Mar 29, 2026

জীবনের গল্প বাকী থাকে অল্প

https://www.somewhereinblog.net/blog/rajib128/30390254

২৯ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:২৫

আমার মন্তব্যঃ লেখার শেষের দুটো লাইন দেখে মনে হলো - 'জীবনের হিসাব যদি মিলত।

 ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৭

আমার মন্তব্যঃ লেখাটা ভাল লাগলো।
আমিও এই জিনিসটা খেয়াল করেছি। দেশ, জাতি ভেদে, departure এবং arrival - দুই জায়গায় একদম ভিন্ন দুই scenario

৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

আমার মন্তব্যঃ লেখার ধরণ সুন্দর।
ভাবছি এখন তো তাও ভিডিও কলের জামানা। আর তখন? দেশ একটা চিঠি আসতে ২১ দিন সময়য় লাগতো। ফোনে শুধু কন্ঠটাই শুনতে পেতাম মায়ের। মায়ের প্রথম প্রশ্ন, 'খেয়েছ?'

৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: সত্যি কথা বলেছেন, তখনকার সময়টা ছিল আরও কঠিন। একটা চিঠির অপেক্ষায় কত দিন কেটে যেত, তবুও সেই ভালোবাসা কমেনি।
মায়ের সেই “খেয়েছ?” প্রশ্নটা যুগ বদলালেও একই রয়ে গেছে। প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু মায়ের ভালোবাসা আর আমাদের টানটা কখনো বদলায় না।

https://www.somewhereinblog.net/blog/shaiyan/30390277

৩০ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৭

আমার মন্তব্যঃ ভাল রেজাল্ট একসময় খুব আনন্দ দেয়। কিন্তু যত সময় যেতে থাকে , জীবনের জটিলতা এই সুখগুলোকে ম্লান করে দেয়।
আপনার পরিশ্রম ও ভাল ফলাফলের জন্য অভিনন্দন।

৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:০০০                                                                        
লেখক বলেছেনঃ ভাল রেজাল্ট মনে শক্তি যোগায়।                                        ধন্যবাদ নিরন্তর।

Mar 28, 2026

ভাষার চিন্তা ভাবনা

বিশ্ব পাঠ - আবু সিদ

I.পড়ার সাধারণ অর্থঃ

সাধারণভাবে, পড়া বা Reading হলো লিখিত বর্ণ বা চিহ্ন দেখে তার অর্থ উদ্ধার করার উপায়। পড়া কেবল শব্দ উচ্চারণ নয়, বরং লেখার বিষয়বস্তুর সাথে নিজের চিন্তার যোগ ঘটানো। গফ এবং টানমার (The Simple View of Reading, ১৯৮৬)-এর মতে, পড়া মূলত দুটি জিনিসের ওপর নির্ভর করেঃ

• ডিকোডিং (Decoding): অক্ষর এবং শব্দ চেনা ।

• ভাষার বোধগম্যতা (Language Comprehension) : সেই শব্দগুলোর অর্থ বুঝতে পারা।

অর্থাৎ, যদি কেউ শব্দ পড়তে পারে কিন্তু অর্থ না বোঝে, তবে তা প্রকৃত 'পড়া' নয় ।

পড়ার পাঁচটি স্তম্ভ (National Reading Panel, ২০০০)

গবেষকদের মতে, সফলভাবে পড়ার জন্য ৫টি দক্ষতা প্রয়োজনঃ

  • ধ্বনি চেনা (Phonemic Awareness) : কথার ভেতরের ছোট ছোট শব্দ বা ধ্বনি আলাদা করতে পারা।
  • ধ্বনি ও বর্ণের মিল (Phonics ) : কোন বর্ণের উচ্চারণ কেমন হবে তা জানা।
  • সাবলীলতা (Fluency) : নির্ভুলভাবে এবং দ্রুততার সাথে পড়া।
  • শব্দভাণ্ডার (Vocabulary): শব্দের অর্থ জানা।
  • বোধগম্যতা (Comprehension): যা পড়া হচ্ছে তার মূল ভাব বুঝতে পারা। 
পড়াকে অনেকে অনেকভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। যেমন, "পড়া মানে হলো ডানা মেলে ওড়া। আমরা যখন কোনো বই পড়ি, তখন আমরা অন্য কোনো মানুষ হয়ে যেতে পারি, অথবা অন্য কারো চোখ দিয়ে পুরো পৃথিবীকে নতুন করে দেখতে পারি।" [১]

II. পড়ার সার্বজনীন অর্থ (Universal meaning of reading)
পড়া শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়। আমাদের চারপাশে থাকা অনেক কিছু আমরা ‘পড়তে পারি। যেমন, বইয়ের লেখা, প্রকৃতির বিভিন্ন দৃশ্য, মানুষের আচরণ কিংবা কোনো ছবি। কোনো কিছু পড়ার মাধ্যমে আমরা তার ভেতরে লুকিয়ে থাকা সত্য বুঝতে পারি।
সার্বজনীন পড়ার সহজ ধারণাঃ
সাধারণভাবে বলতে গেলে, কোনো কিছুর দিকে তাকিয়ে সেটা নিয়ে চিন্তা করা এবং তার অর্থ বের করাই হলো পড়া। এটি তিনটি সহজ ধাপে ঘটে :
  • দেখা ও চেনা: প্রথমে কোনো চিহ্ন (যেমন: একটি শব্দ, আকাশের মেঘ বা কারো হাসি) চোখে দেখে চেনা।
  • পূর্ব-জ্ঞানের সাথে মিলিয়ে নেয়া: সেই চিহ্নটি দেখে মনে মনে কোনো পরিচিত বিষয়ের সাথে মিলিয়ে দেখা।
  • বুঝতে পারা: সবকিছু মিলিয়ে সেই জিনিসটির আসল মানে বা অর্থ খুঁজে বের করা।

ধরা যাক, বাইরে বের হব, কিন্তু জানালার বাইরে তাকিয়ে দেখি আকাশে কালো মেঘ। এখানে পড়া হচ্ছে:

১. দেখা ও চেনা (Perception) : জানালার বাইরে আকাশের বড় কালো মেঘ। এটি হলো পড়ার প্রথম ধাপ: চিহ্নটিকে চেনা।

২. মিলিয়ে দেখা (Translation): মনে পড়ল যে, আগে যখনই এমন কালো মেঘ দেখেছি, তখনই বৃষ্টি হয়েছে। মেঘের সাথে বৃষ্টির ধারণাটি মনে মনে মিলিয়ে নেয়া হলো পড়ার দ্বিতীয় ধাপ।

৩. বুঝতে পারা (Interpretation): "এখন বাইরে গেলে ভিজে যাওয়ার ভয় আছে, তাই ছাতা নিতে হবে অথবা এখন যাওয়া যাবে না।" এই যে মেঘ দেখে একটা সিদ্ধান্ত নেয়া, এটা হলো পড়ার তৃতীয় ধাপ।

একইভাবে, কারও হাসি মুখ দেখে 'পড়তে' পারা যে সে খুশি। ট্রাফিক সিগন্যালে লাল বাতি দেখে 'পড়তে পারো যে এখন থামা উচিত। এভাবে, আমরা বইয়ের বাইরের জগতকে প্রতিনিয়ত পড়ি!

সার্বজনীন পড়ার সংজ্ঞা

সার্বজনীন 'পড়া' ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অনেকে অনেক সুন্দর সংজ্ঞা দিয়েছেন। সেসব সংজ্ঞার একটা এরকম: “পড়া মানে শুধু বইয়ের অক্ষর দেখে শব্দ উচ্চারণ করা নয়। পড়া হলো আমাদের চারপাশের জগতকে চেনার একটা উপায়। আমরা যখন কোনো কিছু পড়ি, তখন আসলে আমরা আমাদের চারপাশটা কেমন, তা বুঝতে পারি। সহজ কথায়, পড়া মানে হলো চারপাশের সবকিছু বুঝে নিয়ে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকা।" [২]

III. 'বিশ্ব পাঠ' বা পৃথিবীকে ‘পড়া' (Reading the World)

সাধারণ অর্থে, 'বিশ্ব পাঠ' বলতে কেবল মুদ্রিত অক্ষর পড়া বোঝায় না; বরং আমাদের চারপাশের বিভিন্ন 'সংকেত' (Signs), প্রকৃতি ও তার নিয়ম-কানুন এবং মানুষ ও তার জীবনব্যবস্থাকে বিশ্লেষণ করার সক্ষমতা। এটি এমন একটি দক্ষতা, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি কোনো বিশেষ পরিস্থিতি, মহাজাগতিক নিয়মাবলী, সামাজিক কাঠামো বা পারস্পরিক কথোপকথনের গভীর অর্থ উদ্ধার করতে পারেন। অর্থাৎ, আমাদের চরপাশের আকাশ, রাস্তাঘাট, মানুষের কথা বলা এ সবকিছু আমরা ‘পড়তে পারি।

আমরা ৪টি সহজ ধাপে এটি করতে পারিঃ

চারপাশের ধরন চেনা (Identifying Patterns): আমরা যখন খেয়াল করি কেন আমাদের শহরের রাস্তাগুলো এভাবে তৈরি করা হয়েছে, কিংবা দোকানে কেন খেলনাগুলো এক জায়গায় সাজানো থাকে—তখন আমরা পৃথিবীকে পড়তে শিখি। এমনকি একটা বিজ্ঞাপন দেখে আমাদের কেন সেটা কিনতে ইচ্ছে করছে, সেই কারণটা বুঝতে পারাও এক ধরণের পড়া।
পেছনের গল্প বোঝা (Contextual Awareness): আমরা বুঝি যে কোনো ঘটনাই এমনি এমনি ঘটে না। তার পেছনে থাকে মহাজাগতিক নিয়ম-কানুন, পুরনো কোনো ইতিহাস বা আমাদের সমাজের নানা নিয়ম । যেমন, কেন আমরা বিশে দিনে বিশেষ পোশাক পরি, তার পেছনের কারণটা বুঝতে পারা।
প্রশ্ন করতে শেখা (Critical Thinking) : আমরা কোনো কিছু দেখে সরাসরি বিশ্বাস করি না। আমরা মনে মনে প্রশ্ন করি, ‘এটা এমন কেন?” বা ‘এতে কার লাভ?” ইত্যাদি।
সামাজিক প্রেক্ষাপট (Social Literacy): এমন অনেক নিয়ম আছে যা কোনো বইয়ে লেখা থাকে না, কিন্তু আমরা বড়দের বা বন্ধুদের দেখে শিখে নিই। যেমন, কার সাথে কীভাবে সুন্দর করে কথা বলতে হয় বা অন্য কারো মন খারাপ থাকলে সেটা তার মুখ দেখেই বুঝে ফেলা।
প্রাকৃতিক প্রেক্ষাপট (Natural Literacy): এটি হলো প্রকৃতির নিয়ম ও সংকেতগুলোকে বুঝে নেওয়ার ক্ষমতা। যেমন আমরা অনেক কিছু বই পড়ে নয়, বরং চারপাশ দেখে শিখি। আকাশে কালো মেঘ জমলে বুঝি বৃষ্টি আসতে পারে, গরমে গাছের পাতা শুকিয়ে গেলে বুঝি পানি কম আছে, কিংবা ভোরে পাখির ডাক শুনে বুঝি সকাল হয়ে গেছে। এগুলো হলো প্রকৃতির দেওয়া সংকেত, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কাজে লাগে। এটি আমাদের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে চলতে এবং জীবনের নানা পরিস্থিতিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে। সহজ কথায় বলতে গেলে, আমাদের চারপাশের আকাশ, নদী, পাহাড়, স্কুল, খেলার মাঠ, এমনকি টিভি বা ইন্টারনেটের ভিডিওগুলোও একেকটা ‘বইয়ের মতো। আমরা শুধু তাকিয়ে থাকি না, বরং মন দিয়ে খেয়াল করে বোঝার চেষ্টা করি আসলে সেখানে কী ঘটছে।
IV. বিশ্ব পাঠের কতিপয় ধারণা ( Some dimensions of reading the world)
‘পৃথিবীকে পড়া’ বা বিশ্ব পাঠের ধারণাটি প্রথম পাওয়া যায় পাওলো ফ্রেইরের (১৯৭০) বইয়ে। তার মতে, সাক্ষরতা শুধু শব্দ চিনে নেয়া নয়; বরং এটি সামাজিক বাস্তবতা বোঝার সক্ষমতা। ফ্রেইরে বলেন যে শিক্ষা এমন হতে হবে যাতে শিক্ষার্থীরা শুধু ““শব্দ” নয়, বরং “পৃথিবী”ও পড়তে পারে। এর মাধ্যমে সাক্ষরতা হয়ে ওঠে মানব মনন ও চেতনা বিকাশের উপায়।
ফ্রেইরে মূলত আমাদের সমাজ এবং অধিকার নিয়ে সচেতন হওয়ার কথা বলেছেন। তবে ‘বিশ্ব পাঠা বা পৃথিবীকে পড়ার এই ধারণাটি আরও বড়। এর মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রাকৃতিক জগতকে জানতে পারি এবং বিজ্ঞানের নানা বিষয় নিয়ে অনুসন্ধান করতে পারি। প্রকৃতিকে যদি আমরা একটি ‘বই’ হিসেবে দেখি, তবে এর চারপাশের পরিবেশ এবং নানা ঘটনাগুলো হবে একেকটি ‘গল্প' বা ‘পাঠ’। পর্যবেক্ষণ এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা যখন এই চিহ্নগুলো বুঝতে শিখি, তখন মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান আরও গভীর হয়।
বিশ্ব পাঠ সম্পর্কিত কিছু ধারণা নিচে আলোচনা করা হলো।
a) শব্দ চেনার বাইরে: সমালোচনামূলক সাক্ষরতা
প্রচলিত সাক্ষরতা মডেল যেমন Simple View of Reading ( Gough & Tunmer, 1986 ) মূলত শব্দ চেনা ও ভাষাগত বোঝার ওপর জোর দেয়। কিন্তু Paige, Rupley, এবং Ziglari (2024) বলেন, বোঝার প্রক্রিয়ায় সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা যুক্ত করতে হবে, যাতে কেবল উপরিভাগের অর্থে সীমাবদ্ধ না থাকে। পৃথিবীকে পড়া মানে হলো লেখা নিয়ে প্রশ্ন করা, লুকানো ধারণা বের করা এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি মূল্যায়ন করা। যেমন, অভিবাসন নিয়ে গণমাধ্যমের বর্ণনা বিশ্লেষণ করতে গেলে শুধু শব্দ বোঝা যথেষ্ট নয়; বরং দেখতে হবে কার কণ্ঠ জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে আর কার কণ্ঠস্বর চেপে রাখা হয়েছে।
b) ন্যায় ও অংশগ্রহণ
Guerreiro, Barker, এবং Johnson (2022) আমাদের মনে করিয়ে দেন যে সাক্ষরতা মূল্যায়নে ন্যায় ও অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিতে হবে। পৃথিবীকে পড়া মানে হলো বোঝা যে সামাজিক বৈষম্য কীভাবে জ্ঞান অর্জন ও উপস্থাপনায় প্রভাব ফেলে। একজন সমালোচনামূলক পাঠক শুধু তথ্য গ্রহণ করেন না; বরং তিনি তা বৃহত্তর ক্ষমতার কাঠামোর মধ্যে স্থাপন করেন এবং প্রশ্ন করেন—লেখা কীভাবে প্রভাবশালী মতাদর্শকে শক্তিশালী করে বা চ্যালেঞ্জ জানায়। এই দৃষ্টিভঙ্গি Gay (2018) - এর culturally responsive pedagogy-এর সঙ্গে মিলে যায়, যেখানে বলা হয়েছে শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক পরিচয় অর্থ তৈরির কেন্দ্রে থাকতে হবে।
c) প্রকৃতিকে পড়া এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া 
প্রকৃতিকে পড়া মানে প্রকৃতির সংকেতগুলো বোঝা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া। যেমন, হিমবাহ গলে যাওয়া আমাদের সঙ্কেত দেয় যে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ছে এবং এর ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। নদী ও মহাসাগরে বর্জ্যের স্রোত দেখে আমরা বুঝি, মানবসৃষ্ট দূষণ প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করছে। আবার সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ায় উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ ঝুঁকির মুখে। এই ঘটনাগুলোকে প্রকৃতির দেয়া সতর্কবার্তা বা সংকেত। এই সংকেতগুলো বুঝে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়াটা হলো বিশ্ব পাঠ।
d) সমালোচনামূলক পড়ার কৌশল
Sun এবং তাঁর সহকর্মীরা (2021 ) দেখিয়েছেন যে পড়ার কৌশলগুলো বোঝার ক্ষমতা বাড়ায়। পৃথিবীকে পড়তে হলে শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করা, সংযোগ তৈরি করা এবং বিভিন্ন তথ্য একত্রিত করার মতো কৌশল ব্যবহার করতে হবে। এসব কৌশল পড়াকে সক্রিয় প্রক্রিয়ায় রূপান্তরিত করে, যেখানে পাঠক বিভিন্ন লেখা ও প্রেক্ষাপট থেকে অর্থ নির্মাণ করে। যেমন, কোন বিষয়ে সরকারি নথি আর স্থানীয় সম্প্রদায়ের অভিজ্ঞতা তুলনা করলে শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারে কথার সঙ্গে বাস্তবতার ফারাক কোথায়।
e) পড়া মানেই কাজ (Praxis)
ফ্রেইরে (1970) বলেন যে পৃথিবীকে পড়া কাজ থেকে আলাদা নয়। সমালোচনামূলক সাক্ষরতা কোনো বিমূর্ত অনুশীলন নয়; বরং এটি হলো praxis। অর্থাৎ, পৃথিবী নিয়ে চিন্তা করা এবং তার পরিবর্তনের জন্য কাজ করা। যখন শিক্ষার্থীরা কোন লেখা সমালোচনামূলকভাবে ব্যাখ্যা করে, তখন তারা সেটিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে এবং বিকল্প কল্পনা করতে সক্ষম হয়। পৃথিবীকে পড়া তাই হয়ে ওঠে একটি যৌথ প্রয়াস, যা পারস্পরিক আলোচনা বা সংলাপ ও সামাজিক পরিবর্তনকে উৎসাহিত করে।
এই আলোচনা থেকে আমরা বুঝতে পারি যে, বিশ্ব পাঠ মানে সাক্ষরতাকে কেবল শব্দ ও বাক্য পড়ে বোঝার দক্ষতা হিসেবে না দেখে, সমালোচনামূলক সচেতনতার পথে নিয়ে যাওয়া। এতে একজন পাঠকের প্রাকৃতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ, কৌশল প্রয়োগ এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনে অংশগ্রহণ করা প্রয়োজন। ফ্রেইরে যেমন বলেন, শিক্ষা এমন হতে হবে যাতে শিক্ষার্থীরা পৃথিবীকে পড়তে পারে। তারা যেন নিছক তথ্যের নিস্ক্রিয় ভোক্তা না হয়ে পরিবর্তনের সক্রিয় অংশীদার হয়ে ওঠে।

২৮শে মার্চ, ২০২৬

আমার মন্তব্যঃ  চৎকার ভাবনা। চিন্তার যে এত ধাপ আছে তা কখনো চিন্তায় আসে না।  

আমাদের মস্তিষ্ক যে ধাপে ধাপে এ কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারে আমাদের অজান্তে এটা বিরাট বিস্ময়। কোন একটা ধাপ বাদ গেলে কত বাধা এসে পড়ে জীবনে।

লেখাটি খুব ভাল লাগলো।

https://www.somewhereinblog.net/blog/Abu_Sid/30388665

২৮ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৯

হুমায়রা হারুন বলেছেন: ভাষা বিজ্ঞানের ওপর লেখা এই অনেকদিন পর এই প্রথম দেখলাম। খুব ভাল লাগলো। সেই আবু জর ভাইয়ের লেখার পর ভাষার ওপর আর কারো লেখা আমি পাই নি।
অনেক ধন্যবাদ।
+++++++
পোস্টের সারমর্ম হিসেবে যে মন্তব্যটি রাজীবকে করেছেন তা দিয়ে আরেকটি পোস্ট হয়ে যায়। প্রতিটি ব্যাখ্যা অসাধারণ। ভাষা বিজ্ঞানের ওপর আপনার রচিত কোন বই কি আছে?

২৮ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনার মতামতের জন্য অনেক ধন্যবাদ। ভাষা বিজ্ঞানের ওপর আমার লেখা কোন বই নেই। কিন্তু, আমি এ বিষয়ে কিছু লেখাপড়া আর কাজ করছি। শেষ হলে এই ব্লগে পাবেন। আফসোসের ব্যাপার যে বাংলাদেশে প্রকাশনাটা আজও একটা মানসম্মত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। যাইহোক, রাজীবের মন্তব্যের উত্তর নিয়ে যেটা বলেছেন কিছুক্ষণ আগে আমি ঠিক একই কথা ভাবছিলাম। হয়ত আগামীকাল বা পরশু সেটা পোস্ট করব।

২৮ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৩৪

হুমায়রা হারুন বলেছেন: যা কাজ করেছেন তা ব্লগে দিলে আমরা খুব উপকৃত হবো।
খুবই তথ্য সমৃদ্ধ , মনোযোগ ধরে রাখে , ভাষাকে জানতে সাহায্য করে - আপনার এমন সব লেখা আমাদের জন্য অমূল্য সম্পদ।
প্রকাশক এর দরকার নেই।
ব্লগেই দেবেন।
লেখা অনেক হয়ে গেলে ই-বুক করে ফেলবেন।

২৯ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:১০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২৯ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:১২

হুমায়রা হারুন বলেছেন: পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
অনেক বড় ক্লাশে পড়ার পর একটা শব্দের সাথে পরিচিত হলাম 'প্রশ্ন ব্যাংক'। ওখানে MCQ প্রশ্ন আর উত্তর দেয়া থাকবে। ওগুলো থেকে প্রশ্ন আসবেই আসবে। বই না পড়লেও চলবে।
তখন এই প্রথম দেশে 'MCQ' পদ্ধতি চালু হলো। আমরা এসব টার্ম আগে শুনি নাই। তারপর
ছেলেমেয়েরা বই পড়া বাদ দিয়ে প্রশ্ন ব্যাংক মুখস্থ করে বাংলায় যখন ৯০% মার্ক্স পাওয়া শুরু করলো তখন তো আমাদের আক্কেল গুড়ুম। আমরা তো বাংলায় ৬০% কি সর্বোচ্চ ৬২% পেলে সেই ছাত্রকে দেখতে যেতাম। আর এখন বাংলায় , ইংরাজীতে ৮০% ছাড়িয়ে যাচ্ছে! কি সাংঘাতিক মেধার ছড়াছড়ি।
তারপর আসলো 'গোল্ডেন A'.
আর বুঝবার সাধ্যি আমার নাই।

৩০ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৮

রাজীব বলেছেনঃ[ লেখাপড়ার মধ্য আনন্দে আছে। এটা আমি এখন বুঝি। কিন্তু যখন লেখাপড়ার মধ্যে ছিলাম, তখন লেখাপড়া বিরক্ত লাগতো।
সবার ক্ষেত্রেই তাই। কারণ লেখা -পড়ার নামে 'পরীক্ষা' নামক একটা আতংক তখন চাপিয়ে দেয়া হতো।
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩০
লেখক বলেছেনঃ বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক ও করুন। এটা কেবল পাঠ্য বিষয় (সিলেবাস) বা শিক্ষকদের প্রথম শ্রেণী বা নবম গ্রেডের বিষয় নয়। এ দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এক বহুমুখী সঙ্কটে নিপতিত। গত ১২ বছরে আমার আরও কিছু সহকর্মীর সাথে আমি সারাদেশে শত শত স্কুল ভিজিট করেছি, এবং অজস্র ক্লাস পর্যবেক্ষণ করেছি। আমরা কাজ করেছি মূলত প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে। স্বভাবত, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরও আমাদের সাথে শরীক হয়েছেন অনেক সময়। এই অভিজ্ঞতাটুকুর আলোকে আমি যতটুকু বুঝতে পারি তা এরকমঃ
শিক্ষাব্যবস্থায় এই দুর্যোগ অনেকগুলো কারণে ঘটছে। এর প্রধান প্রধান কারণগুলো নিম্নরূপ -
১। পলিসির দুর্বলতাঃ শিক্ষা ব্যবস্থাটা এখনও কেরানী তৈরির উপযোগী যেটা ব্রিটিশের সময় ছিল। সৃজনশীল মানুষ তৈরির পরিকল্পনা সেখানে নেই। আবার, আমারা যদি চাই যে ক্লাস ৫-পাস শিশু সাবলীলভাবে বাংলা পড়তে ও লিখতে পারবে তাহলে মূল্যায়ন ব্যবস্থা তেমন হওয়া উচিত। স্কুলের পরীক্ষার যে পদ্ধতি সেখানে মুখস্তবিদ্যা যাচাই করা হয়। [এস এস সি তে সব থেকে ভালো করা শিক্ষার্থীদেরও যদি কোন বিষয়ে ১০ লাইন বাংলায় লিখতে দেয়া হয় তাহলে কয়জন সঠিক ভাবে লিখতে পারবে? অথবা কোন খবরের কাগজের একটা নিবন্ধ বা প্রবন্ধ পড়ে তাদের কয়জন বিশ্লেষণ বা সারমর্ম তৈরি করতে পারবে তা গবেষণার বিষয়।
২। প্রশাসনিক দুর্বলতাঃ বিষয়টা বলতে একটা উদাহরণ দেয়াই যথেষ্ট হবে। একবার, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন পরিচালক কাউকে না জানিয়ে স্কুল ভিজিটে গেলেন। দেখলেন যে সেখানে শিক্ষক নেই। একজন এস এস সি পাশ মেয়ে ক্লাস করাচ্ছে। পরিচালক মহোদয় শিক্ষককে ফোন দিয়ে বললেন, যে মেয়াটা আপনার ক্লাস করাচ্ছে ওর বেতন স্যামনের মাস থেকে ২ হাজার টাকা বাড়ায়ে দিয়েন, ও অনেক ভালো পড়ায়। শিক্ষক তো রেগে আগুন। তিনি বললেন, কে আপনি? পরিচালক মহোদয় বললেন, আপনি তো স্কুলে আসেন না। বাইরে ব্যবসা করেন। স্কুলে এসে দেখেন আমি কে?
৩। স্কুলের অব্যবস্থাপনাঃ ক্লাসে শিক্ষকরা কী পড়াচ্ছেন, কেমন পড়াচ্ছেন তা দেখার কেউ নেই। পর্যাপ্ত মনিটরিং ও মেন্টরিং নেই।
৪। শিক্ষাদান পদ্ধতিঃ ক্লাসে বা শ্রেণীকক্ষে ফলপ্রসূ শিক্ষাদান নেই। বেশিরভাগ সময় শিক্ষক/শিক্ষিকা একাই কথা বলে যান। শিশুরা শেখার বিষয়গুলো প্রাকটিস করতে পারে না।
৫। মানবসম্পদঃ শিক্ষক নিয়োগে ভীষণ সমস্যা। একবার এক স্কুলে গিয়ে দেখা গেল যে স্কুলের ক্লাস-৫ এর শিক্ষার্থীরা ক্লাস-৩ এর বাংলা বই পড়তে পারে না। উদ্বেগের ব্যাপার হলো যে এমন একজন শিক্ষককেও পাওয়া গেল, যিনিও ক্লাস-৩ এর বাংলা বই পড়তে পারেন না।
এক্ষেত্রে আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে বাংলাদেশে অধিকাংশ চাকরি (বিশেষত, সরকারি চাকরি) যেন এক ধরনের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা। একবার কোন মতে ঢুকতে পারলে ব্যাস, জীবন পার। নিজের স্কিল উন্নত করার দিকে আর কারও কোন মনযোগ নেই। 
একটা উদাহরন দিলে ব্যাপারটা স্পষ্ট হবে। আরেকবার আরেকজন সরকারি কর্মকর্তা স্কুল ভিজিটে গিয়ে দেখলেন যে দোতলা সরকারি প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫০ এর মতো। অন্যদিকে, পাশের একটা বেড়ার স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৮০০। স্কুলটা কোন কিন্ডারগার্টেন নয়। স্থানীয় কয়েকজন তরুণ ছেলে-মেয়ে স্কুলটা চালায়। শিক্ষার্থীরা যে যা পারে বেতন দেয়। যারা পড়ায় তারা হয়ত মাসে ৫/৭ বা ৮/১০ হাজার টাকা পায়। তাদের কোন পেনশন বা ভবিষ্যৎ নেই! অন্যদিকে, সরকারী প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষক পাচ্ছেন প্রায় হাজার ৩০ - অন্য সুযোগ সুবিধা তো আছেই!
এগুলোর বাইরে কারিকুলাম বা সিলেবাস, এবং আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার আছে যেগুলো নিয়ে দীর্ঘ মেয়াদী কাজ করা প্রয়োজন। হয়ত আমাদের প্রয়োজন, ২০-২৫ বছর মেয়াদি দীর্ঘ ও কার্যকরী পরিকল্পনা, এবং সবার সহযোগিতা! আমার অভিজ্ঞতা যদিও প্রাথমিক শিক্ষাকেন্দ্রিক, তবু যতটুকু বুঝতে পারি তাতে মনে হয় হাইস্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় বা কারিগরি স্কুলের অবস্থা এর থেকে বিশেষ উন্নত নয়। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিকল্পনা এবং অনেক অনেক কাজ করা প্রয়োজন।

০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৫০
আমার মন্তব্যঃ আমাদের দেশে Education এর ওপর গবেষণার সুযোগ পেলে আমার ইচ্ছা ছিল 'প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষাদান' পদ্ধতি নিয়ে কাজ করবো। সেই তিন দশক আগের কথা বলছি । তখন IER দেখে এত মুগ্ধ হয়েছিলাম যে ভেবেছিলাম এখানে রিসার্চ সুপারভাইজার পেলে যদি কাজ করতে পারতাম। কিন্তু সে সুযোগ আসেনি। আপনি প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে মূলত কাজ করছেন জেনে আমার ইচ্ছার কথাটা আজ মনে পড়ে গেল।

০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:০৪০
লেখক বলেছেনঃ হুমায়রা হারুন, আপনার ইচ্ছা শুনে অনেক ভালো লাগলো। আসলে বাংলাদেশে গবেষণার তেমন সুযোগ নেই। গবেষণার সহায়ক পরিবেশের খুব অভাব। কারণ, গবেষণার মুল উদ্দেশ্য হলো, সত্যের উদ্ঘাটন, জ্ঞানের মুক্তি । আমরা সত্য খুঁজতে ভয় পাই, যদি তা আমাদেরই বিপক্ষে যায়! আর জ্ঞানের বদলে কোথায় কীভাবে টাকা বানানো যাবে এই হলো সবার সাধারণ লক্ষ্য। যাই হোক, আপনার মতামতের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

Mar 22, 2026

গ্যালাক্টিক ফেডারেশানের বার্তা

 

২৩ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৪৫০

ডঃ এম এ আলী বলেছেনঃ  এমন একটি জটিল বিষয়কে ছোট কয়েক লাইনে পোস্ট দিলে পাঠকের বোধের আবস্থা নীচের মন্তব্য কারির মত হবে, কোথায় বাকবাড়ী আর কোথায় পাকপারি মতন ।

তাই আপনার পোস্টের লেখার বিষয়ে কিছু বলার আগে বিষয়টির গুড়া ধরে একটু টান দিলাম ।

আশতার (কখনও “আশতার শেরান” নামেও পরিচিত) এমন একটি নাম, যা একটি ভিনগ্রহী সত্তা বা সত্তাগোষ্ঠীকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় , যাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের দাবি অনেকেই করেছেন।

ইউএফও-সংক্রান্ত যোগাযোগকারী জর্জ ভ্যান ট্যাসেল প্রথম ব্যক্তি, যিনি ১৯৫২ সালে আশতারের কাছ থেকে বার্তা পাওয়ার দাবি করেন।

ভ্যান ট্যাসেলের মাধ্যমে আশতারের পরিচিতি পাওয়ার পর, আরও অনেক মাধ্যম (মিডিয়াম) আশতারের সঙ্গে যোগাযোগের দাবি করতে শুরু করেন। একসময় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় যে, ডজনখানেক মানুষ আশতারের সঙ্গে যোগাযোগের দাবি করছিলেন এবং তারা পরস্পরবিরোধী বার্তা উপস্থাপন করছিলেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রচারিত কিছু বার্তা ব্যর্থ প্রমাণিত হয়, যখন সেগুলোতে অন্য গ্রহে উন্নত সভ্যতার বিকাশ এবং পৃথিবীতে শিগগিরই মহাকাশযানের( উফুর ) অবতরণের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল যা বাস্তবে ঘটেনি।

আশতারকে সাধারণত স্বর্ণকেশী চুল ও ইউরোপীয় বৈশিষ্ট্যযুক্ত মানবসদৃশ রূপে চিত্রিত করা হয়; এই কারণে তাকে নর্ডিক এলিয়েন হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে। আশতার আন্দোলনকে গবেষকরা ইউএফও-ভিত্তিক ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপ হিসেবে অধ্যয়ন করেন।

আশতারকে অন্তর্ভুক্ত করে এমন একটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর উদাহরণ হলো চেক ইউনিভার্স পিপল, যারা যিশু ও শ্রীকৃঞ্চ অন্যান্য ব্যক্তিত্বের সঙ্গে আশতারকেও শ্রদ্ধা করে; তাদের একটি ওয়েবসাইট ডোমেইনের নাম হলো ashtar-sheran।

এখন আসা যাক আপনার পোস্টের কথামালায় । আপনার পোস্টে উল্লেখিত বক্তব্য Mathematics of consciousness is not linear, it is exponential মূলত একটি রূপকধর্মী ধারণা, যা চেতনার বিকাশকে গণিতের ভাষায় ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে। এখানে এক্সপোনেনশিয়াল বা সূচকীয় বৃদ্ধি বলতে অবশ্যই বোঝানো হয়েছে যে মানুষের বোধ বা চেতনা ধীরে ধীরে সরলরৈখিকভাবে বাড়ে না; বরং নির্দিষ্ট কিছু মুহূর্তে তা হঠাৎ করে দ্রুত ও বহুগুণে বিস্তৃত হতে পারে।

বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, এই ধারণাটি আংশিকভাবে আধুনিক মনোবিজ্ঞান ও জ্ঞানবিজ্ঞানের কিছু তত্ত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ, শেখার প্রক্রিয়ায় insight” বা হঠাৎ উপলব্ধি একটি স্বীকৃত ঘটনা, যেখানে দীর্ঘ সময়ের ধীর প্রস্তুতির পর ব্যক্তি হঠাৎ করেই একটি জটিল বিষয় স্পষ্টভাবে বুঝতে সক্ষম হয়। একইভাবে, স্নায়ু বিজ্ঞানে নিউরাল নেটওয়ার্কের পুনর্গঠন বা neuroplasticity এর ফলে নির্দিষ্ট সময়ে দ্রুত জ্ঞানগত পরিবর্তন ঘটতে পারে।

তবে, গ্যালাক্টিক ফেডারেশন বা Commander Asthar Sheran এর মতো উৎসগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত নয় এবং এগুলোকে প্রমাণভিত্তিক জ্ঞানের অংশ হিসেবে গণ্য করা যায় না। তাই এই বক্তব্যকে একটি দার্শনিক বা আধ্যাত্মিক রূপক হিসেবে বিবেচনা করাই যুক্তিযুক্ত, বৈজ্ঞানিক সত্য হিসেবে নয়।

মোট কথায় বলা যায়, চেতনার বিকাশ সবসময় সমান হারে ঘটে না, এটি কখনো ধীর, কখনো দ্রুত হতে পারে, এই ধারণাটি বাস্তবসম্মত। কিন্তু এটিকে সূচকীয় গাণিতিক নিয়ম হিসেবে উপস্থাপন করা একটি কাব্যিক বা দার্শনিক ব্যাখ্যা, যার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি সীমিত এবং আরও প্রমাণের প্রয়োজন রয়েছে। দেখা যাক এ ভবিষ্যতে কী প্রমান আমাদের নিকট হাযির করা হয় ।  মূল্যবান একটি বিষয়ে পোস্টদিয়ে কিছু আলোচনা শেয়ার করার সুযোগ তৈরী করে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

ঈদ শুভেচ্ছা রইল

*****

২৩ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:২৫

আমার মন্তব্যঃ Ashthar এর ব্যকগ্রাউন্ড বর্ণনা করে দেবার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আলী ভাই। আমি চেয়েছিলাম তাদের সাম্প্রতিক চ্যানেল্ড্‌ ম্যাসেজ, এই পোস্টের মাধ্যমে একটু একটু করে বাংলায় উপস্থাপন করবো । কিন্তু সময় পাই নাই।
যাই হোক।
ওনাদের ফ্লিট ওহাইও , টেক্সাস, ইন্ডিয়ানা তে বেশী করে দেখা যাচ্ছে কিছুদিন ধরে। কানাডার অ্যাালবার্টা-তে দেখা গেছে। বোদ্ধারা 'মিট্যিওর'-বলে সেগুলোকে আখ্যায়িত করছে। তাই ফ্লিটগুলো 'অর্ব' আকারে জিমন্যাস্টদের মত অংগ- ভঙ্গিমা প্রদর্শন করছে। যেন গতানুগতিক 'মিট্যিওর' বলে উড়িয়ে না দিতে পারে।
প্রফেসি আছে, গ্যালাক্টিক ফেডারেশানের 'ফ্লিট' ২০২৬ সালে আকাশে প্রতীয়মান হবে। বা বলা যায় আমরা এতই সচেতন হবো যে, আমরা তাদের উপস্থিতি টের পাবো। কারণ তারা সব সময়ই আকাশে ঘুরে বেড়াতো। [আমাদের 'লোকাল গ্যালাক্সি'র ছায়াপথগুলোর দেখভাল ওনারা করে থাকেন ।] আমরা যদিও মানসিক ভাবে দেখতে পাবার যোগ্য তখন ছিলাম না।
২০২৭ সালে তারা সামনা সামনি আসবে, কথা বলবে, (যদি আমাদের অ্যসেন্সান এভাবে এক্সপোনেনশিয়ালি বাড়তে থাকে।)

আবারো অসংখ্য ধন্যবাদ।
মেসেজ এর ট্রান্সক্রিপ্ট এর লিঙ্ক
Message from Galactic-Federation
২৪ শে মার্চ, ২০২৬

আজ মানব জাতির নতুন অধ্যায়ের সূচনা। ইউ এস কংগ্রেস -এর হেয়ারিং এ ভীন গ্রহের প্রাণীর অস্তিত্ব স্বীকার করে নিল। আমাদের পৃথিবীর আকাশে UFO- র বিচরণ মেনে নেয়া হলো।
আহ্‌ কি মজা। পৃথিবীর সকল whistle blower দের জন্য রইলো আন্তরিক শুভেচ্ছা।
 ২৫ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:২৮
ডঃ এম এ আলী বলেছেনঃ 
২৪ শে মার্চ, ২০২৬ আমেরিকার কংগ্রেস ভিনগ্রহের প্রাণীর অস্তিত্ব স্বীকার করেছে এমন বড় ধরনের ঘোষণার খবর BBC, CNN, Reuters ইত্যাদিতে দেখার অপেক্ষায় থাকলাম ।

২৫ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: ডঃ আলী ভাই, ২০২৬- এ ET ডিসক্লোজার হবে। ২০২৭ এ সামনা সামনি ET দের সাথে সাধারণ মানুষদের কথা হবে। মানে তারা সাননে আসবে। যদি আরো দ্রুত আস্যেন্সান হয় আমাদের প্রজাতির, তাহলে আরো আগেই হওয়া উচিত। তবে
তখন মেইন -স্ট্রিম মিডিয়া তে আসবে কি না জানি না। আদৌ মেইন স্ট্রিম মিডিয়াগুলো তখন থাকবে কি না, তাও জানি না।
আপাতত এই লিংকটা পেয়েছি
Shocking Alien Revelation Rocks America

২৫ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:০৭

শ্রাবণধারা বলেছেন: আপা, এমন কোন ভীনগ্রহের প্রাণীর সন্ধান কি পাওয়া সম্ভব যাদেরকে দিয়ে ইসরায়েল ও আম্রিকাকে শায়েস্তা করা যাবে?
এই দুইটা দেশ পৃথিবীতে বড় অশান্তি করছে। ভীনগ্রহের প্রাণী অথবা নবী সোলাইমানের জ্বীনের সৈন্যবাহিনী ছাড়া আর কোন রাস্তা আমি দেখতে পাচ্ছি না!!!
২৬শে মার্চ, ২০২৬
প্ল্যানেট Earth একটা কন্সাসনেস। পুরো প্ল্যানেট এখন 3D level((স্তর)  হতে 5D স্তরে উন্নীত হতে যাচ্ছে। লক্ষাধিক বছর আগে, আমাদের 12 strand DNA কে রেপ্টিলিয়ানরা (ইবলিশ) ম্যানুপুলেট করে নষ্ট করে দিয়েছিল।  লাইট- সোর্স থেকে আমাদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছিল। বহু লক্ষ বছর আগে থেকে  আমরা অন্ধকার যুগে বসবাস করছিলাম।  সোর্স থেকে পুরা বিচ্ছিন্ন। ২৬০০০ বছরের এই Dark age শেষ হয়ে গেছে (মায়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে) ২০১২ তে। spiritually  আমরা (সাধারণ মানুষেরা) অ্যাওয়েকেন হওয়া শুরু করেছি। 
 প্রফেসি অনুসারে গ্যালাকটিক ফেডারেশান আমাদের সাথে mass contact  করবে ২০২৭ এ। ১৯৭০   বা তারও আগে ১৯৪০  থেকে তারা বিভিন্ন দেশের  রাজ্যপতিদের সাথে কন্টাক্ট করে দেখেছে রাজা বাদশারা শুধু  ভীনগ্রহীদের কাছ থেকে  টেকনলজি  নিয়ে  পৃথিবীর মানুষদের মারে । যুদ্ধ লাগায় , প্ল্যানেটের কোন উন্নতি করে না। আরো দেখেছে এসব রাজ্যপতিরা সবই ক্যানিবাল এবং নন-হিউম্যান রেপ্টিলিয়ান। shape shift  করে মানুষের রূপ  ধারণ করে চলে। দু ' একজন মানুষ এ অবস্থানে আসতে পারলেও তাদেরকে তারা মেরে ফেলে। তারপর  তাদের ক্লোন বানিয়ে  সকলের সামনে উপস্থাপন করে। রেপ্টিলিয়ানদের এসব কর্মকান্ড ancient knowledge সমৃদ্ধ মেক্সিকোর শামান -রা,  বা তদের লেভেলের বুজুর্গ যারা আছেন, অন্য সব জায়গায়, তারা খুব ভাল জানেন। চ্যানেলার-রা জানেন। অ্যাবডাক্টিরা জানেন। কিন্তু জনসাধারণের কাছে এসব তুলে ধরা  শুরু হয়েছে ইন্টারনেট আসার পর থেকে। এখন সবাই রেপ্টিলিয়ানদের মত অন্যান্য ইভিল এন্টিটির  ব্যাপারেও সচেতন। 
ইভিল-দের প্রিয় জিনিস হলো মানুষের রক্ত,  মানুষের সাথে যুদ্ধ আর শিশুদের অ্যাসল্ট করা। যেহেতু শিশুদের DNA pure , তাই শিশুরা এদের পছন্দ। এখন এপস্টিন ফাইল সামনে আসাতে তারা মরিয়া হয়ে গেছে এসব ঢাকা দেবার জন্য। কিন্তু মানুষের হাতে ক্ষমতা না থাকলেও আত্মিক দিক দিয়ে  soul level  -এ মানুষরা এতটাই অ্যাওয়েকেন হয়ে গেছে যে, সেই শক্তির কাছে রেপ্টিলিয়ান- রা হেরে গেছে। ফলে এইসব যুদ্ধের সূচনা করেছে। ডার্ক ফোর্সের পরাজয় ঘটে গেছে স্পিরিচুয়াল লেভেলে , ২০১২  তেই। ডায়ানা কুপার  এর লেকচার শুনে দেখেন।  
লাইট -ফোর্স গ্যালাকটিক ফেডারেশানের সাহায্য নিয়ে জয়ী হয়ে যাবে  বলে প্রফেসি আছে।
গ্যালাকটিক ফেডারেশান এই ইউনিভার্সের মাঝে  5D বা তার উপরের 6D/7D এর non human entity. তারা আমাদের লোকাল -গ্যালাক্সি সমূহের দেখভাল করে। 
7D 'আর্কচুরিন' এবং 5D প্লেইডিয়ানরা চ্যানেলিং এর মাধ্যমে এ-ও বলেছে যে, তারা নিউক্লিয়ার -ওয়ার প্রতিহত করবে।

সৃষ্টিতে টাইম লাইন একাধিক।  রিয়্যালিটি একাধিক। কোন টাইম -লাইনের চ্যানেলিং , চ্যানেলার- রা করছে তা  বুঝা কঠিন। কিন্তু যদি এই প্রফেসি সত্য হয়ে থাকে তাহলে আমাদের প্রজাতি বেঁচে যাবে। এই প্ল্যানেট বেঁচে যাবে। আর নিউক্লিয়ার -ওয়ার হলে প্ল্যানেট  উড়ে টুকরা টুকরা হয়ে 'কিউপার বেল্টের' মত গুড়া গুড়া হয়ে যাবে। বা  Mars এর atmosphere উড়ে সমগ্র প্ল্যানেট যেমন  বসতিহীন হয়ে পড়েছিল, তা হবে।
আমরা যেমন তা চাই না। গ্যালাকটিক ফেডারেশানও তা চায় না। কারণ এতে সৃষ্টির ভারসাম্যের বিঘ্ন ঘটে। তাদের ফ্লিট  এখন দেখা দিচ্ছে আকাশে। বা বলা চলে আমাদের কনসাশনেস সেই পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে যে, আমরা তাদের ফ্লিট দেখতে পাচ্ছি। রাজ্যপতিরা আর লুকিয়ে রাখতে পারছে না। ২০২৭ এ ভীনগ্রহীরা  mass-কমিউনিকেশান করবে। তাই  এসব প্রতিরোধ করতে রেপ্টিলিয়ান  shape shifter - রা মরিয়া হয়ে ২০২৭-২০৩০ পর্যন্ত  সবকিছু তছনছ করবে। 
প্রফেসি আছে ইমাম মেহেদী আসবেন। ঈসা নবীর আগমন ঘটবে। মহাপ্রলয় একদিন শান্ত হবে। জাকারিয়া কামালের Scientific Tafsir এর লেকচার দেখেন। Alex Collier , Jordan Maxwell সহজ ভাষায় shape shifting  বর্নণা করেছেন। তাদের লেকচার শুনতে পারেন।

 ২৫ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:১১


কলাবাগান১ বলেছেন: আপনার উচিত ভুয়া খবর প্রচার এর সমিতির প্রধান হওয়া
২৪ শে মার্চ, ২০২৬
 lower 3D realm এ পড়ে আছে, এমন এক প্ল্যাটফর্মে এসে চেষ্টা করছি, পাঠকদেরকে ঠেলে ঠুলে upper 3D নিতে, (যেখানে কিনা আমাদের সমগ্র প্ল্যানেট এখন 4D -তে চলে গেছে! তারপর এই খবরটা দেবার পর এখন বলেছেঃ 'আপনার উচিত ভুয়া খবর প্রচার -এর সমিতির প্রধান হওয়া।' 
কি যে করি!
পাঠকদের মাঝে যারা upper 3D বা 4D ছুঁই ছুঁই, তারা তো থেমে গেছেন অনেক আগেই। তারা ব্লগ পড়েন কিন্তু আর কথাই বলেন না।


যাই হোক।
অ্যালেক্স ক্যোলিয়ারের বক্তব্য শুনে একটা ডায়াগ্রাম এঁকেছিলাম। আপাতত সংযুক্ত করলাম। বিষয়টি বিস্তৃত । তাই ব্যাখ্যা করতে সময় লাগবে। শ্রাবণধারার উত্তর দিতে যেমন একটু সময় লাগছে।


Mar 21, 2026

নির্ঝর

 মুক্তগদ্য: একটি মা, পাহাড় ভ্রমনে বিভ্রম এবং ধ্যানমগ্ন অন্ধকারের ছাইপাখি

১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৫৭

হুমায়রা হারুন বলেছেন: ++++

১৬ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

 ০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৩৯

সকাল রয় বলেছেন:



একটা পাহাড়ের গল্প বলি !!!!!!

ভীষণ ভালো লাগলো

কবি

'

'

'


AI BOT

                                                                                  
 শ্রদ্ধেয় ভাই, কোথাও বলেছিলেন,
আপনার কি ভালো লাগে, ... এই পোস্টে পড়ে থাকা ৮ টি মন্তব্যের মধ্যে একটি মন্তব্যের উপরে কোন প্রতিমন্তব্য বা জবাব না দিয়ে, পর পর দুটি নতুন পোস্ট দেয়ার যুক্তি সমুহ কী কী? আর এটা কতটুকুই বা শোভন বলে মনে করেন?

যার পোস্টে (নাম বলছি না) এই প্রশ্ন করেছিলেন, সেই ID তে [আমার অবজারভেশান অনুযায়ী] কমপক্ষে তিনজন বা তিনটা AI BOT কাজ করে। যথাক্রমেঃ
১. আজকের ডায়েরি বা আমাদের অমুক ...এসব পোস্ট দিয়ে থাকেন একজন।
২. পোস্ট টির ওপর প্রাথমিক মন্তব্য দেন আরেকজন। যেমনঃ পড়ে ভাল লাগলো।
৩.এন্ডিং মন্তব্য দেন আরেক জন। যেমনঃ কে কি লিখলো দেখতে আসলাম।

এই তিন ব্যক্তি বা তিন AI ব্যক্তিত্ব -এর মধ্যে কোন যোগাযোগ নাই। তারা তিন ধরণের প্রোগ্রামিং [ AI BOT] যারা তাদের জন্য নির্ধারিত সময় এলে সকল পোস্টে মন্তব্য লিখে যান/ (বা বলা যায়) মন্তব্য ক্রিয়েট করে যান।
কেন?
কারণ, এই প্রযুক্তির যুগে AI BOT দিয়ে কাজ করা সহজ। সময় বাঁচে।
মন্তব্যের খরার দিনে, এই ID টি মন্তব্যকে খরার হাত থেকে বাঁচানোর আপ্রান চেষ্টা করছে । প্রযুক্তি এখন অনেক অগ্রসরমান।
*****
২২ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:২১০

লেখক বলেছেনঃ আপনি ঠিকই বলেছেন ।
AI BOT নিজে থেকে চিন্তা বা অনুভব করে না। এটি ডাটা ও অ্যালগরিদমের উপর নির্ভর করে, তারা ডাটা ইনপুটে ভুল করে। তাই প্রায় কিংবা সবসময় ১০০% ই উত্তর সঠিক হয়না ।
তাই দেখা যায় সে বা তাহাদের মন্তব্যে ভুলবাল প্রচুর অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য চলে আসে , যেন কোথায় বাকবাড়ী আর কোথায় ঘোরাঘুরি করার মত ।
এ রকম আরো কয়েকজন আছেন তাদের ক্ষেত্রেও এরমটাই দেখা যায় । যাহোক এদের ঘরে এদের মত করেই এখন হতে মন্তব্য করা হবে ।

ঈদ শুভেচ্ছা রইল ।

২৫ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।

Mar 14, 2026

কমেন্ট বটে!

১৪ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৪৪
রাজীব নুর বলেছেন: পাগলের সুখ মনে মনে।

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:৫২

  সামছুল আলম বলেছেন: যতই দরীদ্র হোক্ জন্মের সময় বাবা-মা তাদের সন্তানের মুখে প্রথমে একটু মিষ্টি ছুঁইয়ে দেয় !! কেন ?? বড় হয়ে মুখ দিয়ে ভালো কথা বের করবে; এ কারনে ???




১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪

হুমায়রা হারুন বলেছেন: আলম ভাই, সঠিক বলেছেন।

১৩ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:২০

পাঠক বলেছেন: মানুষ মরে গেলেই, তার প্রতি আমাদের মায়া বেরে যায়।

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: লেখকের লেখার যেমন স্টাইল আছে, কমেন্ট দাতার কমেন্ট করার-ও স্টাইল আছে।
এই কমেন্ট দেখে মনে হচ্ছে এটা রাজীব ভাইয়ের কমেন্ট না। আমাদের 'উনি' বলেছেন এটা।


১৫ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:০৭

নতুন বলেছেন: উনি কি ব্যক্তিআক্রমন ছাড়া থাকতে পারবেন?

আমি কারুর ব্যানের পক্ষে না, কথা বলার অধিকার থাকা উচিত, তবে যদি কেউ প্রতিনিয়ন ব্যক্তিআক্রমন করতেই থাকে তবে কি করা উচিত সেটা বলুন রানু ভাই?

১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:২৮

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি উনার নাম নেওয়ার আগে ওজু করে নেবেন, প্লীজ।

আমি যদি বলি আপনি স্কুলে থাকা কালীন অংকে কাচা ছিলেন, সেটা কি ব্যাক্তি আক্রমন?