২৩ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৪৫০
ডঃ এম এ আলী বলেছেনঃ এমন একটি জটিল বিষয়কে ছোট কয়েক লাইনে পোস্ট দিলে পাঠকের বোধের আবস্থা নীচের মন্তব্য কারির মত হবে, কোথায় বাকবাড়ী আর কোথায় পাকপারি মতন ।
তাই আপনার পোস্টের লেখার বিষয়ে কিছু বলার আগে বিষয়টির গুড়া ধরে একটু টান দিলাম ।
আশতার (কখনও “আশতার শেরান” নামেও পরিচিত) এমন একটি নাম, যা একটি ভিনগ্রহী সত্তা বা সত্তাগোষ্ঠীকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় , যাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের দাবি অনেকেই করেছেন।
ইউএফও-সংক্রান্ত যোগাযোগকারী জর্জ ভ্যান ট্যাসেল প্রথম ব্যক্তি, যিনি ১৯৫২ সালে আশতারের কাছ থেকে বার্তা পাওয়ার দাবি করেন।
ভ্যান ট্যাসেলের মাধ্যমে আশতারের পরিচিতি পাওয়ার পর, আরও অনেক মাধ্যম (মিডিয়াম) আশতারের সঙ্গে যোগাযোগের দাবি করতে শুরু করেন। একসময় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় যে, ডজনখানেক মানুষ আশতারের সঙ্গে যোগাযোগের দাবি করছিলেন এবং তারা পরস্পরবিরোধী বার্তা উপস্থাপন করছিলেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রচারিত কিছু বার্তা ব্যর্থ প্রমাণিত হয়, যখন সেগুলোতে অন্য গ্রহে উন্নত সভ্যতার বিকাশ এবং পৃথিবীতে শিগগিরই মহাকাশযানের( উফুর ) অবতরণের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল যা বাস্তবে ঘটেনি।
আশতারকে সাধারণত স্বর্ণকেশী চুল ও ইউরোপীয় বৈশিষ্ট্যযুক্ত মানবসদৃশ রূপে চিত্রিত করা হয়; এই কারণে তাকে নর্ডিক এলিয়েন হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে। আশতার আন্দোলনকে গবেষকরা ইউএফও-ভিত্তিক ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপ হিসেবে অধ্যয়ন করেন।
আশতারকে অন্তর্ভুক্ত করে এমন একটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর উদাহরণ হলো চেক ইউনিভার্স পিপল, যারা যিশু ও শ্রীকৃঞ্চ অন্যান্য ব্যক্তিত্বের সঙ্গে আশতারকেও শ্রদ্ধা করে; তাদের একটি ওয়েবসাইট ডোমেইনের নাম হলো ashtar-sheran।
এখন আসা যাক আপনার পোস্টের কথামালায় । আপনার পোস্টে উল্লেখিত বক্তব্য Mathematics of consciousness is not linear, it is exponential মূলত একটি রূপকধর্মী ধারণা, যা চেতনার বিকাশকে গণিতের ভাষায় ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে। এখানে এক্সপোনেনশিয়াল বা সূচকীয় বৃদ্ধি বলতে অবশ্যই বোঝানো হয়েছে যে মানুষের বোধ বা চেতনা ধীরে ধীরে সরলরৈখিকভাবে বাড়ে না; বরং নির্দিষ্ট কিছু মুহূর্তে তা হঠাৎ করে দ্রুত ও বহুগুণে বিস্তৃত হতে পারে।
বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, এই ধারণাটি আংশিকভাবে আধুনিক মনোবিজ্ঞান ও জ্ঞানবিজ্ঞানের কিছু তত্ত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ, শেখার প্রক্রিয়ায় insight” বা হঠাৎ উপলব্ধি একটি স্বীকৃত ঘটনা, যেখানে দীর্ঘ সময়ের ধীর প্রস্তুতির পর ব্যক্তি হঠাৎ করেই একটি জটিল বিষয় স্পষ্টভাবে বুঝতে সক্ষম হয়। একইভাবে, স্নায়ু বিজ্ঞানে নিউরাল নেটওয়ার্কের পুনর্গঠন বা neuroplasticity এর ফলে নির্দিষ্ট সময়ে দ্রুত জ্ঞানগত পরিবর্তন ঘটতে পারে।
তবে, গ্যালাক্টিক ফেডারেশন বা Commander Asthar Sheran এর মতো উৎসগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত নয় এবং এগুলোকে প্রমাণভিত্তিক জ্ঞানের অংশ হিসেবে গণ্য করা যায় না। তাই এই বক্তব্যকে একটি দার্শনিক বা আধ্যাত্মিক রূপক হিসেবে বিবেচনা করাই যুক্তিযুক্ত, বৈজ্ঞানিক সত্য হিসেবে নয়।
মোট কথায় বলা যায়, চেতনার বিকাশ সবসময় সমান হারে ঘটে না, এটি কখনো ধীর, কখনো দ্রুত হতে পারে, এই ধারণাটি বাস্তবসম্মত। কিন্তু এটিকে সূচকীয় গাণিতিক নিয়ম হিসেবে উপস্থাপন করা একটি কাব্যিক বা দার্শনিক ব্যাখ্যা, যার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি সীমিত এবং আরও প্রমাণের প্রয়োজন রয়েছে। দেখা যাক এ ভবিষ্যতে কী প্রমান আমাদের নিকট হাযির করা হয় । মূল্যবান একটি বিষয়ে পোস্টদিয়ে কিছু আলোচনা শেয়ার করার সুযোগ তৈরী করে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
ঈদ শুভেচ্ছা রইল
*****
২৩ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:২৫

আমার মন্তব্যঃ Ashthar এর ব্যকগ্রাউন্ড বর্ণনা করে দেবার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আলী ভাই। আমি চেয়েছিলাম তাদের সাম্প্রতিক চ্যানেল্ড্ ম্যাসেজ, এই পোস্টের মাধ্যমে একটু একটু করে বাংলায় উপস্থাপন করবো । কিন্তু সময় পাই নাই।
যাই হোক।
ওনাদের ফ্লিট ওহাইও , টেক্সাস, ইন্ডিয়ানা তে বেশী করে দেখা যাচ্ছে কিছুদিন ধরে। কানাডার অ্যাালবার্টা-তে দেখা গেছে। বোদ্ধারা 'মিট্যিওর'-বলে সেগুলোকে আখ্যায়িত করছে। তাই ফ্লিটগুলো 'অর্ব' আকারে জিমন্যাস্টদের মত অংগ- ভঙ্গিমা প্রদর্শন করছে। যেন গতানুগতিক 'মিট্যিওর' বলে উড়িয়ে না দিতে পারে।
প্রফেসি আছে, গ্যালাক্টিক ফেডারেশানের 'ফ্লিট' ২০২৬ সালে আকাশে প্রতীয়মান হবে। বা বলা যায় আমরা এতই সচেতন হবো যে, আমরা তাদের উপস্থিতি টের পাবো। কারণ তারা সব সময়ই আকাশে ঘুরে বেড়াতো। [আমাদের 'লোকাল গ্যালাক্সি'র ছায়াপথগুলোর দেখভাল ওনারা করে থাকেন ।] আমরা যদিও মানসিক ভাবে দেখতে পাবার যোগ্য তখন ছিলাম না।
২০২৭ সালে তারা সামনা সামনি আসবে, কথা বলবে, (যদি আমাদের অ্যসেন্সান এভাবে এক্সপোনেনশিয়ালি বাড়তে থাকে।)
আবারো অসংখ্য ধন্যবাদ।
মেসেজ এর ট্রান্সক্রিপ্ট এর লিঙ্কMessage from Galactic-Federation২৪ শে মার্চ, ২০২৬
আজ মানব জাতির নতুন অধ্যায়ের সূচনা। ইউ এস কংগ্রেস -এর হেয়ারিং এ ভীন গ্রহের প্রাণীর অস্তিত্ব স্বীকার করে নিল। আমাদের পৃথিবীর আকাশে UFO- র বিচরণ মেনে নেয়া হলো।
আহ্ কি মজা। পৃথিবীর সকল whistle blower দের জন্য রইলো আন্তরিক শুভেচ্ছা।
২৫ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:২৮
ডঃ এম এ আলী বলেছেনঃ
২৪ শে মার্চ, ২০২৬ আমেরিকার কংগ্রেস ভিনগ্রহের প্রাণীর অস্তিত্ব স্বীকার করেছে এমন বড় ধরনের ঘোষণার খবর BBC, CNN, Reuters ইত্যাদিতে দেখার অপেক্ষায় থাকলাম ।
২৫ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯
লেখক বলেছেন: ডঃ আলী ভাই, ২০২৬- এ ET ডিসক্লোজার হবে। ২০২৭ এ সামনা সামনি ET দের সাথে সাধারণ মানুষদের কথা হবে। মানে তারা সাননে আসবে। যদি আরো দ্রুত আস্যেন্সান হয় আমাদের প্রজাতির, তাহলে আরো আগেই হওয়া উচিত। তবে
তখন মেইন -স্ট্রিম মিডিয়া তে আসবে কি না জানি না। আদৌ মেইন স্ট্রিম মিডিয়াগুলো তখন থাকবে কি না, তাও জানি না।
আপাতত এই লিংকটা পেয়েছি
Shocking Alien Revelation Rocks America২৫ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:০৭
শ্রাবণধারা বলেছেন: আপা, এমন কোন ভীনগ্রহের প্রাণীর সন্ধান কি পাওয়া সম্ভব যাদেরকে দিয়ে ইসরায়েল ও আম্রিকাকে শায়েস্তা করা যাবে?
এই দুইটা দেশ পৃথিবীতে বড় অশান্তি করছে। ভীনগ্রহের প্রাণী অথবা নবী সোলাইমানের জ্বীনের সৈন্যবাহিনী ছাড়া আর কোন রাস্তা আমি দেখতে পাচ্ছি না!!!
২৬শে মার্চ, ২০২৬
প্ল্যানেট Earth একটা কন্সাসনেস। পুরো প্ল্যানেট এখন 3D level((স্তর) হতে 5D স্তরে উন্নীত হতে যাচ্ছে। লক্ষাধিক বছর আগে, আমাদের 12 strand DNA কে রেপ্টিলিয়ানরা (ইবলিশ) ম্যানুপুলেট করে নষ্ট করে দিয়েছিল। লাইট- সোর্স থেকে আমাদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছিল। বহু লক্ষ বছর আগে থেকে আমরা অন্ধকার যুগে বসবাস করছিলাম। সোর্স থেকে পুরা বিচ্ছিন্ন। ২৬০০০ বছরের এই Dark age শেষ হয়ে গেছে (মায়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে) ২০১২ তে। spiritually আমরা (সাধারণ মানুষেরা) অ্যাওয়েকেন হওয়া শুরু করেছি।
প্রফেসি অনুসারে গ্যালাকটিক ফেডারেশান আমাদের সাথে mass contact করবে ২০২৭ এ। ১৯৭০ বা তারও আগে ১৯৪০ থেকে তারা বিভিন্ন দেশের রাজ্যপতিদের সাথে কন্টাক্ট করে দেখেছে রাজা বাদশারা শুধু ভীনগ্রহীদের কাছ থেকে টেকনলজি নিয়ে পৃথিবীর মানুষদের মারে । যুদ্ধ লাগায় , প্ল্যানেটের কোন উন্নতি করে না। আরো দেখেছে এসব রাজ্যপতিরা সবই ক্যানিবাল এবং নন-হিউম্যান রেপ্টিলিয়ান। shape shift করে মানুষের রূপ ধারণ করে চলে। দু ' একজন মানুষ এ অবস্থানে আসতে পারলেও তাদেরকে তারা মেরে ফেলে। তারপর তাদের ক্লোন বানিয়ে সকলের সামনে উপস্থাপন করে। রেপ্টিলিয়ানদের এসব কর্মকান্ড ancient knowledge সমৃদ্ধ মেক্সিকোর শামান -রা, বা তদের লেভেলের বুজুর্গ যারা আছেন, অন্য সব জায়গায়, তারা খুব ভাল জানেন। চ্যানেলার-রা জানেন। অ্যাবডাক্টিরা জানেন। কিন্তু জনসাধারণের কাছে এসব তুলে ধরা শুরু হয়েছে ইন্টারনেট আসার পর থেকে। এখন সবাই রেপ্টিলিয়ানদের মত অন্যান্য ইভিল এন্টিটির ব্যাপারেও সচেতন।
ইভিল-দের প্রিয় জিনিস হলো মানুষের রক্ত, মানুষের সাথে যুদ্ধ আর শিশুদের অ্যাসল্ট করা। যেহেতু শিশুদের DNA pure , তাই শিশুরা এদের পছন্দ। এখন এপস্টিন ফাইল সামনে আসাতে তারা মরিয়া হয়ে গেছে এসব ঢাকা দেবার জন্য। কিন্তু মানুষের হাতে ক্ষমতা না থাকলেও আত্মিক দিক দিয়ে soul level -এ মানুষরা এতটাই অ্যাওয়েকেন হয়ে গেছে যে, সেই শক্তির কাছে রেপ্টিলিয়ান- রা হেরে গেছে। ফলে এইসব যুদ্ধের সূচনা করেছে। ডার্ক ফোর্সের পরাজয় ঘটে গেছে স্পিরিচুয়াল লেভেলে , ২০১২ তেই। ডায়ানা কুপার এর লেকচার শুনে দেখেন।
লাইট -ফোর্স গ্যালাকটিক ফেডারেশানের সাহায্য নিয়ে জয়ী হয়ে যাবে বলে প্রফেসি আছে।
গ্যালাকটিক ফেডারেশান এই ইউনিভার্সের মাঝে 5D বা তার উপরের 6D/7D এর non human entity. তারা আমাদের লোকাল -গ্যালাক্সি সমূহের দেখভাল করে।
7D 'আর্কচুরিন' এবং 5D প্লেইডিয়ানরা চ্যানেলিং এর মাধ্যমে এ-ও বলেছে যে, তারা নিউক্লিয়ার -ওয়ার প্রতিহত করবে।
সৃষ্টিতে টাইম লাইন একাধিক। রিয়্যালিটি একাধিক। কোন টাইম -লাইনের চ্যানেলিং , চ্যানেলার- রা করছে তা বুঝা কঠিন। কিন্তু যদি এই প্রফেসি সত্য হয়ে থাকে তাহলে আমাদের প্রজাতি বেঁচে যাবে। এই প্ল্যানেট বেঁচে যাবে। আর নিউক্লিয়ার -ওয়ার হলে প্ল্যানেট উড়ে টুকরা টুকরা হয়ে 'কিউপার বেল্টের' মত গুড়া গুড়া হয়ে যাবে। বা Mars এর atmosphere উড়ে সমগ্র প্ল্যানেট যেমন বসতিহীন হয়ে পড়েছিল, তা হবে।
আমরা যেমন তা চাই না। গ্যালাকটিক ফেডারেশানও তা চায় না। কারণ এতে সৃষ্টির ভারসাম্যের বিঘ্ন ঘটে। তাদের ফ্লিট এখন দেখা দিচ্ছে আকাশে। বা বলা চলে আমাদের কনসাশনেস সেই পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে যে, আমরা তাদের ফ্লিট দেখতে পাচ্ছি। রাজ্যপতিরা আর লুকিয়ে রাখতে পারছে না। ২০২৭ এ ভীনগ্রহীরা mass-কমিউনিকেশান করবে। তাই এসব প্রতিরোধ করতে রেপ্টিলিয়ান shape shifter - রা মরিয়া হয়ে ২০২৭-২০৩০ পর্যন্ত সবকিছু তছনছ করবে।
প্রফেসি আছে ইমাম মেহেদী আসবেন। ঈসা নবীর আগমন ঘটবে। মহাপ্রলয় একদিন শান্ত হবে। জাকারিয়া কামালের Scientific Tafsir এর লেকচার দেখেন। Alex Collier , Jordan Maxwell সহজ ভাষায় shape shifting বর্নণা করেছেন। তাদের লেকচার শুনতে পারেন।
২৫ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:১১
কলাবাগান১ বলেছেন: আপনার উচিত ভুয়া খবর প্রচার এর সমিতির প্রধান হওয়া
২৪ শে মার্চ, ২০২৬

lower 3D realm এ পড়ে আছে, এমন এক প্ল্যাটফর্মে এসে চেষ্টা করছি, পাঠকদেরকে ঠেলে ঠুলে upper 3D নিতে, (যেখানে কিনা আমাদের সমগ্র প্ল্যানেট এখন 4D -তে চলে গেছে! তারপর এই খবরটা দেবার পর এখন বলেছেঃ 'আপনার উচিত ভুয়া খবর প্রচার -এর সমিতির প্রধান হওয়া।'
কি যে করি!
পাঠকদের মাঝে যারা upper 3D বা 4D ছুঁই ছুঁই, তারা তো থেমে গেছেন অনেক আগেই। তারা ব্লগ পড়েন কিন্তু আর কথাই বলেন না।
যাই হোক।
অ্যালেক্স ক্যোলিয়ারের বক্তব্য শুনে একটা ডায়াগ্রাম এঁকেছিলাম। আপাতত সংযুক্ত করলাম। বিষয়টি বিস্তৃত । তাই ব্যাখ্যা করতে সময় লাগবে। শ্রাবণধারার উত্তর দিতে যেমন একটু সময় লাগছে।
No comments:
Post a Comment