Feb 2, 2026

এখনি সময়

আমার মন্তব্য 

এখনি সময় 

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: কিন্তু ঊর্জা এখনো তার ডেস্কে ফেরেনি। অরুণাভ চলে যাবে দশটার দিকে।

........................................

সময় কারও জন্য অপেক্ষা করেনা ।

*****

লেখক বলেছেন: একদম ঠিক । সময়য় কারো জন্য অপেক্ষা করে না। আবার যখন যাবার তখন যেতেই হবে - শত অসমাপ্ত অধ্যায় থাকুক।

****

অপ্‌সরা বলেছেন: এখানেই কি শেষ? নাকি আরও আসবে?

****

লেখক বলেছেন: যদি চাও ঊর্জাকে ফিরিয়ে আনি তাহলে ভুত হয়ে তাকে আসতে হবে, কারণ ঊর্জার ট্রাঞ্জিশান হয়ে গেছে।

ট্রাঞ্জিশান হওয়া মানে আমাদের আত্মা যেই silver chord (সিলভার কর্ড) দিয়ে সোর্সের সাথে যুক্ত থাকে,তা পুরোপুরি ছিন্ন হওয়া। ফলে আত্মা শত চেষ্টা করেও দেহে প্রবেশ করতে পারে না। তখন বলি 'দেহের' মৃত্যু হয়েছে। আত্মাটার না কিন্তু।

আর প্রতি রাতে, ঘুমের সময় আত্মা যে দেহ থেকে বের হয়ে বিভিন্ন লোকে বিচরণ করে দেহে ফেরত আসে , তা সম্ভব হয় কারণ , silver chord -টি সোর্স এবং দেহের মাঝে তখনো যুক্ত থাকে। না থাকলে আত্মা , দেহে ফেরত আসতে পারতো না । আমরা বলতাম ঘুমের মধ্যে লোকটি মারা গেছে। এরকম -টা কখন ঘটবে তা, মানে সিলভার কর্ড কখন পারমানেন্টলি বিচ্ছিন্ন হবে দেহ থেকে, তা আমাদের সকলের জন্য আমাদের এই ধরায় এন্ট্রি করার সময়ে নির্ধারিত হয়। মানে এন্ট্রি , এক্সিট জেনেই আমরা এই ধরায় আসি। আমাদের সাব-কনশাস সব টাইমিং জানে।

সন্তান যেমন মায়ের গর্ভে নাভি রজ্জু দ্বারা মায়ের সাথে যুক্ত থাকে, তেমনি আমরা আমাদের নাভি- র সাথে সংযুক্ত silver chord দ্বারা সোর্সের সাথে যংযুক্ত থাকি। এটা চোখে দেখা যায় না। সম্পূর্ণ এনার্জেটিক কর্ড।

ট্রাঞ্জিশানের ওপর দুটি ভাবনা আমি গল্প আকারে যখন লিখেছিলাম, তার একটি হলো নিঃসঙ্গ যাত্রী। এখানে খেয়াল করবে , আমরিন যা দেখছে, যা অনুভব করছে, তার ট্রাঞ্জিশান হবার মুহূর্তে , তা তার আশপাশের কেউই দেখতে পাচ্ছে না , বুঝতেও পারছে না। কারণ রোগী তখন বাস্তব থেকে পরাবাস্তবের সোপানে উঠে গেছে।

ট্রাঞ্জিশানের ওপর আরেকটি ভাবনা এসেছিল মনে, যেখানে বাসার মিরর্‌ , পোর্টাল হিসেবে কাজ করেছিল। তা লিখেছিলাম একটু দেরী -১ গল্পে। এখানে মিরর্‌ , আচমকা পোর্টাল ওপেন করে আলেয়াকে টেনে নিয়ে গেছে অন্য জগতে, যেখান থেকে আলেয়া ফেরৎ আসতে পারেনি।

দুটোই এ কারণে একটু মেটাফিজিক্স, মানে পরাবাস্তব ধাঁচের গল্প হয়ে গেছে।

সময় পেলে দেখে নিও আপুমণি।

অনেক ভালবাসা তোমার জন্য।

****

পাঠক বলেছেনঃ উর্জা নামটা আগে শুনিনি।

****

লেখক বলেছেন: ঊর্জা মানে spirit. জীবনী শক্তি। প্রাণ। সংস্কৃত ভাষার একজন পন্ডিতের কাছ থেকে শিখেছি।

Feb 1, 2026

গল্প-বাড়ির পথ

  ০১ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:২৯

হুমায়রা হারুন বলেছেন: বাড়ির পথ 
কাকতালীয় তো বটেই।
synchronicity -ও বলা যেতে পারে।
ভাইব্রেশান হায়ার হয়ে থাকলে, নেচার -কমিউনিকেট করার সাইনগুলো চোখে পড়ে বিভিন্ন ভাবে। যেমন এখন দেখলেন আমার পোস্টের সাথে আপনার দেয়ালে টাঙ্গানো ছবির মিল। আবার দেখা যায় নাম্বারের রিপিটেশান। যেমন ঘড়িতে বাজে ১:১১, ২:২২, এবং ঠিক ঐ সময়ে রিপিটেড নম্বর চোখে পড়ে।

আসলেই ব্যাপারটা মজার।

Jan 29, 2026

গান- হেভি মেটাল

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:১৯

হুমায়রা হারুন বলেছেন: থ্র্যাশ ফর মেটাল
প্রথম গানটি টর্নোডো অফ সৌলস- র শুরুটা খুব ভাল লেগেছে।
প্রথমটির শুরুর দিকের সুর আমাদের বাংলা ব্যান্ডের কোন এক গানের সুর মনে করিয়ে দিচ্ছে।
ব্যান্ডের ওপর আরো লেখা পাবো আশা করি - দেশী বিদেশী।
আমার প্রথম শোনা গান /সুর Europe - The Final Countdown
গুগল করে জানলাম, The Final Countdown হলো সুইডিশ রক ব্যান্ড Europe-এর একটি গান, যা ১৯৮৬ সালে মুক্তি পায়। তাদের প্রধান গায়ক Joey Tempest এটি লিখেছিলেন। এটি ১৯৮০-এর দশকের প্রথম দিকে তৈরি করা । গানের কথা David Bowie-এর "Space Oddity" দ্বারা অনুপ্রাণিত।
মূলত শুধুমাত্র একটি কনসার্ট ওপেনার হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। এটি ব্যান্ডের একই নামের স্টুডিও অ্যালবামের প্রথম সিঙ্গেল এবং টাইটেল ট্র্যাক।
জেনে অদ্ভুত লাগল যে ব্যান্ডটি কখনো ভাবেনি যে এটি একটি হিট হবে। আর বাংলাদেশে বসে আমি তাদের মুগ্ধ শ্রোতা হয়ে গিয়েছিলাম। আরো জানলাম , কিন্তু যখন তাদের রেকর্ড কোম্পানি Epic Records এটিকে প্রথম সিঙ্গেল হিসেবে প্রকাশ করার পরামর্শ দেয়, তখন ব্যান্ড সিদ্ধান্ত নেয় এটি প্রকাশ করার।

১৯৮৬ এবং ১৯৮৭ সালে মুক্তির পর "The Final Countdown" বিশ্বব্যাপী চার্টে সফল হয়, ২৫টি দেশে (যুক্তরাজ্য সহ, যেখানে এটি দুই সপ্তাহ শীর্ষে ছিল) এক নম্বরে পৌঁছায়, এবং এটি ব্যাপকভাবে ব্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং স্বীকৃত গান হিসেবে বিবেচিত হয়। সিঙ্গেলটি US Billboard Hot 100 চার্টে ৮ নম্বরে পৌঁছায়। আমাদের রেডিওতে তখন দুপুরে একটা অনুষ্ঠান হতো 'World Music', যার বদৌলতে বিদেশী গান শুনবার সুযোগ হতো।
আরো জানলাম, Nick Morris-এর তৈরি মিউজিক ভিডিওটি YouTube-এ ১.৩ বিলিয়নেরও বেশি ভিউ পেয়েছে। বিশ্বব্যাপী প্রায় ৮ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছিল The Final Countdown সিঙ্গেলের। গানটি ১৮টি দেশে চার্টের শীর্ষে উঠেছিল এবং CBS Records-এর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হিট হয়ে ওঠে। এই গানটি আজও বিশ্বজুড়ে ক্রীড়া ইভেন্ট, টেলিভিশন শো এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় এবং ১৯৮০-এর দশকের অন্যতম আইকনিক রক সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃত।

আরেকটু পরের দিক প্রিয় হলো Roxette - The Look
তারপর Bon Jovi - It's My Life

মাইকেল জ্যাকসন তো পাশাপাশি ছিলই। এগুলোই বাল্যকালের স্মৃতি। 

***

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন: প্রিয় ব্লগার, আন্তরিক ধন্যবাদ আপনার বিস্তারিত মন্তব্যে। দুটো মন্তব্যের উত্তর একসঙ্গে দিচ্ছি এই ঘরে।

ইয়োরোপা ব্যান্ডের ফাইনাল কাউন্টডাউন গানটার সঙ্গে আপনি মিল খুঁজে পাবেন বাংলাদেশের মাইলসের ফিরিয়ে দাও গানটির মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্টের। দুটো গানই শুরু হয় এক কিংবদন্তি কিবোর্ড মিউজিক পিস দিয়ে। খুব সহজ, একই সঙ্গে হৃদয়গ্রাহী। আমিও আসলে প্রথম ইংরেজি গান শোনা শুরু করি ঠিক হেভি বা থ্রাশ মেটাল ব্যান্ড দিয়ে নয়, বরং ইয়োরোপার কাছাকাছি একটা জনরা থেকে। আমার প্রথম শোনা ইংরেজি ব্যান্ডের গান ছিল লিঙ্কিং পার্কের ইন দি এন্ড। তখন এমিনেম বা ফিফটি সেন্টসের র‍্যাপও পছন্দ করতাম।

বনজোভি, মাইকেল জ্যাকসন কিছু কিছু শুনেছি। কিন্তু রোক্সেট একেবারেই অপরচিতি আমার জন্য।

এবছর ইউটিউব দেখলাম নতুন ফিচার যুক্ত করেছে। ঘুরে ফিরে একই রকম ভিডিও নিউজফিডে ঘোরাফেরা করতে থাকলে তারা বড় রকমের শাফল করে একই প্যাটার্নের নতুন ভিডিও সাজেস্ট করে। এভাবে অনেক নতুন ব্যান্ড এবং আর্টিস্ট খুঁজে পেয়েছি এ বছরের প্রথম মাসে। তাদের নিয়ে সময় করে লিখবো কিছু কিছু।

পুনরায় ধন্যবাদ আপনার বিস্তারিত কমেন্টে। আপনার সময়ের বাংলাদেশের তরুণ তরুণীদের মিউজিকের টেস্ট নিয়েও কিছু লেখার অনুরোধ আপনার প্রতি। নিরন্তর শুভকামনা।

***

 ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:২০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সবচে জনপ্রিয় ব্যান্ড মেগাডেথের ফ্রন্টম্যান,
.......................................................................
এ বিষয়ে একেবারেই অজ্ঞ,
তাই এর উপর মন্তব্য করতে চাইনা ,
তবে , এই মিউজিক মানুষের জীবনে বড় কোন ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছিল কিনা জানা থাকলে বলবেন ।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: কোন ধরনের মিউজিক কার ওপর কিরকম প্রভাব ফেলবে, বা আদৌ ফেলবে কি না, এটা অনেকাংশেই ভৌগলিক একটা ব্যাপার। জেনারেশনেরও ব্যাপার। মেগাডেথ ব্যান্ড তার লিসেনারদের ওপর কেমন প্রভাব রেখেছে, ওটা ব্যান্ডের ইউটিউব পেইজে গিয়ে যে কোন গানের কমেন্ট সেকশনে একবার তাকালেই বুঝবেন।

৪. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৬

হাইজেনবার্গ ০৬ বলেছেন: মেগাডেথ ক্লিক করে নাই কখনো, বন্ধুরা শুনতো।কলেজে ক্লাসের বেন্চে নানান ক্যালিগ্রাফীতে 'মেগাডেথ' খোধাই করে রাখতো।তারা সবাই গিটার নিয়ে সাধনায় ছিলো। যারা গিটার বাজাতো তাদের কাছে মেগাডেথ,আইরন মেইডেন ছিলো আদর্শ। আমার কাছে এর চেয়ে মেটালিকা, লেড যেপলিন, গানস এন্ড রোজেস ভালো লাগতো।পরে সিস্টেম অফ ডাউন, ডিস্টার্বড,কর্ন শুনতাম। মাঝে গডস্ম্যাক শুনছি কিছুদিন।আমার কাছে গানে ভালো লিরিক্স, টিউন সহ মেলোডি থাকতে হবে। যেমন জার্মানি ব্যান্ড রামস্টািইন লিরিক্স না বুজলেও গানে দারুন মাধুর্য আছে। মেগাডেথে তা নাই। 
ধরেন এটিএনের মাফফুজে গান গাইতাছে ইভা রহমানের লিরিক্স দিয়া পিছনে গিটার হাতে আর্টসেলের এরশাদ; শুনতে কেমন শুনাবে? 

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৯

লেখক বলেছেন: আপনি মনে হয় আমাকে খ্যাপানোর জন্যই কমেন্টটা করসেন। আপনার উদ্দেশ্য সফল হইসে। বাট আমি রিঅ্যাক্ট করবো না। কারণ, আপনার গিটারিস্ট বন্ধুরা গান বুঝে শুনতো। আপনি গান শুনেন শখে। তদুপরি মেটাল মিউজিকে 'মাধুর্য' খুঁজেন। এ বড় বিষম বিড়ম্বনা। : )

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:১২

হুমায়রা হারুন বলেছেন: থ্র্যাশ মেটাল
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার দীর্ঘ মন্তব্যের জন্য।
আমার সময়ে গান নিয়ে আলাপ আলোচনা করার কোন সুযোগ আমার চারপাশে ছিল না।
মাত্র একজন বোদ্ধা ছিল, কিন্তু আমি এ সম্বন্ধে কিছুই জানতাম না। আলাপ করতে পারতাম না।
ভাষাও তো বুঝতাম না। বাংলাদেশ বেতারের World Music থেকে যা একটু শোনার সুযোগ।
তারপর ১৯৮৪ কি ৮৫ সাল। Dolly Parton, Kenny Rogers এর Islands In the Stream এর লিরিক এক বন্ধু, ক্যাসেটের কভারের গায়ে ছোট্ট করে লেখা - তা জোগাড় করলো। লিরিক হাতে লিখে তুলে নিলাম খাতায়। ক্যাসেট বাজিয়ে মন্ত্র মুগ্ধের মত শুনলাম। এক শোনায় সুর মুখস্থ।
মেয়েদের সার্কেলে গল্পের/ আড্ডার টপিক অন্যরকম হয়।
বহিঃ বিশ্ব - এর কালচার নিয়ে, আমি কখনোই মেয়েদের মাঝে আলাপ শুনিনি দু' একজন ছাড়া, যা ছেলেদের সার্কেলে সবার মাঝে হয় (খুব সম্ভবত।)
***

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২১

হুমায়রা হারুন বলেছেন: হাইজেনবার্গ ০৬ বলেছেন, এটিএনের মাফফুজে গান গাইতাছে ইভা রহমানের লিরিক্স দিয়া পিছনে গিটার হাতে আর্টসেলের এরশাদ; শুনতে কেমন শুনাবে? - লাইনটা ভীষণ ভালো লেগেছে।
কিন্তু তারপরও ওনার যে চেষ্টা - গায়ক হবার, এই চেষ্টাটা আমার ভাল লাগে।
কোন সাল সঠিক মনে নেই, আমার শোনার শেষের দিকে একটা কঠিন গান - একদম তাল মেইণ্টেন করে গাইতে পেরেছিলেন।
আমরা যদি তার মত সাধনা করতে পারতাম তাহলে তো শিল্পী হতেই পারতাম।
---------------

হাইজেনবার্গ ০৬ঃ বাংলাদেশ বেতারের World Music এ প্রোগ্রামটা ৯০ দশকের শেষের দিকেও ছিল। আমি মাঝে মাঝে শুনতাম। সেখান থেকে শুনা আপনারে দুইটা গান শুনাই।
মাহফুজ স্যার যদি আপনার এ কমেন্ট দেখে তাইলে আগামি রোজার ঈদের এটিএনে গানের অনুষ্ঠানে উনার উৎপাত একটু বেশী হবে ।

------------------------

আমার মন্তব্যঃ খুব ভাল লাগলো গান দুটো। অনেক ধন্যবাদ। আমি আসলে, যারা খুব চেষ্টা করে তাদের চেষ্টাকে উৎসাহ দিই।
আরেকজন ছিল কন্ঠশিল্পী আমাদের দেশে। নজরুল গীতি গাইতেন। গান শুনলে মনে হতো গান নয়, কথা বার্তা বলছে।
খুব চেষ্টা করতো শিল্পী হবার। বিটিভিতে তার স্বামী খুব বড় পদে ছিলেন, সেজন্য অনেক অনুষ্ঠান করতেন।

***


Jan 21, 2026

ডোগন ও সিরিয়াস নক্ষত্রমন্ডলী

১. ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩

আলামিন১০৪ বলেছেন: আপনার প্রবন্ধ কৌতূহলোদ্দীপক, কিন্তু তথ্যসূত্র দেয়া প্রযোজন।

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।
আপনি একদম সঠিক বলেছেন - এই ধরনের বিষয়ের জন্য সুনির্দিষ্ট তথ্যসূত্র অপরিহার্য। আমি আন্তর্জাল থেকে তথ্য নিয়েছি। তাই-ই উল্লেখ করে দিলাম । 

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:২১

স্বপ্নের শঙ্খচিল| বলেছেন: নাইজারের দক্ষিণে মালি নামক এক মালভূমিতে বাস করে
ডোগন (Dogon) নামক এক জাতিগোষ্ঠী।

.................................................................................
এই প্রথম এদের বিষয়ে জানলাম, আরও জানার আগ্রহ থাকল ।
শুভ ব্লগিং

১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: ভ্যাটিকান -রা Fish people সম্বন্ধে জ্ঞাত। ।
পোপের মাথার মুকুটের আকৃতি মাছের মুখ সদৃশ।

 ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ কাজী ফাতেমা।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: আপনার সুচিন্তিত মন্তব্য এবং অতিরিক্ত গবেষণার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
আপনার মন্তব্য সর্বদা পোস্টকে সুন্দর থেকে সুন্দরতর করে তোলে।
আপনি যে দীর্ঘ সময় নিয়ে ইন্টারনেট ঘেঁটে ডোগন জাতিগোষ্ঠী সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। জ্ঞানের এই যাত্রায় আপনার আগ্রহ এবং কৌতূহল দেখে আমি অবাক।
ডোগন জাতিগোষ্ঠীর মতো অনন্য সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানা আমাদের বিশ্ব দৃষ্টিভঙ্গি সমৃদ্ধ করে এবং মানব সভ্যতার বৈচিত্র্য সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি করে।
আপনি যে অতিরিক্ত তথ্য দিয়ে মূল পোস্টকে আরও substantiate করেছেন, তা অন্য পাঠকদের জন্যও অত্যন্ত মূল্যবান হবে। এভাবে পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমেই আমরা সবাই একসাথে শিখতে পারি। আসলে আপনার এই মন্তব্যটি দিয়েই একটি পোস্ট তৈরী করে ফেলা যায় । শুধু ভ্যাটিকানের বিষয়টি সংযুক্ত করে দেবেন। ভ্যাটিকানের নীচের গোপন লাইব্রেরিতে তো Fish people এর সব তথ্যই আছে । শুধু আমাদের জানতে দেয় না। তারা তারাই জেনে পৃথিবী শাসন করে চলেছে এত বছর।
যাই হোক। আবারও ধন্যবাদ আপনার সময় এবং মূল্যবান মন্তব্যের জন্য।
আপনার এই অনুসন্ধিৎসু মনোভাব অব্যাহত থাকুক।
শুভেচ্ছা রইলো।


কবির ব্যস্ততা স্বপ্নের শংখচিল

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৪৮


স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ব্যাকুল হই;
ফিরে আসি আবার যান্ত্রিক কাক ডাকা এই শহরে।

.......................................................................
আছি আমি দুরের গ্রামে,
ময়নার হাঁটা হাঁটি দেখি সর্ন্তপনে
কখনবা বেলা উঠে, ডুবে যায় আকাশে
হিসাব রাখেনা কবি গুনে শুনে,
বরফের ঢাকা এই চরণে !!!
***
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৭

হুমায়রা হারুন বলেছেনঃ
@ স্বপ্নের শঙ্খচিলঃ আছি আমি দুরের গ্রামে,
ময়নার হাঁটা হাঁটি দেখি সর্ন্তপনে
কখনবা বেলা উঠে, ডুবে যায় আকাশে
হিসাব রাখেনা কবি গুনে শুনে,
বরফের ঢাকা এই চরণে !!!
খুব ভাল লাগলো এই কয়েকটি লাইন। আমার এখানে পত্র পল্লবহীন বরফে ঢাকা চরাচরে একটু উষ্ণতা বৃদ্ধি পেলে পাখির কুজন জানান দেয় জীবন আছে।

***

২২শে জানুয়ারি, ২০২৬ 
কবির মন্তব্যঃ আপনার ভালোলাগা যথেষ্ট আনন্দ দিয়েছে। একসময় কবিতা লিখতাম, আকিজুঁকি হতো ৩/৪ দিন পর একটা কবিতা প্রকাশের মুখ দেখত । কিন্ত এখন দেখি কবিতা পড়ার "সেই হৃদয়ের গোপনে লালিত" বন্ধুরা নেই, তাছাড়া চলমান জীবনের ব্যস্ততা "কবি মন"কে আড়াল করে দেয় নিষ্ঠুর ভাবে ।
***

২২শে জানুয়ারি, ২০২৬
আমার মন্তব্যঃ বাস্তবতা খুব বড় একটা ফ্যাক্টর ।
তারপরও মনে হলো আপনার লেখার হাত দেখে এখনো আপনার মনের মাঝে ছন্দ আছে। কমেন্টে যা দু' এক লাইন লিখে ফেলেন, তাই-ই বড় পরিসরে লিখে পোস্ট দিলে আমরা পাঠকরা আপনার প্রতিভা থেকে বঞ্চিত হতাম না। '

***



Jan 19, 2026

চেতনায় সৃষ্টি

 ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৫


স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: একই ধরনের চিন্তা, একই ধরনের কর্ম, একই ধরনের ফলাফল দেখে দেখে মানুষ আশাহত হয়ে ভাগ্যকে দোষারোপ করে, কুসংস্কারে আবদ্ধ হয়। কারণ,
• নতুন অভিজ্ঞতা → চেতনার প্রসারণ
• প্রসারিত চেতনা → অভূতপূর্ব সৃষ্টি
• সীমিত চেতনা → পুনরাবৃত্তিমূলক সৃষ্টি

..............................................................................................
জনসাধারনকে এই পরিমান জ্ঞান লাভের জন্য পড়াশুনা করতে হবে
বিগত ৫৪ বৎসরে দেশে এই ধরনের প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে কী
বা কর্মশালা চলমান ???

১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: শুধু আমাদের দেশেই না, সমগ্র পৃথিবীর স্কুল সিস্টেম থেকে মেটাফিজিক্স বাদ দেয়া হয়েছে, যেন মানুষকে অন্ধকারে রাখা যায়। কিন্তু এখন যেহেতু পৃথিবী (Mother Earth ) higher vibration -এ উন্নীত হচ্ছে, সমগ্র মানবকূল সচেতন হয়ে উঠছে। তারা প্রশ্ন করা শুরু করেছে এবং উত্তর খুঁজে নিতে সচেতন হচ্ছে।

মায়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে পোর্টাল খোলার সময় ছিল ২০১২ সাল- যখন থেকে Mother Earth এর dimensional shift শুরু হবে। ২০২০ সালের দিকে এসে এই শিফটিং এর গতি বেড়েছে। আর ২০২৬ তো disclosure এর বছর। এখন কোন তথ্যই আর গোপন থাকবে না তা পৃথিবী, মহাবিশ্বের ব্যাপারে হোক বা আমাদের 3D রিয়্যালিটির জীবন যাপনের ব্যাপারেই হোক। 

 ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

বেশ গভীর, মননশীল ও ভাবনার দরজা খুলে দেওয়ার মত একটি ব্লগ পোস্ট। এখানে সৃষ্টি কে কোনো
আকস্মিক অলৌকিক ঘটনা হিসেবে না দেখে চেতনার নিরবচ্ছিন্ন রূপান্তর হিসেবে ব্যাখ্যা করার প্রয়াস
অত্যন্ত প্রজ্ঞাসম্পন্ন। াআপনি মেটাফিজিক্স ও স্পিরিটুয়্যালিটির ধারণাগুলোকে কাব্যিক ভাষা ও যুক্তির সুষম মেলবন্ধনে উপস্থাপন করেছেন।

চেতনা-সৃষ্টি-রূপান্তর-অভিজ্ঞতা এই ধারাবাহিক প্রবাহটি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এতে বোঝা যায়, মানুষের অভিজ্ঞতা, উপলব্ধি ও বাস্তবতা আসলে স্থির কিছু নয়; বরং চেতনার বিস্তারের সাথে সাথে তা ক্রমাগত নতুন রূপ ধারণ করে। সমাজ ও ব্যক্তিমানুষের সীমাবদ্ধতা যে মূলত সীমিত চেতনার ফল এই বক্তব্যটি গভীর হলেও বাস্তব জীবনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত।

প্যারালাল রিয়্যালিটি, ডাইমেনশন ও শক্তির স্পন্দনের আলোচনা লেখাটিকে আরও বিস্তৃত দার্শনিক পরিসরে নিয়ে গেছে। যদিও বৈজ্ঞানিক প্রমাণের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করা হয়েছে, তবু লেখাটি বিশ্বাস ও অনুসন্ধানের মাঝখানে এক সংলাপ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে যা একটি ভালো আধ্যাত্মিক রচনার গুরুত্বপূর্ণ গুণ।

সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো, লেখাটি আশ্চর্য বা রহস্যকে অস্বীকার না করে তাকে অজানা মাত্রার নিয়ম হিসেবে দেখতে শেখায়। ফলে সৃষ্টি আর ভয় বা বিস্ময়ের বিষয় থাকে না; তা হয়ে ওঠে এক অনন্ত, ছন্দময় প্রবাহ যার অংশ আমরা নিজেরাও।

সার্বিকভাবে, এটি এমন এক লেখা যা ধীরে ধীরে পড়তে হয়, বারবার ফিরে দেখতে ইচ্ছে করে, এবং পাঠ
শেষে নিজের চেতনার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন জাগায়। মনোজ্ঞ, গভীর এবং চিন্তাকে প্রসারিত করার ক্ষমতা রাখার বিষযগুলিই আমার বিবেচনায় এই লেখার সবচেয়ে বড় সাফল্য।

শুভেচ্ছা রইল

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনার এত সুচিন্তিত ও গভীর মন্তব্যের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
আপনি লেখাটির মর্মবস্তু শুধু উপলব্ধিই করেননি, বরং এমন এক দার্শনিক বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেছেন যা গভীর অন্তর্দৃষ্টির পরিচয় দেয়।
আপনার পর্যবেক্ষণ — "চেতনা-সৃষ্টি-রূপান্তর-অভিজ্ঞতা এই ধারাবাহিক প্রবাহ" — আসলে সকলকে স্পর্শ করে। হ্যাঁ, বাস্তবতা স্থির নয়, এটি চেতনার সাথে স্পন্দিত হয়ে রূপান্তরিত হয়, নতুন মাত্রা দান করে। আপনি যখন বলছেন "সমাজ ও ব্যক্তিমানুষের সীমাবদ্ধতা যে মূলত সীমিত চেতনার ফল" — এই উপলব্ধি আসলে মুক্তির প্রথম ধাপ। কারণ যা চেতনার সীমাবদ্ধতা থেকে জন্ম, তা চেতনার প্রসারণেই অতিক্রম করা যায়।
আপনার আরেকটি মন্তব্য বিশেষভাবে হৃদয়স্পর্শীঃ "লেখাটি আশ্চর্য বা রহস্যকে অস্বীকার না করে তাকে অজানা মাত্রার নিয়ম হিসেবে দেখতে শেখায়।" এটিই তো আধ্যাত্মিক অনুসন্ধানের প্রকৃত পথ — অন্ধবিশ্বাস নয়, অন্ধসংশয়ও নয়; বরং খোলা মন নিয়ে অজানার দিকে যাত্রা। রহস্য তখন ভয়ের কারণ থাকে না, বরং হয়ে ওঠে অসীম সম্ভাবনার আমন্ত্রণ।

বৈজ্ঞানিক প্রমাণের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে নেওয়া আসলে সততার পরিচয়। বিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতা দুটি ভিন্ন ভাষায় একই সত্যের সন্ধান করে। বিজ্ঞান পরিমাপযোগ্য প্রমাণ চায়, আধ্যাত্মিকতা অভিজ্ঞতার সত্যতায় বিশ্বাস করে। দুটোরই নিজস্ব মূল্য আছে। আপনি যথার্থই বলেছেন, এই লেখা "বিশ্বাস ও অনুসন্ধানের মাঝখানে এক সংলাপ তৈরি" করার চেষ্টা করেছে।

আপনার শেষ কথাগুলো — "পাঠ শেষে নিজের চেতনার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন জাগায়" — এটিই তো লেখার প্রকৃত সার্থকতা। যদি কোনো লেখা পাঠককে নিজের দিকে ফিরে তাকাতে বাধ্য করে, নিজের চেতনার সীমা ও সম্ভাবনা নিয়ে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করে, তাহলে সেই লেখা তার উদ্দেশ্য পূরণ করেছে।
আপনার মত সংবেদনশীল ও মননশীল পাঠক পেয়ে লেখক হিসেবে আমি ধন্য। আপনার এই বিশ্লেষণ লেখাটিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে, এবং আমাকেও নিজের চিন্তাকে আরও গভীরভাবে দেখতে সাহায্য করেছে।

আপনার প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা ।




Jan 14, 2026

পিছু ডাক

 

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

কিরকুট বলেছেন: পড়লাম তারপর মাথা চুলকালাম। বুঝলাম সাহিত্য আমার জন্য নয়।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: এ লেখায় কিছু চরিত্রের বর্ণনা আছে মাত্র। সাহিত্য নেই বললেই চলে। 'সাহিত্য বর্তমান থকিলে চরিত্রসমূহ বিষযুক্ত শব্দবাণে ধরাশায়ী হইতো।'

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:০৪


স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: পিছু ডাকলে ঘাড় তো ঘোরাতেই হয়।
ঘাড় মটকে দিলে আর কি করার থাকে তখন।

.................................................................
ছোট বেলায় জানতাম, একাকী হাঁটলে পিছু তাকাতে নেই ।তাই নির্জন স্থান পার হবার সময় এই ভয় সমস্ত মন দখল নিতো। তাই ঘাড় মটকানোর ভয় রয়ে গেছে ।
এখন আবার এই ভয় দেখায়ে আপনি কি হাসিল করবেন ?
এখন কিন্তু বড় হয়ে গেছি ।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৫১

লেখক বলেছেন: প্রবাদ প্রবচনে তো আছে ‘নিশির ডাক।'
যেখানে পোর্টাল ওপেন আছে সেখানে এসব ভূত প্রেত (other dimensional entity) –র ঘটনা ঘটে।
কিন্তু জীবনে চলার পথে আমার আরেকটা উপলব্ধি হলো যে, আশপাশে যত মানুষ দেখি এদের মধ্যে কয়জন আসলে ‘মানুষ’ আর কয়জন আসলে মানুষ রূপী কোনো ‘এন্টটি।‘
এখন তো ভাবলে মনে হয় আশপাশে বেশীর ভাগই মানুষ নয়। এরা বেশীর ভাগই ‘এন্টিটি’ এবং স্বভাবে ‘ডেমনিক ।‘

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৫

 রিভিউ ২ঃ পিছু ডাক গল্পটি সত্যিই অসাধারণ - সুবিধাবাদী সম্পর্ক, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সামাজিক উপেক্ষার একটি তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গাত্মক চিত্র।
মণিকার চরিত্রের বিবর্তন এবং শাহানের পরিবারের আচরণ আমাদের চারপাশের বাস্তবতাকে নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছে।