Oct 4, 2009

কারিনা নেবুলা

 



১. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৩

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: বাই দা ওয়ে, আপনার কী দূরবীন জাতীয় কিছু আছে? বা পছন্দের কোন 'স্পেসিফিকেশন' যেটি শৌখিন জ্যোতির্বিদ দের সব আগ্রহ মেটাবে। ঢাকায় সাইন্স ল্যাবের বিপরীতে ড. রেইফুলাসর সেন্টারে কাচে ঘেরা শো রুমে কিছু দূরবীন দেখেছিলাম মনে হয়। দাম কেমন দেশে? বিদেশ থেকে আনাতে পারলে সস্তাই পড়বে আশা করি।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: আমার ল্যাবে ছিল। আমার সুপারভাইজার আমাকে স্যাটার্ন এবং সেই সময়ের একটি ভ্রাম্যমাণ কমেট দেখিয়েছিলেন, ২০০৪ এর সেপ্টেম্বর মাস তখন।



বিদেশ থেকে আনবেন অবশ্যই। দাম আমার কাছে সস্তা মনে হয়েছে। এখানে দূরবীন জাদুঘরের শো কেসে রাখে না বাংলাদেশের মত , সবাই ব্যবহার করে। তাই সহজলভ্য।
আপনার ব্লগে (নরকের স্রষ্টার কাছে কৃপা সন্ধান ও অকাল মৃত্যুর প্রতীক্ষা) একটি লিংক দিয়েছিলাম আপনার দেখার জন্য সেই দু মাস আগে। দেখেছিলেন কি?

মন্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছি এখনো।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৭

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: গল্পের শুরুটা বিরক্তিকর, সেই টিনটিনের ফ্লাইট ৭১৪ কার্টুন কাহিনী। মাথার ভিতরে কে যেন (ভিন গ্রহবাসী!!) কথা বলে বাচ্চা একটি ছেলেকে ঘুরাচ্ছে, খেলছে, স্মৃতি নিয়ে কারসাজি করছে। টেলিপ‌্যাথি বা সিম্বলিক ভাষা যাতে আত্মারা যোগাযোগ করতে পারে এরকম কিছুর ব্যাপারে আগ্রহ দেখানো বা গবেষণা করাটা অহেতু পাগলামি মনে হয়। মেডিটেশন করে সেই অব্যক্ত, অব্যবহৃত ভাষা শক্তিকে বের আনার জন্য জঙ্গলে গিয়ে ধ্যান মগ্ন হওয়া, লেখা পড়া ছেড়ে দেবার অদ্ভুতুড়ে কাহিনীতে খুব একটা আগ্রহ পাইনি। এই ভাষার জোরে কল্পিত ভিন গ্রহবাসী থেকে শুরু করে মৃত লোকের সাথে যোগাযোগে সম্ভাব্যতা যাচাই, আরেক ধরনের কৌতুক। 
লাইরা নক্ষত্রপুঞ্জে কথিত সবচেয়ে প্রবীণতম মানব জাতির বসতি, তাদের নামকরণ প্রক্রিয়া ধারা পাত এবং ঘটনাচক্রে লাইরাবাসীদের স্পেস শিপে করে সদল বলে পালিয়ে আসার কাহিনী দিয়ে খুব উন্নত মানে ফিকশন করা যাবে। কিন্তু আমার মত পাঠকের মৃত্যু হওয়াতে এ ধরনের ভিডিও ২০ মিনিটের বেশি দেখার ধৈর্য্য হল না।
তারপরেও একটি মাত্র প্রশ্ন করার ছিল। গল্প বানাক, বা সত্যি সত্যিই দেখুক ভিনগ্রহবাসীদের উড়োজাহাজ চাকতির মতই হবে এ বদ্ধমূল ধারণা কোথা থেকে এল? এতকালের আকাশে উডন্ত চাকতি দেখার যে ফ্যান্টাসি, সেটি মাথায় নিয়ে কিছু ভয়ংকর সিজোফ্রেনিক দশা পার করেছে বিলি, ফলে সে ও তার গ্রামের লোকজন খালি চোখে চাকতি দেখবার গল্প শুনিয়ে গিয়েছে সবাইকে । মাথার মাঝে কথিত নির্দেশক (ঘটনাচক্রে যার কন্ঠ স্বর নারীদের মত হয়ে যায়, তাকে বিয়ে করে নিজের জীবন গড়ে নেবার সময় দিবার জন্য.....পরে ফিরে আসার কথা বলে ) তার অবচেতন মনেরই একটি অংশ, স্বপ্নে আমরা যেমন কাহিনী, কথার দঙ্গলে পড়ি, বিলি সেটা জাগরণেই পড়ত, পেত, অনুভব করত। তবে সত্যি সত্যিই যদি চাকতি চেপে ভিনগ্রহ বাসী আসে, তাহলে মানুষের কল্পনার সাথে যে কাকতালীয় মিল হবে সেটি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিস্ময় হবার দাবি রাখে।
ব্যক্তিগতভাবে আমি ভিনগ্রহে প্রাণী থাকার ব্যাপারে , আরো পরিস্কার করে বলতে ভিনগ্রহবাসী খুজে পাওয়ার ব্যাপারে (যদিও থেকে থাকে) কোন কালেই আশাবাদী বা বিশ্বাসী নই। কিছু গবেষণার থাকলে পুরোপুরি অক্ষরজ্ঞান হীন আরবের নবী মুহাম্মদ কীভাবে কালজয়ী কোরআন লিখলেন এবং তাতে আদৌ কোন ভিন গ্রহবাসীর টেলিপ‌্যাথিক সহায়তা আছে বা ছিল নাকি, সেটি অবিশ্বাসী বিজ্ঞানীদের গবেষণার বিষয় হওয়া উচিত।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০৪

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় আপনি রায়েলের বই টি পড়লে আরো সব উত্তর পেয়ে যাবেন।

rael.org এ যেয়ে The Intelligent Design পাবেন ফ্রি বুক।ওখানে নূহ (আঃ) নবী থেকে শুরু করে মোহাম্মদ সাঃ এর সকল ঘটনা গুলো খুব সুন্দর করে বলে দিয়েছে । ওনারা ও যে ET কন্টাক্টি ছিলেন তারও ধারণা পাওয়া যায়।

নবীজীর মাধ্যমে বলা এত অ্যাডভান্সড সাইন্স কোরানে লেখা সম্ভব হয়েছিল সেই সময়ে কিভাবে তারই ধারণা পাবেন।



ক্রপ সার্কেল (Click This Link) প্যাটার্নে ET দের স্পেইস ক্রাফট ডিজাইনও দেখা যায় । যদিও আমরা সেই টেকনোলজি থেকে বহু দূরে এবং ওসব প্যাটার্ন ও বিশদ বুঝতে পারি না তাই স্পেস শিপের আকৃতি কেন ওরকম হয় বলা কঠিন।

৩. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

কালপুরুষ বলেছেন: ভাল লাগলো আপনার মহাকাশ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত পোস্ট। জানলাম অনেককিছু।

৪. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৪

বৈকুনঠ বলেছেন: মহাকাশ সমন্ধে লেখার মতন তেমন কোনো ব্লগার নাই। লেইখা যান। পড়তে বেশ ভালো লাগে। ব্ল্যাক হোল সম্পর্কে খুব জানতে মন চায়।



কারিনা শব্দটার অর্থতো জানতাম সুন্দর (স্ত্রী লিংগ)

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: ব্ল্যাক হোল নিয়ে লেখা আছে একটি আমার। দেখতে পারেন।

৫. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৮

দ্রোহি বলেছেন:

অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম। বরাবরই ভাল লাগে তথ্যবহুল এই নভোমন্ডলের ব্যবচ্ছেদের প্রয়াস।

ভাল থাকবেন।

৬. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৭

বৈকুনঠ বলেছেন: ধন্যবাদ'

৭. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৯

বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: অনেক ভাল লাগল। কখনো দেখিনি। দেখার ইচ্ছে আছে।

৯. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:২৩

ইমন জুবায়ের বলেছেন: বিলি মিয়ারের ভিডিও ভালো লেগেছে।

১০. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০৮

শূন্য আরণ্যক বলেছেন: বেশ নতুন জিনিস জানলাম ।



ধন্যবাদ । +

১১. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯

আজম বলেছেন: ভালো লাগল লেখাটা।ভিডিও গুলো ডাওনলোড করলাম মাত্র...

রেপটেলিয়ান লিংকগুলো হারিয়ে ফেলছি...

১২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৭

সজল শর্মা বলেছেন: অপেক্ষা করছিলাম নতুন লেখার। আজকে এসে দেখি দুইটি লেখা এসে গেছে। গোগ্রাসে গিলে নিলাম। অনেক ধন্যবাদ। নভোমণ্ডোলীয় বিষয় সত্যিই উপভোগ্য।



Oct 3, 2009

আজম- অ্যান্টি পার্টিকেল

আজম সাইন্স ফিকশান অ্যান্টি পার্টিকেল 

৩রা অক্টোবর ২০০৯

আজমঃ মহাবিশ্ব নিয়ে আপনার লেখা গুলো দারুন, আপনাকে ফেবারিটে এডকরছি।

****

আমার মন্তব্যঃ সব লেখা পড়েছি। ভাল লেগেছে খুব।

আমি গ্যালাক্সি থেকে গ্যালাক্সিতে টাইম ট্র্যাভেলিং এর উপর বই লিখেছি , প্রায় ১০/১২ টা গল্প আছে তাতে। পড়ালে ভাল লাগতো আপনার। কিন্তু আলসেমীর জন্য টাইপ করা হয় না।

******

আজমঃ বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য...ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম।

১০/১২ টা গল্প??

লিখে ফেলুন আলসেমী ভেঙ্গে...

পড়ারজন্য অপেক্ষা করছি।

******

বলেছেন: এ মাসে একটি গল্প প্রকাশিত হয়েছে আমাদের প্রযুক্তি ফোরামের প্রযুক্তি কথন দ্বিতীয় সংখ্যায় ।

আমার লেখাটি পাবেন একদম শেষে। গল্পের নাম 'পথচারী'।

*******

আজমঃ  আপনার ফিকশনটি পড়লাম...ভালো লাগল খুব।

আপনি সামুতে ফিকশন দেন না কেন?

এর পরথেকে আপনার ফিকশন চাই.....

*****

১৩ই অক্টোবর, ২০০৯

বলেছেন: আমি যে গল্পটির কথা বলছিলাম , সেটি আমার ব্লগে দিয়েছি এখন। গল্পের নাম 'সুমনার কথা'। পড়ে দেখতে পার।

***********

আজমঃ আপনার গল্পটি পড়েছি আপু......দারুন লাগল।

আর অন্যান্য গল্পগুলো দ্রুত চাই। 

অনেক ধন্যবাদ গল্পটির কথা জানানোর জন্য।

ভালো থাকুন।

***

হিউম্যান হাইব্রিড -সিন্থিয়া ক্রফর্ড

১০ মিনিটের ভিডিও লিংক পেলাম ৬ টি পার্টে।

লিংক https://www.youtube.com/watch?v=sgnO9Pq5fK4

******

২৭শে  জানুয়ারি ২০১০

আজম: অনেক ধন্যবাদ আপু।

********

আমার মন্তব্যঃ ১৩ই মার্চ, ২০১০

স্টার গেইট ওপেন হয়েছে ৫ ই জানুয়ারি, গালফ অফ এডেন-এ। পাঁচ মিনিটের ছোট একটি ভিডিও পাঠালাম, দেখ প্লিজ... 

লিঙ্ক https://www.youtube.com/watch?v=LRHaP3lbYWM

******

২১শে মার্চ, ২০১০

আমার মন্তব্যঃ এই লিংকে প্রচুর তথ্য পাবে কন্টাক্টি দের সম্বন্ধে

লিঙ্ক https://www.bibliotecapleyades.net/vida_alien/alien_contact.htm#Additional_Information

কারিনা নেবুলা

 ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯

আজম বলেছেন: ভালো লাগল লেখাটা।ভিডিও গুলো ডাওনলোড করলাম মাত্র...

রেপটেলিয়ান লিংকগুলো হারিয়ে ফেলছি...

Oct 2, 2009

সাইন্স ফিকশান আসিমভ-আজম

সাইন্স ফিকশান - ফাউন্ডেশান সিরিজ 

আমার মন্তব্যঃ আইজাক আসিমভ চিন্তা ভাবনায় আমাদের সময়ের থেকে এগুনো ছিলেন । তাই মনে হয় উনি বোধহয় সুদূর ভবিষ্যত থেকেই আসা ।

*****

আজম বলেছেন: আমি ফাউন্ডেশনের প্রথম বইটা যখন কিনে পড়া শুরু করি তখন প্রথম কয়েক পৃষ্ঠা পড়ে খুব বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলাম.....

শেষ পর্যন্ত যখন বইটা শেষ করলাম বিশাল ধাক্কা খেলাম,মানুষের চিন্তা এত দূরে বিস্তৃত হতে পারে!!!

পরের বই গুলো পড়ে আমি হতবম্ব।

কে বলতে পারে,হয়ত উনি ভবিষ্যত থেকে এসেছেন!

আরেকটা বিস্ময়কর ঘটনা উনিকিন্তু খুব কম বয়সে লেখাগুলো শুরু করেছন.....শেষ বয়সেও আবার ফাউন্ডেশন

সাই ফাই -আজম

রিং গ্যালাক্সি

 ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪২

আজম বলেছেন: খুব ভালো লাগল.....জ্যোতির্বিজ্ঞানে আমি খুব উৎসাহী।

আপনার ব্লগের নিয়মিত পাঠক হলাম।

ধন্যবাদ ।

আজমের সাই ফাই

০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৪৭

হুমায়রা হারুন বলেছেন: খুব সুন্দর।

সুদুর ভবিষ্যত থেকে এ রকম সিগনাল হয়তো বা ক্রপ সার্কেলের মাধ্যমে আজও পাঠাচ্ছে। আমাদের ই যা একটু বুঝতে দেরী।



আমার প্রিয় কিছু ক্রপ সার্কেলের ছবি আছে এখানে, সময় পেলে দেখবেন। https://www.colinandrews.net/Crop-Circles-2009.html

সবগুলোর মধ্যে ৩৫ নম্বর ছবিটা খুব জটিল লেগেছে আমার কাছে।





আমার মন্তব্যঃ খুব সুন্দর। সুদুর ভবিষ্যত থেকে এ রকম সিগনাল হয়তো বা ক্রপ সার্কেলের মাধ্যমে আজও পাঠাচ্ছে। আমাদের ই যা একটু বুঝতে দেরী।

আমার প্রিয় কিছু ক্রপ সার্কেলের ছবি আছে এখানে, সময় পেলে দেখবেন। https://www.colinandrews.net/Crop-Circles-2009.html

সবগুলোর মধ্যে ৩৫ নম্বর ছবিটা খুব জটিল০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:২৫

লেখক বলেছেন: ক্রপস সার্কেল নিয়ে একটা ডুকুমেন্টারী দেখেছিলাম ডিসকবারী চ্যানেলে। আসলেই ব্যাপারটা বিস্ময়কর......



তবে আপনি যে লিংক দিয়েছেন ক্রপস সর্কেলের,সেগুলোর বেশির ভাগ ছবি ইংল্যান্ডের।এর কারন কি?

আমি বড় হয়েছি গ্রামে, ধানক্ষেত ছিল বাড়ীর চার পাশে...সে খানে কখনো এই ধরনের শিল্প তো চোখে পড়িনি।কিংবা আশে পাশে কোথাও....

কিন্তু ব্যাপারটা বিস্ময়কর...একরাতে কম সময়ে এত সুন্দর শিল্প,অবাক না হয় পারা যায় না!!
আমরা আসলে রহস্যময় একটা জগতে ডুবে আছি...... লেগেছে আমার কাছে।

*******

৩রা অক্টোবর, ২০০৯
আমার মন্তব্যঃ শুধু ইংল্যান্ডেই নয়,নেদারল্যান্ড,সুইজারল্যান্ড, কানাডার কিছু জায়গায়, আমেরিকার কিছু অঞ্চলেও দেখা যায় । হায়ার ডাইমেনশানাল ET রা যখন এসব বানায় তখন অনেক কিছু ভেবেই বানায় হয়তোবা। একদম আন্দাজি না। যেমন জমির পরিমাণ। একটা প্যার্টান বানাতে কয়েক বিঘা জমির ফসল প্রভাবিত হয় ও পরে ব্যবহার করা যায় না অনেক ক্ষেত্রে। সেই কৃষকের মাথায় তখন হাত। উন্নত দেশে কৃষকেরা এ ক্ষতির ধাক্কা সামলাতে পারলেও আমাদের মতন দরিদ্র দেশে তা সম্ভব হবে না যে তা ET রা জানে।

আবার ওদের জমিগুলোর মালিক ভিন্ন হলেও বাউন্ডারি/আইল দিয়ে জমিগুলো বিভক্ত থাকে না যা আমাদের দেশে থাকে। আইল না থাকার কারণে সেই জমিনে প্যাটার্ন গুলো সুন্দর ভাবে ফুটানো যায়।

ওরা কিভাবে প্যাটার্ন বানায় তাও দেখতে পাওয়া যায় রবার্টের তোলা ভিডিওতে (Click This Link)।

*****

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: সময় নিয়ে মন্তব্য লেখার জন্য ধন্যবাদ।

যুক্তি গুলো ভালো লাগল...

৫ই নভেম্বর ২০০৯

আমার মন্তব্যঃ  প্রজেক্ট রেইনবো ফিলাডেলফিয়ার সাইটি দেখতে পারো। টাইম ট্র্যাভেল সংক্রান্ত।

****

আরিফুর রহমান বলেছেন: ঠিকাসে.... তবে সায়েন্স ফিকশনে এতো বেশি জার্গনের ছড়াছড়ি আম-জনতার জন্য হজমে কষ্টকর কৈরা ফেলে...

*****

আমার মন্তব্যঃ এবার আসি ইংল্যান্ডের কথায়। দক্ষিণ ইংল্যান্ডের উইল্টশায়ারে ক্রপ সার্কেলের আধিক্য সর্বাধিক। কেন, কেউ জানে না। আরো অবাককর হলো ওখানেই রয়েছে অতি আশ্চর্য্য স্টোন হেঞ্জ এর উপস্থিতি যা কিভাবে, কারা এবং কেন গঠণ করেছিল, কেউ বলতে পারে না। এতগুলো ঘটনার সমন্বয় যেখানে, সেখানে এক্সপ্লোরারদের দৃষ্টি আকৃষ্ট হবেই। তারা অবশেষে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন যে, খুব সম্ভবত এই অঞ্চলটির আদি অধিবাসী যারা কিনা এই গ্রহ ছেড়ে বহু আগেই গ্যালাক্সি ভ্রমণে বেরিয়ে পড়েছে তারা তাদের পুরোনো বাসস্থান দেখতেই বার বার ফিরে আসে এ খানে। লিখে রেখে যায় অনেক কথা ছবির মাধ্যমে যা আমাদের বোধগম্যের অনেক উর্ধ্বে। এই লিংকে স্টোনহেঞ্জ ও ক্রপ সার্কেল এক সাথে পাওয়া যাবে http://www.weirdwiltshire.co.uk/index2.html

ET Contactee  অ্যালেক্স জিজ্ঞেস করেছিল অ্যান্ড্রমিডিয়ানদেরকে ক্রপ সার্কেল রহস্য সম্বন্ধে। ওরা বলেছিল যে প্যার্টান গুলোর মাধ্যমে যে মেসেজ দেয়া হচ্ছে তা বুঝবার সময় এখনো হয়নি আমাদের বা আমরা এখনো তার উপযুক্ত হয়নি। তবুও আমাদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যই এসকল প্যাটার্নের আবির্ভাব, যাতে আমরা একটু হলেও বুঝতে পারি যে আমাদের থেকে হায়ার এন্টিটি এই বিশ্বে আছে যারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করছে বা করতে চাইছে।

সাইন্স ফিকশান - পাই সিগনাল

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৩

আরিফুর রহমান বলেছেন: ঠিকাসে....

তবে সায়েন্স ফিকশনে এতো বেশি জার্গনের ছড়াছড়ি আম-জনতার জন্য হজমে কষ্টকর কৈরা ফেলে...

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: জার্গন মানে তো বুঝলাম না...

তবে এই লেখাটি আমার প্রথম দিককার লেখা।হয়তবা অন্যভাবে লেখা যেত...কিন্তু এখানে আমি থিমটাকে গুরুত্ব দিছি,সেজন্য হয়তবা পড়ার সময় ঠিক ভালো না লাগতে পারে,সেটা অন্যান্য কমেন্টে বলেছি।এখন সাই ফাই সহজ ভাষায় লেখার চেষ্টা করি। জানি না সেটা কতটুকু পারি।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ......

Sep 10, 2009

বিষাদিত রাত্রির রাগ: চন্দ্রকোষ

 আমার মন্তব্য রাগ চন্দ্রকোষ

হুমায়রা হারুন বলেছেনঃ আহ কতদিন গাই না রাগ চন্দ্রকোষ..
.বনপথে কে যায়্‌ যায় গো
মনে হয় যেন তার চিনি আমি হায় গো।

**********

ইমন জুবায়ের বলেছেনঃ আমিও বাজাতাম গিটারে। বছর খানেক হল ঘরে গিটার নেই।

*********
হুমায়রা হারুন বলেছেনঃ কেন গিটার নেই ঘরে? আপনি ও কি আমার মত পরবাসী নাকি ? আমার এখানে কোন হারমোনিয়ামের দোকান নেই।

**********

ইমন জুবায়ের বলেছেনঃ না, না। আমি ঠিক পরবাসী নই। গিটার ঘরে নেই অন্য কারণে। তাছা ড়া কয়েক মাস ধরে বাঁ হাতের কড়ে আঙুলে বিচ্ছিরি ধরনের ইনফেকশন হয়ে আছে । এসব কারণেই এখন গান শুনেই দিন কাটাতে হচ্ছে।


Sep 9, 2009

বৈজ্ঞানিক দ্রোহির গানের লিঙ্ক

https://www.somewhereinblog.net/blog/drohi/29004809

১৬ই মার্চ, ২০২৬

আমার পোস্ট হ্যালিক্স নেবুলা -তে দ্রোহীর গান  -এর লিঙ্ক 

৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩৫

দ্রোহি বলেছেন: ভাল লাগল। সবগুলো লেখা পড়ে ফেলবো শিঘ্রই।



অফ টপিকঃ সেই Nature Boy গানটার লিন্ক নিচে দিয়ে গেলাম। শুনে দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=HQerH4nRTUA

Click This Link: https://www.4shared.com/get/120615817/d4307ceb/Nat_King_Cole_-_Nature_Boy.html;jsessionid=126DCE09CAD2203FBB9C98B1DBE97AFF.dc116

 ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৯

রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: কামনা করি যেন বাংলার ঘরে ঘরে এইরকম বিজ্ঞানমনষ্কতা গড়ে ওঠে।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। অনকেদিন পর আমার ব্লগে এলেন।

 ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৩

সাধারণমানুষ বলেছেন: আমি বানাই ছিলাম মিসাইল , যদি তাকে এলাকাবাসী রকেট বোম হিসাবে আখ্যায়িত করছিল। কি কি যে লাগছিল তা মোটামুটি মনে আছে চিন্তা করতেছি পোষ্টামু ।



নাইনে যদিও কমার্স নিছিলাম তবে বৈজ্ঞানিক কর্মকান্ড থেকে দুরে ছিলাম না ।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন:

শাবাস!!! ধারাটা মনে হয় এখনো ধরে রেখেছেন? নইলে আভাটারে যে ছবি! ভুই পাইছি

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৫

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন:

বিষয়টা সিরিয়াস কিছুনা। আমি আর এক বন্ধু আরিফ, এই দু'জনে হবি হিসেবে খেলনা প্লেন বানিয়ে উড়াই। উইং আর ফিউজ্যিলাজ তৈরী করি কর্কশীট দিয়ে, পরে তার উপড় এ্যপোক্সি (ফাইবার গ্লাস শীট) দিয়ে আবরণ দিই। ইঞ্জিন হিসেবে ব্যবহৃত হয় হাই আরপিএম মোটর (১৭০০০-২২০০০ আরপিএম) প্রপেলর আর ফিউজ্যিলাজ রিব নিজেরাই তৈরী করি বেলসা উড দিয়ে। আর কন্ট্রোলের জন্য থাকে ২.৭ মেগাহার্টজের রেডিও কন্ট্রোল।

খেলনা হলেও প্লেন গুলো যাতে সত্যিই উড়ে তার জন্য প্রতিটি মডেলই হতে হয় অ্যারোডাইনামিক। এরজন্য নিখুঁত হিসেব নিকেশের প্রয়োজন রয়েছে। বলতে পারেন অ্যারোনটিক্স এ মোটামুটি আধা হফেজ হতে হয়েছে :(

আমি বাংলাদেশের কোথাও সারভো মটর খুঁজে পাইনি। তাই আমাদের প্লেনগুলো থ্রিডি প্লেন না। আপাতত সবই সেইল প্লেন। এগুলো বেশ ভাল অল্টিচুড পায়, ডানে বামেও ঘোরে কিন্তু উল্টো দিকে বা ডিগবাজী দিতে পারেনা।

বিদেশে এসবের জন্য অনেক হবি শপ আর ক্লাব রয়েছে, এরা নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতাও করে। আমাদের এখানে সে সুযোগ না থাকায় বেশ অসুবিধা হয়, তার পরও যা আছে সেটা নিয়েই চেষ্টা করছি।

ধন্যবাদ আপনার আগ্রহের জন্য।

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩২

আজম বলেছেন: হ আপনার কাহিনী ভালো লাগছে।

স্কুলে থাকার সময় আমার নিজস্ব একটা কেমেষ্ট্রি ল্যাব ছিল,:)

সেটা অবশ্য মোবাইল ল্যাব,একটা জুতার বাক্সে :) :)



আমাদের বাসায় আবার সালফিরিক এসিড ছিল,কি একটা কাজে যেন আনছিল। তো একদিন জানতে পারলাম এই এসিডের কথা।

ব্যাস আমারে আর পায় কে, সব কিছু ডুবাতাম এই এসিডে

তবে বাসার কেউ এটা জানত না।

আর একটা কাহিনী মনে পড়ে সলিনয়েড বানাতে গেছিলাম,একটা দা নিছিলাম,এর চারপাশে পেছালাম তার, তারপর সেটা দিলাম সরাসরি এসি লাইনে। :(

যা হবার তাই হল :) ব্যাঙ এর হাড় বের কার ব্যাপারটি অবশ্য নিরাপদে করতে পারছি

কারন ব্যাঙ কে ডুবাইছিলাম পেট্রোলে ভরা বয়ামে। এটা অবশ্য নিজস্ব পর্যবেক্ষন ছিল। ভুল করে একবার এক মাছকে দিলাম পানির মধ্যে, তো পরের দিন দেখলাম মাছটার হার ছাড়া আরকিছু নাই,

ব্যাপার কি অনুসন্দান করতে গিয়ে দেখলাম বয়ামে পানি ছিল না পেট্রোল ছিল :(

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: আরেক জন বৈজ্ঞানিক পাওয়া গেল। এইবার একটা বিজ্ঞান সম্মেলন করতে হয়

কারিনা নেবুলা

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৮

দ্রোহি বলেছেন:

অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম। বরাবরই ভাল লাগে তথ্যবহুল এই নভোমন্ডলের ব্যবচ্ছেদের প্রয়াস।



ভাল থাকবেন।

'


Sep 6, 2009

রাগের নাম ভৈরবী

 আমার মন্তব্য


রাগের নাম ভৈরবী

হুমায়রা হারুন বলেছেনঃ ++++++++

ইমন জুবায়ের বলেছেনঃ ধন্যবাদ