Apr 16, 2026

ছবি ব্লগ -১ মেঘলা আকাশ

 ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৪৫০

নজসু বলেছেনঃ  সবগুলো ছবি সুন্দর। দারুণ! মেঘলা কিংবা বৃষ্টিস্নাত আকাশ আমার কেন জানি খুব বেশি ভালো লাগে।


১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:২৩০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আমারো বৃষ্টি ভাল লাগে, যতক্ষণ না বাইরে বের হতে হয় বৃষ্টির মাঝে, কাজ থাকলে। 

 


১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৩১০

ডঃ এম এ আলী বলেছেনঃ জানালার ফাক গলে বা দিকে ১৫ ডিগ্রি তাপমাত্রায় সাঁঝ বেলায় Ontario লেকের আলো-আঁধারি ছবি ভালই তুলেছেন ক্যমেরায় । ছবিগুলি যেন স্মৃতিকেই ফিরিয়ে নিয়ে যায় আঁধার হতে আলোকোজ্জল দৃশ্যপটের দিকে ।

মনে পড়ে যায়
নিস্তব্ধ জলের বুকে
সাঁঝ নেমে আসে ধীরে
আলো আর আঁধারের খেলায়
মিশে যায় নীল গহীনে।

দূর আকাশের রঙিন ছোঁয়া
জলে আঁকে স্বপ্নের রেখা
নীরব ঢেউয়ের ফিসফিসে
হারিয়ে যায় দিনের দেখা।

হালকা কুয়াশা ভাসে জলে
চাঁদের আলো ঝরে নীরবে
Ontario লেক তখন যেন
এক রহস্যের গল্প বলে গভীরে।

শীতল হাওয়ার স্পর্শে
মন হয় কেমন অচেনা
এই আলো-আঁধারির মাঝে
নিজেকেই খুঁজি বারবার যেন।


শুভেচ্ছা রইল

১৯ই এপ্রিল, ২০২৬

আমার মন্তব্যঃ আলী ভাই, আপনার কবিতাটি অপূর্ব চিত্রকল্পে ভরা। প্রকৃতির সৌন্দর্য, নীরবতা, এবং অন্তর্জগতের অনুসন্ধান এখানে দারুণভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

হালকা কুয়াশা আর চাঁদের মৃদু আলোতে Ontario লেকের রহস্যময়তা দর্শককে এক স্বপ্নিল আবেশে ডেকে নেয়। শীতল হাওয়ার ছোঁয়ায়, মন তখন অচেনা হয়ে ওঠে। আলো-আঁধারির এই নীরব পরিবেশে নিজেকে খুঁজে ফেরার অনুভূতি  আমাদের সকলেরই চিরন্তন এক মানবিক আকাঙ্ক্ষা। বিশেষ করে পূর্ণিমার চাঁদের আলো যখন সরল রেখার মত পড়ে পানিতে ঝিকিমিকি করে, তখন দিগন্ত জোড়া, ঘন অন্ধকারে ঢাকা জলাশয়ের প্রান্তর জুড়ে স্বর্গীয় সৌন্দর্যের সূচনা করে। আমি তাকিয়ে থাকি আর মনে মনে প্রকৃতির কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।
আপনার এই কবিতায় প্রকৃতি ও আত্মঅনুসন্ধানের যে মেলবন্ধন ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই অনন্য।
অসংখ্য ধন্যবাদ কবিতাটির জন্য।

১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:২৪০


স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মেঘলা আকাশ দেখে মনও ভার হয়ে যায়
মনে পড়ে অতীতের কথা ।
ইচ্ছে করে প্রিয় জনের সাথে দেখা করা বা
হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি,
নষ্টালজিয়া পেয়ে বসে সারাবেলা ।

১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ 
আমার মন্তব্যঃ আপনার অনুভূতি অত্যন্ত  বাস্তব। প্রকৃতির রূপ—মেঘলা আকাশ—মানুষের মনে  আবেগের ছায়া ফেলে। অতীতের স্মৃতি, প্রিয়জনের উপস্থিতি কিংবা হারিয়ে যাওয়া সময়গুলো যেন  আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নস্টালজিয়া আমাদের মাঝে এক মধুর বিষাদ বয়ে আনে—যা পুরনো দিনের ভালো লাগা, আনন্দ-বেদনা আর চিরচেনা মুখগুলোর ছবি মনের পর্দায় বারবার ভেসে ওঠায়।
বৃষ্টি বেলায়  প্রকৃতি আর স্মৃতির এই গভীর বন্ধন আমাদের সবারই জীবনে কখনো না কখনো এসে যায়। আপনার মন্তব্যটি প্রায় কবিতা হয়ে গিয়েছে। আসলে আপনার কাছ থেকে কবিতা আশা করছিলাম।
আপনার লেখা কিন্তু খুব ভাল।
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০৯০                                                                               কালো যাদুকর বলেছেন: টরেন্টোতে সন্ধ্যার দিকে বৃষ্টি পরবর্তি অবস্থাটা আপনার লেন্ষে যথাযথ ভাবে ফুটে উঠেছে। কেউ যদি এরকম একটি সন্ধ্যায় জানালার পাশে বসে অতীতের ঘোলাটে স্মৃতিতে হারিয়ে যায়, এর জন্য সে নিজেই দোষের ভাগিদার হবে মাত্র পঞ্চাশভাগের। বাকিটার জন্য দায়ী হবে এমন গ্লুমি আবহাওয়া। সত্যি এ বড়ই "মন খারাপের প্রাচীন প্রহর"।                                                                             
আমার মন্তব্যঃ কিন্তু যার কথা ভেবে 'অতীতের ঘোলাটে স্মৃতিতে হারিয়ে' যাবে , সে তা জানবেও না।                                      

 ১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:০৭০                                                                                   আবু সিদ বলেছেনঃ মনে হলো আর ছবি কই?                                                                  আমার মন্তব্যঃ আসলেই এই লোকেশান মনে হয় একটুকরো স্বর্গ।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৭০
জুল ভার্ন বলেছেন: চমৎকার!
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১০০
আমার মন্তব্যঃ অসংখ্য ধন্যব
  
২০শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০.৫১০
 রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৫৬০
আমার মন্তব্যঃ ধন্যবাদ আসবার জন্য।  আপনার দমাদাম মাস্ত কালান্দার পোস্ট একটু দেখবেন, মন্তব্য দিয়েছে আরো কয়েকজন।

No comments:

Post a Comment