Jun 2, 2026

শঙ্খচিল

 ০২ রা জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:২

আমার মন্তব্যঃ আমি যখন প্রথম 'আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা' দেখলাম বিদেশে, তখন শুধু অবাক হয়ে ভেবেছিলাম এই ব্যবস্থাপনা সফল হয়েছে কারণ এই ব্যবস্থাপনার পিছনে রয়েছে ম্যানেজ করার জন্য ডিজাইন, যা তৈরী করতে লাগে মেধা ও সদ্দিচ্ছা । আমাদের হবে কিভাবে? আমাদের তো কোনটাই নেই।

০২ রা জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

 ্লেখক বলেছেন: আমাদের হবে কিভাবে? আমাদের তো কোনটাই নেই।
.................................................................................
আমাদের আছে হিংসা, লোভ আর অন্যরটা কেড়ে নিয়ে নিজের বলে চালায়ে দেয়া ।
আমরা যে প্রজেক্ট জমা দিয়েছিলাম তা ৫০০ কোটি টাকার ইউএস-বাংলা জয়ন্টে ভেন্চার।
এই যৗেথ উদ্যোগে সমস্ত মিশনারী আসত এবং জমি সরকারকে দিতে হতো । মন্ত্রণালয়ে আমরা ভিডিও প্রজেক্সন করে ছিলাম । কিন্ত তারা নিজে করে লাভবান হবে, বলে আর বাস্তবায়নের মূখ দেখলনা ।

 ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫২

আমার মন্তব্যঃ চমৎকার

১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনি ও একজন চমৎকার মানুষ
............................................................
মাঝে মাঝে সুন্দর সুন্দর বিজ্ঞান চিন্তা আমাদের মাথায় ঢুকায়ে দেন, আমি অত্যন্ত চমৎকৃত হই !





May 31, 2026

মন্তব্য প্রদানের ধরণ ধারণ

ব্লগের মাঠ হলো ব্লগর ব্লগর করা। এটা তো কোন পরীক্ষার খাতা না, যে একটু অন্যরকম হলে বিরাট ভুল কিছু হয়ে গেল। তারপরও কারো কোন নির্দিষ্ট পছন্দ থাকলে তা আগে থেকে উল্লেখ করে দিলে ভাল হয়। তখন পেইজে পড়তে আসা পাঠক, খেয়াল রেখে, লেখকের পছন্দ মেনে, মন্তব্য করে যেতে পারেন। যেমনঃ

১. কারো ভাল লাগে বড় মন্তব্য 

২.কারো ছোট মন্তব্য। 

৩.কম সময়ে  দ্রুত অনেক অনেক কাজ সারতে চাইলে  AI দিয়ে বানানো  মন্তুব্যসমূহ্‌ও কারোর কাছে বিরক্তিকর লাগতে পারে। 

৪. AI এর সাহায্য নিলে  অনেক তথ্য সন্নিবেশিত থাকে বলে অনেকের আবার সেসব মন্তব্য  ভালও লাগতে পারে।

সুতরাং চার রকমের ক্রাইটেরিয়া পাওয়া গেল।

এখন, ধরেন মন্তব্য দানের পর যদি লেখক বলেন, যে আমার পছন্দের ক্রাইটেরিয়ার মাঝে আপনার মন্তব্য পড়ছে না, কেন লিখেছেন, খুবই বিরক্ত লাগছে- তাহলে মন্তব্যকারী বিব্রত অবস্থায় পড়তে পারেন। তিনি ভাবতে পারেন কোন দুঃখে গিয়েছিলাম ওখানে মন্তব্য লিখতে! 

তাই  ভাল হলো মন্তব্যের ধরণ ধারণ কেমন হবে তার একটা আউট-লাইন লেখককে, সবার উদ্দেশে বলে দেয়া। পেইজের পাতার আগায় সেটা টাঙ্গান থাকবে। পাঠক লেখা পড়ে ভাববে এই লেখায় আমার মন্তব্যটি  তাহলে কি এভাবে  লিখব, নাকি ওভাবে লিখব, নাকি কিছু লিখবই না।

এতে মন্তব্যকারী পাঠককে বিরক্তির হাত থেকে বাঁচাতে পারেন আবার নিজেও বিব্রত হবার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন। লেখকের বিরক্তিকর ভাবের বহিঃপ্রকাশ দেখে মন্তব্যকারীর কখনোই মনে হবে না সামগ্রিক  ব্যাপারটা utterly disgusting.

May 27, 2026

মন্তব্য - কাবিল

 


২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৩৪

কাবিল বলেছেন: সামুর সেই সোনালি দিনগুলো যেন এখন ডিজিটাল নস্টালজিয়ার এক নীরব প্রত্নচিহ্ন— যেখানে শব্দের ভাঁজে ভাঁজে জেগে থাকত প্রাণবন্ত বিতর্ক, অনুভূতির দীপ্তি আর চিন্তার বহমান স্রোত। আজ টাইমলাইনের নিস্তব্ধতায় যেন হারিয়ে গেছে সেই সম্মিলিত আত্মিক উচ্ছ্বাস। তবুও কোথাও না কোথাও হয়তো এখনো জেগে আছে সেই পুরোনো সামুবাসীর শব্দাত্মা, অপেক্ষায় আছে আরেকটি প্রাণময় বিকেলের।

৩২. ২৮ শে মে, ২০২৬ ভোর ৪:১৬

হুমায়রা হারুন বলেছেন: @ কাবিলঃ সত্যিই, সামু শুধু একটা ব্লগ ছিল না—এটা ছিল আমাদের আবেগ, চিন্তা আর সৃষ্টিশীলতার এক যৌথ আঙিনা। সামুর সেখানে দিনের পর দিন, রাতের পর রাত চলত প্রাণবন্ত বিতর্ক, হাসি-ঠাট্টা, গল্প আর অনুভূতির আদান-প্রদান। আজকের এই ডিজিটাল যুগে, যেখানে প্রতিটা কথা যেন স্ক্রলের ভিড়ে হারিয়ে যায়, সেখানে সামুর সেই আন্তরিকতা, বন্ধুত্ব আর সম্মিলিত উচ্ছ্বাসকে মিস করি বারবার। সোশ্যাল মিডিয়ার একঘেঁয়ে আচরণ আমাদের সেই প্রাণবন্ত সময়ের কথা আরো বেশি মনে করিয়ে দেয়। পুরোনো কোনো পোস্টে, পুরোনো কমেন্টে কিংবা স্মৃতির পাতায় ফিরে গিয়ে আমরা আজও খুঁজে পাই সেই উচ্ছ্বাস, সেই হাসি, সেই নির্ভেজাল বন্ধুত্ব। সময় বদলালেও, সেই স্মৃতি আর অনুভূতি বারবার ফিরে আসে—আমাদের প্রত্যাশার অপেক্ষায় । সেই দিনগুলো তাই কখনও হারিয়ে যায় না, বরং নীরবে আমাদের মনোজগতে বেঁচে থাকে অনন্তকাল।

শায়মা ব্লগ

 https://www.somewhereinblog.net/blog/saimahq/30392063

২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৭

আমার মন্তব্যঃ কি অদ্ভুত, অন্ধ দাঁড়কাক ছাড়া আর কোন ID চিনি না।   
২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৫৪
 শায়মা বলেছেন: তুমি তো অনেক পুরোনো আপুনি!!!! তবে হ্যাঁ আমার ব্লগে অনেকে যেমন কমেন্ট করতো তেমনি আমিও কর‌তাম। আমার পুরোনো পোস্টের কমেন্ট গুলো থেকে আমার এই নিকগুলোকে মনে পড়েছিলো সেদিন।
                              

May 17, 2026

শিশু সাহিত্য

 রুশ শিশু সাহিত্য - জ্যোতির্ময় ধর


১৭ ই মে,২০২৬ বিকাল ৬ঃ৪৭ 

আমার মন্তব্য ঃ আমার বাল্যকালে শিশু সাহিত্যের বই ছিল না। অনেক খুঁজে আমার পিতা মাতা তলস্তয় এর শিশু সাহিত্য বই টি পেলেন বাজারে। বইয়ের প্রচ্ছদ দেখে মনে পড়ে গেল। সেই একটা বই -ই ছিল,  শিশুদের জন্য, রুশ সাহিত্য সংগঠনের। তদের বই পাওয়া যেত ঢাকার নিউমার্কেটের বই এর দোকানে। কিন্তু আর কারোর ছিলা না।
আপনার কালেকশান দেখে অবাক হচ্ছি। প্লিজ সব বই পি.ডি. এফ. করে রেখেন।



১৮ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা নেবেন । ধন্যবাদ । বইগুলো আমার ছোট বেলার সংগ্রহ । এখনো নীলখেতে পুরনো বইয়ের দোকানে কিছু পাওয়া যায় । পি ডি এফ করে রাখার পরিকল্পনা আছে ।

১৮ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: রুশদেশের শিশু সাহিত্য আমি পড়ি নাই। পড়বোও না। আমি আমাদের দেশের শিশু সাহিত্য পড়েছি।

১৮ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ । আপনি কি পড়বেন না পড়বেন তা আপনার রুচির উপর নির্ভর করবে। আর বাঙ্গালির ছেলে তাই ঠাকুরমার ঝুলি পড়ে বড় হয়েছি । আমি পৃথিবীর সব ভাষার বই ও সব লেখকের লেখার স্বাদ নেওয়ার চেষ্টা করি । এই রুশ বইগুলোর বঙ্গানুবাদ যারা করেছেন উনারা সবাই দেশ বরেণ্য সাহিত্যিক । হায়াৎ মামুদ , নণী ভৌমিক , দ্বিজেন শর্মা, অরুণ সোম প্রমুখ । শুভকামনা ।

সফ্‌ট স্পোকেন

 . ১৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০৪

হুমায়রা হারুন বলেছেন: আমি খুব চেষ্টা করি , কিন্তু পারি -ই না।
সফ্‌ট স্পোকেন মানুষ যখন দেখি, তখন আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকি। এতো ধৈর্য্য তারা কোথা থেকে পায়। আমার দেখা এরকম সফট স্পোকেন আছেন পাঁচজন আব্বু, মামা, ফারুক ভাই, জয়া আন্টি, ফটো কপি লিটা করপোরেশানে দেখা সেই মহিলা। 

১৭ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯

আবু সিদ বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ, । আপনি যে নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তা শুনে অনেক ভালো লাগলো। ইনশাল্লাহ, আপনিও পারবেন।

১৭ বছর - হামা ভাই

 ২৯শে নভেম্বর, ২০২৫

হাসান মাহবুব বলেছেঃ শিরোনামটাই বলে দেয়। আর কিছু বলার নাই। আর আপাতত সময়ও নাই।

 ১৭ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭

হুমায়রা হারুন বলেছেন: সবাই বুঝলো আপনার ব্লগের পূর্তি উদযাপন।
আমি কেন বুঝলাম না?
আমি কি না বুঝলাম ১৭ বছরের শাসন .।.।.।।ইত্যাদি ইত্যাদি.।.।