Mar 29, 2026

জীবনের গল্প বাকী থাকে অল্প

https://www.somewhereinblog.net/blog/rajib128/30390254

২৯ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:২৫

আমার মন্তব্যঃ লেখার শেষের দুটো লাইন দেখে মনে হলো - 'জীবনের হিসাব যদি মিলত।

 ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৭

আমার মন্তব্যঃ লেখাটা ভাল লাগলো।
আমিও এই জিনিসটা খেয়াল করেছি। দেশ, জাতি ভেদে, departure এবং arrival - দুই জায়গায় একদম ভিন্ন দুই scenario

৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

আমার মন্তব্যঃ লেখার ধরণ সুন্দর।
ভাবছি এখন তো তাও ভিডিও কলের জামানা। আর তখন? দেশ একটা চিঠি আসতে ২১ দিন সময়য় লাগতো। ফোনে শুধু কন্ঠটাই শুনতে পেতাম মায়ের। মায়ের প্রথম প্রশ্ন, 'খেয়েছ?'

৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেনঃ সত্যি কথা বলেছেন, তখনকার সময়টা ছিল আরও কঠিন। একটা চিঠির অপেক্ষায় কত দিন কেটে যেত, তবুও সেই ভালোবাসা কমেনি।
মায়ের সেই “খেয়েছ?” প্রশ্নটা যুগ বদলালেও একই রয়ে গেছে। প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু মায়ের ভালোবাসা আর আমাদের টানটা কখনো বদলায় না।

https://www.somewhereinblog.net/blog/shaiyan/30390277

৩০ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৭

আমার মন্তব্যঃ ভাল রেজাল্ট একসময় খুব আনন্দ দেয়। কিন্তু যত সময় যেতে থাকে , জীবনের জটিলতা এই সুখগুলোকে ম্লান করে দেয়।
আপনার পরিশ্রম ও ভাল ফলাফলের জন্য অভিনন্দন।

৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:০০০                                                                        
লেখক বলেছেনঃ ভাল রেজাল্ট মনে শক্তি যোগায়।                                        ধন্যবাদ নিরন্তর।





https://www.somewhereinblog.net/blog/Kutub009/30390465


 ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৪:২১

আমার মন্তব্যঃ চমৎকার বিশ্লেষণ কুতুব ভাই।
বাস্তবতা আবার মনে পড়ে গেল।
দশ বছর চাকরী করে একটা প্রমোশন মেলে না।
এক জায়গায় বসে আছি তো আছিই। কোন ওভার টাইমও পাওয়া যায় না। বস্‌ মুখে যে একটা ভাল করে কথা বলবে তাও বলে না। কারণ সব জায়গায় লিংক থাকতে হয়। খুব ছোট কাজের জায়গাতেও ।
 ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৪:৪৭০
আমার মন্তব্যঃ বিদেশে ভাত মাছ ডাল আসলেই অমৃত ।আমার তিন দিনের পথ ছিল। ফিনল্যান্ড হয়ে দিল্লী এসেই আমি প্রথম বলেছিলাম , আমাকে ভাত দেন। আমি তিনদিন ধরে ভাত খাই না।

১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২১

আমার মন্তব্যঃ @ আল আমিন ১০৪ঃ মাদার টেরেসা কে নিয়ে আপনার চমৎকার বিশ্লেষণটি পড়ে ভাল লাগলো।।
সম্প্রতি ,এপ্সটিন গৃহে তার উপস্থিতি নিয়ে রিল দেখেছিলাম।
এছাড়া এপ্সটিনের দ্বীপের গম্বুজের নকশা আর মাদার টেরেসার শাড়ির পাড়ের নকশার মিল দেখেও বিশ্ববাসী বেশ অবাক হয়েছে।
পৃথিবী আসলেই রহস্যময়।

 ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:১৮

আমার মন্তব্যঃ লাল সালুর সাথে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে লেখাটির উপস্থাপন চমৎকার হয়েছে।
https://www.somewhereinblog.net/blog/Kutub009/30391004
২২শে এপ্রিল ২০২৬
 কুতুব ভাই, নায়কের জীবনী লেখার স্টাইলটা খুব সুন্দর হয়েছে। খায়রুন সুন্দরী, বাংলার বউ টাইপের সিনামার একটা রিভিউ পোস্ট দিন। প্লিজ।
 আপনার স্যাটায়ার লেখার হাত খুব দারুণ !
আমার মন্তব্যঃ CNN -এ ক্রিস্টিনা আমানপোর কে যখন  দেখতাম, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে নিউজ দিচ্ছে,আর তার পেছনের দিকে এখানে ওখানে বোমা পড়ছে, সেই বোমার শব্দ পাওয়াও যাচ্ছে, তখন  খুবই থ্রিল্ড্‌ ফিল করতাম। মনে হতো  'হোয়্যাট এ  ক্যারিয়ার!'
একজন নারী সাংবাদিকের কি চ্যালেঞ্জিং পেশা! 
এখন আপনার পোস্ট দেখে মনে হচ্ছে, আমাদের  বোইন ক্রিস্টিনা আমানপোর এই পোস্ট দেখলে কেঁদে ফেলবে।

 ০৩ রা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২১

হুমায়রা হারুন বলেছেন: লেখক বলেছেনঃ সুন্দর একটা দৃশ্য! একজন নারী ভোরবেলা স্নান করে এসে পূজা করছেন। সিদুর দিয়েছেন। মাথার ভেজা চুল শুকায়নি। ঠাকুরের চরণে ফুল দিচ্ছেন। আমি মুগ্ধ হয়ে পূজা করা দেখলাম। আমৃত্যু দৃশ্যটা আমার সঞ্চয় হয়ে রইলো।

লেখার অংশটুকু পড়ে মনে প্রশ্ন জাগলো, আপনি কি সত্যিই পূজা দেখছিলেন নাকি পূজারিণীকে দেখছিলেন?

০৪ ঠা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩১

লেখক রাজীব নুর বলেছেন: কি যে বলেন!!!

না না আমি এই রকম না।

No comments:

Post a Comment