিল না। আর এখন সুযোগ আছে কিন্তু মাথা আর কাজ করে না। 

    বাদ্য যন্ত্র বিশারদ গণ সেতার কে গীটারে নিয়ে এসেছেন। সেতারে ঝংকার সৃষ্টির জন্য তার সংখ্যা বেশী। তাই গিটারে ঐরকম  ঝঙকার আসে না । কিন্তু যতটুকু সমভব তা তুলে ধরে যায়।  

    আদনান সামীর পিয়ানোতে রাগ সংগীত সবিস্তারে এসেছে। লিংকে ওনার বাজানো রাগ বাগেশ্রীর পরিবেশনা। https://www.youtube.com/watch?v=stsOMMFzqZ8

    ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৯০

    ডঃ এম এ আলী বলেছেনঃ আপনার ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতার স্বীকারোক্তির পাশাপাশি সেতার ও গিটারের বাদনগত পার্থক্য এবং রাগসংগীতকে পিয়ানোতে উপস্থাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন। হ বিশেষ করে সেতারের অধিক তারের কারণে যে স্বাভাবিক ঝংকার তৈরি হয়, গিটারে তা হুবহু পুনর্নির্মাণ করা কঠিন ,এটি বাদ্যযন্ত্রের গঠনগত বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি যথার্থ পর্যবেক্ষণ। তবে একই সঙ্গে গিটারের নিজস্ব টিম্বার ও বাজানোর কৌশল ব্যবহার করে রাগের আবহ কতটা সফলভাবে প্রকাশ করা যায়, সেটিও বিবেচনার বিষয়।

    লিংকসহ আদনান সামীর পিয়ানোয় রাগ বাগেশ্রীর পরিবেশনার উল্লেখটি আলোচনাটিকে আরও আকর্ষণীয় করেছে। কারণ, রাগসংগীত সাধারণত মীড়, গমক ও স্বরের সূক্ষ্ম অলংকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত, পিয়ানোর মতো নির্দিষ্ট-স্বরের যন্ত্রে সেগুলো অন্যভাবে রূপ দিতে হয়। তাই এখানে সঠিক বা ভুল এর চেয়ে কোন বাদ্যযন্ত্রে রাগের স্বরভাষা কীভাবে নতুনভাবে প্রকাশ পাচ্ছে সেই দৃষ্টিতে শুনলে আলোচনাটি আরও সমৃদ্ধ হতে পারে।

    ভাল লাগল বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত দাবি না করে নিজের সাধ্য ও সীমারেখার মধ্যে একটি সংগীত-অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার প্রবনতা দেখে ।

    শুভেচ্ছা রইল


    আমার মন্তব্যঃ অনেক ধন্যবাদ আলী ভাই। আমার ইচ্ছা আছে ইমন দিয়ে প্রথমে কাজ করা। যেহেতু ইমন একটু বিস্তারিত শিখেছিলাম। এর ওপর ৮ টি স্টাইলের গীত, গজল, রাগ সঙ্গীতের, ধরণ জানি। আমি তা পিয়ানোতে তুলে ধরবো । হারমোনিয়ামে  কিছু করেছিলাম।  এবার পিয়ানোতে আনতে চাই। 




    দিন শেষে সামারি

    ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:০৭

    হুমায়রা হারুন বলেছেন: একশত ঘন্টার রিভিউ খুব ভাল লাগলো।

    ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৭

    শাইয়ান\ বলেছেনঃ ধন্যবাদ, আপু। ব্লগে পোষ্ট আসছে ভালোই! 
    শুভেচ্ছা নিরন্তর।

     ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

    হুমায়রা হারুন বলেছেন: এভাবে মাঝে মাঝে রিভিউ দেবেন। সপ্তাহান্তে একটা সামারি দেখতে ভাল লাগবে। 

    Aug 12, 2026

    ভেষজ চা

     আমার মন্তব্যঃ অপরাজিতা ফুল দেখতে পাচ্ছি। আমি জবা ফুলের চা খেয়েছি। খুব মজা।

    ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৩

    লেখক বলেছেন: আমি কখনও চেখে দেখিনি। আমার ছাদ বাগানে তিন ধরনের জবা আছে- লাল, হলুদ এবং মিশ্র রঙের। আমি চেখে দেখবো- কোনটা ভালো হবে।

    Aug 8, 2026

    রিসার্চ

    ড: আলী বলেছেনঃ আমার মনে হয়, আমাদের দেশে গবেষণা ও নীতিনির্ধারণের মধ্যে যে “knowledge-to-policy gap” রয়েছে, সেটি কমানো এখন অত্যন্ত জরুরি। কারণ গবেষণা যদি নীতিতে না পৌঁছায়, তা জ্ঞান হয়ে থাকে;

    নীতি যদি বাস্তবে না পৌঁছায়, তা কাগজে থাকে;
    আর বাস্তবায়নের ফলাফল যদি আবার গবেষণায় ফিরে না আসে, তাহলে পুরো প্রক্রিয়াটিই অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

    আমাদের প্রয়োজন তাই একটি continuous research–policy–implementation cycle যেখানে গবেষণা
    নীতিকে প্রভাবিত করবে, নীতি বাস্তবে পরীক্ষা হবে, বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা আবার গবেষণাকে সমৃদ্ধ করবে। সেই জায়গা থেকেই আমি মনে করি, এই ধরনের গবেষণা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ে ধারাবাহিক আলোচনা এবং প্রয়োগযোগ্য অংশগুলো নিয়ে পর্যায়ক্রমে pilot implementation-এর উদ্যোগ নেওয়া গেলে গবেষণাটির প্রকৃত মূল্যায়ন সম্ভব হবে।


    আমার মন্তব্যঃ 
    আপনার লেখা এই লাইনটি চোখে পড়লো- 'আমাদের প্রয়োজন তাই একটি continuous research–policy–implementation cycle যেখানে গবেষণা নীতিকে প্রভাবিত করবে, নীতি বাস্তবে পরীক্ষা হবে, বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা আবার গবেষণাকে সমৃদ্ধ করবে।'
    মনে পড়ল যখন মাত্র গবেষণা শুরু করেছি, মানে রিসার্চ স্টুডেন্ট, তখন ভাবতাম continuous research–policy–implementation cycle থাকা জরুরী। তারপর যখন ছাত্র থেকে উন্নীত হয়ে রিসার্চার হলাম, তখন প্রশাসনিক কর্মকান্ড নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণের সুযোগ এলো। দেখলাম কি ভাবে রিসার্চ হয়, রিসার্চ করতে গিয়ে কলিগ-রা কিভাবে একে অপরকে হিংসা করে কাজের ফান্ড বন্ধের কাজে লিপ্ত হয় এবং অবশেষে রিসার্চ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে নিরীহ ছাত্রদের বারোটা বাজে।
    এসব দলাদলি আর রাজনীতি দেখে তখন আমার ছাত্র অবস্থায় থাকা 'কোমল মনের' নির্বাসন ঘটলো। নির্লিপ্ত হতে বাধ্য হলাম। রিসার্চের বাসনা দূরীভূত হলো।


    Aug 2, 2026

    সিনেমাটোগ্রাফি


    আমার মন্তব্যঃ আলমগীর কবির ছিলেন বাংলাদেশের শিল্পধর্মী চলচ্চিত্রের পথিকৃৎ। তাঁর কাজ আমাদের চলচ্চিত্র, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে প্রেরণার উৎস, কিন্তু তা আমরা সবাই অনুধাবন করতে পারিনা।তাঁর প্রতিভা আমাদের বুঝার অনেক উর্ধ্বে। কিন্তু আজ আপনার লেখার বিশ্লেষণে নিখুঁত ভাবে তা উপস্থাপিত হলো।

    ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩১০

    রাজসোহান বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ। আলমগীর কবিরকে নতুন করে পড়ার ও দেখার আগ্রহ যদি এই লেখা একটু হলেও তৈরি করে, সেটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। সময় নিয়ে পড়ে এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য কৃতজ্ঞ।

    Jul 21, 2026

    রিয়্যালিটি শিফট্‌


    লেখকঃ আমি 2G এর আমলে ফিরে যেতে চাই।

     শায়মা : আহা চাইলেই কি সব পাওয়া যায়! ফিরে পাওয়া যায়!! যায় না!!

    আমার মন্তব্যঃ @শায়মা আপু, পারা যাবে। manifestation সম্ভব। তখন লেখকের টাইম লাইন শিফট্‌ হয়ে 2G - এর রিয়্যালিটিতে চলে যাবে। তিনি যেভাবে চাইবে সেভাবেই হবে। যদিও সেইখানে সামু ব্লগ থাকবে না।

    Jun 15, 2026

    আবো তাবোল


    ২৯ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২

    হুমায়রা হারুন বলেছেন: শিশুরা অবুঝ। কিন্তু একটা সোশিওপ্যাথের soul যখন reincarnate করে body তে আসে, তখন বাচ্চার এ ধরণের আচরণে অবাকই হতে হয়।
    আবার কিছু বাচ্চা বড়দের মত আঙ্গুলের সঞ্চালনে পিয়ানো বাজায়। দেখে অবাক হয়ে যাই। খুশী হই। কারণ তার এই গুণ, মনকে আনন্দিত করে। কিন্তু যে পরিবারে সোশিপ্যাথের আগমন ঘটে, সে পরিবার কোন না কোন পর্যায়ে এই সন্তানটির জন্য suffer করে। পরবর্তীতে সমাজও suffer করে। ক্রিমিনাল অ্যাক্টিভিতে পারদর্শী ছেলেমেয়ে - আমার দেখা - সেই ক্লাশ ফোর থেকে । তারা আমার সহপাঠীই ছিল। তারা কি আজ ভেতরে ভেতরে বদলে গেছে? তখন্ তাদের বাবা -মা কি তাদের স্বরূপ জানতো? এখন বুদ্ধি হয়ে বড় হয়ে হয়তো মুখোশের আড়ালে রাখে নিজেকে। কিন্তু সুযোগ পেলে যে তারা তাদের নখ বের করে না, কে জানে?

    ২৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৫

    অপ্সরা বলেছেন: ঠিক বলেছো আপুনি!

    শুধু বাড়িতে দেখে নেগেটিভ আচরণ শেখা ছাড়াও কিছু বাচ্চা নিজের ভেতরেই এই রকম কিছু স্বভাব নিয়ে আসে যা বড় হবার সাথে সাথে বৃদ্ধি পায়। সব শিশু যদি এক রকম হত তো দুনিয়া পাল্টে যেত। ছোট থেকেই ডিফারেন্ট বাচ্চাদের ডিফারেন্ট মেন্টালিটি বুঝা যায় তবুও আমরা সকল শিশুকেই একই ক্যাটাগরীতে ফেলে ফেরেস্তা বানিয়ে বসে থাকি।

    সকল শিশুকেই খুব ছোট থেকে গভীর পর্যবেক্ষনে কিভাবে সঠিক শিক্ষা দিতে হয় তা বাবা মায়েদের ট্রেনিং দেবার বা সচেতন হবার সময় এসেছে।


    ২৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪২

    কয়েকটা লাইন খুব ভাল লাগলো, যেমন –

    :তুমি  না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়টা এত সুন্দর লাগতো না।

    : বিশ্ববিদ্যালয় সুন্দর না, তুমি আছ বলে সব সুন্দর লাগে ।

    : সবচেয়ে সুন্দর সময়গুলোই সবচেয়ে দ্রুত শেষ হয়ে যায়। 

    : সব ভালবাসা একসাথে থাকার জন্য জন্মায় না। 

    : কিছু মানুষ জীবনে আসে - না থাকার জন্য। তারা আসে মানুষকে ভালবাসার প্রকৃত অর্থ শিখানোর জন্য।

    ১৫ই জুন, ২০২৬

     আমার মন্তব্য ঃ 'দীর্ঘ মেয়াদী প্রস্তুতি'-র সাথে মেধা। আমি পারবো? মাথায় তো আমার এক ফোটা ঘিলু নাই। 

     ২৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪২

    হুমায়রা হারুন বলেছেন: কয়েকটা লাইন খুব ভাল লাগলো, যেমন –
    :তুমি না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়টা এত সুন্দর লাগতো না।
    : বিশ্ববিদ্যালয় সুন্দর না, তুমি আছ বলে সব সুন্দর লাগে ।
    : সবচেয়ে সুন্দর সময়গুলোই সবচেয়ে দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
    : সব ভালবাসা একসাথে থাকার জন্য জন্মায় না।
    : কিছু মানুষ জীবনে আসে - না থাকার জন্য। তারা আসে মানুষকে ভালবাসার প্রকৃত অর্থ শিখানোর জন্য।





    Jun 2, 2026

    শঙ্খচিল

     ০২ রা জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:২

    আমার মন্তব্যঃ আমি যখন প্রথম 'আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা' দেখলাম বিদেশে, তখন শুধু অবাক হয়ে ভেবেছিলাম এই ব্যবস্থাপনা সফল হয়েছে কারণ এই ব্যবস্থাপনার পিছনে রয়েছে ম্যানেজ করার জন্য ডিজাইন, যা তৈরী করতে লাগে মেধা ও সদ্দিচ্ছা । আমাদের হবে কিভাবে? আমাদের তো কোনটাই নেই।

    ০২ রা জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

     ্লেখক বলেছেন: আমাদের হবে কিভাবে? আমাদের তো কোনটাই নেই।
    .................................................................................
    আমাদের আছে হিংসা, লোভ আর অন্যরটা কেড়ে নিয়ে নিজের বলে চালায়ে দেয়া ।
    আমরা যে প্রজেক্ট জমা দিয়েছিলাম তা ৫০০ কোটি টাকার ইউএস-বাংলা জয়ন্টে ভেন্চার।
    এই যৗেথ উদ্যোগে সমস্ত মিশনারী আসত এবং জমি সরকারকে দিতে হতো । মন্ত্রণালয়ে আমরা ভিডিও প্রজেক্সন করে ছিলাম । কিন্ত তারা নিজে করে লাভবান হবে, বলে আর বাস্তবায়নের মূখ দেখলনা ।

     ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫২

    আমার মন্তব্যঃ চমৎকার

    ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫৬

    লেখক বলেছেন: আপনি ও একজন চমৎকার মানুষ
    ............................................................
    মাঝে মাঝে সুন্দর সুন্দর বিজ্ঞান চিন্তা আমাদের মাথায় ঢুকায়ে দেন, আমি অত্যন্ত চমৎকৃত হই !





    May 31, 2026

    মন্তব্য প্রদানের ধরণ ধারণ

    ব্লগের মাঠ হলো ব্লগর ব্লগর করা। এটা তো কোন পরীক্ষার খাতা না, যে একটু অন্যরকম হলে বিরাট ভুল কিছু হয়ে গেল। তারপরও কারো কোন নির্দিষ্ট পছন্দ থাকলে তা আগে থেকে উল্লেখ করে দিলে ভাল হয়। তখন পেইজে পড়তে আসা পাঠক, খেয়াল রেখে, লেখকের পছন্দ মেনে, মন্তব্য করে যেতে পারেন। যেমনঃ

    ১. কারো ভাল লাগে বড় মন্তব্য 

    ২.কারো ছোট মন্তব্য। 

    ৩.কম সময়ে  দ্রুত অনেক অনেক কাজ সারতে চাইলে  AI দিয়ে বানানো  মন্তুব্যসমূহ্‌ও কারোর কাছে বিরক্তিকর লাগতে পারে। 

    ৪. AI এর সাহায্য নিলে  অনেক তথ্য সন্নিবেশিত থাকে বলে অনেকের আবার সেসব মন্তব্য  ভালও লাগতে পারে।

    সুতরাং চার রকমের ক্রাইটেরিয়া পাওয়া গেল।

    এখন, ধরেন মন্তব্য দানের পর যদি লেখক বলেন, যে আমার পছন্দের ক্রাইটেরিয়ার মাঝে আপনার মন্তব্য পড়ছে না, কেন লিখেছেন, খুবই বিরক্ত লাগছে- তাহলে মন্তব্যকারী বিব্রত অবস্থায় পড়তে পারেন। তিনি ভাবতে পারেন কোন দুঃখে গিয়েছিলাম ওখানে মন্তব্য লিখতে! 

    তাই  ভাল হলো মন্তব্যের ধরণ ধারণ কেমন হবে তার একটা আউট-লাইন লেখককে, সবার উদ্দেশে বলে দেয়া। পেইজের পাতার আগায় সেটা টাঙ্গান থাকবে। পাঠক লেখা পড়ে ভাববে এই লেখায় আমার মন্তব্যটি  তাহলে কি এভাবে  লিখব, নাকি ওভাবে লিখব, নাকি কিছু লিখবই না।

    এতে মন্তব্যকারী পাঠককে বিরক্তির হাত থেকে বাঁচাতে পারেন আবার নিজেও বিব্রত হবার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন। লেখকের বিরক্তিকর ভাবের বহিঃপ্রকাশ দেখে মন্তব্যকারীর কখনোই মনে হবে না সামগ্রিক  ব্যাপারটা utterly disgusting.

    May 27, 2026

    মন্তব্য - কাবিল

     


    ২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৩৪

    কাবিল বলেছেন: সামুর সেই সোনালি দিনগুলো যেন এখন ডিজিটাল নস্টালজিয়ার এক নীরব প্রত্নচিহ্ন— যেখানে শব্দের ভাঁজে ভাঁজে জেগে থাকত প্রাণবন্ত বিতর্ক, অনুভূতির দীপ্তি আর চিন্তার বহমান স্রোত। আজ টাইমলাইনের নিস্তব্ধতায় যেন হারিয়ে গেছে সেই সম্মিলিত আত্মিক উচ্ছ্বাস। তবুও কোথাও না কোথাও হয়তো এখনো জেগে আছে সেই পুরোনো সামুবাসীর শব্দাত্মা, অপেক্ষায় আছে আরেকটি প্রাণময় বিকেলের।

    ৩২. ২৮ শে মে, ২০২৬ ভোর ৪:১৬

    হুমায়রা হারুন বলেছেন: @ কাবিলঃ সত্যিই, সামু শুধু একটা ব্লগ ছিল না—এটা ছিল আমাদের আবেগ, চিন্তা আর সৃষ্টিশীলতার এক যৌথ আঙিনা। সামুর সেখানে দিনের পর দিন, রাতের পর রাত চলত প্রাণবন্ত বিতর্ক, হাসি-ঠাট্টা, গল্প আর অনুভূতির আদান-প্রদান। আজকের এই ডিজিটাল যুগে, যেখানে প্রতিটা কথা যেন স্ক্রলের ভিড়ে হারিয়ে যায়, সেখানে সামুর সেই আন্তরিকতা, বন্ধুত্ব আর সম্মিলিত উচ্ছ্বাসকে মিস করি বারবার। সোশ্যাল মিডিয়ার একঘেঁয়ে আচরণ আমাদের সেই প্রাণবন্ত সময়ের কথা আরো বেশি মনে করিয়ে দেয়। পুরোনো কোনো পোস্টে, পুরোনো কমেন্টে কিংবা স্মৃতির পাতায় ফিরে গিয়ে আমরা আজও খুঁজে পাই সেই উচ্ছ্বাস, সেই হাসি, সেই নির্ভেজাল বন্ধুত্ব। সময় বদলালেও, সেই স্মৃতি আর অনুভূতি বারবার ফিরে আসে—আমাদের প্রত্যাশার অপেক্ষায় । সেই দিনগুলো তাই কখনও হারিয়ে যায় না, বরং নীরবে আমাদের মনোজগতে বেঁচে থাকে অনন্তকাল।

    শায়মা ব্লগ

     https://www.somewhereinblog.net/blog/saimahq/30392063

    ২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৭

    আমার মন্তব্যঃ কি অদ্ভুত, অন্ধ দাঁড়কাক ছাড়া আর কোন ID চিনি না।   
    ২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৫৪
     শায়মা বলেছেন: তুমি তো অনেক পুরোনো আপুনি!!!! তবে হ্যাঁ আমার ব্লগে অনেকে যেমন কমেন্ট করতো তেমনি আমিও কর‌তাম। আমার পুরোনো পোস্টের কমেন্ট গুলো থেকে আমার এই নিকগুলোকে মনে পড়েছিলো সেদিন।
                                  

    May 17, 2026

    শিশু সাহিত্য

     রুশ শিশু সাহিত্য - জ্যোতির্ময় ধর


    ১৭ ই মে,২০২৬ বিকাল ৬ঃ৪৭ 

    আমার মন্তব্য ঃ আমার বাল্যকালে শিশু সাহিত্যের বই ছিল না। অনেক খুঁজে আমার পিতা মাতা তলস্তয় এর শিশু সাহিত্য বই টি পেলেন বাজারে। বইয়ের প্রচ্ছদ দেখে মনে পড়ে গেল। সেই একটা বই -ই ছিল,  শিশুদের জন্য, রুশ সাহিত্য সংগঠনের। তদের বই পাওয়া যেত ঢাকার নিউমার্কেটের বই এর দোকানে। কিন্তু আর কারোর ছিলা না।
    আপনার কালেকশান দেখে অবাক হচ্ছি। প্লিজ সব বই পি.ডি. এফ. করে রেখেন।



    ১৮ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:২৫

    লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা নেবেন । ধন্যবাদ । বইগুলো আমার ছোট বেলার সংগ্রহ । এখনো নীলখেতে পুরনো বইয়ের দোকানে কিছু পাওয়া যায় । পি ডি এফ করে রাখার পরিকল্পনা আছে ।

    ১৮ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮

    রাজীব নুর বলেছেন: রুশদেশের শিশু সাহিত্য আমি পড়ি নাই। পড়বোও না। আমি আমাদের দেশের শিশু সাহিত্য পড়েছি।

    ১৮ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:২৩

    লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ । আপনি কি পড়বেন না পড়বেন তা আপনার রুচির উপর নির্ভর করবে। আর বাঙ্গালির ছেলে তাই ঠাকুরমার ঝুলি পড়ে বড় হয়েছি । আমি পৃথিবীর সব ভাষার বই ও সব লেখকের লেখার স্বাদ নেওয়ার চেষ্টা করি । এই রুশ বইগুলোর বঙ্গানুবাদ যারা করেছেন উনারা সবাই দেশ বরেণ্য সাহিত্যিক । হায়াৎ মামুদ , নণী ভৌমিক , দ্বিজেন শর্মা, অরুণ সোম প্রমুখ । শুভকামনা ।

    সফ্‌ট স্পোকেন

     . ১৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০৪

    হুমায়রা হারুন বলেছেন: আমি খুব চেষ্টা করি , কিন্তু পারি -ই না।
    সফ্‌ট স্পোকেন মানুষ যখন দেখি, তখন আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকি। এতো ধৈর্য্য তারা কোথা থেকে পায়। আমার দেখা এরকম সফট স্পোকেন আছেন পাঁচজন আব্বু, মামা, ফারুক ভাই, জয়া আন্টি, ফটো কপি লিটা করপোরেশানে দেখা সেই মহিলা। 

    ১৭ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯

    আবু সিদ বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ, । আপনি যে নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তা শুনে অনেক ভালো লাগলো। ইনশাল্লাহ, আপনিও পারবেন।