
নজসু বলেছেনঃ সবগুলো ছবি সুন্দর। দারুণ! মেঘলা কিংবা বৃষ্টিস্নাত আকাশ আমার কেন জানি খুব বেশি ভালো লাগে।
১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:২৩০
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আমারো বৃষ্টি ভাল লাগে, যতক্ষণ না বাইরে বের হতে হয় বৃষ্টির মাঝে, কাজ থাকলে।
১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৩১০
ডঃ এম এ আলী বলেছেনঃ জানালার ফাক গলে বা দিকে ১৫ ডিগ্রি তাপমাত্রায় সাঁঝ বেলায় Ontario লেকের আলো-আঁধারি ছবি ভালই তুলেছেন ক্যমেরায় । ছবিগুলি যেন স্মৃতিকেই ফিরিয়ে নিয়ে যায় আঁধার হতে আলোকোজ্জল দৃশ্যপটের দিকে ।
মনে পড়ে যায়
নিস্তব্ধ জলের বুকে
সাঁঝ নেমে আসে ধীরে
আলো আর আঁধারের খেলায়
মিশে যায় নীল গহীনে।
নিস্তব্ধ জলের বুকে
সাঁঝ নেমে আসে ধীরে
আলো আর আঁধারের খেলায়
মিশে যায় নীল গহীনে।
দূর আকাশের রঙিন ছোঁয়া
জলে আঁকে স্বপ্নের রেখা
নীরব ঢেউয়ের ফিসফিসে
হারিয়ে যায় দিনের দেখা।
হালকা কুয়াশা ভাসে জলে
চাঁদের আলো ঝরে নীরবে
Ontario লেক তখন যেন
এক রহস্যের গল্প বলে গভীরে।
শীতল হাওয়ার স্পর্শে
মন হয় কেমন অচেনা
এই আলো-আঁধারির মাঝে
নিজেকেই খুঁজি বারবার যেন।
শুভেচ্ছা রইল
১৯ই এপ্রিল, ২০২৬আমার মন্তব্যঃ আলী ভাই, আপনার কবিতাটি অপূর্ব চিত্রকল্পে ভরা। প্রকৃতির সৌন্দর্য, নীরবতা, এবং অন্তর্জগতের অনুসন্ধান এখানে দারুণভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
হালকা কুয়াশা আর চাঁদের মৃদু আলোতে Ontario লেকের রহস্যময়তা দর্শককে এক স্বপ্নিল আবেশে ডেকে নেয়। শীতল হাওয়ার ছোঁয়ায়, মন তখন অচেনা হয়ে ওঠে। আলো-আঁধারির এই নীরব পরিবেশে নিজেকে খুঁজে ফেরার অনুভূতি আমাদের সকলেরই চিরন্তন এক মানবিক আকাঙ্ক্ষা। বিশেষ করে পূর্ণিমার চাঁদের আলো যখন সরল রেখার মত পড়ে পানিতে ঝিকিমিকি করে, তখন দিগন্ত জোড়া, ঘন অন্ধকারে ঢাকা জলাশয়ের প্রান্তর জুড়ে স্বর্গীয় সৌন্দর্যের সূচনা করে। আমি তাকিয়ে থাকি আর মনে মনে প্রকৃতির কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।
আপনার এই কবিতায় প্রকৃতি ও আত্মঅনুসন্ধানের যে মেলবন্ধন ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই অনন্য।
অসংখ্য ধন্যবাদ কবিতাটির জন্য।








No comments:
Post a Comment