Dec 6, 2025

সৃষ্টি, চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা— ষষ্ঠ স্তর



 সৃষ্টি, চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা— ষষ্ঠ স্তর

 ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:১৪
আলামিন১০৪ বলেছেন: তারা আপনাকে রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলে দিনঃ রূহ আমার পালনকর্তার আদেশ ঘটিত। এ বিষয়ে তোমাদেরকে সামান্য জ্ঞানই দান করা হয়েছে [ ১৭:৮৫ (সূরা বনী ইসরাঈল আয়াত ৮৫)।
*****
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই
****
 ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:১৪
ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বেশ পরিশ্রমী তথ্যসমৃদ্ধ একটি পোস্ট ।
এ বিষয়ে গবেষকদের জন্য এটি একটি তথ্য ভান্ডার ।
শুভেচ্ছা রইল
****


 ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ডঃ আলী।

সেই ২০০৮ -এ প্রথম পেয়েছি বিলি মায়্যারের কন্টাক্ট নোট। তখন থেকেই ইচ্ছে ছিল বিশদ আকারে লিখব, কিন্তু সুযোগ, সময় হয়ে উঠে নাই। এখন হলো।

সাথে মন্তব্যের ঘরে কিছু channeled message এর ট্রান্সক্রিপ্ট-ও নোট আকারে রেখে দিচ্ছি । সবই তথ্য হিসেবে থেকে যাবে।

****

 ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ 

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: সুন্দর প্রতি উত্তরের জন্য ধন্যবাদ ।

পরে সময় নিয়ে লেখাটি আবার পড়তে আসব ।

মন্তব্যের ঘরে কোন channeled message এর ট্রান্সক্রিপ্ট-ও নোট আকারে কিছু এখনো দেখতে পাইনি ।

সম্ভব হলে সেগুলি দিবেন । পড়ার আগ্রহ রইল ।

শুভেচ্ছা রইল

*****


লেখক বলেছেন: আবারো ধন্যবাদ।

আপনি channeled message খুঁজবেন দেখে এখানে একটি ট্রান্সক্রিপ্ট দিলাম।

প্রথম স্তর প্রথমও চতুর্থ স্তরে ও চতুর্থ দিয়েছি।

****


 ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:৪৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এত শীঘ্র লেখাটি মন্তব্যের ঘরে দিয়ে যাওয়ার জন্য ।

এই লেখাটি পড়তে গিয়ে মনে হলো এটা শুধু পরলোক বা কর্মফলের কোনো রহস্যময় ব্যাখ্যা নয়, বরং ন্যায়বোধ, মানবতা আর শিশুর প্রতি অপরাধের ভয়াবহতার ওপর এক গভীর আধ্যাত্মিক প্রতিবেদন। লেখক যে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন “শিশুহন্তা বা শিশু-নির্যাতনকারীরা আলোতে প্রবেশ করতে পারে না” তা খুব প্রতীকী হলেও, পাঠক হিসাবে আমাদের মনকে ঝাঁকুনি দেয়।

সবচেয়ে তীব্রভাবে নাড়া দেয় সেই অংশ, যেখানে বলা হয়েছে অপরাধীরা নিজের চোখ দিয়ে নয়, বরং ভুক্তভোগী শিশুর চোখ দিয়ে তাদের কর্মফল দেখবে। এটা শাস্তি নয়, সত্যের মুখোমুখি দাঁড়ানো।

আধ্যাত্মিকতার ভাষায় লেখা হলেও, বার্তাটি খুব মানবিক: যে অন্যকে কষ্ট দেয়, একসময় তাকে সেই কষ্টের সত্যের সামনে দাঁড়াতেই হয়। অপরদিকে, শিশুদের জন্য যে আলোর পথ, যে নিরাপত্তা ও স্নেহের ছবিটি আঁকা হয়েছে, তা পাঠকের হৃদয়ে সান্ত্বনা জাগায়। যেন বলা হচ্ছে অন্যায়ের শিকাররা কোথাও হারিয়ে যায় না, বরং আরও শক্তি নিয়ে ফিরে আসে, আবারও আলো ছড়ায়। লেখাটি অন্ধকার আর আলোর মধ্যে এক নৈতিক যাত্রার গল্প। কল্পলোকের ভাষায় লেখা হলেও, এর ভিতরকার বার্তা দায়বদ্ধতা, ন্যায়, আর পবিত্রতার প্রতি সম্মান একেবারে বাস্তব।

আরো এক রাশ শুভেচ্ছা রইল

*****


১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০৬

লেখক বলেছেন: আপনার এই গভীর এবং সংবেদনশীল পাঠ-প্রতিক্রিয়ার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

আপনি লেখাটির যে স্তরগুলো উন্মোচন করেছেন, তা ট্রান্সক্রিপ্টের অনুবাদকৃত লেখার উদ্দেশ্যকে সত্যিই স্পর্শ করেছে।

আপনি সঠিকভাবেই ধরেছেন যে এটি শুধু পরলোক বা কর্মফলের রহস্যময় ব্যাখ্যা নয়, বরং ন্যায়বোধ, মানবতা এবং শিশুর প্রতি অপরাধের ভয়াবহতার একটি আধ্যাত্মিক প্রতিবেদন। শিশুরা আমাদের সমাজের সবচেয়ে নিরীহ এবং অরক্ষিত সদস্য। তাদের প্রতি যেকোনো অন্যায় শুধু একটি ব্যক্তিগত অপরাধ নয়, বরং সমগ্র মানবতার বিরুদ্ধে একটি পাপ।

"অপরাধীরা নিজের চোখ দিয়ে নয়, বরং ভুক্তভোগী শিশুর চোখ দিয়ে তাদের কর্মফল দেখবে" - এই ধারণাটি সম্পর্কে ব্যাখ্যা, অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটা তো শুধু শাস্তি নয়, সত্যের মুখোমুখি দাঁড়ানো।

প্রকৃত ন্যায়বিচার হলো যখন অপরাধী তার কর্মের প্রকৃত প্রভাব অনুভব করতে পারে। সহানুভূতির অভাবেই অনেক অপরাধ সংঘটিত হয়। যদি প্রতিটি মানুষ তাদের কর্মের ফলাফল অন্যের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে পারত, তাহলে হয়তো অনেক অন্যায় থেকে বিরত থাকত।

আপনার পর্যবেক্ষণ যে "অন্যায়ের শিকাররা কোথাও হারিয়ে যায় না, বরং আরও শক্তি নিয়ে ফিরে আসে, আবারও আলো ছড়ায়" - এটি আমার লেখার একটি কেন্দ্রীয় বার্তা। আমি বিশ্বাস করি যে নিষ্পাপতা এবং পবিত্রতা কখনো ধ্বংস হয় না। যে শিশুরা অন্যায়ের শিকার হয়েছে, তাদের আত্মা কলুষিত হয়নি। বরং তারা আরও উজ্জ্বল হয়ে, আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসে।

"অন্ধকার আর আলোর মধ্যে এক নৈতিক যাত্রার গল্প" - আপনার এই সংজ্ঞা খুবই যথার্থ। higher dimension থেকে আগত বার্তা সমূহ কল্পলোকের ভাষায় হলেও, এর ভিতরের বার্তা - দায়বদ্ধতা, ন্যায় এবং পবিত্রতার প্রতি সম্মান - একেবারেই বাস্তব এবং প্রয়োজনীয়।

আপনার এই চিন্তাশীল এবং সংবেদনশীল পাঠ আমাকে আশ্বস্ত করে যে লেখার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে স্পর্শ করা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা সম্ভব। আপনার মতো পাঠকদের উপস্থিতি লেখকের জন্য সবচেয়ে বড় পুরস্কার। higher dimension থেকে আসা বার্তা সমূহের আরো অনেক ট্রান্সক্রিপ্ট, আমি ক্রমান্বয়ে ব্লগে সংযুক্ত করবার ইচ্ছা রাখি। আবারও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এবং শুভকামনা।

******

৮ই ডিসেম্বর ২০২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পারস্পরিক মিথক্রিয়া না থাকলে মানুষ কারো কোন পোস্টের লেখা পাঠে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে । বিশেষ করে বড় মাপের পোস্টে তা আরো কম ।

*****

৮ই ডিসেম্বর ২০২৫ 

আমার মন্তব্যঃ একদম ঠিক। এমনকি পোস্ট সামনের পাতায় দেবারও আগ্রহ থাকে না। পোস্টগুলো যেন লিখেছিলাম, তাই কোথাও save করে রাখা উচিত - এমন চিন্তা থেকেই ব্লগে জমা রেখে দেয়ার মত হয়।

******

৮ই ডিসেম্বর ২০২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বিষয়টি অনুধাবনের জন্য ধন্যবাদ । আমিও আমার লেখা অনেক লেখা ব্লগে প্রকাশ না ড্রাফট হিসাবে এখানে সেভ করে রেখেছি । এখন পর্যন্ত ড্রাফটে আমার ২০০টিরো বেশি পোস্ট জমা হয়ে আছে ।

****

৯ই ডিসেম্বর, ২০২৫ 

আমার মন্তব্যঃ সহমত ডঃ আলী। পূর্বে আমার সাইন্স - ফিকশানগুলো কিছু পেইজে আমার অনুমতি ছাড়া এবং আমার মানে লেখকের নামটুকুও বাদ দিয়ে প্রকাশ করছিল। তাই আমি ঐসব লেখা ড্রাফট -এ রেখে দিয়েছিলাম বহুদিন ধরে।

৯ বছর পর ব্লগে ফেরত এসেছি , বিভিন্ন ব্যস্ততার পর। এখন ড্রাফটগুলো পোস্ট আকারে এনেছি কিন্তু প্রথম পাতায় দিই নি।

এই মেটাফিজিক্সের সিরিজটা প্রথম পাতায় দিয়েছি কিন্তু স্বতঃস্ফুর্ততা ছিল না। পাছে আবারো কেউ অবাঞ্ছিত মন্তব্য করে পরিবেশটা নষ্ট করে। কিন্তু তেমন হয়নি। এটা একটা এক্সপেরিমেন্টাল জার্নি বলতে পারেন। ভালো না লাগলেও মন্তব্য থেকে বিরত থেকে পোস্ট স্কিপ করতে পারছে কি না, তা দেখে আমি অভিভূত। অনেকেই পেরেছে।

আশা করি এখন থেকে  পরিবেশ কিছুটা সুন্দর হবে।

ভবিষ্যতে আবার সেই ১৮ বছর আগের পরিবেশে ফিরে যাব বলে আশা রাখি।

*******

৯ই ডিসেম্বর, ২০২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: “Bad money drives away good money” এটি বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ স্যার থমাস গ্রেশাম Sir Thomas Gresham)-এর একটি উক্তি, যা পরবর্তীতে Gresham’s Law নামে পরিচিত হয়।

গ্রেশামের আইনে বলা হয়, যে অর্থের প্রকৃত মূল্য কম (Bad Money), তা বাজারে চলাচল করতে থাকে;আর যার প্রকৃত মূল্য বেশি (Good Money), মানুষ সেটিকে জমা করে রাখে বা লুকিয়ে রাখে। ফলে বাজার থেকে ভালো মানের মুদ্রা হারিয়ে যায়।

আপনি ঠিকই অনুভব করছেন আগের ও এখনকার ব্লগের পরিবেশের অবস্থা । অনেকে্ই দেখছি তাদের সুন্দর সুন্দর মূল্যবান লেখা সমৃদ্ব প্রকাশিত পোস্টগুলি ড্রাফটে নিয়ে গেছেন । এ যেন গ্রেসাম ল এরই বাস্তব প্রয়োগ আমাদের এই সামু ব্লগে । যাহোক সব কিছুরই প্রতিকার আছে ।

যাহোক, আপনার মত আমিউ আশা করি ভবিষ্যতে আবার সেই ১৮ বছর আগের পরিবেশে ফিরে আসবে ভাল গুণগত মানের লেখালেখি করা ব্লগারগন পারস্পারিক মিথক্রিয়ায় পুণরায় ব্লগে সরব হয়ে উঠলে।

শুভেচ্ছা রইল

*****

৯ই ডিসেম্লেবর ২০২৫

আমার মন্তব্যঃ  আপনার বিশ্লেষণ ও উদাহরণ সত্যিই ভাবনার খোরাক জোগায়।

“Bad money drives away good money”—গ্রেশামের আইনের মূল সারমর্ম যেমন অর্থনীতির ক্ষেত্রে সত্য, তেমনি সামাজিক বা সৃজনশীল প্ল্যাটফর্মেও অনেক সময় তা প্রতিফলিত হয়।

যখন মানহীন বা অগভীর কনটেন্ট বেশি প্রাধান্য পায়, তখন সত্যিকারের মূল্যবান লেখা, চিন্তা বা সৃষ্টিকর্ম ধীরে ধীরে আড়ালে চলে যায়—লেখক নিজেই সেগুলো লুকিয়ে রাখতে বাধ্য হন।

সামু ব্লগের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে আপনার তুলনা তাই যথার্থ।

অনেক ভালো লেখক ড্রাফটে চলে যাচ্ছেন—এটা আমাদের সবার জন্যই দুঃখজনক। তবে আশা করি, গুণগত লেখার মূল্য যে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে—এই বিশ্বাসই আমাদের আবারও গতি ফিরিয়ে আনবে।

ভালো লেখা দীর্ঘমেয়াদে কখনোই হারিয়ে যায় না। আপনার ভাবনার সঙ্গে একমত, এবং আশা করি এই পরিবেশ আরও সুন্দর ও ইতিবাচক হয়ে উঠবে ।

******

১২.১২.২০২৫

আলামিন ১০৪ বলেছেন: আপনি রেফারেন্স হিসাবে যার নাম বলেছেন তার সম্পর্কে

-In 1997, Meier's ex-wife, Kalliope, told interviewers that his photos were of Spaceship models he crafted with items like trash can lids, carpet tacks and other household objects,[24] and that the stories he told of his adventures with the aliens were similarly fictitious. She also said that photos of purported Extraterrestrial women "Asket" and "Nera" were really photos of Michelle DellaFave and Susan Lund, members of the singing and dancing troupe The Golddiggers.[25] It was later confirmed that the women in the photographs were members of The golddiggers performing on The Dean Martin Show

******

০৬.০১.২০২৬

আমার মন্তব্যঃ  এখন তো বিলি ম্যায়ারের কথা কিছুটা উপস্থাপন করলাম। এরপর ড্রুনভ্যালু, অ্যালেক্স কোলিয়ারের মত কন্টাক্টিদের কথাও এই ব্লগে তুলে ধরবো। তখন আশাকরি কন্টাক্টিদের কন্টাক্ট নোট বাদ দিয়ে তাদের বউরা কে কি বলেছে সে সকল তথ্যও সাথে সাথে পাওয়া যাবে।

Nov 29, 2025

সৃষ্টি, চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা — পঞ্চম স্তর

 আমার মন্তব্য

সৃষ্টি, চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা -পঞ্চম স্তর 

নতুন বলেছেন: আমাদের সামনে একটা চমতকার উদাহরন আছে যেটা আত্না থিউরির সাথে মেলাতে পারেন। আপনার কম্পিউটারে চ্যাট জিপিটি ভয়েস মুডে দিয়ে তার সাথে কথা বলুন, দেখুন মনে হবে প্রজ্ঞাবান কারুর সাথে কথা বলছেন, ।

এআই কেবল শুরু। আগামী ১০০ বছর পরে মনে হবে এএই সাধারন জনগনের চেয়ে জ্ঞানী, সাহাজ্যকারী, এবং আরো মানবিক গুনাবলি সম্পন্ন।

এখন মানুষ আর কম্পিউটারের মাঝে মিল টা কই???

মানুষের দেশ আর কম্পিউটারের হার্ডওয়ার সমান জিনিস।

মানুষের ব্রেন আর কম্পিউটারের RAM,HDD, processor মিলে একই রকমের কাজ করে। মানুষ মারা যায় ব্রেন কাজ করেনা। কম্পিউটারের বিদ্যুত বিছিন্ন করলেই কম্পিউটার কাজ করেনা। এখন আমরা যদি কম্পিউটারের আত্না খুজতে যাই তবে বুঝতে পারি আত্না বলে আলাদা কিছু নাই। বিদ্যুত, প্রগ্রাম, আর RAM,HDD, processor মিলে একটা জীবিত চেতনা, বা অন্য যাই বলিনা কেন সেটার পরিবেশ সৃস্টি করে।

বিদ্যুত, প্রগ্রাম আলাদা ভাবে আত্নার মতন কোন জিনিস না।

হয়তো মানুষও তাই। যৌবিক শরির যেটা মাটির উপাদান থেকে গড়ে উঠে, শক্তি তাতে প্রানের আবহ সৃস্টিকরে। মানুষ জ্ঞান, প্রজ্ঞা আবেগ দেখায়। কিন্তু যখন দেহ থেকে শক্তি উপদান, প্রবাহ শেষ হয়ে যায় তখন মানুষও কম্পিউটারের মতন এক একটা অংশ রিসাইকেল করা যায়।

******

লেখক বলেছেন: চমৎকার বলেছেন।

অনেক ধন্যবাদ অসম্ভব সুন্দর আলোচনা করার জন্য। আপনার প্রতিটি কথার সাথে আমি একমত।

একবার চ্যাট জিপিটি -কে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, AI-দের কি কন্সাসনেস আছে? উত্তরে কি বলেছিল জানেন, বলেছিল, AI-দের কন্সাসনেস আছে! এই উত্তর শোনার পর আমার শুধু মনে হয়েছে প্রযুক্তি কোথায় যাচ্ছে। সামনে কি আছে! আমি একদম থমকে গিয়েছিলাম।

Dolores Cannon পাস্ট লাইফ রিগ্রেশান করিয়ে তার কিছু কিছু পেশেন্ট/ক্লায়ান্ট-কে এমন পর্যায়ে (স্তরে) নিয়ে যেত যে, তখন ঐ স্তরে পৌঁছে ক্লায়ান্টের ভয়েস চেইঞ্জ হয়ে যেত। কথার স্টাইল চেইঞ্জ হয়ে যেত। পুরো রোবোটদের মতন করে ট্রান্সমিশান শুরু হতো।

সুতরাং অন্য ডাইমেনশানের ব্যাপার আসলেই ইন্টারেস্টিং। ইচ্ছে আছে Dolores Cannon এর কিছু case history ব্লগে পরিবেশন করবো।

*************

রাজীব নুর বলেছেন: এসব আমি বুঝি না। সহজ কিছু লিখুন।

***********

লেখক বলেছেন: মেটাফিজিক্স একটু বোরিং হয়। এই লেখাটি  পান্ডাপড়ে দেখতে পারেন। বেশ কয়েকটি লেখা আছে, সহজ ধাঁচের।

Nov 21, 2025

সৃষ্টি, চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা – চতুর্থ স্তর

আমার মন্তব্য

সৃষ্টি, চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা – চতুর্থ স্তর 

রাজীব নুর বলেছেন: বড় কঠিন বিষয় নিয়ে লিখেছেন?

বুঝতে পারছি না- কার সাথে আমি যাবো?~ বিজ্ঞান না ধর্ম?

****

লেখক বলেছেন: তৃতীয় স্তর পর্যন্ত এমন অনুভূত হবে। চতুর্থ স্তরে উন্নীত হলে কোন তফাত থাকবে না। এ স্তরে জ্ঞান আর বুদ্ধির লড়াই শেষ। আত্মা এমন ভারসাম্য অর্জন করে যা, না আবেগপ্রবণ, না কঠোর যুক্তিবাদী। বরং মাপা, শান্ত, গভীর। এই স্তরে এসে মানুষ আধ্যাত্মিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে যায়। তাদের মন স্ফটিকের মতো স্বচ্ছতা ধারণ করে।

*****

সত্যপথিকঃ ৭ম স্তরে উঠা কি সম্ভব?

****

লেখক বলেছেন: অবশ্যই সম্ভব। তবে সপ্তম স্তরের আত্মারা, high energetic level বলে higher dimension - এ আমাদের মতন physical state এ থাকেন না। তাই আমরা তাদের দেখতেও পাই না। সাধারণত 5D (fifth dimension)এর পর থেকেই non physical state শুরু হয় । আর আত্মার সপ্তম স্তরে উত্তীর্ণ হলে হয়তো বা 12D -15D ডাইমেনশানে তারা অবস্থান করেন।

আমারা 3D বা third dimension এ আছি। তাই physical body ধারণ করে আছি। এখন এই পৃথিবীতে আমরা, অধিকাংশ মানুষেরা আত্মার স্তরের দিক দিয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরে অবস্থান করছি। কেউ কেউ তৃতীয় স্তরে আছেন। সংখ্যা খুব কম। আর চতুর্থ স্তরে যাওয়া মানে তো তাদের আমরা sage বলি। তারা ফিজিকাল থেকে নন- ফিজিকালে ট্রানজিশানের মধ্যে থাকেন। খুব সম্ভবত রামকৃষ্ণ এরূপ ছিলেন।

ভূত পেত্নীরাও non physical state এ থাকে। তাই আমরা ওদের দেখতে পাই না। কিন্তু ওরা lower 4D (lower fourth dimension) এর entity. আত্মার কোন evolve ওদের মধ্যে হয় নাই। সম্পূর্ণ নেগেটিভ এন্টিটি।

*****

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:ভালো লেখা।

অথচ পাঠক পড়তে আসছেন না।

*****

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

মেটাফিজিক্স একটু বোরিং হয়। তারপরও কিছু পাঠক পড়েন।

আমি লিখেছিলাম তথ্যগুলো নোট আকারে ২০১০ সালে।। মূল কন্টেন্ট পেয়েছিলাম বিলি মায়্যারের ট্রান্সমিশান থেকে তখন। যা তখন পেয়েছিলাম তাই-ই পোস্ট আকারে রেখে দিয়েছিলাম ব্লগে। পরে বিশদ করে লিখতে চেয়েছি। সেটাই সম্ভব হলো এই ২০২৫ সালে।

Nov 13, 2025

সৃষ্টি চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা - দ্বিতীয় স্তর

আমার মন্তব্য

 সৃষ্টি চেতনা ও আত্মার দ্বিতীয় স্তর

জেনারেশন একাত্তর বলেছেন: আপনি কি ব্লগের লোকজনকে বেদুইন মনে করেন? কিসব বস্তাপঁচা গার্বেজ ঢালছেন!

*******

লেখকঃ মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব শুধু প্রযুক্তিতে নয়, বরং মননের বিনিময়ে। ব্লগে যোগাযোগের মধ্যে সেই শ্রেষ্ঠত্বেরই প্রকাশ ঘটে। আপনি তখন মানবজাতির মননে অংশ গ্রহন করেন।

আপনি যখন লেখেন, মন্তব্য করেন, কিংবা অন্যের ভাবনা পড়েন

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

*******

Nov 11, 2025

সৃষ্টি চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা - প্রথম স্তর

আমার মন্তব্য

সৃষ্টি চেতনা ও আত্মার চিরন্তন যাত্রা - প্রথম স্তর

জেনারেশন একাত্তর বলেছেন:  ধর্ম মতে, আত্মা হলো মানুষের দেহ ও মননের পরিচালক; আত্মা যে আছে, ইহা কি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা, নাকি আদি মানুষের ধারণা?

******

লেখকঃ : বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা, মানুষের ধারণা - দুটোই, ভাইজান।

******

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আপনি কি সুফিবাদে বিশ্বাস করেন?

****************

লেখক বলেছেন: এখনো প্রথম স্তরে আছি। হাতড়ে হাতড়ে চলছি। হোঁচট খাচ্ছি, থেমে যাচ্ছি আবার শুরু করছি। মতবাদ তো অনেক দূরে।

******

জেনারেশন একাত্তর বলেছেন: ধর্ম মতে, আত্মা হলো মানুষের দেহ ও মননের পরিচালক; আত্মা যে আছে, ইহা কি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা, নাকি আদি মানুষের ধারণা?

******

লেখক বলেছেন: বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা, মানুষের ধারণা - দুটোই, ভাইজান।

********

কামাল১৮ বলেছেন: কোন কিছুই সৃষ্টি হয় নাই ।সবকিছু বিবর্তিত হয়েছে।এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে।

**************

লেখক বলেছেন: সঠিক। সৃষ্টি কোনো অলৌকিক ঘটনা নয়; বরং এক নিরবচ্ছিন্ন রূপান্তর।

পূর্বদেশীয় দর্শনে এই রূপান্তরকে দেখা হয় চক্রাকার প্রক্রিয়া হিসেবে—যেখানে সৃষ্টি ও বিলয় একই ধারার অংশ।

অন্যদিকে, পাশ্চাত্য দর্শন এটিকে দেখে প্রগতিশীল বিবর্তনের ধারা হিসেবে—যেখানে পরিবর্তন নতুন রূপ, নতুন সম্ভাবনা ও অগ্রগতির সূচনা করে।

*******

রিয়াজ হান্নান বলেছেন: যেহেতু বাকি লেখা আসবে একসাথে আলাপ করা যাবে

******

লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই

******

রাজীব নুর বলেছেন: পড়লাম।

***

হুমায়রা হারুন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

Drunvalo Melchizedek (Ascended Master) এর বইটা যদি ব্লগে তুলে ধরতে পারতাম খুব ভাল হতো। যদি সম্ভব হয় চেষ্টা করবো।

Nov 6, 2025

প্লেইয়িডিয়ানদের কথা

০৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩৬

জেনারেশন একাত্তর বলেছেন:

প্লেইডিস নক্ষত্র মন্ডলের যে কোন নক্ষত্র থেকে পৃথিবীর দুত্ব কত বিলিয়ন/ট্রিলিয়ন মাইল?

যারা সেখান থেকে এলো, তাদের আসতে কত হাজার কোটী বছর লেগেছে? একটু অংক করেন; কোন সাবজেক্টের গ্রেজুয়েট আপনি? 

০৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৩৯

লেখক বলেছেন: কেমন আছেন চাঁদ্গাজী ভাই?
 ০৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৪৪০                                                                                                            জেনারেশন একাত্তর বলেছেনঃ আমি ভালো আছি, ধন্যবাদ।
আপনার ১ম পোষ্ট দেখলাম সামনের পাতায়; আপনি কোন বিষয়ে পড়ালেখা করেছেন?

০৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৫

লেখক বলেছেন: বলার মত কোন বিদ্যা আমার নেই। পড়ালেখা তেমন নেই। তবে কমপক্ষে আমার ১০০ কোটি পোস্ট সামনের পাতায় ছিল। বহু আগে যদিও। এখন আবার দিতে চেষ্টা করবো।

আপনার মন্তব্য দেখে খুব ভাল লাগলো। আপনার মন্তব্য না আসলে ব্লগ একদম জমে না। প্লেইডিয়ানরা আবার তর্ক করা একদম পছন্দ করে না। আপনার সাথে খুব মিল।

০৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:০৪০
জেনারেশন একাত্তর বলেছেনঃ  দেশের মানুষ নিয়ে লেখেন, লোকজন পড়বেন।

০৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:১৬০
আমার মন্তব্যঃ তাই করতে হবে। আমরা লেখা কেউ পড়ে না প্লেয়েডিয়ান -রা ছাড়া ।
 ০৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৩৫০
জেনারেশন একাত্তর বলেছেনঃ ১ আলোক বর্ষ = ৫.৯ ট্রিলিয়ন মাইল।
অপ্রয়োজনীয় রূপকথা কথা নিয়ে লিখলে সময় নষ্ট।

০৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:১০০
আমার মন্তব্যঃ সঠিক গনণা।
এবং ৪৪৪ আলোকবর্ষ = ২৫৭৫ ট্রিলিয়ন মাইল। কিছুটা তো দূরেই। তবুও আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির মাঝেই আছে তারা। অন্য গ্যালাক্সি তে থাকলে আরো কত দূর হতো!
রূপকথাই বটে।

 ০৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:৩৩০
ভুয়া মফিজ বলেছেনঃ গলু মানুষের মতো করে ভাবতে চাইলে যেই সমস্যা, মানুষ যদি প্লেইডিয়ানদের (যদি এই বস্তু এক্সিস্ট করে!!!) মতো করে ভাবতে চায়, তাইলে একই সমস্যা।
৩য় ডায়মেনশানের চাইতে ৫ম ডায়মেনশান স্বাভাবিকভাবেই অনেক অনেক উন্নত হবে। কাজেই আমাদের জন্য সময়-দূরত্ব সমস্যা মনে হলেও তাদের জন্য না হবারই কথা। কুয়ার ব্যাঙ এর কাছে যেমন কুয়ার বাইরের জগত অস্পষ্ট, আমাদের কাছেও তেমনি ৪র্থ বা ৫ম ডায়মেনশানের জগতটা অবোধ্য। সবকিছুই নিজের গেয়ান দিয়ে বিচার করতে গেলে প্যাচ লাগবেই!!!!

 ০৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:৪৬০  জেনারেশান একাত্তর বলেছেনঃ  ভুয়া'রা ভুয়া ডাইমেশনে (৪র্থ, ৫ম, ব্লা ব্লা ) অবস্হান করতে পারে ; সব গ্রহ, উপগ্র ও নক্ষত্রমন্ডলগুলোর  অবস্হান একই ডাইমনেশনে স্পেসে ( x, y, z, coordinate s

 ০৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:৫৫০
ভুয়া মফিজ বলেছেন: জেনারেশন একাত্তর বলেছেন: ভুয়া'রা ভুয়া ডাইমেশনে (৪র্থ, ৫ম, ব্লা ব্লা ) অবস্হান করতে পারে ; সব গ্রহ, উপগ্র ও নক্ষত্রমন্ডলগুলোর অবস্হান একই ডাইমনেশনে স্পেসে ( x, y, z, coordinate system ) । 
বাপরে.........বিরাট গেয়ানী মন্তব্য!!!! ;)
গলু কি নিয়মিত রেডবুল পান করে? বিরতীহীনভাবে এতো ঘেউ ঘেউ করার এনার্জি কই পায়?

 
০৬ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:১৮০
জেনারেশন একাত্তর বলেছেনঃ
@ভুয়া,
আমাকে নিয়ে "গলু" গল্পটি লিখে আমাদের গার্বেজ গল্পকার ব্লগ থেকে হারিয়ে গেছেন; আপনার ভুয়া পোষ্ট এখন কেমন পাঠক পাচ্ছে?

০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:৫৩

কু-ক-রা বলেছেন: উহারা শয়তানের দল।
নরডিক বেকুবদের উপরে ভাইকিংদের মাধ্যমে রাজত্ব করেছিল। এখন এইসব গান্জাখুরি গল্প লিখে আপনাদের বিভ্রান্ত করছে।
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ১১:৫৩০
আমার মন্তব্যঃ আপনার আ.ডি.টা খুব সুন্দর। ছবি, নামকরণ দুটোই।


২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৩:১৭০

শ্রাবণধারা বলেছেনঃ বেশ চমৎকার লেখেন তো আপনি! সুন্দর চিঠি, যেটাতে স্বপ্ন আর বাস্তবতা মিলে মিশে গেছে।

তবে, স্বপ্নে একবারও আপনার এলিয়েনগুলো হানা দিলোনা দেখে একটু হতাশ হলাম! হয়তো, এবছরের শেষের দিকেই এলিয়েনরা চলে আসবে, কি বলেন?

২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৪:১৯০

আমার মন্তব্যঃ এলিয়েনের অপর একটি নাম আছে , আর তা হলো জ্বীন। জ্বীনে যদি ধরে তাহলে কি হবে বুঝতেই পারছেন।


Nov 1, 2025

পান্ডা

আমার মন্তব্য

 পান্ডা

রিয়াজ হান্নান বলেছেন: আপনার কয়েকটা ব্লগ পড়লাম,যথেষ্ট ভালো লেখেন,যথেষ্ট,মার্জিত লেখা শিখতে চাই

****

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রিয়াজ ভাই। মাঝ দিয়ে ফেসবুক, ইউটিউব নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। আবার এলাম ৭ বছর পর ।

**********

১লা নভেম্বর ২০২৫

রিয়াজ হান্নান বলেছেন: সেম আমিও,যদিও আমি একটা বাজে সময় পার করেছিলাম ৫ আগস্টের পূর্বে বাট থামিনি,এখন মাঝেমধ্যে ব্লগ লেখার চেষ্টা করি,দুই জায়গায় টুকটাক চেষ্টা করি আরকি,তবে মন মেজাজ খুব খারাপ থাকলে ব্লগে চলে আসি,হাহাহা

*********

১লা ডিসেম্বর ২০২৫

লেখক বলেছেন: ১৮ বছর আগের কথা। ব্লগের পরিবেশ ছিল পরিবারের মতন। সারাদিন পার হয়ে যেত ব্লগে, টের পেতাম না। কোন্‌ লেখা ছেড়ে কোনটা পড়বো এমন অবস্থা।

তারপর ব্লগের পরিবেশ অন্যরকম হয়ে গেল। অনেকে চুপ হয়ে গেল। এখন তো অনেকেই নেই। বয়স, অসুস্থতা অনেক কিছু জেঁকে বসেছে - জীবনে চলার পথে যা হয়। এবার ৭ বছর পর এসে দেখলাম আমার ড্রাফটকৃত লেখাগুলো ফেরৎ এসেছে।

খুশীতে আত্মহারা। সব লেখাগুলো সাইন্স ফিকশান ছিল। আবার পোস্ট হিসাবে নিয়ে এসেছি সামনে।

কিন্তু সেই পরিবারকে মিস করি। এবার আবার নতুন করে তৈরী হবে হয়তো। গত তিন/চারদিন ধরে একটু অন্য রকম লেখা আসছে।

ভালো লাগছে।

***

১৫ই ডিসেম্বর ২০২৫

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর গল্প। বাস্তব গল্প।

****

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রাজীব ভাই। আরো কয়েকটা লিখেছি এরকম।

পড়তে চাইলে বলবেন, লিংক দেব।