২৮শে এপ্রিল, ২০২৬
আমার মন্তব্যঃ কেস স্টাডি -
১. একটা পরিবারে ছাত্র মানসিক প্রতিবন্ধী। তাকে পড়াতে আসে সম্মানীয় পরিবারের মহিলা গৃহ- শিক্ষক। ছাত্রের মা তাকে চাকরের মতো তুচ্ছ জ্ঞান করে।
২. দ্বিতীয় পরিবারঃ নাতনীকে আদর দেখাতে গিয়ে নানা তার নাতনীর স্কুলের দুইজন শিক্ষকের চাকরী খেয়েছে। ফলে কি হল? ছোট্ট থেকেই সেই নাতনী নিজেকে বিশাল কিছু ভাবতেই পারে।
৩. তৃতীয় উদাহরণঃ
মাস শেষ হলেও ছেলের গৃহ- শিক্ষককে বেতন দিতে ভুলে যায় বাবা। বাবা নিজেও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষক।
৪. দশ বছরের ছাত্র এসেছে কোচিং - এ পড়তে। মহিলা শিক্ষক দেখে হাতের পেন্সিলটা তার দুই পায়ের ফাঁকের মাঝে উঁচু করে ধরে রেখেজিহ্বা বের করে ভেংচি কাটার মতো করে হাসি শুরু করলো। এসব ব্যবহার কি বইতে লেখা থাকে? কোন বইতে লেখা থাকে? সেগুলো পড়ে শিক্ষকরা ও না হয় কিছু শিখতো।
আসলে মানসিক বিকৃতি শিখাতে হয় না। এটা নিয়ে জন্মায়। যারা এসব করে তারা মানুষরূপী বিকৃত জন্তু।
৫. ছাত্র এবং ছাত্রী প্রেম পিরিতি করে মুখে দাগ নিয়ে এসে বসে ক্লাশে। ডিগ্রী ক্লাশের তারা। এরাই তো তাদের শিশুকাল থেকে অনেক বিকৃত জ্ঞান রাখতো।
৬. ছাত্রী ভাইভা ভোসি পরীক্ষার দিনে এক্সাম কক্ষে ঢুকে পিঠ ঘুরিয়ে বোর্ডে লেখার সময়ে পাতলা ব্লাউজের ভেতর দিয়ে ব্রা এর স্ট্র্যাপ দেখায় । সারা কলেজ জীবনে সে ঐ রকম পাতলা ব্লাউজ কখনোই পরে নাই। পিঠও খোলা রাখতো না। সেদিন যে তার কি হল!

No comments:
Post a Comment