
১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৫৩০
আমার মন্তব্যঃ আলী ভাই, আপনার আজকের কবিতার পোস্ট এর ভাবখানা এই বৃক্ষ দুটির| আত্ম নিবেদনের -ই প্রকাশ যেন। ফানা বলতে বুঝিয়েছেন, (সুফি দর্শনে,) নিজের আত্মসত্তার বিলুপ্তি ঘটিয়ে সম্পূর্ণ ভাবে স্রষ্টার মাঝে বিলীন হয়ে যাওয়া। অর্থাৎ, ‘আমি’ ভাব বিলীন হয়ে শুধু স্রষ্টার অস্তিত্ব অনুভব করা। আমি বৃক্ষ দুটির মাঝে তৎক্ষণাত যেন তাদের নিজেকে সম্পূর্ণরূপে সঁপে দেয়া দেখেছিলাম।
আপনার কবিতার অপেক্ষায়।
১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:০১০
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেনঃ বিনীত, অবনত বৃক্ষের ছবির মধ্য দিয়ে আপনি যে গভীর জীবনদর্শন তুলে ধরেছেন, তা সত্যিই মুগ্ধকর। প্রকৃতির একটি সাধারণ দৃশ্যও যে মানুষের অন্তর্জগৎ, স্রষ্টার প্রতি আত্মসমর্পণ এবং অহংবোধ বিসর্জনের মতো গভীর উপলব্ধির দুয়ার খুলে দিতে পারে, আপনার লেখাটি তারই সুন্দর উদাহরণ।
বৃক্ষের নুয়ে পড়া শাখাকে প্রার্থনারত মানুষের সঙ্গে তুলনা করার ভাবনাটি অসাধারণ। আমরা প্রায়ই নিজেদের অর্জন, ক্ষমতা ও সাফল্য নিয়ে গর্ব করি; অথচ প্রকৃত মহত্ত্ব যে অহংকারে নয়, বিনয় ও আত্মোপলব্ধিতে—আপনার লেখাটি সেই সত্যই স্মরণ করিয়ে দেয়। ছবির সঙ্গে দর্শনের এমন সুন্দর মেলবন্ধন আপনার এই ছবি ব্লগকে বিশেষ তাৎপর্য দিয়েছে। চমৎকার ভাবনা ও উপস্থাপনার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৪১০
আমার মন্তব্যঃ ফরিদ ভাই , আপনার সেই পোস্টটি আমার পুরা সেইভ করে রাখা হয় নাই। আপনি সামনের পাতায় না রাখতে চাইলেও আমাকে প্লিজ টেক্সট -টুকু পাঠিয়ে দেন। সেখানে কমেন্ট করেছিঃ 'আপনাদের discussion খুব ভাল লাগছে পড়তে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, এমন একটি বিষয় নিয়ে প্রশ্নোত্তর উপস্থাপনের ধারায় পোস্ট দেয়া।'
আমার অনুরোধ আমাকে টেক্সট টুকু দিন ।প্লিজ ফরিদ ভাই। প্লিজ।
আমার খুব ভাল লাগছিল পড়তে। আমি কি আমার ইমেইল দেব? ওখানে পাঠিয়ে দিবেন ? নাকি মেসেঞ্জার এর লিংক দেব?
১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:২০০
কামাল১৮ বলেছেনঃ পড়লাম।
আমার মন্তব্যঃ তেমন কিছুই তো লিখতে পারিনি। আশপাশ দেখতে দেখতে সময় কেটে গেছে।
১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:০৮০
রাজীব নুর বলেছেনঃ ছবি ব্লগ দিলে কম পক্ষে ১২ টা ছবি দেবেন।
আমার মন্তব্যঃ প্রণতি ভংগে নত বাকী সেই দশটি বৃক্ষের দেখা পেতে হবে তো।
১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২০০
নজসু বলেছেনঃ বিনীত, অবনত বৃক্ষ এই টাইটেলটাই সেরা।
ছবিগুলোর সঙ্গে আপনার একান্ত ভাবনার যোগাযোগটি সত্যিই অপূর্ব! নুয়ে পড়া বৃক্ষকে বিনয়, আত্মসমর্পণ ও অহংবোধ বিসর্জনের প্রতীক হিসেবে দেখানোর মধ্যে আসলেই গভীর জীবনবোধ রয়েছে।
প্রকৃতির এরকম সাধারণ একটা দৃশ্য থেকে যে আমাদের ক্ষুদ্র এই জীবনের অসাধারণ এক সত্য উপলব্ধি করা যায়, সেটা আপনার এই লেখাটিই প্রমাণ করে। সত্যিই, মানুষের সত্যিকারের মহত্ত্ব তার অর্জন বা আত্মঅহংকারে নয়, বরং সেটা হওয়া উচিত বিনয় ও নম্রতায়।
ছবির সৌন্দর্য আর আপনার লেখার দর্শন মিলেমিশে কিছুক্ষণ নিজের অন্তর্জগৎ নিয়ে ভাবলাম। নতুন কিছুউপলব্ধি করলাম। একেবারে নতুন এবং আলাদা একটা দিক খুঁজে পেলাম আমি।
সুন্দর এই পরিবেশনার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ আপা। সুস্থতা এবং দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৩৭০
আমার অন্তব্যঃ অনেক দিন পর এলেন আমার ব্লগ পাতায়। আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ। অনেক চিন্তা মনে আসে। লিখি কিন্তু প্রথম পাতায় সব কিছু সব সময় দিই না। মনে হয় প্রথম পাতার পরিবেশের সাথে যাচ্ছে না। ন্তু সেদিনের তোলা কয়েকটি ছবি আমাকে খুব নাড়া দিয়েছে । তাই এই ছবি- ব্লগ 'বৃক্ষের সাথে ভাবনা'র সূচনা। আরো দুটি পর্বে সমস্ত ছবিগুলো দেয়া সম্পন্ন হবে বলে আশা রাখি।
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫০
নাহল তরকারি বলেছেন: প্রকৃতির একটি সাধারণ দৃশ্যের মধ্যে এত গভীর জীবনদর্শন খুঁজে পাওয়াটাই সত্যিকারের উপলব্ধি। নুয়ে পড়া বৃক্ষ যেন নীরবে শিখিয়ে দেয়, উচ্চতা অর্জন করলেই বড় হওয়া যায় না, বড় হতে হলে বিনয়ী হতেও জানতে হয়। ফলভারে নত ডাল যেমন নিজের কৃতিত্ব প্রচার করে না, তেমনি প্রকৃত জ্ঞানী মানুষও নিজের মহত্ত্ব জাহির করেন না; বরং তাঁর আচরণেই তা প্রকাশ পায়। আপনার এই ভাবনাটি মনে করিয়ে দেয়, অহংকার মানুষকে অন্যের থেকে বিচ্ছিন্ন করে, আর বিনয় তাকে সৃষ্টির বৃহত্তর সৌন্দর্যের সঙ্গে একাত্ম করে। প্রকৃতির ছবি যখন অন্তরের দরজা খুলে দেয়, তখন তা আর নিছক ছবি থাকে না—জীবনকে নতুন করে দেখার এক নীরব দর্শন হয়ে ওঠে। সুন্দর এই উপলব্ধির জন্য আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভকামনা।
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৬০
আমার মন্তব্যঃ আপনাকে ও অসংখ্য ধন্যবাদ এত্ত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য। সেদিন পথে যেতে কয়েকটি বৃক্ষের অবস্থা দেখে এরকম চারটি বিষয়ের ওপর ভাবনা এসেছে। দুটি লিখেছি। আরো দুটি লিখব ছবি ব্লগ শিরোনামেই।
No comments:
Post a Comment