Mar 5, 2026

একুশের বই মেলা

 একুশের বই মেলা

৬ই মার্চ, ২০২৬

আমার মন্তব্যঃ  আপনার এই লেখাটিতে বই ও প্রযুক্তির যুগল গুরুত্ব অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। ডিজিটাল মাধ্যমের দ্রুততা ও তথ্যভাণ্ডার যেমন আধুনিক পাঠকের চাহিদা পূরণ করে, তেমনি মুদ্রিত বইয়ের স্থায়িত্ব ও আবেগ পাঠক-সমাজে আজও অপরিহার্য। বইমেলা, বিশেষ করে অমর একুশে গ্রন্থমেলার কথা উল্লেখ করে আপনি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতাকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।

সব মিলিয়ে, লেখাটি বর্তমান সময়ে জ্ঞানের চর্চায় ভারসাম্যের প্রয়োজনীয়তা ও বইয়ের প্রতি মানুষের গভীর সংযোগের একটি বাস্তব ও প্রাসঙ্গিক চিত্র প্রকাশ করেছে।

লেখাটিতে বইমেলাকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করার বেশ কিছু কার্যকর ও যুগোপযোগী প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে মুদ্রিত ও ডিজিটাল সংস্করণের সমন্বয়, পাঠকদের জন্য তাৎক্ষণিক ই-বুক সংগ্রহের সুযোগ, প্রকাশনা শিল্প নিয়ে আলোচনা সভা এবং বইমেলার অনুষ্ঠানসমূহ অনলাইনে সম্প্রচারের কথা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী।

এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বইমেলা শুধু দেশের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বিশ্বব্যাপী বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের জন্য একটি উন্মুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জ্ঞান-উৎসবে পরিণত হবে। আপনার ভাবনা বইমেলার ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণাদায়ক।

অনেক ধন্যবাদ।

০৮ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৩৯

লেখক বলেছেনঃ
আপনার মন্তব্যটি অত্যন্ত মনোযোগী ও অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন। বিশেষ করে বই ও প্রযুক্তির পারস্পরিক সম্পর্ককে আপনি যেভাবে উপলব্ধি করেছেন, তা আলোচনাটিকে আরও অর্থবহ করে তুলেছে। সত্যিই, বর্তমান সময়ের জ্ঞানচর্চা এমন এক পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে যেখানে মুদ্রিত বইয়ের গভীরতা ও স্থায়িত্ব এবং ডিজিটাল মাধ্যমের দ্রুততা ও বিস্তৃতি এই দুইয়ের সমন্বয়ই সবচেয়ে কার্যকর পথ হয়ে উঠতে পারে।

আপনি যথার্থভাবেই অমর একুশে গ্রন্থমেলার প্রসঙ্গটি সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতার প্রেক্ষাপটে দেখেছেন। বইমেলা শুধু বই কেনাবেচার স্থান নয়; এটি ভাষা, সংস্কৃতি ও বৌদ্ধিক চর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ মিলনমেলা। তাই এর সঙ্গে প্রযুক্তিকে যুক্ত করার প্রস্তাবগুলো যেমন মুদ্রিত ও ডিজিটাল সংস্করণের সমন্বয়, অনলাইনে অনুষ্ঠান সম্প্রচার বা তাৎক্ষণিক ই-বুক সংগ্রহের সুযোগ।আসলে বইমেলার পরিসরকে আরও প্রসারিত করার সম্ভাবনা তৈরি করে।

একই সঙ্গে আপনার মন্তব্যটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকও সামনে আনে,যে বইমেলা কেবল একটি স্থানীয় বা ভৌগোলিক আয়োজন নয়, বরং তা বিশ্বব্যাপী বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের জন্য একটি সাংস্কৃতিক ও জ্ঞান ভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হতে পারে। বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে এই ভাবনাটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

সব মিলিয়ে বলা যায়, আপনার বিশ্লেষণ আমার লেখাটির মূল বক্তব্যকে আরও সুস্পষ্ট ও সমৃদ্ধ করেছে। বই ও প্রযুক্তির মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বরং সহাবস্থান ও সমন্বয়ের যে ধারণাটি আপনিও তুলে ধরেছেন তা ভবিষ্যতের পাঠসংস্কৃতি গঠনের জন্য নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা।

শুভেচ্ছা রইল

******

৬ই মার্চ ২০২৬

পাঠক বলেছেন: এখন আমি বই পড়তে পারি না।

দশ মিনিট বই পড়লেই ঘুম এসে যায়। তাছাড়া চোখেও সমস্যা। ছোট লেখা পড়তে পারি না। ঝাপসা লাগে। চওশ্মা আছে কিন্তু দরকারের সময় খুজে পাই না।

****

৭ই মার্চ, ২০২৬
আমার মন্তব্যঃ বাল্যকালে আদর্শ লিপি -র অক্ষরগুলো দেখে  মনে হতো সারা পাতা জুড়ে এত বড় বড় হরফে লেখা কেন এই বই? তারও তিনদশক পর মনে হলো আদর্শ লিপি -ই ভাল ছিল। ও রকম বড় বড় হরফে যদি সব বই লেখা হতো।

এখন এলো ই-বুকের জামানা। ম্যাগ্নিফাই করে পড়া যায়। কিন্তু স্ক্রিন সহ্য করা কঠিন হয়ে যায়। চোখের দৃষ্টি যেন  ঝাপসা হয়ে আসছে।  বাল্যকালে দেখে অবাক হতাম  সবাই কেন চশমা গলায় ঝুলিয়ে রাখে!  

একেবারেই বুঝতাম না। এখন বুঝি। 

০৮ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:২২

ডঃ আলী বলেছেনঃ

আপনার মন্তব্যটির প্রতি রাজিব সুরের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলো ‍@ রাজীব নুর। তাবে এই সুযোগে আমার নীজের কিছু কথাও না হয় বলে গেলাম এখানে ।
আপনার মন্তব্যটা পড়ে বেশ হাসিও পেল, আবার নিজের অবস্থার সঙ্গেও মিল খুঁজে পেলাম! সত্যিই, ছোটবেলায় আদর্শ লিপি-র সেই বড় বড় অক্ষর দেখে মনে হতো এত বড় করে লিখার কী দরকার ছিল! তখন তো মনে হতো আমরা বেশ বড় হয়ে গেছি, ছোটদের বই পড়ার বয়স পেরিয়ে গেছি। অথচ সময়ের কী অদ্ভুত পরিহাস কয়েক দশক পর এসে মনে হয়, আহা! সেই বড় বড় হরফই যদি সব বইয়ে থাকত, তাহলে পড়াটাও কত আরামেই হতো!

ই-বুকের যুগে অবশ্য প্রযুক্তি একটু সান্ত্বনা দিয়েছে ম্যাগ্নিফাই করে অক্ষর বড় করা যায়। কিন্তু আবার সেই স্ক্রিনের ঝলকানি চোখকে বেশিক্ষণ সহ্যও করতে চায় না। ফলে অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে কাগজের ছোট অক্ষরেও কষ্ট, আর স্ক্রিনের আলোতেও শান্তি নেই!

আর চশমার কথাটা তো একেবারে মনের কথা বলেছেন। ছোটবেলায় দেখতাম অনেকেই চশমা গলায় ঝুলিয়ে রাখে মনে হতো, এটা আবার কেমন অভ্যাস! তখন বুঝতাম না। এখন বুঝি, এটা কোনো শখ নয়, বরং সময়ের সঙ্গে অর্জিত এক ধরনের অভিজ্ঞতার অলংকার!

সব মিলিয়ে মনে হয় জীবনের একটা মজার চক্র আছে। ছোটবেলায় যেটা দেখে অবাক হতাম, বড় হয়ে দেখি আমরাও ঠিক সেই জায়গাতেই এসে দাঁড়িয়েছি!

শুভেচ্ছা রইল
*******

১১ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪৮

লেখক ডঃ আলী বলেছেনঃ  আইডিয়া চমৎকার অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

আপনার মন্তব্যে যে বিষয়গুলো উঠে এসেছে, সেগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী। সত্যিই, প্রতিটি প্রিন্টেড বইয়ের ডিজিটাল ভার্সন থাকলে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে থাকা বাঙালি পাঠকরা সহজে সেই সাহিত্য উপভোগ করতে পারতেন। এটি শুধু পাঠকের সুবিধা নয়, বরং লেখক ও প্রকাশক উভয়ের জন্যই একটি নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। প্রকাশকদের এখনই ডিজিটাল রূপান্তর নিয়ে সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

একজন ভালো লেখকের পাঠকসংখ্যা তৈরি করতে কয়েক যুগ লেগে যায়, কিন্তু ডিজিটাল দুনিয়ায় সেই কাজকে অনেক দ্রুত এবং কার্যকরভাবে করা সম্ভব। ডিজিটাল বইয়ের খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণও তুলনামূলকভাবে সহজ।
আধুনিক পিডিএফ বা ইবুক ফরম্যাটে রেস্ট্রিকশন ও কপিরাইট কন্ট্রোল দিয়ে নির্দিষ্ট বই কতবার পড়া বা শেয়ার করা যাবে, তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আন্তর্জাতিক অনলাইন লাইব্রেরি ও ই-বুক প্ল্যাটফর্মগুলো এই নিয়ম অনুসরণ করে লাভবান হচ্ছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ‘প্রিন্ট অন ডিমান্ড’ (Print on Demand)। আমাজনের মতো ওয়েবসাইট থেকে ডিজিটাল বই সংরক্ষিত থাকলে যে কেউ ইচ্ছা অনুযায়ী একটি কপি প্রিন্ট করতে পারে।এটি আমাদের দেশের প্রকাশকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দিক খুলতে পারে, যা এখনও যথাযথভাবে কাজে লাগানো হয়নি।

ডিজিটাল রূপান্তর,পিডিএফ কন্ট্রোল ও প্রিন্ট অন ডিমান্ড এই তিনটি উদ্যোগ আমাদের সাহিত্যকে বিস্তৃত পাঠকের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে পারে। প্রকাশকদের এই সুযোগকে অবশ্যই কাজে লাগানো উচিত।

শুভেচ্ছা রইল
******

১৪ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:১২                                                                                          

  আমার মন্তব্যঃ আলী ভাই, তাহলে আশা করি আপনার লেখা বইটি এবার Amazon থেকে পাওয়া যাবে। আরো বলেছিলেন, আপনার শ'খানেক অপ্রকাশিত লেখা আছে। মানে ড্রাফট্‌ মোডে আছে । সেগুলো প্রকাশিত করা যায় না কি? সামনের পাতায় না রাখলেন। আপনার সাইটে যেয়ে তো পড়তে পারবো। আর কমেন্ট না চাইলে তা বন্ধ করে রাখলেন। কিন্তু তারপরও আমরা তো পড়ার সুযোগ পেলাম।

'আমাদের প্রযুক্তি' ফোরামে আমার কিছু কমেন্ট ছিল, যেগুলো খুব informative ছিল। আমি ভেবেছি ফোরাম-টা আজীবন থাকবে। তাই ব্যস্ততার জন্য কয়েক বছর আসিনি। এখন ফোরাম উধাও । আমার সখের লেখাগুলোও উধাও।
PC তে লেখালেখি, কাজ সবকিছু save করে রাখি। কিন্ত PC থেকে যখন অন্য কোথাও অবস্থান করি তখন bulk কাজগুলো সব একত্রিত করে, সাথে গল্প লেখার ফাইল একত্র করে স্থানান্তর হওয়া যায় না।
তাই এবার ভাবলাম কিছু কিছু করে গল্প blogspot এ রাখি। বিশেষ করে আমার লেখায় আপনার মূল্যবান মন্তব্যগুলো ওখানে রেখে দিই। 
সেরকম আপনার অপ্রকাশিত লেখাগুলো প্রকাশিত হোক তাই চাই, যেন আমরা পড়তে পারি। ব্লগ-স্পটে, না হয় অন্য কোন প্ল্যাটফর্মে রাখেন । যেন আমরা পাঠকরা আপনার লেখা থেকে বঞ্চিত না হই। আমি আমার সামুর কিছু লেখা এবং আমার অন্যান্য সব লেখা blogspot -এ নিয়ে আসছি। সময় পেলে দেখবেন প্লিজ। 
১৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৫৬০                                                                                                            

ডঃ আলী বলেছেনঃ  মূ
ল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ । আমার অপ্রকাশিত লেখাগুলি ড্রাফট হতে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আপনার আগ্রহ দেখে খুশী হলাম । তবে কথা হল, আমার নীজেরই একটি ছোট প্রকাশনী আছে , সেখানকার   মাধ্যমেই লেখাগুলি পুস্তক আকারে দেয়ার প্লান আছে । এখন ব্যস্ত আছি অন্য একটি বিষয়ের প্রকাশনা নিয়ে ।
আপনার ব্লগে গিয়ে আপনার প্রোফাইল এবং কয়েকটি লেখা বিশেষ করে চিঠি রূপজীবিনী পড়ে এলাম।
সত্যি বলতে কী, লেখাগুলোর মধ্যে যে সংবেদনশীলতা, মানবিক অনুভব আর ভাষার মৃদু আবেগময় প্রবাহ আছে, তা পাঠককে থামিয়ে পড়তে বাধ্য করে। মনে হয়েছে, এগুলো কেবল গল্প নয় জীবনের ছোট ছোট অনুভূতির সূক্ষ্ম রূপায়ণ।
আপনার যে অভিজ্ঞতার কথা বললেন একটি ফোরামে বছরের পর বছর জমে থাকা তথ্যসমৃদ্ধ মন্তব্য ও লেখা হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়া এটা সত্যিই কষ্টদায়ক। অনলাইনের জগতে এমনটা প্রায়ই ঘটে; আমরা ভেবে নিই কোনো প্ল্যাটফর্ম চিরকাল থাকবে, কিন্তু একদিন দেখি স্মৃতিগুলোই উধাও হয়ে গেছে। তাই আপনার এই উদ্যোগ নিজের লেখা ধীরে ধীরে blogspot-এ সংরক্ষণ করা খুবই বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত বলে মনে হলো। এতে লেখাগুলো যেমন নিরাপদ থাকবে, তেমনি নতুন পাঠকের কাছেও পৌঁছানোর সুযোগ পাবে।
আর একটি বিষয় বিশেষভাবে স্পর্শ করেছে আপনি আপনার লেখায় পাওয়া পাঠকের মন্তব্যগুলোও সংরক্ষণ করতে চাইছেন। আসলে লেখক ও পাঠকের এই সংলাপই তো একটি লেখাকে জীবন্ত করে রাখে।
লিঙ্কটিতে সময় করে অবশ্যই আবারো দেখবো। আপনার লেখালেখির ধারাটা যেন এভাবেই চলতে থাকেএই কামনা রইলো। আর আপনার মতোই আমিও চাই, অপ্রকাশিত লেখাগুলোও কোনো না কোনো প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ পাক, যেন পাঠকরা সেই সৃষ্টির স্বাদ নিতে পারে। লেখালেখির এই যাত্রা দীর্ঘ হোক, সমৃদ্ধ হোক।
শুভ কামনা রইল

১৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:২০

হুমায়রা হারুন বলেছেন: আমার ব্লগ-স্পট এর লিঙ্ক দেখে আসার জন্য ধন্যবাদ আলী ভাই।

১৮ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:১৮

লেখক বলেছেনঃ
আমি মাঝে মধ্যেই আপনার ব্লগপোস্টে ঢু মারব ইনসাল্লাহ ।শুভেচ্ছা রইল

১৬. ১৮ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১৯

হুমায়রা হারুন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আলী ভাই। ওখানে আমি চারটা ভাগ করেছিঃ
১.একটিতে আমার পোস্ট সমূহ
২. পোস্টের মন্তব্য সমূহ, প্রিয় ব্লগারদের সহকারে
৩.সাহিত্য পর্যালোচনা ( আপনার পর্যালোচনাগুলো দিয়ে শুরু করেছি)
৪.ট্রান্সক্রিপ্ট
অপেক্ষায় আছি আপনার অপ্রকাশিত লেখা অনলাইনে দেখার জন্য

১৯ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:৩৮

লেখক বলেছেন:
আমি সময় হাতে নিয়ে সবগুলি দেখব ইনশাআল্লাহ ।
লেখা প্রকাশ হলে জানান দিব ।

শুভেচ্ছা রইল

১৭. ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:৪০

হুমায়রা হারুন বলেছেনঃ আমি আমার ম্যাগাজিনের লেখকদের জন্য ২২ টি ই-বুক করেছিলাম । ইচ্ছে ছিল যে তাদের লেখাগুলো এক জায়গায় রাখব।
তারা ব্লগ করবার ইচ্ছা করতেন, আবার করতেন না। আমি তাদের লেখা সেইভ করে রাখার জন্য ই-বুক করেছি। 
আপনার লেখা পেলে আমি আপনার নামে পেইজ বানিয়ে ব্লগের পাতায় ঢুকিয়ে দিতাম। এভাবে অনলাইনে থাকতো লেখাগুলো।
এটা একটা ক্লিকের ব্যাপার মাত্র। সময়ের অভাব থাকলে আমাকে দিতে পারেন অনুমতি।
ম্যাগাজিনের লিঙ্ক পাতার শেষের দিকে -প্রকাশিত ই -বুক দেখতে পাবেন।

২২ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৩২


লেখক বলেছেনঃ  ধন্যবাদ লিংকটি এখানে তুলে দিয়ে যাওয়ার জন্য । লিংক ফলো করে দেখে আসলাম কিছু কবিতা পাঠ করে আসলাম । কবিতার কথায় পরে আসব একদিন অন্য সময় । 
এখন যে বিষযটি আমার নজর কেরেছে তা হলো গত ৫ বছর আগে কানাডার টরেন্টো হতে প্রকাশিত নব আলোকে বাংলা’র উত্তরাধিকার। অঙ্গীকার। দূরদৃষ্টির প্রতি । সুচীপত্র ফলো করে দেখলাম বেশ উচ্চমানের অসংখ্য কবিতার সমাহার রয়েছে সেখানে । ধীরে ধীরে
তার সবগুলিই পাঠ করব । মনে হল টরেন্টোতে রয়েছে বেশ সহৃদয় গুণী কবিকুলের সমাবেশ , রয়েছে বাংলা সাহিত্য চর্চার এক উর্বর ভুমি । সেখানে রয়েছেন এ ব্লগের আরো বেশ কিছু গুণী ব্লগার।
আমার কথা হলো আমি ব্যক্তিগত ভাবে যেখানেই প্রবাসে বাংলা কমিউনিটির সাথে সাক্ষাতে কিংবা ভার্চুয়ালি কথা বলার সৃযোগ পাই সেখানে সকলকেই ( ছাত্র ও তাদের অভিভাবকদের) বলি তারা নীজে কিংবা তার ছেলে মেয়েদেরকে স্কুলের শেষ বর্ষে সেকেন্ড বা অপসনাল লেঙ্গুয়েজ নেয়ার সুযোগ থাকলে তারা যেন বাংলাকে তাদের দ্বিতীয় বা অপসনাল লাংগুয়েজ হিসাবে নেয় । তাতে করে নীজে যেমন নীজের মাতৃভাষা বাংলা শিখতে
পারবে তেমনি তাদেরকে উচ্চ ক্রেডিট/স্টার পেতে সহায়তা করবে খুব সহজে , তাদের সিভিতে পারসোনাল স্টেটমেন্ট বেশ শক্ত হবে ।
তাই নব আলোকে বাংলা এর সূত্র ধরে বলি নীচের কথাগুলি । বিষয়টি ভেবে দেখতে পারেন, নব আলোকে বাংলার সকল কর্নধারদের সাথে আলোচনা করে ।
আমি জানি কানাডায় স্কুলে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিভাষিক, শিক্ষার্থীদের অন্তত ১টি ফ্রেঞ্চ কোর্স (সাধারণত গ্রেড ৯-এ) নিতে হয়এরপর ফ্রেঞ্চ চালিয়ে যাওয়া ঐচ্ছিক সুতরাং প্রযুক্তিগতভাবে,  ১টি ফ্রেঞ্চ ক্রেডিট আবশ্যক, তবে অপসনাল হিসাবে অন্যান্য ভাষা নিতে পারে ।
টরন্টোতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলা ভাষাভাষী মানুষ রয়েছে, যদিও বেশিরভাগ পাবলিক হাই স্কুলে নিয়মিত পাঠ্যসূচির ভাষা হিসেবে বাংলা সাধারণত অফার করা হয় না , তবে শিক্ষার্থীরা বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলা শিখতে এবং ক্রেডিট অর্জন করতে পারে।বাংলার জন্য প্রধান বিকল্পগুলো হলোঃ
ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজেস প্রোগ্রাম (স্কুল শেষে / সপ্তাহান্তে) অনেক স্কুল বোর্ড (যেমন Toronto District School Board) কিছু স্থানে বাংলা ক্লাস অফার করে,। এগুলো সাধারণত স্কুল শেষে বা সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত হয়।
পাঠের মূল ফোকাস থাকে পড়া, লেখা এবং কথা বলা।এগুলো সব সময় নিয়মিত দিনের ক্রেডিট হিসেবে গণ্য নাও হতে পারে, তবে কখনও কখনও হতে পারে।
কিছু ক্ষেত্রে বাংলা ক্রেডিট কোর্স হিসেবে নেওয়া যায় যথা নাইট স্কুল,সামার স্কুল বিশেষায়িত ভাষা কেন্দ্র, এগুলোর প্রাপ্যতা বছর ভেদে পরিবর্তিত হয়।
হেরিটেজ / ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ ক্রেডিট অন্টারিও শিক্ষার্থীদের অপ্রচলিত ভাষায় ক্রেডিট অর্জনের সুযোগ দেয় পূর্ববর্তী জ্ঞানের মূল্যায়নের মাধ্যমে,বিশেষ ভাষা প্রোগ্রামের মাধ্যমে এটি কখনও কখনও ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজেস ক্রেডিট নামে পরিচিত।
প্রাইভেট বা কমিউনিটি স্কুল হিসাবে কিছু বাংলা কমিউনিটি সংগঠন গঠনমূলক বাংলা শিক্ষা, ক্রেডিট স্বীকৃতির প্রস্তুতি (কিছু ক্ষেত্রে) প্রদান করে । তবে গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা হল টরেন্টোতে জানামতে বাংলা ভাষা সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগতভাবে সমর্থিত তবে নিয়মিত স্কুল সময়সূচিতে এটি ফ্রেঞ্চ বা স্প্যানিশের মতো ব্যাপকভাবে উপলব্ধ নয়।
কিন্তু নব আলোকে বাংলা এর মত কমিউনিটি উদ্যোগে একজন বাংলা ভাষাভাষী শিক্ষার্থী টরন্টোতে বাংলা শিখতে পারে এবং কখনও কখনও এর জন্য স্কুল ক্রেডিটও পেতে পারে। তবে সাধারণত এর জন্য বিশেষ প্রোগ্রামে যোগদান করতে হয় অথবা আলাদা ব্যবস্থা করতে হয়।

শুভেচ্ছা রইল

২৩ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৪

আমার মন্তব্যঃ অনেক ধন্যবাদ আলী ভাই।
আপনি বলছিলেনঃ মনে হল টরেন্টোতে রয়েছে বেশ সহৃদয় গুণী কবিকুলের সমাবেশ , রয়েছে বাংলা সাহিত্য চর্চার এক উর্বর ভুমি । সেখানে রয়েছেন এ ব্লগের আরো বেশ কিছু গুণী ব্লগার।
ব্যাপারটা তা নয়। এই সাইটের Domain সাবস্ক্রাইব করা হয়েছে টরোন্ট থেকে। তাই ডোমেইনের স্থান অনুসারে প্রকাশনার স্থান টরন্টো উল্লেখিত হয়েছে, যেহেতু এটি একটি ই-ম্যাগাজিন। লেখকরা সবাই সামু'র লেখক। তখন সবাই লেখা লিখে যার যার পাতায় দিতেন। আমি ঘুরে ঘুরে লেখা পছন্দ করতাম। লেখকের কাছে ছাপানোর অনুমতি নিতাম । ম্যাগাজিন বানাতাম। শুধুই শখের বশে। তাছাড়া ভাল লেখা এক জায়গায় রাখার লোভও সামলাতে পারতাম না।
এই ম্যাগাজিনের ৫% লেখক বাইরের। কিন্তু বাকী সবাই সামু'র।

২. টরোন্টতে বাংলা ভাষা শিখানোর স্কুল আছে আগে থেকে। গত বছর শুনেছিলাম আরেকটা স্কুল খুলবে। বাংলা স্কুল নিয়ে এর বেশী কিছু জানিও না। আমি রিয়্যাল- ওয়ার্ল্ডের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করি না। ভাল লাগে না। আমার সব কিছুই ভার্চুয়াল। যার ফলে এখানকার বাঙ্গালী সমাজের কথা ঠিক জানি না।

৩. ই -ম্যাগাজিন তৈরীর চিন্তা এসেছিল ২০০৫-এ। তখন 'অনিন্দ্যজ্যোতি' তৈরি করতাম। ২০০৬-২০০৭ এ 'ভিন্নমত'। তারপর ২০০৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত 'কার্তিকের কুয়াশা' এবং 'নব আলোকে বাংলা'।
যখন দেখতাম, বাংলা অক্ষর গুগলে চাপলে, গুগল তার ডাটা -বেইজ থেকে, সেই বাংলা অক্ষর দিয়ে একটা অশ্রাব্য শব্দ তৈরি করে দেখায়, তখন বুঝতাম তার ডাটা -বেইজে এসব অশ্রাব্য শব্দ ছাড়া আর কোন শব্দের মজুদ নাই। অর্থাৎ ভাষার কি অসম্ভব রকমের দৈন্যতা চলছিল তখন। ২০০৪/২০০৫ এর দিকের কথা বলছি।
তখন মনে হলো ই-ম্যাগাজিন বানাই। গুগল সার্চ ইঞ্জিনে বাংলায় কিছু ভাল শব্দমালা যোগ হোক । সেই থেকে কাজ শুরু। তারপর ২০০৬ কি ২০০৭ থেকে আন্তুর্জালে বাংলা ব্লগ শুরু হয়ে যায়। এখন তো অনেক ভালো অবস্থানে এসেছে বাংলা ভাষা। শুধু আফসোস যে শিক্ষিতের সংখ্যা সে হারে বাড়ে নি।

২৫ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:৩৩

লেখক বলেছেনঃ বিষয়টি বিস্তারিতভাবে জানানোর জন্য ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল

No comments:

Post a Comment