May 12, 2026

Light Worker

 

৯ ই মে ২০২৬
Humaira Haroon
লাইট ওয়ার্কার হতে হলে খুব ধৈর্য্য লাগে। আর এ বিষয়ে এক একটা টার্ম -ই তো এক একটা চ্যাপ্টার।
খুব সুন্দর ভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। কিন্তু লেখাটি বুঝবার লেভেল -এ সেই সকল soul রা আসতে পারবে যাদের পাস্ট লাইফ থেকেই জ্ঞান আছে। যার এই লাইফে এই বিষয়ে পড়াশোনা মাত্র শুরু হচ্ছে তার আরো ১৫/ ২০ টা ইঙ্কারনেশান লাগবে।
১১ই মে, ২০২৬
Mahin Ahmed
মাঝে মাঝে আমি দুষ্টামি করে ফেলি এবং এই পোস্টও সেই রকম একটা আকাম। এটা পোস্ট করলাম জাস্ট বিনোদনের জন্য যে মানুষ যখন অ্যাওয়েক হতে পারে না, তখন আসলে কেন সেটা পারেনা। 
দেখা গেল যে আমার অহংকারী কথাবার্তার কারণে সে এটা পারলো না। আসলে আমার আরও অনেক ধৈর্য নিয়ে তাকে বুঝানো উচিৎ ছিল। তো যাই হোক, আশা করি পড়ে অনেক কিছু জানতে পারবেন। 
(আর ভাইয়া আপনার প্রাইভেট মেসেজ পাবলিক করার লোভটা সামাল দিতে না পারার জন্য আমাকে মাফ করবেন। এত ভাল বিনোদন বহুদিন পাইনাই ব্রো। লাভ ইউ!)
মাহিন ভাই, ​আপনার দেওয়া লিংক থেকে তিনটি বই পাইসি। ড্রেকো, স্লেভ থিংক আর মগ্ন চৈতন্যে কিক।  বিস্তারিত পড়ছি। 
আপনি যেহেতু বারবার আপনার ১৫ বছরের পড়াশোনার দাবি তুলে আমাকে 'নিচের ক্লাসের ছাত্র' বা 'তেলমাখা কুস্তিগির' হিসেবে ট্যাগ করেছেন, তাই পড়া শেষে আমার পর্যবেক্ষণগুলো একটু বিস্তারিতভাবেই দিতেছিঃ
​আপনি আপনার বক্তব্যে এবং বইয়ে দাবি করেছেন আপনার তথ্যগুলো 'লজিক্যালি এবং সায়েন্টিফিকালি ভেরিফায়াবল'।
কিন্তু আপনার বইয়ের রেফারেন্সে যখন প্রজেক্ট ক্যামেলট (Kerry Cassidy) বা ডেভিড আইক-এর মতো বিতর্কিত ব্যক্তিদের নাম দেখলাম, তখন আপনার 'বিজ্ঞানের' ভিত্তিটা আমার কাছে মোটামুটি পরিষ্কার হইছে। 
আপনি যা বিশ্বাস করেন, তা মূলত ৮০ এর দশকের পশ্চিমা কিছু কনস্পিরেসি থিওরির সংকলন, যা আধুনিক মূলধারার বিজ্ঞানে সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত এবং যার কোনো ল্যাবরেটরি প্রমাণ নাই। 
​আপনার এই থিওরিগুলো নিয়ে আমার কিছু সুনির্দিষ্ট ও যৌক্তিক প্রশ্ন করি, তাইলে বুঝবেন পইড়াই কথা কইতেছিঃ
১. ​মুক্তিযুদ্ধ যদি 'সাজানো সায়অপ' হয়, তাইলে গত ৫৪ বছরে পাকিস্তান সেনাবাহিনী, ভারত বা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের মধ্য থেকে একজনও কি মারা যাওয়ার আগে বইলা গেল না যে তারা স্রেফ 'নাটক' করছে? উইকিলিকস বা স্নোডেনের মতো যুগে যেখানে গোয়েন্দা সংস্থার অতি গোপন নথি ফাঁস হয়া যায়, সেইখানে অর্ধশতাব্দী ধইরা কোটি মানুষের একটা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের কোনো 'স্ক্রিপ্ট' কোথাও প্রকাশ না পাওয়া কি গাণিতিকভাবে সম্ভব?
কোনো রাষ্ট্র কি স্রেফ একটি 'নাটক' সফল করার লাইগা নিজের অর্ধেক অংশ বিলীন হইতে দিয়া পরাজয়ের ঐতিহাসিক কলঙ্ক স্বেচ্ছায় বরন কইরা নেয়?
​২. করোনা যদি সাজানো 'প্ল্যান্ডেমিক' হয়, তাইলে আমেরিকা, চীন আর রাশিয়ার মতো পরম শত্রু দেশগুলা কেন নিজেদের ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি ধ্বংস কইরা এই নাটকে একাত্ম হইলো? কোন স্বার্থে? তারা তো সহজেই একে অপরের জালিয়াতি ফাঁস কইরা দিয়া একাই বিশ্বনেতা হইতে পারতো। সারা বিশ্বের কোটি কোটি ডাক্তার, নার্স এবং বিজ্ঞানী, স্বাধীন ল্যাবস, যাদের সবার হাতে এখন স্মার্টফোন, অত্যাধুনিক ডিভাইস- কেন একজনও হাসপাতাল/ ল্যাবের ভেতরের সেই 'সাজানো' চিত্রটি ফাঁস করল না? সবাই কি একই সাথে অভিনেতা এবং হিপনোটাইজড হওয়া সম্ভব?
​৩. ড্রেকো প্রসঙ্গে। আধুনিক জেনেটিক সায়েন্স এবং ডিএনএ টেস্টিংয়ের এই যুগে কেন আজ পর্যন্ত একজন মানুষের মাঝেও ভিনগ্রহী বা সরীসৃপের ডিএনএ সিকোয়েন্স পাওয়া গেল না? যেখানে মানুষ এখন ব্যক্তিগতভাবে ডিএনএ এনসেস্ট্রি টেস্ট করতেছে, সেখানে আপনার দাবি করা 'হাইব্রিড' প্রজাতির কোনো জৈবিক অস্তিত্ব কেন ল্যাবে ধরা পড়তেছে না? কোটি কোটি টেলিস্কোপ আর হাই-ডেফিনিশন ক্যামেরার এই পৃথিবীতে একটি উন্নত সরীসৃপ প্রজাতির অবকাঠামো বা তাদের যাতায়াত কেন আজও পুরোপুরি অদৃশ্য?
আরও প্রশ্ন আছিল। টাইপ করতে উৎসাহ পাইতেছিনা। কারন জানি কি উত্তর দিবেন। নমুনা তা দেখছিই। 
এই প্রসঙ্গে আমি এইখানেই স্টপ করতে চাইতেছি, তার আগে ​আপনার একটা ব্যক্তিগত বিষয় আরেকবার বলে যাইঃ 'হাম্বলনেস' বা বিনয়ের কথা যেইটা বলছেন, একটু নিজেও সেইটা মাইনেন, ১৫ বছরের জ্ঞানী হিসাবে এই জিনিসটা শুধু থাকা না, আপনের মধ্যে একটু বেশীই থাকা উচিত। কিন্তু আপনার আচরণে আমি দেখছি চরম আধিপত্যবাদ এবং দ্বিমত পোষণকারীদের প্রতি তাচ্ছিল্য। যারা আপনার 'মোডে' চিন্তা করে না, তাদের আপনি 'ভেড়া' বা 'অশিক্ষিত' মনে করেন। এইটা কোনো প্রকৃত জ্ঞানপিপাসুর লক্ষণ হইতে পারে না। 
​আমার জীবন এবং ব্যবসা অত্যন্ত বাস্তবসম্মত এবং যৌক্তিক ভিত্তির ওপর দাঁড়ায়ে। ২০২৬ সালের এই এআই যুগে দাঁড়িয়ে আপনার এই 'বস্তাপচা' কনস্পিরেসি থিওরি নিয়ে একাডেমিক তর্কে ব্যয় করার মতো সময় বাইর করবার গেলে আমার মুল্যবান ঘুমের সময়টাই নষ্ট হইব কেবল। তাই বুদ্ধিবৃত্তিক দ্বিমতের এই আলোচনাটা আমি এখানেই শেষ করতেছি। হয়ত আপনের কাছে আরও লেখা প্রমান থিসিস ইত্যাদি আছে, কিন্তু ভাইয়া, আমি ক্ষেমা দিচ্ছি। আপনের থিউরি লইয়া আপনে থাকেন। আমার অত জ্ঞানবুদ্ধি নাই যে এগুলা নিয়া সময় ব্যায় কইরা প্রোডাক্টিভ কিছু বাইর করতে পারমু। 
​তবে আমাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক, আপনের অন্যান্য স্ট্যাটাস,এবং আমার ব্যবসার প্রতি আপনার যে আস্থা, সেইটারে আমি সবসময়ই আলাদা গুরুত্ব দিব। মতাদর্শের এই ভিন্নতা আমাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের ওপর কোনো প্রভাব ফালাবে না বইলাই আমি বিশ্বাস করি।
আরেকটা কথা না কইলেই না, আপনে একটা ভালো মানুষ। এাচুয়ালী আপনে না, আপনের আত্মাটারে কইছি। এর প্রমান হইল এই আত্মা থিকা যে সুর বাইর হয় সেইটা সত্যিই মনোমুগ্ধকর। আপনের গান, আপনের সুরের আমি সত্যিই ফ্যান। রিয়্যাক্ট করি না কিন্তু মনোযোগ দিয়া শুনি। 
আপনে সুরসাধনা কড়াভাবে চালায়ে যান।
কারন এইটা না, ওইটাই আসল আপনে।।
১১ই মে ২০২৬

Humaira Haroon:  সবগুলোর প্রতি উত্তর দেয়া যায় , কিন্ত আর মনে হয় দরকার নাই। এখন ২০২৬ সাল। আমার জর্ডান ম্যক্সওয়েল ছিলেন। জর্জ নুরী ছিলেন। কিন্তু বাংলায় বুঝানোর জন্য আপনাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আপনিই বলেছেন। রিস্ক আছে জেনেও বলেছেন। আমরা বাংলা ভাষায় একজন লাইট ওয়ার্কার পেয়ে অশেষ সৌভাগ্যবান।


Ahmed Mahin
 হাহাহা, থ্যাংক ইউ অ্যান্ড লাভ ইউ। প্রতিউত্তর দেয়া তো আমার জন্য কোন ব্যাপার না আপনি জানেন। কিন্তু কোন লাভ হয়না। সীলড হার্টে প্রবেশ করা যায়না এটা আমি শিখেছি মনে হয় ক্লাস এইট নাইনে যখন পাড়ার লোকাল ফ্যানাটিকাল বড়ভাইদের সাথে ডিবেট করতাম। আপনার বইটা পাব্লিশ হলে জানাবেন। পড়ব!

Humaira Haroon
সিনারিওটা তারপর এমন হবে যে আমি কিছু লিখে পোস্ট দিয়ে সারলাম। এ সময় দরজায় ঠকঠক। ডোর -আই তে চোখ রাখলাম। দেখলাম দুজন Men in Black দন্ডায়মান। এ জন্যই বলছি কারণ আমি মন্ট্রিয়লে এদের সামনে পড়েছিলাম।

Ahmed Mahin
বলেন কী? ঘটনাটা বিস্তারিত বলেন। ফোনেও বলতে পারেন চাইলে।

Humaira Haroon  লিখে পোস্ট দিয়ে লিংক পাঠাবো। ২০০৮/৯ এর ঘটনা।

Ahmed Mahin দিয়েন


Humaira Haroon  আপনি সারাজীবন রিস্ক নিলেন। আমি 'আমাদের প্রযুক্তি' - তে ২০১০ এ শুরু করি আমার 'বাণী'। মডারেটর -রা ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র ছিল। তাই পরিবেশ উন্নত ছিল। কথা বলার প্ল্যাটফর্ম তারা দিয়েছিল। সেই পাতা এখন উধাও । আমার লেখাও উধাও। ২০১৭ তে দেশে এসে শুধু - একবার -একদিন- সুযোগ এসেছিল আমার ক্লাশের ছাত্রদেরকে 'পোর্টাল' বুঝানো। সেদিন প্রাণ খুলে আমি, যা বলার ছিল, বলেছি। CSE এর ছাত্র ছিল । আমার কথা ধরতে পেরেছিল। ওতেই শান্তি।


জাফর আত্ তাইয়ার 

Humaira Haroon & Ahmed Mahin:
​"Men in Black-দের মন্ট্রিয়লে দরজায় কড়া নাড়া, মডারেটরদের 'বাণী' ডিলিট করা, আর CSE-র ছাত্রদের 'পোর্টাল' বোঝানো—আপনাদের এই মহাজাগতিক থ্রিলার কাহিনী পইড়া তো আমি পুরাই থ!
​২০২৬ সালে এসে যেখানে সায়েন্স আর টেকনোলজি প্রতিদিন নিজেকে প্রমাণ করতেছে, সেখানে আপনাদের এই 'লাইটের' আড়ালে থাকা ২০ বছর আগের সব রহস্যময় উধাও হয়ে যাওয়া পোস্ট আর অফ-প্ল্যানেট ট্রাফিকিংয়ের গল্প শোনা আসলেই সৌভাগ্যের বিষয়।
​তবে হুমায়রা আপু, 'Men in Black' তো মুভিতে নিউরালাইজার দিয়া মেমোরি মুইছা দেয়, আপনার স্মৃতি যে মুইছা দেয় নাই, সেইটা মাইনকাইন্দের জন্য বড় পাওয়া।
আপনাদের এই 'পোর্টাল' আর 'বব লাজার' থিওরির মাঝখানে আমরা 'সীলড হার্টের নর্মিরা' নাহয় ল্যাবরেটরি রিপোর্ট আর মধুর বিশুদ্ধতা নিয়াই অন্ধকারে পইড়া থাকি।
২০ বছর ধরে আপনারা 'রিস্ক' নিতেছেন, আরও নেন, আমাদের দোয়া রইল।
শুধু দেইখেন, পোর্টাল দিয়া যাতায়াতের সময় যেন আবার ডাটা বা প্রমাণগুলা পৃথিবীতেই ফেলে রাইখা যায়েন না!
🤣😂😅🤣
১৩ই মে ২০২৬
Mahin Ahmed
চলেন আমাদের জাফর আত তাইয়ার ভাইয়ার কেইসটা ডীপ ডাইভ করি। এইটা দরকার আছে কারণ ছেলেটা এভারেজ শিক্ষিত এবং স্মার্ট বাঙালি ব্যক্তির ফ্রিকোয়েন্সি ধারণ করে যেটাকে আমি গাছবলদ বা নর্মি ফ্রিকোয়েন্সি বলে পঁচাইছি অনেকগুলা বছর। আমাদের আলোচনা হচ্ছিল পাবলিক কমেন্টে, সবাই আমাদের লেখা দেখতে পাচ্ছিল। কিন্তু যখন আমি তাকে আমার বইগুলা সাপ্লাই দিলাম যাতে সে আমার সাথে প্রপার তর্ক করার ম্যাটেরিয়াল খুঁজে পায়, তখন সে আমার সম্মান রক্ষার্থে আমার উপরে তার ফাইনাল ব্রহ্মাস্ত্র প্রয়োগ করার সময়ে প্রাইভেট মেসেজ দিল যাতে আমি তার ব্রাশ ফায়ারে মারা গেলাম এটা যেন পাবলিক দেখতে না পায়। আমার সম্মান রক্ষার্থে সে এটা করেছিল।
কিন্তু  আমি উল্টা তার প্রাইভেট মেসেজটা পাবলিক করে দিলাম সারা দুনিয়ার তাবৎ নর্মি আত্মীয় বন্ধুদেরকে চ্যাস্টাইজ করার জন্য যাতে তারা বুঝতে পারে তাদের ভুলটা আসলে কোন জায়গায় হয়। আসেন একটা একটা করে আনপ্যাক করি।
বাংলাদেশের একটা বনেদি বড়লোক গ্রুপ মুজিবের খুব ভক্ত। এরা রয়ের সাজানো মগজধোলাই পুরা বিশ্বাস করে বসে ছিল যে মুজিব হচ্ছে "বঙ্গবন্ধু" যে বাংলাদেশকে একটা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র দিয়েছে। এরা রয়ের প্রোপাগান্ডার কারণেই জামাত-শিবিরকে রাজাকার মনে করে কারণ এদেরকে বুঝানো হয় যে জামাত স্বাধীনতা বিরোধী ফোর্স কারণ এরা দেশের মানুষের এই এই ক্ষতি করেছে। কিন্তু একটু গভীরে স্টাডি করলেই টের পাবেন যে আসলে বাংলাদেশের প্রতিটা দলের ভিতরে রয়ের এজেন্ট ভরা ছিল এবং এখনও আছে। এদের মাধ্যমে বিভিন্ন ফলস ফ্ল্যাগ সাজিয়ে র সারা জীবন আমাদেরকে উলটা মগজ ধোলাই দিয়ে আসছে। 
বাংলাদেশে ব্যবসা করে খাওয়া জাফর অবভিয়াসলি নিজেকে অত্যন্ত বুদ্ধিমান একজন ব্যক্তি মনে করে এবং যথারীতি প্রতিটা নর্মির ইগো এক্স্যাক্টলি এখানেই ধরা খায়। 
* সে মুক্তিযুদ্ধকে রিয়াল মনে করেছে
* সে মুজিবরকে রিয়াল মনে করেছে
* সো অবভিয়াসলি সে বাল সাপোর্ট করে
* সো অবভিয়াসলি সে হাছিনার ভক্ত
* সে একজন কভিডিয়েট, অর্থাৎ বুঝতে পারেনি যে ওটা সায়অপ
* সে কোরানকে আসমানি কিতাব হিসাবে বিশ্বাস করে
* সে বিশ্বাস করে যে মধু একটা মহৌষধ
* সে বিশ্বাস করে মধু চুরি করা মৌমাছি এবং ইউনিভার্সের জন্য ভাল!
আমি কথা বাড়াবো না। বাংলাদেশের নর্মিরা এই চেতনে লকড হয়ে থাকে বলেই এরা অ্যাওয়েক হতে পারছে না এটা বোধহয় আর নতুন করে বলার কিছু নাই। আমরা চাইলেই ওর প্রতিটা যুক্তিকে কচুকাটা করতে পারি কিন্তু সেটা করবো না দুইটা কারণে। প্রথমত এগুলা বহু বছর ধরে করেছি। আর দ্বিতীয়ত, সেটা করলেও এদের কোন হুঁশ হয়না। এরা তেলমাখা কুস্তিগীরের মত যুক্তিবিহীন যুক্তি নিয়ে বারবার আসতেই থাকবে, আসতেই থাকবে! 
Humaira Haroon
'এরা তেলমাখা কুস্তীগিরের মত যুক্তিবিহীন যুক্তি নিয়ে বারবার আসতেই থাকবে, আসতেই থাকবে!' -- তাই ভাবছিলাম এদের মাঝে কি ET-রা কোন কিছু কি ইমপ্ল্যান্ট করেছে , যেন সারাটা জীবন এরকম ঠকঠকে হয়ে থাকে?

Ahmed Mahin
Humaira Haroon চাঁদে এবং আন্ডারগ্রাউন্ডে নাকি কিছু রিয়্যাক্টর আছে যেগুলা লো-ফ্রিকোয়েন্সি রিলে করে যেটা আবার নাকি স্যাটার্নের রিং থেকে আসে। ওই রিংগুলা আর্টিফিশিয়াল ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে তৈরি। এরা লিটারালি একটা প্ল্যানেটকে বন্দী করে ফেলেছে ওই রিংএর মাধ্যমে। ভাবলে মাথা ঘুরায়। আর্থেরও একই অবস্থা। আমাদের রিংটা জাস্ট ইনভিজিবল।
  • Reply
  • Share
  • Edited
Humaira Haroon
Ahmed Mahin হ্যা জানি। ঐ স্যাটার্নের সিম্বল হিসাবে ব্ল্যাক বক্স সাতবার প্রদক্ষিণ করেও আমারা কত না শান্তি লাভ করি। সাতটি বলয়ের সাত দেবতা তুষ্ট হন কাবা'র সাত বার প্রদক্ষিণে।

May 10, 2026

দাসত্ব

https://www.somewhereinblog.net/blog/alamgirfromuniverse/30391615

  ১০ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:১২


কমেন্ট # ২
ঠাকুরমাহমুদ
বলেছেন: যে কোনো পেশায় আপনার যদি অস্তিত্ব সংকটে থাকে তাহলে সেইখানে দাসত্ত্বের জীবন কি আর আভিজাত্যই কি? আভিজাত্য এক জেনারেশনে আসে না। আভিজাত্য অর্থ বিত্ত দিয়ে কেনা যায় না। এটি রক্তে থাকতে হয় বাই জেনারেশন।

১১ ই মে, ২০২৬ ভোর ৬:৪৩

আমার মন্তব্যঃ  সহমত।
২ নম্বর কমেন্ট খুব ভাল লাগলো।

১১ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:৫৭

আমার মন্তব্যঃ  ঠাকুর মাহমুদ বলেছেনঃ আপনি যদি ব্লগ সহ যে কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে ধর্ম বিষয়ে লেখালেখি করেন সেই ক্ষেত্রে হয়তো আপনার কম্পিউটার / সেলফোন / ট্যাব / ল্যাপটপ স্বর্গে চলে যেতে পারে।

আমার মন্তব্য ঃ চিন্তায় পড়ে গেলাম।
কম্পিউটার / সেলফোন / ট্যাব / ল্যাপটপ, একা একা স্বর্গে বসে কি করবে?

১১ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৪

লেখক ঠাকুর মাহমুদ বলেছেনঃ বিচিত্র কারণে আমার ভাবনায় এসেছে, মানুষে যেই হারে ধর্মীয় কথা সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড দিচ্ছে আমার মনে হয় সোশ্যাল মিডিয়া সহ যাবতীয় যন্ত্র তথা কম্পিউটার, সেলফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ স্বর্গে চলে যেতে পারে। কিন্তু মানুষ না স্বর্গে না নরকে - মাঝামাঝি কোথাও ঝুলে থাকবে।য়ই


১৩. ১৩ই মে , ২০২৬ আমার মন্তব্যঃ  লেখক বলেছেনঃ কিন্তু মানুষ না স্বর্গে না নরকে - মাঝামাঝি কোথাও ঝুলে থাকবে।                                                   আমার মন্তব্যঃ ঐ রকম স্থানে শুনেছি পশু পাখিরা থাকবে, আর থাকবে পাগলরা। 

রিয়াজ

 ১১ ই মে, ২০২৬ রাত ২:৪৯

রিয়াজ হান্নান বলেছেন: এই ম্যাডাম হারাইয়া গেলেন দেখি,আছেন কেমন? খোজখবর নাই!!!

১১ ই মে, ২০২৬ ভোর ৬:২৪

লেখক বলেছেন: আমি এখানেই আছি। আপনার পাতায় প্রায়ই ঢুঁ মারি, কিন্তু আপনার লেখা পাই না।
আপনার সর্বশেষ পোস্টের অ্যাবস্ট্রাক্ট ভাবনা ও তার সাথে মিলিয়ে আর্ট -টা ভীষণ ভাল লেগেছে।
এভাবে দু' এক প্যারা করে লিখলে তো ভাল হয়। ব্লগ তো এখন লেখা শূন্য।

 ১৩ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৫৬

রিয়াজ হান্নান বলেছেন: আরেহ আমিতো ব্লগে আসিইনা,মাঝেমধ্যে ফেসবুকে থাকি। ইংরেজি নামে পাবেন Riaz Hannan (মার্কেটিং করে গেলাম)

৪. ১৪ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:০

হুমায়রা হারুন বলেছেন: ওখানকার প্রফাইলে ও কি বন জংগলের ছবি?
আপনার ব্লগস্পট দেখলাম। অসাধারণ সব লেখা।
একে একে সব লেখা পড়ে ফেলব।


১৬ ই মে, ২০২৬ রাত ৩:৫২

রিয়াজ হান্নান বলেছেন: আমি গভীর কথাবার্তা বুঝিনা,তবে আপনার উপস্থাপনা দারুন,আপনার প্রোফাইলের মত ঝাপসা ছবির মত নয়,হাহাহা

১৬ ই মে, ২০২৬ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: ঝাপসা হলেও তো কিছু একটা আছে। আপনাকে পাহাড় বন জংগলের ভেতর তো খুঁজেই পাওয়া যায় না।

ব্লগপোস্টে আপনার লেখাগুলোর যে গভীরতা দেখলাম তা তে তো সাধারণ মানুষের মাথা ঘুরে যাবার কথা।

 ১৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:০৪

রিয়াজ হান্নান বলেছেন: আরেহ ব্লগপোস্ট তো লিখিনা বহু বছর,আমি শুধু বন জঙ্গলের মানুষই নই,সম্ভবত আপনি আমাকে খুঁজে পাননি,হেহেহে,স্বীকার করে ফেলুন।।।
১৬ ই মে ২০২৬  দুপুর ৬ঃ৪৫
আমার মন্তব্য ঃ আসলেই খুঁজে পাইনি। ঐ বন জঙ্গলের মাঝে একটা লাল পতাকার মতন কি যেন দেখা যায় শুধু।
 তবে আপনার ব্লগপোস্টের একটি লেখা থেকে দুটো চরণ তুলে রেখেছি, বাকী লেখা পড়ে ফেলবো।  লিংক দেখতে পারেন সময় পেলে । https://hharoon3.blogspot.com/2026/05/blog-post.html

May 1, 2026

আমাদের কৃষি, ডেঙ্গু

  ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২৬

হুমায়রা হারুন বলেছেন: আমাদের IQ নিম্ন মানের। আমাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা না থাকাই স্বাভাবিক।
তাহলে কৃষি ক্ষেত্র শুধু নয়, waste management থেকে বায়োগ্যাস উৎপন্ন করা, সোলার পাওয়ার ব্যবাহার করে পাওয়ার/বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে স্বয়ং সম্পন্ন হওয়া সুদূর পরাহত।

০১ লা মে, ২০২৬ সকাল ৭:০২

লেখক বলেছেন:


াআপনার মুল্যবান মন্তব্যটিতে যে হতাশার সুর আছে, সেটি বাস্তবতার এক দিককে তুলে ধরে তবে আমার মনে
হয় পুরো ছবিটা সম্ভবত এতটা নিরাশার নয়। কোনো জাতির সক্ষমতা শুধু IQ এর সংখ্যায় নির্ধারিত হয় না; বরং
নির্ধারিত হয় শিক্ষা, পরিকল্পনা, গবেষণায় বিনিয়োগ, নেতৃত্বের দূরদৃষ্টি এবং কাজের প্রতি সম্মিলিত দায়বদ্ধতায়।

আমাদের সীমাবদ্ধতা আছে, কিন্তু সম্ভাবনাও কম নয়। কৃষিতে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার, বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদন কিংবা সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ স্বনির্ভর হওয়া এসব কোনো কল্পনা নয়; বিশ্বের বহু দেশ তা বাস্তবে করে দেখিয়েছে। প্রশ্ন হলো, আমরা কি সেই পথে হাঁটার মানসিক প্রস্তুতি নিচ্ছি?

নিজেদের সক্ষমতাকে ছোট করে দেখার চেয়ে, উদ্ভাবনের পরিবেশ তৈরি করা এবং তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক উদ্যোগে উৎসাহিত করাই বেশি জরুরি। হতাশা নয়, সচেতন প্রয়াসই পরিবর্তনের প্রথম ধাপ। আসুন সকলে মিলে সচেতনতা সৃস্টি কর্মে নেমে পড়ি ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

Apr 28, 2026

শিক্ষকের মর্যাদা


২৮শে এপ্রিল, ২০২৬

আমার মন্তব্যঃ কেস স্টাডি -  

১. একটা পরিবারে ছাত্র মানসিক প্রতিবন্ধী। তাকে পড়াতে আসে সম্মানীয় পরিবারের মহিলা গৃহ- শিক্ষক। ছাত্রের মা তাকে চাকরের মতো তুচ্ছ জ্ঞান করে।

২. দ্বিতীয়  পরিবারঃ নাতনীকে আদর দেখাতে গিয়ে নানা তার নাতনীর স্কুলের দুইজন শিক্ষকের চাকরী খেয়েছে। ফলে কি হল? ছোট্ট থেকেই সেই নাতনী নিজেকে বিশাল কিছু  ভাবতেই পারে।

৩. তৃতীয় উদাহরণঃ

 মাস শেষ হলেও ছেলের গৃহ- শিক্ষককে বেতন দিতে ভুলে যায় বাবা। বাবা নিজেও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষক।

৪. দশ বছরের ছাত্র এসেছে কোচিং - এ পড়তে। মহিলা শিক্ষক দেখে হাতের পেন্সিলটা তার দুই পায়ের ফাঁকের মাঝে উঁচু করে ধরে রেখেজিহ্বা বের করে ভেংচি কাটার মতো করে হাসি শুরু করলো।   এসব ব্যবহার কি বইতে লেখা থাকে? কোন বইতে লেখা থাকে? সেগুলো পড়ে শিক্ষকরা ও না হয় কিছু শিখতো।

আসলে মানসিক বিকৃতি শিখাতে হয় না। এটা নিয়ে জন্মায়। যারা এসব করে তারা মানুষরূপী বিকৃত জন্তু।

 ৫. ছাত্র এবং ছাত্রী প্রেম পিরিতি করে মুখে দাগ নিয়ে এসে বসে ক্লাশে। ডিগ্রী ক্লাশের তারা। এরাই তো তাদের শিশুকাল থেকে  অনেক  বিকৃত জ্ঞান রাখতো।

৬. ছাত্রী  ভাইভা  ভোসি  পরীক্ষার দিনে  এক্সাম  কক্ষে ঢুকে পিঠ ঘুরিয়ে বোর্ডে লেখার সময়ে   পাতলা  ব্লাউজের ভেতর দিয়ে ব্রা এর স্ট্র্যাপ দেখায় । সারা কলেজ জীবনে সে ঐ রকম পাতলা ব্লাউজ কখনোই পরে নাই। পিঠও খোলা রাখতো না। সেদিন যে তার কি হল! 


Apr 25, 2026

চোখ

এতদিন উপমা হিসাবে  জেনেছি   কারোর চোখ থাকে পটল চেরা, কারোর   থাকে বাবুই পাখির বাসার মতন। এই প্রথম দেখলাম গ্রে'স এলিয়ানের চোখ - এত মায়ায় ভরা।  আরো কিছু সুপরিচিত এলিয়েনদের  পরিচিতি সংযুক্ত করলাম।


 GREYS: এরা সাড়ে  তিনফুট থেকে চারফুট আকারের, ছোট খাটো, পাতলা গড়ন বিশিষ্ট।  চোখগুলো খুব বড়, নাক দৃশ্যমান নয়, ত্বক অমসৃণ এবং  কুঁচকানো। ত্বকের বর্ণ ছাই বর্ণের।    উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন। 

REPTILIANS:এরা রূপ পরিবর্তন করতে পারে ।ইংরেজীতে যাকে বলে shape shifter.  মানুষের কার্যকলাপে প্রভাব ফেলে তাদের নিয়ন্ত্রণ করে।

NORDICS:এরা  লম্বা, উজ্জ্বল বর্ণের, সোনালী চুল,নীল চোখের অধিকারী। ইংরেজীতে tall -blue-white বলে সবাই চেনে।এরা  শান্ত  এবং প্রজ্ঞাবান।

INSECTOIDS: পোকামাকড় সদৃশ।  উচ্চমাত্রার বুদ্ধি সম্পন্ন।  টেলিপ্যাথিক ক্ষমতা রয়েছে। এদের মাঝে Mantis being (ম্যান্টিস বিইং) খুবই সুপরিচিত।

SIRIANS:সিরিয়াস থেকে আগত মানবসদৃশ প্রজাতি। আধ্যাত্মিক জ্ঞানের জন্য পরিচিত। মানুষ মূলত সিরিয়ান, লাইরান, আনুনাকির  DNA বহন করে।

HYBRIDS:মানুষ ও ভিনগ্রহীর DNA-র সংমিশ্রণে জন্ম নেওয়া সংকর প্রজাতি। 

DRACONIANS:প্রাচীন কালের ড্রাগনের মতো দেখতে। এরা নিজেদেরকে মানুষের অভিভাবক ও রক্ষক মনে করে সেই  ভূমিকায়  অবতীর্ণ হতে চায়।

ANUNNAKI:প্রাচীন ভীনগ্রহী প্রজাতি।এরা পৃথিবীতে এসে  প্রাথমিক ভাবে মানব সভ্যতার সূচনা করে।

LYRAN:লাইরা থেকে আগত বিড়ালের মতো মানবসদৃশ ভীনগ্রহী প্রজাতি।  ক্ষিপ্র গতি সম্পন্ন। অন্তর্দৃষ্টির জন্য পরিচিত।